ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মাস্টার প্ল্যান কার্যকরী হলে রাবিপ্রবি হবে দর্শনীয় ক্যাম্পাস- প্রফেসর ড. সেলিনা আখতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ মার্চ, ২০২৪ ১৭:২১
নিজস্ব প্রতিবেদক
মাস্টার প্ল্যান কার্যকরী হলে রাবিপ্রবি হবে দর্শনীয় ক্যাম্পাস- প্রফেসর ড. সেলিনা আখতার

রাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ "রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) মাস্টার প্ল্যানের কাজ প্রায় শেষ ও এই প্ল্যানের কাজ কিছুটা দৃশ্যমান হলেই রাবিপ্রবি হবে অন্যতম দর্শনীয় ও নিরাপদ ক্যাম্পাস ” বলে মন্তব্য করেছেন রাবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. সেলিনা আখতার। আজ ৭ মার্চের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. কাঞ্চন চাকমা, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নিখিল চাকমা, পরিচালক (হিসাব) মোঃ নূরুজ্জামান সহ আরো অনেকেই।

এর আগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে এক আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সকাল সাড়ে দশ ঘটিকায় প্রশাসনিক ভবন থেকে একাডেমিক ভবন পর্যন্ত এই বিশাল আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ ।

এর পরে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য,প্রক্টর,শিক্ষক,কর্মকর্তা, কর্মচারী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে দিনব্যাপী ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচার করা হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের ল্যাবে টিস্যু কালচার থেকে মাশরুম চাষ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৭ মার্চ, ২০২৪ ১৭:১৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের ল্যাবে টিস্যু কালচার থেকে মাশরুম চাষ

    নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি) কৃষি বিভাগের ল্যাবে টিস্যু কালচার থেকে মাশরুম উৎপাদন করা হয়েছে। বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী রাস্মিন চাকমা এবং মো. বিল্লাল হোসেন টিস্যু কালচার থেকে মাশরুম উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন। কৃষি বিভাগের ল্যাব থেকে মাশরুম বীজ সংগ্রহ করে নোয়াখালী অঞ্চলের অঞ্চলের কৃষকরা উৎপাদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ড. নুরুজ্জামান।

    জানতে চাইলে ড. নূরুজ্জামান বলেন, প্রায় ছয় মাসের কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে আমাদের ল্যাবে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে আমরা মাশরুম উৎপাদনে সক্ষম হয়েছি।

    তিনি বলেন, ওয়েস্টার মাশরুমের চারটি ভ্যারাইটি- পিওটু, অ্যাসওটু, অ্যাইচকে-৫১ এবং ডব্লিওএস নিয়ে টিসু কালচারের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের কার্বোহাইড্রেট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফ্যাটিঅ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবার টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে।

    কৃষি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নুরুজ্জামান জানান, মাশরুমের এ ধরণের টিস্যু কালচার সাভারের মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বহু আগ থেকেই হয়ে আসছে। তাছাড়া বাংলাদেশের মাগুরা ও কুমিল্লাতে স্বল্প পরিসরে মাশরুমের টিস্যু কালচার হলেও নোয়াখালী অঞ্চলে এ ধরনের টিস্যু কালচার নেই বললেই চলে।

    তিনি বলেন, সাভার মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউট থেকে সংগৃহীত মাশরুমের ত্রুটিং বডি থেকে সরিষার দানার মত অংশ নিয়ে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে বীজ তৈরি করা হয়েছে, যে বীজগুলো কিংবা প্যাকেটগুলো আমাদের ল্যাব থেকে কৃষকরা সংগ্রহ করে এবং উক্ত প্যাকেট থেকে মাশরুম উৎপাদন করে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। তাছাড়া ভোক্তারাও আমাদের ল্যাব থেকে এ প্যাকেট সংগ্রহ করে বাসার বারন্দায় কিংবা পরিত্যাক্ত জায়গায় রেখে নিজেরাই মাশরুম উৎপাদন করে পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।

    তিনি আরও বলেন, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই মাশরুমের বিশ্বব্যাপী চাহিদা থাকলেও বাংলাদেশে উৎপাদন ব্যবস্থা ও স্বল্পতার কারণে এদেশের জনগণ এর পুষ্টিগুণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শুধু মাশরুম খেয়ে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ বেঁচে থাকা সম্ভব। নোয়াখালীসহ আশেপাশের অঞ্চলে কৃষক ও ভোক্তা পর্যায়ে ওয়েস্টার মাশরুমসহ অন্যান্য মাশরুম বাণিজ্যিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়াই প্রাথমিক লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন এই গবেষক। তাছাড়া ভবিষ্যতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশেপাশের এলাকা থেকে বন্য মাশরুম সংগ্রহ করে এ প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বাড়িয়ে বাণিজ্যিকভাবে মাশরুম চাষীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াও লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চাঁবিপ্রবিতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৭ মার্চ, ২০২৪ ১৭:১৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      চাঁবিপ্রবিতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

      চাঁবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চাঁবিপ্রবি) এ যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত হয়।

      ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর উদ্যোগে বৃ্হস্পতিবার সকাল ১১টায় ক্যাম্পাস কনফারেন্স রুমে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

      আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার।

      প্রধান অতিথি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ মুক্তিকামী বাঙালিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটাতে উজ্জীবিত করেছে। বঙ্গবন্ধুর মত মহান নেতা পেয়ে আজ আমরা ১৮ কোটি বাঙালি গর্বিত।

      তিনি আরো বলেন, জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ তথা সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ১৮ কোটি জনগণ আজ সংঘবদ্ধ, আমাদের উন্নয়নের পদযাত্রা কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।

      সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মেজর মোঃ আবদুল হাই (অবঃ) সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থাপনা করেন উপাচার্য দপ্তরের মোঃ আরিফুল ইসলাম।

      এছাড়াও, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার এর নেতৃত্বে সকাল ১০:০৭ মিনিটে  চাঁদপুর সরকারি কলেজে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে এবং ক্যাম্পাসে ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শিক্ষা-গবেষণায় জবি-খুবির সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৬ মার্চ, ২০২৪ ২৩:৫৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        শিক্ষা-গবেষণায় জবি-খুবির সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন

        জবি প্রতিনিধিঃ শিক্ষা-গবেষণায় পারস্পরিক সহযোগিতার দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। যৌথ কার্যক্রমে কাজ করার লক্ষ্যে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে এ সমঝোতা স্মারক চুক্তি হয়েছে।

        বুধবার (৬ মার্চ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এই চুক্তি তিন বছরের জন্য বলবৎ থাকবে।

        এ চুক্তিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অমিত রায় চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।

        চুক্তি স্বাক্ষর শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন এর উপস্থিতিতে তা উভয়পক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

        এসময় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস, দ্য অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক অধ্যাপক সেহরীশ খান, সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল জব্বার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক মো. তানভীর আহসান সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

        স্বাক্ষরিত চুক্তিতে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তারা যৌথ গবেষণা, প্রকাশনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিময় কার্যক্রম, জনশক্তি উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, অনগ্রসর ও কম সুবিধাপ্রাপ্ত জাতিগত সম্প্রদায়ের উন্নয়ন ইত্যাদির উপর বিশেষ জোর দিয়ে বৈজ্ঞানিক, ব্যবসায়িক, মানবিক এবং সামাজিক বিষয়গুলোতে যৌথভাবে শিক্ষা ও গবেষণার কাজ করার বিষয়ে সহায়তা করবে।

        এছাড়াও একাডেমিক ও গবেষণা সুবিধার পাশাপাশি অবকাঠামো বৃদ্ধির জন্য সহায়তা প্রদান, সম্ভাব্য পারস্পরিক একাডেমিক ও গবেষণার সুযোগ এবং আগ্রহের আরও ক্ষেত্র সনাক্তকরণ, উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা, একাডেমিক ও গবেষণা বিষয়ক যৌথ সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, সম্মেলন, সংক্ষিপ্ত কোর্স এবং মিটিংয়ের আয়োজন, শিক্ষণ-শেখানো এবং গবেষণা কার্যক্রমের উন্নয়ন সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়সহ বিভিন্ন সময় উভয় পক্ষের দ্বারা সম্মত অন্য কোনো ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          রোভার মুট ইয়ুথ পার্লামেন্ট বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবির ইফতেখার মাহমুদ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৬ মার্চ, ২০২৪ ২৩:৫৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          রোভার মুট ইয়ুথ পার্লামেন্ট বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবির ইফতেখার মাহমুদ

          যবিপ্রবি প্রতিনিধি: সুবর্ণজয়ন্তী রোভার মুট ২০২৪ এর ইয়ুথ পার্লামেন্ট বিতর্ক প্রতিযোগিতায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(যবিপ্রবি) রোভার ইফতেখার মাহমুদের দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একইসাথে সেরা বক্তা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

          মঙ্গলবার (৫ মার্চ) বির্তক প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। "মেট্রোরেল ও ওভার ব্রিজই যানজট নিরসনের একমাত্র উপায়" বিষয়ে যবিপ্রবির রোভার এগ্রো প্রোডাক্ট প্রসেসিং টেকনোলজি(এপিপিটি) বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতেখার মাহমুদের দল 'বিরোধী দল' হিসেবে বিতর্ক করে।

          চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন যবিপ্রবি শিক্ষার্থী ইফতেখার মাহমুদ লাবিব,রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের আলেয়া পলি,ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহমুদুল হাসান ও ঢাকা কলেজের মেহেদী হাসান।

          চ্যাম্পিয়ন ও সেরা বক্তা হয়ে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী ইফতেখার মাহমুদ বলেন, এমন একটি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে আমি অনেক আনন্দিত। সামনে যেন এমন ধারাবাহিকতা বজায় রেখে যবিপ্রবি ও যবিপ্রবি রোভারের সম্মান নিয়ে আসতে পারি সেই চেষ্টায় করবো।

          উল্লেখ্য, সুবর্ণজয়ন্তী রোভার মুটের কার্যক্রমে চ্যালেঞ্জ-৫ অন্বেষণের মাধ্যমে প্রায় ছয় হাজার ছেলে-মেয়েদের মধ্য থেকে উপস্থিত বক্তৃতার মাধ্যমে ১৬ জনকে বাছাই করা হয় এবং ইয়ুথ পার্লামেন্ট বিতর্কের জন্য এই ১৬ জনকে চারটি ভাগে ভাগ করে সেমিফাইনালে অংশগ্রহণ করানো হয়। সেমি ফাইনালের সেরা দুটি দলকে নিয়ে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত