শিরোনাম
রাবি ডিবেটিং অর্গানাইজেশনের নেতৃত্বে মেহেদী-রায়হান
রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং অর্গানাইজেশনের (রুডো) ২০২৪-২৫ সেশনে ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান খানকে সভাপতি এবং একই বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ মে) রাতে রুডোর উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের প্রশাসক সাদিকুল ইসলাম নতুন এই কমিটি অনুমোদন করেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি অরিত আহসান ওহি, মোজাহিদুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ বিন আয়াতুল্লাহ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানতাসা আমিন অরণি, জুঁই আক্তার ও কাউসার আহমেদ। সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পিউ ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিশাদ ইসলাম। অর্থ সম্পাদক নিশাত তাসনিম মৃদুলা ও সহ-অর্থ সম্পাদক সানজিদা ইসলাম সানিয়া। প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সন্ধি, সহ-প্রচার সম্পাদক বিল্লাল হোসেন। বিতর্ক ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তিশান। দপ্তর সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক সোহাগ হোসেন। শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক কামরুল হোসেন।
এছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন- সৈকত বিশ্বাস, নূর নবী ও মিজানুর।রহমান কণিক।
নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে রুডোর উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের প্রশাসক সাদিকুল ইসলাম বলেন, বিতর্ক অঙ্গনে রুডো বেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আশা করছি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে গোটা বাংলাদেশ থেকে রুডোর বিতার্কিকরা শিরোপা ছিনিয়ে আনবে। রুডোর উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
উল্লেখ্য, রুডো ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরের বছরই জাতীয় পর্যায়ে ১১টি শিরোপা অর্জন করেছে। সর্বশেষ কুষ্টিয়া বঙ্গীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায়ও চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন করে।
নতুন প্রক্টর পেতে যাচ্ছে মাভাবিপ্রবি
মো.জাহিদ হোসেন, মাভাবিপ্রবিঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ দিন ধরে চলমান প্রক্টরের পদত্যাগসহ ২১দফার আন্দোলনের সমাধানের লক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.মো.ফরহাদ হোসেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসেন।
২১দফা দাবি আদায়ের লক্ষে গত সোমবার থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস,পরীক্ষা সহ সকল প্রকারের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে ভিসি স্যার দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে বৃহস্প্রতিবার সকাল থেকে সব কিছু সাময়িক সময়ের জন্য স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়।
৩০ই মে রোজ বৃহস্প্রতিবার ভিসি কার্যালয়ে সন্ধ্যা ৬টা রাত ১০টা পৰ্যন্ত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়। সেখানে বিভিন্ন দাবি পূরণের বিষয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন দাবিগুলো একে একে তুলে ধরেন। মাননীয় ভিসি মহোদয় বলেন, "আমরা আমাদের সাধ্যানুযায়ী সবগুলা দাবি পূরণের চেষ্টা করবো। যেগুলো দ্রুত পূরণ করা সম্ভব সেগুলা দ্রুত পূরণের চেষ্টা করবো। আর দীর্ঘমেয়াদি দাবিগুলোর বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।"
আলোচনায় তিনি শিক্ষার্থীদের অল্প সময়ের ভিতরে নতুন প্রক্টর দেওয়ার ওয়াদা করেন। দাবি পূরণের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা সবকিছু স্বাভাবিক করে দেয়।
আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো.মোজাম্মেল হক সহ বিভিন্ন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী,আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
৪৬ হাজার শিক্ষকের ‘ভাইভা’য় বাধা নেই, তদন্ত শেষের আগে ফল প্রকাশ নয়
প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছেন আজ চেম্বার আদালত তা স্থগিত করে দিয়েছেন। ফলে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
তবে পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনা তদন্তে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন আদালত। আদালত বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোরসেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল আলম। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
এর আগে, গত ২৮ মে ৪৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন।
সেদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
ব্যারিস্টার সুমন ওইদিন গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস হয়েছিল। আর এই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে অনেকে পরীক্ষা দিয়েছে। এরইমধ্যে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার ফলও প্রকাশিত হয়েছে। এ কারণে পরীক্ষার প্রকাশিত ফল নিয়ে প্রশ্ন উঠে। প্রশ্নফাঁস হওয়ার ঘটনার তদন্ত ও পরীক্ষা প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকজন পরীক্ষার্থী।
সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের ক্লাস্টারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এরপর ২২ মার্চ ২য় ধাপে রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ১৭ জুন ৩য় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৭০০, দ্বিতীয় ধাপে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৩৮ এবং তৃতীয় ধাপে ৩ লাখ ৪০ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন।
পহেলা জুন বাকৃবিতে উদযাপিত হবে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ আগামী পহেলা জুন (শনিবার) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দশম বারের মতো উদযাপিত হবে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের গুরুত্ব বিশে্বর মানুষের কাছে তুলে ধরা এবং দুধ উৎপাদনের ব্যাপারে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করে ডেয়রি শিল্পের প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হয়। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বাকৃবির ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থিত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের মোট প্রায় ১হাজার ৬শত শিশুকে দুধ পান করানো হবে। পাশাপাশি বর্ণাঢ্য র্যালি ও পরে আলোচনা সভারও আয়োজন করা হবে।
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসকল কথা বলেন বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও বাকৃবির ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রানা সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিম্যাল হাজবেন্ড্রী অনুষদের সভাকক্ষে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ড. সোহেল রানা সিদ্দিকী আরও বলেন, আমাদের দেশে প্রতিবছর ১৪ দশমিক ০৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন দুধ উৎপাদিত হয়, যেখানে দুধের চাহিদা ১৫ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন। একজন ব্যক্তির দৈনিক দুধের চাহিদা ২৫০ মিলিলিটারে বিপরীতে দেশের মানুষের গড় প্রাপ্যতা ২২১ দশমিক ৮৯ মিলিলিটার। যা পাশ্ববর্তী অন্যান্য দেশের তুলনায় কম। তাই দুধের ঘাটতি পূরণে প্রতিবছর প্রায় চার হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করতে হয়। আবার দেশে দুধের উৎপাদন যতটুকু আছে সেটুকুও গ্রাহক এবং শিল্প পর্যায়ে সঠিকভাবে পৌঁছায় না। তাই দুধের সঠিক সরবরাহের ক্ষেত্রে খামারী পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করে সকলের কাছে দুধের পুষ্টি পৌছে দেওয়ার লক্ষেই বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের এবারের আয়োজন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ২০১৩ সাল থেকে প্রতি বছর পহেলা জুন বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপনের এবারের প্রতিপাদ্য ‘বিশে্বর মানসম্পন্ন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করাতে ডেয়রি শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ ।
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বয়ক ও ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাসুম, ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রায়হান হাবিব, এবং সহকারী অধ্যাপক মো. সাদাকাতুল বারি প্রমুখ।
এসময় ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রায়হান হাবিব বলেন, সুষম খাদ্যের পাশাপাশি দুধকে পথ্য হিসেবেও গণ্য করা হয়। দেহের পুষ্টিসাধনের পাশাপাশি মস্তিষ্কের ক্ষয়রোধ, হাড়ের গঠন ও ক্ষয়রোধে গুরুত্বপূর্ণ পথ্য হলো দুধ। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো আমাদের মধ্যে দুধ পানের অভ্যাস কমে যাচ্ছে। এর মূল কারণ হলো সচেতনতার অভাব। পাশাপাশি ভালো জাতের দুধেল গাভীর অভাব, গো-খাদ্যের স্বল্পতা, গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও বাজারজাতকরণ সমস্যার জন্য খামারিরা হিমশিম খাচ্ছে।
এসময় ড. মো. হারুন-অর-রশিদ বলেন, দুধ প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ খাদ্য। দুধ, দুগ্ধজাত পণ্য, ডিম ও মাংস বেশি খেলে ভাতের ওপর চাপ কমে আসবে। পুষ্টি সমৃদ্ধ স্বয়ংসম্পূর্ণ আদর্শ খাদ্য হিসেবে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বেশি বেশি দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য গ্রহণে উৎসাহিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধিই এবারের দুগ্ধ দিবসের উদ্দেশ্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুবি শিক্ষক সমিতির আনন্দ র্যালি
কুবি প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো আয়োজন না করলেও আনন্দ র্যালি করে দিনটি উদযাপন করেছে শিক্ষক সমিতি।
মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র্যালি বের হয়ে হয়ে ভিসি বাংলোর সামনে থেকে ঘুরে এসে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়।
এ সময় শিক্ষক সমিতি সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, বিগত কয়েক শতক ধরে এই অঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে যে একটা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বপ্ন ছিল, তারই ধারাবাহিকতায় ১৮ বছর আগে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়। ২৮ মে এই অঞ্চলের সব থেকে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা দিবস। অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবের দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নির্বিকার।
তিনি আরও বলেন, তারা এখন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। তারা চিঠি দিয়ে যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে, তা নিন্দা জানানো ছাড়া আমাদের আর কোন ভাষা নেই। তবে এটি আনন্দের বিষয় যে, আজকের দিনটি সন্ত্রাসী উপাচার্য মঈন ছাড়া উদযাপন করছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।
এসময় শিক্ষক সমিতি সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কাজী কামাল উদ্দিন বলেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয় কে মনে ধারণ করেন, তারা আজকের মতো দিনে উপস্থিত থাকতো। কিন্তু সন্ত্রাসী উপাচার্যের কারণে আজকেই দিনটি জমকালো আয়োজনে উদযাপন করা হয়নি। উপাচার্য বিতাড়িত না হওয়ার পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনের জন্য কমিটি কেন গঠন করা হয় নাই এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড এএফএম আবদুল মঈন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউ নাই, সেজন্য উদযাপন কমিটি গঠন করা হয় নাই। বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হলে একটা নিদিষ্ট দিনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে।
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অচল অবস্থার উল্লেখ করে গত ২৭ মে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হবে না বলে জানানো হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য