ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

তালা ভেঙ্গে মারধরে ছাত্রলীগ নেতা পিস্তল শামীমের মৃত্যু, ছাত্রদলের ৫ জন শনাক্ত 

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৫:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক
তালা ভেঙ্গে মারধরে ছাত্রলীগ নেতা পিস্তল শামীমের মৃত্যু, ছাত্রদলের ৫ জন শনাক্ত 

জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নিরাপত্তা অফিসের কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙ্গে গণপিটুনিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম মোল্লা ওরফে পিস্তল শামীমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও থেকে প্রাথমিকভাবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৫ জনকে শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন- সাঈদ হোসেন ভুঁইয়া, রাজু আহমেদ এবং রাজন হাসান,  হামিদুল্লাহ সালমান এবং এম এন সোহাগ।
সাঈদ হোসেন ভুঁইয়া ৩৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া রাজু আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও রাজন হাসান ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, হামিদুল্লাহ সালমান ইংরেজি ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও এমএন সোহাগ কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
নিরাপত্তা কার্যালয়ের ভেতরে চেক শার্ট পরিহিত অবস্থায় শামীমকে পেটাচ্ছেন আরেকজন। এসময় তার হাতে গাছের ডাল দেখা গেছে। এ দিয়েই পিটিয়েছেন তিনি। তাকে রাজু আহমেদ বলে শনাক্ত করা গেছে।
এছাড়া রাজন হাসানের গায়ে হাফ হাতা লাল রংয়ের শার্ট দেখা গেছে। হামিদুল্লাহ সালমানের গায়ে হাফ হাতা শার্ট পরিহিত অবস্থায় ও সোহাগের গায়ে সাদা টি শার্ট ও চশমা পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়,  জিন্স প্যান্ট ও শার্ট পরিহিত অবস্থায় শামীমকে মারধর করছেন সাঈদ হোসেন ভুইয়া।
এসময় তার সাথে থাকা বাকিদের শনাক্তের চেষ্টা চলমান রয়েছে।
মারধরের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সাঈদ বলেন, কেউই হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে মারধর করে নি। একজন সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আমি দেখতে গিয়েছিলাম। আর একজন মানুষ যিনি হেঁটে পুলিশের গাড়িতে গেছে আর কিছুক্ষণের মধ্যে মারা গেছেন এর রহস্য উদঘাটন করা জরুরি।
এ বিষয়ে রাজু আহমেদ বলেন, ’আমি সাধারণ শিক্ষার্থীদের থেকে শোনার পর সেখানে গেছিলাম। সেখানে গিয়ে আমি শামীমকে ধমক দিই, তাকে মারধর করিনি।’
রাজন হাসান বলেন, ’আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম কিন্তু মারার জন্য সেখানে যায়নি।যারা তালা ভাঙার চেষ্টা করছিল তাদের আমি নিষেধ করেছিলাম।’
এবিষয়ে হামিদুল্লাহ সালমান বলেন, ’আমি সন্ধ্যায় হলে ছিলাম। পরে খবর পেয়ে প্রক্টর অফিসে যায় কিন্তু শামীম মোল্লাকে মারধর করিনি।’
এবিষয়ে সোহাগ বলেন, ’আমি টিউশন থেকে ফেরার পথে হ‌ইচ‌ই দেখে সেখানে গেছিলাম কিন্তু মারধর করিনি।’
এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক  রাশিদুল আলম বলেন, আমরা  এই বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে,  সুষ্ঠ তদন্ত শেষে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো
এর আগে, বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ শিক্ষার্থীকে প্রান্তিক গেট এলাকায় দেখতে পেয়ে তাকে গণধোলাই দিতে চান।  খবর পেয়ে কিছু শিক্ষার্থী উপস্থিত হলে অন্যরা আরও বেশি উদ্যত হয়। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা শামীমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে আসে। সাবেক শিক্ষার্থী হওয়ায় প্রক্টরিয়াল বডি পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ প্রায় ৩ ঘন্টা পর প্রক্টর অফিসে আসে। এরইমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী চলে আসে। প্রক্টরিয়াল টিম কয়েকবার চেষ্টা করেও আটকাতে ব্যর্থ হয়।
পরে রাত সোয়া আটটার দিকে পুলিশ আসলে শামীমকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। রাত সাড়ে এগারোটার দিকে জানা যায়, শামীম মারা গেছেন। যদিও পুলিশ বিষয়টি রাত বারোটার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৫ জুলাই রাতে উপাচার্যের বাসভবনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও গুলিতে তিনি মূল হোতা ছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া বহিরাগত ভাড়া করে নেওয়াতেও তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।
এর আগে, মাদকসংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে একাধিকবার গুলি ও হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত তিনি। সাভার-আশুলিয়াতে  এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব ছিল তার। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে তার কর্মকান্ডের জন্য ৫ আগস্টের পর আশুলিয়া থানায় তার নামে ৪টি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঢাবি সাংবাদিক সমিতির ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৪:৫২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ঢাবি সাংবাদিক সমিতির ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

     ঢাবি প্রতিনিধিঃ ৩৮ বছর পূর্ণ করে ৩৯ বছরে পা রাখলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অবস্থিত অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া কক্ষে কেক কেটে এবং আনন্দ র‍্যালির মাধ্যমে ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নিয়াজ আহমেদ খান।
    ডুজার সাধারণ সম্পাদক মুহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সভাপতি আল সাদী ভুঁইয়া। সমিতির অন্যান্য সদস্যরাও এতে উপস্থিত ছিলেন।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, 'এটি অত্যন্ত আনন্দের যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি ৩৮ বছর পূর্ণ করে আজ ৩৯ তম বর্ষে পদার্পণ করলো। বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে সাংবাদিকতা পেশার ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি নিঃসন্দেহে একটি পথিকৃত প্রতিষ্ঠান।
    জুলাই বিপ্লবে সাংবাদিক সমিতি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছে।আমরা কঠিন একটি সময় অতিক্রম করছি।সবকিছু নতুন করে আবার চালু করতে হয়েছে।
    আমাদের ভুলত্রুটি থাকতেই পারে। আমরা ভুল গুলো শুধরে নিয়ে সামনে কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো সুশৃঙ্খল করা যায় সেটি নিয়ে কাজ করবো।
    এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ -উপাচার্য অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে সাংবাদিকত সমিতি ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেছে। আমরা জুলাই বিপ্লবে সাংবাদিক সমিতিকে দেখেছি তারা যেভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেছে সেটি সত্যি প্রশংসনীয়। আমি অনুরোধ করবো তারা যেন সত্য প্রকাশের এর যাত্রা অব্যাহত রাখে।
    প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সালের আজকের এই দিনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি জাতীয়ভাবে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও আস্থার সংগঠন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে সংগঠনটি। ডুজার প্রতিটি সদস্য সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা, পেশাদারিত্ব ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে সাহসের সাথে সত্য প্রকাশ করে যাচ্ছে। নানা প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে আপসহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। সংগঠনটি দেশ ও জাতির বিভিন্ন সংকটেও রেখেছে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সৈরাচার পতনের চল্লিশা উপলক্ষে ইবির শেখ রাসেল হলে গরু অভিযান

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৪:১৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      সৈরাচার পতনের চল্লিশা উপলক্ষে ইবির শেখ রাসেল হলে গরু অভিযান

      ইবি প্রতিনিধি: সৈরাচার হাসিনার পতনের চল্লিশা উপলক্ষে গরু অভিযান ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শেখ রাসেল হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সাকসেস’ ভর্তি কোচিংয়ের সহযোগিতায় এই নৈশভোজের আয়োজন করা হয়

      বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হলের ছাদে এই নৈশভোজের আয়োজন করেন শিক্ষার্থীরা। এতে হলের বিভিন্ন বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের ২ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

      আয়োজকরা জানান, এই নৈশভোজ শুধুমাত্র খাবারের আয়োজন নয় বরং এর উদ্দেশ্য  হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি,  ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন ঘটানো। এই আয়োজন  স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়িয়ে দেয় এবং যাতে ভবিষ্যতে দেশে কখনো স্বৈরাচারের জন্ম না হয় সেই বার্তা বহন করে। এসময় গরু অভিযান ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজনে হলের শান্তি বজায় রাখতে সিনিয়র শিক্ষার্থীরা দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

      এছাড়া বিভিন্ন কার্যক্রমের উদ্যোগ হিসেবে খেলাধুলা, বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞান চর্চা ও প্রতিভার বিকাশ ঘটবে এমন নিয়মিত আয়োজন করার জন্য মতামত পেশ করা হয়। হলের রিডিং রুম, ডিবেট রুম, গেম রুমের জন্য নতুন রমের ব্যবস্থা করা, মসজিদের মাইক স্থাপন, মাদক নির্মুল, বৈষম্যহীনভাবে যৌক্তিকভাবে হলের সিট বন্টন ও সিনিয়র- জুনিয়র সম্পর্ক বৃদ্ধির ব্যাপারে জোরালো আলোচনা হয়েছে৷

      প্রসঙ্গত, গত শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগেও 'খুনি হাসিনার চল্লিশা' ভোজ আয়োজিত হয়। এতে বিভাগটির সকল শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        রাবির শেরে-বাংলা হলে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৪:১০
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        রাবির শেরে-বাংলা হলে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার

        রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শেরে-বাংলা ফজলুল হক হলে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ ও হল প্রশাসনের যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
        জানা গেছে, যৌথ অভিযানে হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযান চলাকালে ওইসব কক্ষ থেকে চাকু, রামদা, রড, লোহা, লোহার পাইপ, জিআই পাইপ, বিদেশি মদের বোতল, গাঁজা, হেলমেট, বিকৃত যৌনাচারে ব্যবহৃত জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী কনডম, মেয়ে জামা, বাঁশের লাঠিসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়।
        এ সময় শেরে-বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষক এবং উর্দু বিভাগে চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এ হলে হল শিক্ষকের রুম থেকে শুরু করে হলের ইমাম, গেস্ট রুম অডিটরিয়ামে দখল করে রেখেছিল তারা। এগুলো হলে জঘন্য ব্যাড প্র্যাকটিস হয়েছিল। হলে ফার্স্ট ইয়ারের স্টুডেন্ট থেকে মাস্টার্সের স্টুডেন্ট থাকার সুযোগ পায় না। এই বৈষম্যের মুল উৎপাটন করা হবে।
        এখানে মেধার চর্চা করা হবে, নৈতিকতার চর্চা করা হবে, যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হবে। এখানে কোনো অছাত্র, কোনো গুন্ডা, কোনো মাস্তানের এ হলে থাকার সুযোগ পাবে না। আমরা যে সিট বরাদ্দ দেবো সেখানে যোগ্যতা, মেধার আলোকে এবং শিক্ষার্থীদের মেরিটের আলোকে মূল্যায়ন করা বলেও জানান তিনি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          যুবককে হত্যার পর হল ছেড়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৩:১৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          যুবককে হত্যার পর হল ছেড়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

          ঢাবি প্রতিনিধিঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের অনেক শিক্ষার্থী হল ছেড়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় শিক্ষার্থীদের ব্যাগ নিয়ে হল ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
          বৃহস্পতিবার সকালে ফজলুল হক মুসলিম হলে গিয়ে দেখা যায়, পুরো হলে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা রুমের দরজা বন্ধ করে ভেতরেই অবস্থান করছেন। সাড়ে ৯টার পর শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেন। এ সময় তাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
          হলের একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হলে টুর্নামেন্ট চলছে। বুধবার দুপুরে খেলার সময় ৬টি মোবাইল ও চারটি মানিব্যাগ চুরির ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই তোফাজ্জলের এমন পরিণতি হয়ে থাকতে পারে।
          নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে ফজুলল হক মুসলিম হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার সকালে দ্যা রাইজিং ক্যাম্পাসকে বলেন, 'বুধবার একটি ব্যাগে ৬টি মোবাইল ও ৪টি মানিব্যাগ রাখা হয়েছিল। ব্যাগটি কমেন্ট্রি বক্সের পাশে রাখা হয়। সেখান থেকে কে বা কারা ব্যাগটি চুরি করে নিয়ে যায়।
          ২০১৮-১৯ সেশনের এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, 'আমরা গেস্টরুমে গিয়ে দেখি একজনকে পেটানো হচ্ছে। দুপুরে চুরির ঘটনায় হলের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হয়েছে। যাকে মারধর করা হচ্ছিল তার সঙ্গে চোরের চেহারার কোনো মিল ছিল না। তবুও তাকে কেন পিটিয়ে হত্যা করা হলো বিষয়টি আমাদের কারোই বোধগম্য নয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। দোষী যেই হোক না কেন তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।'
          এদিকে চোর সন্দেহে ভারসাম্যহীন তরুণকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় জড়িতদের কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার সকালে দ্যা রাইজিং ক্যাম্পাসের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
          রাত ১০টার দিকে হলের হাউস টিউটররা ঘটনাস্থলে গেলে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে ওই শিক্ষার্থীরা সেখানে রেখেই সরে যায়।
          জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক বলেন, নিহতের লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শাহবাগ থানা থেকে পুলিশ এসেছিল। পরবর্তী কার্যক্রম তারাই এগিয়ে নেবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত