ঢাকা, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ২৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দুই দিন ধরে অন্ধকারাচ্ছন্ন পবিপ্রবি, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ মে, ২০২৪ ১৭:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই দিন ধরে অন্ধকারাচ্ছন্ন পবিপ্রবি, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

পবিপ্রবি প্রতিনিধি: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একটু বাতাস হলেই থাকেনা বিদ্যুৎ। শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই এমনটা বার বার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

গত সোমবার ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডব পটুয়াখালী জেলাসহ বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলায় আঘাত হানে। অথচ পবিপ্রবি ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহ রোববার রাত থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পবিপ্রবি ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

পবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর রয়েছে। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলোতে জেনারেটর চালিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় না। অথচ প্রতিটি শিক্ষার্থী জেনারেটর বিল বাবদ ১৫০ টাকা ফি প্রদান করে থাকেন। ফি দিলেও বছরের পর বছর শিক্ষার্থীরা জেনারেটরের সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানাজায়, " যে জেনারেটর ও বিদ্যুৎ সরবরাহের কেবল রয়েছে তা কৃষি কলেজ আমলের। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরে কোন জেনারেটর বা সরবার স্থাপন করা হয় নাই। "

দুর্যোগ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় পবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা, গোসল, খাওয়া-দাওয়া সবকিছুতেই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। আবাসিক হলগুলোতে দেখা দিয়েছিল পানি সংকট এবং খাদ্যাভাব। এমনকি ছিলনা কোনো আলোর ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ এর বিকল্প হিসেবে জেনারেটর থাকার পরেও শিক্ষার্থীদের এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে কেন প্রশ্ন হাজারো শিক্ষার্থীর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “রবিবার রাত আনুমানিক ২টার পর থেকে হলে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে হলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর গোসল এবং খাওয়া-দাওয়ায় বেগ পোহাতে হয়েছে। অনেকে বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে খেয়েছেন। এমন ভয়াবহ দুর্যোগে যখন সারাদেশজুড়ে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল সেখানে পবিপ্রবি প্রশাসন ছিলেন নীরব দর্শকের মতো।”

২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুব আলম জয় বলেন, “আমার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। বিদ্যুৎ না থাকায় খাওয়া-দাওয়া ও পড়ালেখা থেকে শুরু সবকিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও আমরা একটু বাতাস বা বৃষ্টিতেই বিদুৎহীন অবস্থায় পড়ি। এই ছোট্ট একটি ক্যাম্পাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদুৎ সরবরাহ করতে প্রশাসন বৈদুতিক লাইনগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে এখনো কোনো উদ্যোগ নেন নি। যা খুবই দুঃখজনক।” বিদ্যুৎ বা জেনারেটরের সরবরাহের জন্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রতি হলে নিজস্ব জেনারেটরের দাবি জানিয়ে বলেন, " আমরা শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ টাকা জেনারেটর এর ফি দেওয়া সত্ত্বেও জেনারেটর সুবিধা পাচ্ছি না। রিমেল জন্য পল্লী বিদ্যুৎ না থাকায় দুই ধরে ছাত্রবাসে বিদ্যুৎ নাই। বিদ্যুৎ না থাকায় বাথরুমে পানি নাই, শিক্ষার্থীরা সারা রাত অন্ধকারে ছিলো। ৷ আমাদের ফি দিতে একদিন দেরি হলে পরিক্ষা দিতে দেওয়া হয় না। কিন্তু দুইদিন ধরে জেনারেটর চালানো হচ্ছে না, অনেক অনুষদের পরিক্ষা চলছে। জেনারেটর না চালাতে পারলে ফি নেওয়া বন্ধ করুক।

প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়র মোঃ ইউনুস শরীফ বলেন, "বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্ব যে রয়েছে তার সাথে কথা বললে ভলো হবে, প্রধান প্রকৌশলী আসলে জেনেরেটর দায়িত্ব না৷ " দায়িত্বে কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "জেনারেটর পরিচালনার জন্য একটা কমিটি রয়েছে তারা জেনারেটরের সকল কিছু পরিচালনা করে।"

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (আ.দ.) ড. সন্তোষ কুমার বসু বলেন, " প্রয়োজনীয় মেরামতের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নতুন ১১কেবি ক্ষমতা সম্পন্ন জেনারেটর কেনার জন্য টেন্ডার করা হয়েছে।"

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইবিতে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিল্পোদ্যোগের প্রভাব শীর্ষক ক্ষুদ্র প্রশিক্ষণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৯ মে, ২০২৪ ১৬:৪১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ইবিতে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিল্পোদ্যোগের প্রভাব শীর্ষক ক্ষুদ্র প্রশিক্ষণ

    ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিল্পোদ্যোগের প্রভাব শীর্ষক ক্ষুদ্র প্রশিক্ষণ। বুধবার (২৯ মে) পরমানু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নং কক্ষে বায়োটেকনোলজি এবং জেনেটিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদোগে প্রশিক্ষণটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলো আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, ইনোভেশন ডিজাইন এন্ড এন্ট্রাপ্রেনরশীপ একাডেমি (আইডিইএ), স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ, ওয়ান বাংলাদেশ।

    বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা জামালের সঞ্চালনায় জীববিজ্ঞান অনুষদের ডীন ও ওয়ান বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। সম্মানিত অতিথির ভূমিকায় ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন ঝিনাইদহের রায়ান পার্ল হার্বার'র পরিচালক ড. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কেরু এন্ড কোং এর ম্যানেজার আব্দুল হালিম সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শতাধিক শিক্ষার্থী। এছাড়াও অনলাইনে যুক্ত ছিলেন আইডিইএ'র হেড অব অপারেশন সিদ্ধার্থ গোস্বামী।

    এসময় বক্তারা শিল্পোদ্যোগ নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরেন। একজন উদ্যোক্তা তার উদ্যোগের মাধ্যমে কিভাবে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারেন বক্তব্যেত প্রধান আলোচনায় তা উঠে আসে। ক্ষুদ্র এই প্রশিক্ষণ শেষে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য আসলে আজকের এই অনুষ্ঠানটা বিজ্ঞানের মানু্ষদের না। আজকের অনুষ্ঠানটা হচ্ছে সৃজনশীল মানুষদের। বাংলাদেশ সরকারের চেষ্টা হচ্ছে এই সাধারণ শিক্ষার যে দিকটা উপেক্ষিত ছিলো আমাদের কারিগরি শিক্ষা। যেখানে একসময় ৩/৪% ইনরোলমেন্ট ছিলো। সেই ইনরোলমেন্ট হয়তো এখন ২০%। কারণটা হচ্ছে আমরা আগে চাইতাম জাতিকে শিক্ষিত করতে কিন্তু এখন আমাদের মানুষকে শিক্ষিত এবং কাজ করে খেতে পারে এবং কারিগর দুটোতেই লক্ষ্য রাখতে হবে এবং আজকের শিক্ষার উদ্দেশ্য জ্ঞানের পাশাপাশি করে খাওয়া নিজেদেরকে চাকরী খোঁজার জায়গাটা থেকে বেরিয়ে এসে চাকরী দেয়ার জায়গাটায় নিজেদের তৈরি করা। দেয়ার জায়গায় তৈরি করতে হলে প্রয়োজন উদ্যোক্তা স্কিল সম্পন্ন। আগে আমরা এটা ভাবতাম না।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের জাতিকে যদি আপনার ৪১ এর দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় তবে এই প্রজন্মের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। ২০০৮-০৯ সালের দিকে কালো মেঘ ছিলো আমাদের দেশে। এখন সমৃদ্ধির দিকে যেতে লাগলো, উন্নতির দিকে যেতে লাগলো। এইটাকে আরো বেগবান করতে দরকার আমাদের তিনটি জিনিস। টিচিং, ট্রেইনিং এবং টেকনোলজি। এই তিনে মিলে সমন্বয় তৈরি করতে পারলেই স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করা সম্ভব।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাবিপ্রবির গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আজহার ছুটি ১৬ দিন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৯ মে, ২০২৪ ১৪:৫৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      রাবিপ্রবির গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আজহার ছুটি ১৬ দিন

      রাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও পবিত্র ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে ১৬ দিন ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

      মঙ্গলবার (২১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার মোহাম্মদ ইউসুফ এর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

      বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে আগামী ৯ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস বন্ধ থাকবে।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৯ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত বন্ধ হলেও ৭,৮,২১ ও ২২ জুন শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ থাকায় আরও ৪ দিন অতিরিক্ত ছুটি থাকবে। সবমিলিয়ে ১৬ দিন ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

      এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, "১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত  ৩ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস বন্ধ থাকবে।"

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জাবিতে নির্জন পুকুরপাড়ে ডেকে নিয়ে জুনিয়রদের র‍্যাগিং

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৯ মে, ২০২৪ ৯:২৮
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        জাবিতে নির্জন পুকুরপাড়ে ডেকে নিয়ে জুনিয়রদের র‍্যাগিং

        জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইন্সটিটিউট এর দ্বিতীয় বর্ষের (৫১ ব্যাচ) শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রথম বর্ষের (৫২ ব্যাচ) শিক্ষার্থীদের পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে র‍্যাগিং এর অভিযোগ উঠেছে।

        মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাব সংলগ্ন পুকুর (ভিসি পুকুর) পাড়ে বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক ইন্সটিটিউটের ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ডেকে নিয়ে র‍্যাগিং দেন ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাদের ছেড়ে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু সৈয়দ ও এ.এস.এম রাশিদুল হাসান।

        ঘটনাস্থলে ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে এক জায়গায় জমা রেখে তাদের সঙ্গে অসদাচার করেন ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

        এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন অভিযুক্ত ৫১ ব্যাচের শরিফুল ইসলাম সরল, বাঁধন বিশ্বাস, মেহেদী হাসান (আবির), শিপন বিশ্বাস, মাসুম বিল্লাহ, দীপন রয়, জানিব হাসান মাটিয়া, সাজিয়া জাহান সিজা এবং সাদনান নিদ্রা উপস্থিত ছিলেন এবং ৫২ ব্যাচের তানভীর, সায়েম, শুভজিৎ, স্বপন, রনি, রিফাত, শামীম, জুবায়ের, শেনন ও আরিফ।

        ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেফরুল হাসান চৌধুরী বলেন, র‍্যাগিংয়ের তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা ঘটনা স্থলে উপস্থিত হই। এরপর ৫১ ও ৫২ ব্যাচকে আলাদা আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং সকলের নামগুলো সংগ্রহ করি। তাদের কাছ থেকে জানতে পারি ক্রিকেট খেলার বিষয়ে কথা বলার জন্য ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের ওখানে ডেকে নিয়ে গেছে। সেখানে ৫২ ব্যাচের সকলের মোবাইল ফোন গুলো তারা আলাদা করে একত্র করে রেখেছিল। কিন্তু এরকম জায়গায় ডেকে নিয়ে যাওয়া এবং সবার মোবাইলগুলো জমা নেয়ার পেছনে নিশ্চয়ই অন্য উদ্দেশ্য ছিলো।

        র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী শিপন বিশ্বাস বলেন, আমাদের ব্যাচের মেয়েরাও ছিলো আমাদের সাথে। আসলে র‍্যাগিংয়ের কোনো বিষয় ছিলো না সেখানে। দিনের বেলায় এভাবে র‍্যাগ দেয়া যায় নাকি? আগামীকাল থেকে ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে যাবে। বন্ধের পরে আমাদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ম্যাচ আছে। সে বিষয়ে কথা বলার জন্যই ৫২ ব্যাচকে ডাকা হয়েছিল।

        ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ম্যাচ নিয়ে কথা বলার জন্য এরকম জায়গায় কেন জুনিয়রদের নিয়ে যাওয়া হলো সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এত জনকে নিয়ে রোদের মধ্যে তো কথা বলা যায় না। তাই পুকুর পাড়ের ওইদিকে ছায়ায় আমরা বসেছিলাম।

        এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মনির উদ্দিন শিকদার বলেন, এ বিষয়ে সিন্ডিকেটে একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রশাসন সবসময় র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। এ কারণে তুলনামূলকভাবে র‍্যাগিং কমেছে। তারপরও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। আজকে আমরা শোনামাত্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করার চেষ্টা করেছি। আমরা ঘটনাস্থলে কয়েকজনকে পেয়েছি। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তির সুপারিশ করা হবে।

        বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, অপরাধ অপরাধীই। কেউ যদি অপরাধ করে থাকলে অবশ্যই তাকে শাস্তি পেতে হবে। সে আমার ছাত্র‌ হোক বা যে-ই হোক না কেনো। তাদেরকে তো আমি শাস্তি দিবোই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেনো শাস্তির আওতায় আনে সেই ব্যবস্থাও করবো।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          স্পেনের পর এবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৮ মে, ২০২৪ ১৮:৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          স্পেনের পর এবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড

          স্পেনের পর এবার নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। নরওয়ের পক্ষ থেকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ ইডে এই ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ড সরকারের মন্ত্রিসভা এক বৈঠকে এই স্বীকৃতির অনুমোদন দিয়েছে। খবর আল জাজিরা।

          ইডে বলেন, নরওয়ে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সবচেয়ে সমর্থকদের মধ্যে একটি।

          আয়ারল্যান্ড সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার ফিলিস্তিনকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। পাশাপাশি ডাবলিন ও রামাল্লার মধ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হচ্ছে। রামাল্লায় আয়ারল্যান্ডের একজন রাষ্ট্রদূত নিয়োগের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস স্থাপন করা হবে।

          এর আগে পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী স্পেন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। দেশটির মন্ত্রিসভা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে। স্প্যানিশ সরকারে মুখপাত্র পিলার অ্যালেগ্রিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

          পিলার আলেগ্রিয়া বলেছেন, ‘মন্ত্রিসভা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যার উদ্দেশ্য হলো—ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি অর্জনে সহায়তা করা।’

          ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি অর্জনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে মনে করেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই শান্তি অর্জন করতে চাই তবে...ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি একটি অপরিহার্য প্রয়োজন।’ এ সময় তিনি জানান, পূর্ব জেরুজালেম হবে এই রাষ্ট্রের রাজধানী।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত