শিরোনাম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শীতকালীন ছুটি ১৪ দিন
শাকিল বাবু, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শীতকালীন অবকাশ ও যীশু খ্রিস্টের জন্মদিবস (বড় দিন) উপলক্ষ্যে ১৪ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
১৮ ডিসেম্বর (সোমবার) থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর (রবিবার) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকবে।তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খোলা থাকবে ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। গত ১২ই ডিসেম্বর ১৬ তম সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত-০২ মোতাবেক এবং ছুটির তালিকা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর।
এ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর বলেন, "কোন পরিবর্তন ছাড়াই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শীতকালীন ছুটি পূর্বের প্রণীত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হবে। তবে বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।"
জবিতে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় গাথা শীর্ষক আর্ট ক্যাম্প উদ্বোধন
জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় গাথা’ শীর্ষক আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।
আজ রোববার (১৭ ডিসেম্বর ) চারুকলা বিভাগের আয়োজনে একাডেমিক ভবনের নিচতলায় অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য বলেন, “বিজয়ের গাম্ভীর্য, উল্লাস, উচ্ছ্বাস সবকিছুর সাথেই চারুকলার যোগ রয়েছে। আমাদের পরিচিতি বিভিন্ন রাজনৈতিক আবহে পরিবর্তন হয়ে গেছে, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আমাদের বাঙালী পরিচয়কেও হত্যা করা হয়। ধর্মের ভিত্তিতে দেশবিভাগ হলেও পাকিস্তানের সাথে আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির মিলের চেয়ে ভিন্নতাই বেশি ছিল, আমাদের সংবিধানের জাতিয়তাবাদ- সবাই মনে করেছিলো আমরা উগ্রজাতিয়তাবাদে যাচ্ছিলাম কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেটা বিশ্বাস করেননি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সংবিধানের মৌলিক অধিকারে বলা আছে আমরা সবাই সমান। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ এখনও সমান নয়, নারীদের এখনও দ্বিতীয় শ্রেনির নাগরিক মনে করা হয়। অজস্র শিল্পী, লেখক, কলামিস্ট, প্রাবন্ধিক, মুক্তিযোদ্ধারা এই আইডেনটিটি সংগ্রামটা করেছিল, তুলির আঁচড় দিয়ে এগুলো ফুঁটিয়ে তুলতে হবে। আমি খুব গর্বিত আমি বাঙালী, আমাকে যদি এমন সুযোগ দেয়া হতো আরেকবার জন্ম নিতে পারতাম আমি বাঙালী নারী হয়ে জন্ম নিতাম।”
চারুকলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাঃ আলপ্তগীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ হুমায়ূন কবীর চৌধুরী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে সৃজনশীলতা সৃষ্টির জন্য চারুকলা বিভাগের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম আর চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল বলেই- এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা কখনও মৌলবাদের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে না।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন বলেন, “দেশ স্বাধীনের আগে ও পরে সকল আন্দোলনে শিল্পীরা সবসময় পাশে ছিলেন। আর নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হলে শিল্পচেতনা থাকতে হয়। সাধারণ মানুষ থেকে আধুনিক মানুষরা বেশি লেবাসধারী হয়ে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যাতে রক্ষা পায় আমাদেরকে এবিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।”
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম। অনুষ্ঠানটিতে স্বাগত বক্তব্য ও সঞ্চালনা করেন চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বজলুর রশীদ খান।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল-এর প্রভোস্ট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, প্রক্টর, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, সাংবাদিকবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আর্ট ক্যাম্পে তৈরি শিল্পকর্মগুলোর প্রদর্শনী উদ্বোধন হবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর। উক্ত প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করবেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। উল্লেখ্য প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ফখরুল-রিফাত প্যানেল জয়ী
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একমাত্র সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির ২০২৪ মেয়াদের নির্বাচনে "বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ" জয়লাভ করেছে। আজ ১৭ ডিসেম্বর থেকে তারা দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে।
নির্বাচনে ফখরুল-রিফাত পূর্ণ প্যানেলে বিজয়ী হয়েছে । এই প্যানেলের সভাপতি পদে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো: ফখরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি পদে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ পদে বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাইনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক পদে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো: রিফাত-উর-রহমান, যুগ্ম সম্পাদক পদে অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন সুলতানা, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বরুণ চন্দ্র রায়, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিজন কুমার, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান নুসরাত জাহান এবং সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবশ্রী দোলন জয়লাভ করেছে। উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত কমিটির মেয়াদ আগামী একবছর।
এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ড. মো: ফখরুল ইসলাম সমিতির সদস্যবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান তাদের সমর্থনদানের জন্য । তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয় নিমার্ণে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এমন এক প্রেক্ষাপটে আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছি। শিক্ষক -শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের নামের প্রতি সুবিচার করবে এই প্রত্যাশা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দুজনেই রবীন্দ্র অনুরাগী। বিশ্বজনের নিকট রবীন্দ্রনাথকে চিরসমুজ্জ্বল রাখতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সদা সচেষ্ট।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো: রিফাত-উর-রহমান বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৮ সালে। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর বৃদ্ধি পাচ্ছে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক যেন তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং একইসাথে বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস রেখে প্রগতিশীল সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়, সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করতে বদ্ধপরিকর। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধুর সে স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। যেহেতু বিশ্বকবির নামে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আমরা এই দায়িত্ব যেন সুচারুরুপে পালন করতে পারি এই প্রত্যাশা আমাদের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কাছে।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির ২০২৪ মেয়াদের নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য ড. মো: ফখরুল ইসলাম ও মো: রিফাত-উর-রহমান রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
বিএনসিসির নোবিপ্রবি প্লাটুনের সিইউও সাজিদ
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর(বিএনসিসি) এর সর্বোচ্চ পদ সিইউও পদে পদান্নিত হলেন ক্যাডেট সার্জেন্ট সাজিদ খান। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুন (সেনা শাখা) এর নতুন ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) ময়নামতি রেজিমেন্টে সিইউও ব্যাজ পরিধান করিয়ে তাকে উক্ত পদে পদান্নিত করেন রেজিমেন্ট কমান্ডার লে: কর্নেল মো. কামরুল ইসলাম,পিএসসি।
নোবিপ্রবি বিএনসিসির নতুন সিইউও সাজিদ খান বলেন- " বিএনসিসির সাথে আমার যাত্রা শুরু ২০১৮ সাল থেকে। ক্যাডেট র্যাংক থেকে এখন ক্যাডেটদের সর্বোচ্চ পদ পাওয়ার মাধ্যমে দায়িত্বের ভার আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেল। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবো আমার বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমার প্রিয় এই বিএনসিসির মুখ আরো উজ্জ্বল করতে। ভবিষ্যতে এই সংগঠনের দ্বারা শুধু আমার ক্যাম্পাস বা প্রতিষ্ঠান নয় আমি আমার পুরো দেশের সকল মানুষের কাছে এর সেবা,শ্রম এবং সুবিধাসমূহ পৌঁছে দেবো। আপনাদের সকলের কাছে সাফল্য কামনা করছি।"
উল্লেখ্য, সাজিদ খান নোবিপ্রবির বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
বিজয় দিবসে যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের নানা আয়োজন
যবিপ্রবি প্রতিনিধি : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(যবিপ্রবি) প্রদর্শনী বিতর্ক, কুইজ ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাব। বিজয়ের ৫২ বছর উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতার নামকরণ করা হয় 'বিজয় ৫২'।
শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) যবিপ্রবির ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) 'বিজয়-৫২' প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে সকাল সাড়ে দশটায়(১০:৩০) অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা ও দ্বিতীয় ধাপে দুপুর সাড়ে বারোটায়(১২:৩০) উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। বিজয়-৫২ অনুষ্ঠানের তৃতীয় ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে 'এই সংসদ বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রমকে সমর্থন করে' বিষয়ে এশিয়ান পার্লামেন্টারি প্রদর্শনী বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে৷
বিজয়-৫২ কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে নিউট্রিশন এন্ড ফুড টেকনোলজি (এনএফটি) বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ মজমুল ইসলাম, দ্বিতীয় ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স(পিইএসএস) বিভাগের শিক্ষার্থী আলাউদ্দিন ও তৃতীয় ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স(এফএমবি) বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান দিশা।
এদিকে উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে এগ্রো প্রোডাক্ট প্রসেসিং টেকনোলজি(এপিপিটি) বিভাগের শিক্ষার্থী মোতালেব হোসাইন, দ্বিতীয় বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং(বিএমই) বিভাগের শিক্ষার্থী সুহরাত তাহসিন ও তৃতীয় কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং(সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। প্রদর্শনী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় উভয় দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
বিজয়-৫২ প্রতিযোগিতায় বিচারক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমই বিভাগের প্রভাষক আসিফ আব্দুল্লাহ, যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদ আহমেদ সাকিব ও যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: তারেকুজ্জামান।
বিজয় দিবসে এমন আয়োজন সম্পর্কে ডিবেট ক্লাবের সভাপতি বলেন, বিজয় সহজে আসেনি। এটি অর্জিত হয়েছিল ত্যাগের মাধ্যমে, অবিচল ঐক্যের মাধ্যমে, "জয় বাংলা"র শক্তিতে অবিচল বিশ্বাসের মাধ্যমে। তরুণ প্রজন্ম যেন বিজয়ের শক্তি কে আকড়ে ধরে তারই লক্ষ্যে যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের এই আয়োজন।
বিজয় দিবসে এমন আয়োজন সম্পর্কে ডিবেট ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মো: নাঈম জামান বলেন, বাংলাদেশ আজ বিজয়ের বায়ান্নো বছর অতিক্রম করেছে সফলতার সাথে। মহান বিজয় দিবসের এই আনন্দঘন মুহুর্তে যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাব শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা সকল বীর বাঙালিকে। তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গঠনের লক্ষ্যে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা এবং দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ভিশন সামনে রেখে বিজয় দিবসে যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাব আয়োজন করে প্রদর্শনী বিতর্ক, কুইজ এবং উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। এই আয়োজনে দিনব্যাপী যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরে আমরাও গর্বিত। আর সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানে সহায়তাকারী সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য