শিরোনাম
সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে বসুন্ধরা শুভসংঘ বাঙলা কলেজ শাখার ইফতার বিতরণ
বাঙলা কলেজ প্রতিনিধি: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার সদস্যরা।
মঙ্গলবার (১২ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় শারীরিক প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক, সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হকারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবীদের হাত থেকে ইফতার পেয়ে বেশ খুশি হয় তারা।
ইফতার বিতরণ প্রসঙ্গে বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার সদস্যরা বলেন, ‘আমরা শুভসংঘের মাধ্যমে সব সময় চেষ্টা করি সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে থাকার। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৪০ জন অসহায়, দুস্থ ও শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তির জন্য ইফতারের আয়োজন করেছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার সহসভাপতি সাজু আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো রাশিদুজ্জামান মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস হাসান, অর্থ সম্পাদক এস এম মঈন উদ্দিন, কর্ম ও পরিকল্পনা সম্পাদক মো. জুবাইদুর রহমান, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক উসন চাকমা, ক্রীড়া সম্পাদক আরাফাত রহমান, কার্যকরী সদস্য বি এম ইমরান হক ও মো. আজাদুর রহমান।
মাভাবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ টেবিল টেনিস ফাইনাল অনুষ্ঠিত
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি: মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে আন্তঃবিভাগ টেবিল টেনিসের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।
(সোমবার) ১১ মার্চ দুপুর ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তঃবিভাগ টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা -২০২৪ এর
একক চ্যাম্পিয়ন: শাকিব খান হৃদয় (সিপিএস বিভাগ)। রানার আপ: শাহপরান শুভ ( বিএমবি বিভাগ) আবার দ্বৈত চ্যাম্পিয়ন: শাকিব খান হদয় ও সুজয় দেব বর্মন (সিপিএস বিভাগ) রানারআপ: শাহপরান শুভ ও মামুন সরকার ( বিএমবি বিভাগ)
এই বিষয়ে শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদেকীন প্রতিবছরের মতো এ বছরও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শরীরচর্চা বিভাগের তত্ত্বাবধানে আন্তঃবিভাগ টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে পরবর্তীতে একক এবং দ্বৈত চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। খেলাধুলা শরীর এবং মন ভালো রাখে। খেলাধুলার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ।
আন্তঃবিভাগ টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা বিভাগের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পাবিপ্রবিতে অন্তঃবিরোধে কর্মকর্তারা, তৈরী হতে পারে অস্থিরতা
এমরান হোসেন, পাবিপ্রবি: শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) কর্মকর্তাদের দুটি সংগঠন অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন এবং পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের (ডুরা) মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও এর রেশ এখনো কাটেনি। গত দুই সপ্তাহে এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে দোষী সাব্যস্ত করে দুইবার প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্মকর্তাদের বিরোধ এভাবে চলতে থাকলে সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। অতিদ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে সহ অবস্থান তৈরী করা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জরুরি।
সূত্র বলছে, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে পাস্ট ডিরেক্ট রিকরুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের বাঁধা দেয় পাস্ট অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এক পর্যায়ে ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের ফুলের ডালার ব্যানার খুলে নিয়ে যান পাস্ট অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এরপর দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে না দেওয়ার প্রতিবাদে ঐ দিন (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের দায়ি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর এই ঘটনার বিচার চেয়ে অভিযোগ পত্র দেন ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন (ডুরা)। ২৪ ফেব্রুয়ারি ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের দায়ি করে রেজিস্ট্রার বরাবর পাল্টা অভিযোগ পত্র দেন অফিসার্স এসোসিয়েশন।
এই ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. হাবিবুল্লাহকে আহ্বায়ক করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি পাঁচ (০৫) তদন্ত কমিটি করা হলেও ২৪ ফেব্রুয়ারি উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারক লিপি দেন ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন। ঐ স্মারকলিপিতে ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনার বিচার নিশ্চিত না হলে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দেন ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন। ২৬ তারিখের মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হওয়ায় ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করেন ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।
৩ মার্চ (রোববার) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর দেওয়া এক চিঠিতে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন। ঐ চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেওয়ায় তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন। তবে একই দিনে ২১ ফেব্রুয়ারি ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগের ভিত্তিতে যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে সেটি ৪ মার্চের মধ্যে বাতিলের জন্য রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দিয়েছেন অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় তদন্ত কমিটি বাতিল না করলে যে কোন উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরী হলে তার জন্য প্রশাসন দায় থাকবে।
সুত্র বলছে- প্রাবিপ্রবিতে কর্মকর্তাদের দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘ দিনের ২০১৬ সালে অফিসার্স এসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু হলে তার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক হন বর্তমান পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক জিএম শামসাদ ফখরুল এবং সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম। জিএম শামসাদ ফখরুল এবং রফিকুল ইসলাম ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে যথাক্রমে একবার করে সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হন। অন্যদিকে অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি হারুনুর রশিদ ডন একই প্যানেল থেকে এই দুইজনের সাথে দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের কর্মকর্তা পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে জিএম শামসাদ ফখরুল এবং রকিবুল ইসলামের সাথে হারুনুর রশিদ ডনের মধ্যে মনোমালিন্য তৈরী হয়। যার ফলে ২০১৯ সালের নির্বাচনে দুইজন আলাদা প্যানেল থেকে নির্বাচন করেন।
তবে মূল বিরোধ শুরু হয় ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে চার (০৪) কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পদে পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে। ঐ মাসের ২৮ তারিখ জিএম শামসাদ ফখরুলসহ চার কর্মকর্তার পদন্নোতির বোর্ড থাকলে সেই বোর্ড বাতিলের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি অনুকুলে না দেখে ঐ দিন বোর্ড বাতিল করে পরের দিন বোর্ড করার সিদ্ধান্ত নেন উপাচার্য। তবে পরের দিনেও বোর্ড শুরুর আগে উপাচার্যকে রুমে রেখে কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দেন কর্মকর্তারা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহযোগিতায় তালা ভেঙে বোর্ড শুরু করেন প্রশাসন এবং ঐ চার (০৪) কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রামে কোন অতিরিক্ত পদ না থাকার পরেও উপাচার্য নিয়ম ভেঙ্গে চার (০৪) কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছেন। নিয়ম বহির্ভুত পদোন্নতি বন্ধের জন্য তারা সেদিন উপাচার্য কার্যালয়ে তালা দিয়েছেন।
অন্যদিকে জিএম শামসাদ ফখরুলের দাবি, যে চার কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে সেটি নিয়ম মেনেই হয়েছে। কিন্তূ চার কর্মকর্তা যেন বড় পদে না যেতে পারে সেটি আটকানোর জন্যই বোর্ডের দিন উপাচার্যের কার্যালয়ের ফটকে তালা দেন অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জিএম শামসাদ ফখরুল সহ কয়েকজন কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালেয়ে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে নতুন সংগঠন খোলার সিদ্ধান্ত নেন। এই বছরের ৭ ফেব্রুয়ারী ' পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন (ডুরা)' যাত্রা শুরু করে, যেখানে অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সাবের দুই সভাপতি জিএম শামসাদ যুখরুলকে আহ্বায়ক এবং রফিকুল ইসলামকে সদস্য সচিব করা হয়। এই সংগঠন শুরু হওয়ার পর কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে হারুনুর রশিদ ডন সভাপতি নির্বাচিত হলে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পায়। যার ফলে ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে একে অপরকে দোষারোপ করছেন। অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুনুর রশিদ ডন বলেন, 'আমরা এক সাথে থাকতে চেয়েছি কিন্তূ ওরা সেটা চায়নি। নির্বাচনের আগে ওদের সাথে বসে সব ভুল বোঝাবুজি মিটিয়ে ফেলতে চেয়েছি কিন্তূ ওরা আমাদের সাথে বসতে রাজি হয়নি। ওদের অধিকাংশেরই চাকুরির নিয়োগগত সমস্যা আছে। তাই ওরা প্রশাসনের পাশে থাকতে চায়। আর ওদেরকে আলাদাভাবে চলতে প্রশাসন সরাসরি ইন্দন দিচ্ছে।
পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনর (ডুরা) আহ্বায়ক জিএম শামসাদ ফখরুল বলেন, আমরা সংগঠন করেছি কর্মকর্তাদের মঙ্গলের জন্য। কিন্তূ একটা সময় এসে ওরা ব্যক্তিস্বার্থে সংগঠনকে ব্যবহার করতে শুরু করেছে। কর্মকর্তাদের বৈধ পদোন্নতিকে আটকে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছে। অনিয়ম থেকে বের হয়ে আসার জন্য আমরা ওদেরকে সংশোধনের সুযোগ দেই কিন্তূ ওরা সংশোধন হয়নি। যার কারণে আমরা নতুন খুলেছি।'
কর্মকর্তাদের মধ্যে এমন বিরোধ কে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ক্ষতি হিসেবে দেখছেন অধিকাংশরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেষ্ঠ্য শিক্ষক বলেন, 'কর্মকর্তাদের মধ্যে যে বিরোধ তৈরী হয়েছে প্রশাসনের উচিত ছিল এটি প্রকাশ্য হওয়ার আগেই মিটিয়ে দেওয়া। প্রশাসন চাইলে এখনো এটা করতে পারে। কিন্তূ এটি না করলে সামনে বিরোধ আরো বাড়বে যার প্রভাব সরাসরি বিশ্ববিদ্যায়ের ওপর পড়বে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুনের পক্ষে জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ফারুক হোসেন চৌধুরী বলেন, 'কর্মকর্তাদের মধ্যে যে সমস্যা তৈরী হয়েছে তার একটা সুষ্ঠু সমাধান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করবে। এই সমস্যাটি যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে না পড়ে সে ব্যাবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গ্রহণ করবে।
বেরোবিতে লেখালেখি ও সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বেরোবি প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বেরোবি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে লেখালেখি ও সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া ২য় তলায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বেরোবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হক, একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষক উমর ফারুক, লেখক গবেষক ও খোলা কাগজ পত্রিকার সাবেক সম্পাদক ড. কাজল রশীদ শাহীন, ডেইলি স্টার পত্রিকার সাংবাদিক ইমরান মাহফুজ।
বেরোবিসাসের সভাপতি মোবাশ্বের আহমেদ শিপনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান হিমেল এর সঞ্চালনায় বক্তারা লেখালেখি ও সাংবাদিকতার উপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
লেখক গবেষক ও খোলা কাগজ পত্রিকার সাবেক সম্পাদক ড. কাজল রশীদ শাহীন বলেন, সংবাদ পত্র ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে যেভাবে বৃহত্তর মানুষের কল্যাণ করা যায় তা অন্যকোন পেশার মাধ্যমে করা সম্ভব নয়। একজন প্রকৌশলি নির্দিষ্ট সংখ্যক লোক কে সেবা দিতে পারে, একজন ডাক্তার নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে সেবা দিতে পারে কিন্তু একজন সাংবাদিক লেখনির মাধ্যমে পুরো সমাজের মানুষকে সেবা দিতে পারে। তাই আমি মনে করি সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্র এর সাথে সেবা শব্দটি যোগ করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন সাংবাদিকতা পেশা টেবিল চেয়ারে বসে করা সম্ভব না। তেমনি শুধু শ্রেণিকক্ষে বসেও সম্ভব না। মাঠে গিয়ে শিখতে হবে। বই পুস্তক পড়তে হবে। প্রচুর জানতে হবে এবং প্রশ্ন করা শিখতে হবে। অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেছেন যেখানে গণমাধ্যম রয়েছে, যেখানে প্রশ্ন রয়েছে সেখানে কখনো রড় রকমের সংকট তৈরি হতে পারে না। সাংবাদিকতা পেশার মাধ্যমে সমাজ, জাতি ও রাষ্ট্র কে সমৃদ্ধ করা যায়।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহামুদুল হক বলেন, সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা যেখানে তিনটি দক্ষতার সমন্বয় ঘটে। ভাষার জ্ঞান, সাংবাদিকতার জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা। এ পেশায় একজন সাংবাদিককে নিয়মিত শিখতে হয় এবং কর্মজীবনের শেষ সময় পর্যন্ত শিখতে হবে। তা না হলে তিনি একজন ভালো সাংবাদিক হতে পারবে না।
এসময় বেরোবিসাসের সদস্যরা ছাড়াও লেখালেখি ও সাংবাদিকতায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
পদত্যাগ করলেন জবির রেজিস্ট্রার
পারিবারিক কারণ দেখিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (একবছরের চুক্তিভিত্তিক) পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থাপন শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুল হালিম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পারিবারিক কারণে চুক্তি বাতিল করে ছুটি ভোগ করার আবেদন করেন রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয় তার আবেদন গ্রহণ করেছে।
এদিন দুপুরে রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেন। কী কারণে তিনি অব্যাহতি নিয়েছেন, সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে কোনো উত্তর দেননি।
২০২৩ সালের ১৪ জুন এক বছরের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান মো. ওহিদুজ্জামান। একই বছরের ১৩ জুন তার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়। ২০০৯ সালের ১৫ অক্টোবর তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য