শিরোনাম
ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এসব নিয়োগের ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ও সমাজর্কম বিভাগের সাবেক চেয়রাম্যান অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তাকে সাময়িকভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমকে।
নবনিযুক্ত উপাচার্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাদে সবাই চার বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন।
বাকৃবিতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের মূল্যায়ন শীর্ষক সেমিনার
বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত টেকসই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জৈব প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের মূল্যায়ন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বাকৃবির কৃষি অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে ওই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্যের কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের শিক্ষক ও গবেষক ড. থমাস হেস্টিংস। তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত টেকসই চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে বৃহৎ জনসংখ্যার খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বাংলাদেশের বৃহৎ জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে এবং টেকসই খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জৈব প্রযুক্তির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই গবেষণার মাধ্যমে জৈব প্রযুক্তির(সৌর বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ) চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের (বায়োগ্যাস) গুরুত্ব মূল্যায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে খাদ্য ও কৃষির জৈব বর্জ্য বিকল্প শিল্পে রূপান্তরিত হতে পারবে, যার দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা পুনঃব্যবহারযোগ্য অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখবে।’
এ গবেষণা কার্যক্রমটি কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্ট ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে দুই বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প। এতে গবেষণা প্রধান হিসেবে কাজ করবেন কুইন্স ইউনিভার্সিটির সিনিয়র লেকচারার ড. থমাস হেস্টিংস। সহযোগী গবেষক হিসেবে রয়েছেন কুইন্স ইউনিভার্সিটির সিনিয়র লেকচারার ড. পল এন উইলিয়ামস।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাব্বানী। সভাপতিত্ব করেন বাকৃবির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম। এছাড়াও সেমিনারে বাকৃবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারের সূচনা বক্তব্য তুলে ধরেন বাকৃবির মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন সুমন। সেমিনারে বক্তারা জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার ও এর টেকসইতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, ‘বাংলাদেশে জৈব প্রযুক্তি ব্যবহারে রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় ভূমিকা থাকা জরুরি। এটি খাদ্য উৎপাদন এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখতে পারে। গবেষণার মাধ্যমে বায়োগ্যাস উৎপাদন, কম্পোস্টিং ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যা বাংলাদেশের গ্রামীণ শিল্প বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।নতুন সভাপতি পেল ইবির ৫ বিভাগ
ইবি প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৫ বিভাগে সভাপতিদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় উক্ত বিভাগগুলোর নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিভাগগুলো হচ্ছে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এবং সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ার।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসানের দায়িত্ব পালন করা উপ রেজিস্টার ড. ওয়ালিউর রহমান সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। এর আগে বিভাগগুলোতে নতুন সভাপতি নিয়োগ করে অফিস আদেশ জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
অফিস আদেশ অনুসারে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিফা কাফী এবং সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছাঃ আসমা সাদিয়া রুনা নতুন সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন।
অফিস আদেশে উল্লেখিত বিভাগের সভাপতিদের মেয়াদ আগামী ২০/৯/২৪ তারিখে শেষ হবে উল্লেখ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সংবিধির সংশোধিত ১০ (১) ধারা মোতাবেক ২১/০৯/২০২৪ তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য উক্ত ৫টি বিভাগে নতুন ৫ জন শিক্ষককে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এরমধ্যে সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার বিভাগের পরবর্তী সিনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক মমতা মোস্তারী মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় তার পরবর্তী সিনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক মোছাঃ আসমা সাদিয়া রুনা এবং ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরবর্তী সিনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক বনানী আফরীন শিক্ষাছুটিতে থাকায় এবং তার সিনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক বিলাসী সাহা অপারগতা প্রকাশ করায় তার পরবর্তী সিনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরীক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে বাকৃবি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী
বাকৃবি প্রতিনিধি: শিক্ষার্থী নির্যাতন, জুলুম এবং বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্যাম্পাসে পরীক্ষা দিতে এসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের ৩ জন নেতা-কর্মী।
শিক্ষার্থীদের তোপের শিকার হওয়া ছাত্রলীগের তিনজন নেতা-কর্মী হলেন বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হলের সভাপতি পদপ্রার্থী রাহিমুল ইসলাম শুভ, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সাবেক উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ওয়াসি-উজ জামান সোহাগ এবং বেগম রোকেয়া হলের ছাত্রলীগ কর্মী ও বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী তানজিলা মোবাশ্বেরা স্বর্ণালী।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ভেটেরিনারি অনুষদের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে ওই নেতা-কর্মীদের ঘিরে ধরেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা পূর্বে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থী নির্যাতনের সাথে জড়িত ছিলেন।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগের ওই ৩ জনই ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থী। ওইদিন তাদের ক্লাস টেস্ট পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষায় অংশ নিতে তারা ক্যাম্পাসে এলে শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের সম্মুখীন হন।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে ছাত্রলীগের সোহাগ পরীক্ষা দিতে এলে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন। পরে নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের কাছে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। সোহাগ ক্ষমা চাইলে শিক্ষার্থীরা তাকে ছেড়ে দেন। তবে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন পরীক্ষা শেষে দুপুর ১২টার দিকে রাহিমুল ইসলাম শুভ ও তানজিলা মোবাশ্বেরা স্বর্ণালী তাদের মায়ের সঙ্গে ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. পূর্বা ইসলামের কক্ষে আশ্রয় নেন এবং দরজা আটকে দেন।
সেসময় অধ্যাপক পূর্বা রুমে ছিলেন না। শিক্ষার্থীরা কক্ষের বাইরে অবস্থান নেন এবং শুভকে বের হতে বলেন। তারা বের না হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত হন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন শুভকে তার কৃতকর্মের শাস্তি পেতেই হবে এবং ছাত্রলীগের কেউ ক্লাস বা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। আগে তাদের বিরুদ্ধে গণতদন্ত হবে, যারা নির্দোষ প্রমাণিত হবে তারাই ক্লাস-পরীক্ষা দিবে। বাকিদের শাস্তি পেতে হবে।
পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে শুভকে প্রক্টরের গাড়িতে করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। গাড়িতে ওঠার সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা তাকে মারধর করেন। তবে স্বর্ণালী ও তার মাকে সেসময় ছেড়ে দেওয়া হয়।
শুভর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা জানান, তিনি শিবির বা ছাত্রদল ট্যাগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়েছেন। একাধিক শিক্ষার্থীকে হয়রানি এবং জুলুমের কারণে হলের শিক্ষার্থীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীরা সোহাগের বিষয়ে বলেন, সে কিভাবে নির্যাতন করেছে হলের সকলেই জানে। আমরা তাকে কিছুই বলি নাই, শুধু মাফ চাওয়ানো হয়েছে। তাকে বুঝানো হয়েছে ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়।
এছাড়া বেগম রোকেয়া হলে একক আধিপত্য এবং শিক্ষার্থী হয়রানির জন্যে স্বর্ণালীর উপর ওই হলের শিক্ষার্থীদের প্রচন্ড ক্ষোভ রয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল আলীম বলেন, প্রক্টর হিসেবে সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কাজে এসেছিলো। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ থাকায় শিক্ষার্থীরা তাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করে আমরা তাদের ক্যাম্পাসের বাইরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেই।
ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা না জানাতে অনুরোধ জবি উপাচার্যের
নাইমুর রহমান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রেজাউল করিমকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন না জানাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে এ অনুরোধ জানানো হয়।
এ বিষয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য বলেন, সবাই শুভেচ্ছা জানাতে সতে পারবেন। কাউকে কোনো নিষেধ নেই। কিন্ত ফুল না নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ থাকবে।
তিনি আরো বলেন, অনেক ত্যাগের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে, অনেক রক্ত ঝরেছে, আবার বন্যাও হলো। অনেক ত্যাগের মাধ্যমে এই স্বাধীনতা। সেজন্য আমাদের খেয়াল রাখতে হবে শুভেচ্ছা জানানোটা যেন সেলিব্রেশনের পর্যায়ে চলে না যায়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য