ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ব্যাহত হচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলার পরিবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ আগস্ট, ২০২৩ ১৮:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যাহত হচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলার পরিবেশ

খুবি প্রতিনিধি : ভারী বর্ষণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) কেন্দ্রীয় মাঠ খেলাধুলার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। খাজার মাঠ নামে বহুল পরিচিত এ মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষায় ক্রীড়াপ্রেমী শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকে মাঠটি। তবে বর্ষাকালে নিচু জায়গায় পানি জমার কারণে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে। ফলে ব্যহত হচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিরচেনা খেলাধুলার পরিবেশ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার স্থান মাঠটি বেশ উঁচু-নিচু। অসমতল হওয়ায় ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে বিভিন্ন জায়গায় কাদা জমেছে। বর্ষাকালে মাঠটি খেলার অনুপোযোগী হয়ে পড়ে এ অবস্থায় পর্যাপ্ত খেলার পরিবেশ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ খুবি শিক্ষার্থীদের।

জানা গেছে, বিকেল হলেই শত শত শিক্ষার্থীর হৈ-হুল্লোড়ে মুখর হয়ে ওঠে খুবির কেন্দ্রীয় মাঠ। হরেক রঙের জার্সি গায়ে খেলতে নামেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় সারা বছরই ক্রিকেট, ফুটবল-ভলিবলের মতো খেলায় জমজমাট থাকে খাজার মাঠের পরিবেশ। এ মাঠেই আয়োজন করা হয় আন্তঃডিসিপ্লিন বিভিন্ন টুর্নামেন্ট।

বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জিএম আবীর মাহমুদ বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় মাঠে পানি নিষ্কাশন ও কাঁদার সমস্যা রয়েছে। খেলার মাঠ সংকটের কারণে প্রতিটা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরাদের সকল ধরনের খেলা একটি মাঠে করতে হয়। আবার ছুটির দিনে বহিরাগতদের চাপ এমন বেগতিক হয় যে, খেলার পরিবেশ নষ্ট হয়। ফলে সর্বক্ষণ খেলা চলার ফলে মাঠটি বর্ষাকালে বড় কোন টুর্নামেন্ট আয়োজনের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, মাঠের এক পাশে নালা খনন করা হয়েছে। আরেকপাশ বালি দিয়ে উচু করা হচ্ছে। প্রশাসন দ্রুত মাঠটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন করবে। এতে সব মৌসুমে শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দে খেলাধুলা করতে পারবে বলে আশা তাদের।

এ বিষয়ে শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আহসান হাবীব বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর একমাত্র খেলার স্থান। যে কারণে বর্ষায় শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মাঠটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। তবে আমরা এর স্থায়ী সমাধান নিয়ে কাজ করছি। যদিও সম্পূর্ণ মাঠ সংস্কার করতে একটু সময় লাগবে। তবুও আমরা আশাবাদী, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে। শিক্ষার্থীদেরও সচেতন থাকতে হবে, মাঠটি যাতে খেলাধুলার উপযোগী থাকে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ফেইসবুকে 'স্টেপ ডাউন হাসিনা' লিখে পোস্ট : শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৪ আগস্ট, ২০২৩ ১৬:২৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ফেইসবুকে 'স্টেপ ডাউন হাসিনা' লিখে পোস্ট : শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    চবি প্রতিনিধিঃ গত ৩০ জুলাই নিজের ফেইসবুকে ' স্টেপ ডাউন হাসিনা ' লিখে পোস্ট করাই অভিযুক্ত শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই আপত্তিকর পোস্টের লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    গতকাল বুধবার রেজিস্ট্রার কে এম নূর আহমদ স্বাক্ষরিত এ চিঠি স্থানীয় ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, আপনি মো. মাইদুল ইসলাম, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়ে এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছেন। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধান পরিপন্থি। এ ব্যাপারে আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর জন্য আদেশক্রমে আপনাকে অনুরোধ করা হলো।

    এর আগে গত রোববার একই অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপাচার্য বরাবর চিঠি দেয় চবি শিক্ষক সমিতি।

    শিক্ষক সমিতির চিঠির জবাবে মাইদুল ইসলাম বলেন, ভোটাধিকার এবং গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবী জানিয়ে #StepDownHasina আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছি। অনলাইন বা অফলাইন নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারা আমার নাগরিক, রাজনৈতিক, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক অধিকার।

    অভিযুক্ত মাইদুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি গবেষণা ছুটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান করছেন। পেনসিলভেনিয়ার পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার কাজ করছেন। এবিষয়ে তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      এলএলবিতে ৭৫ শিক্ষার্থীর বেশি ভর্তি নয়

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৪ আগস্ট, ২০২৩ ১৫:৩৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      এলএলবিতে ৭৫ শিক্ষার্থীর বেশি ভর্তি নয়

      বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এলএলবি (ব্যাচেলর অব’ ল) প্রোগ্রাম এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি আসন সংখ্যা পুনরায় নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

      এতে বলা হয়, রূপান্তরিত পদ্ধতিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি আসন ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ করা হয়। এর বেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবেনা। একইসঙ্গে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সংখ্যা ১০০ এর বেশী না।

      এছাড়া রায়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ৫০ জনের অধিক ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী প্রতি ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। এ জরিমানারা টাকার ৮০ শতাংশ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে ও ২০ শতাংশ সুপ্রিম কোর্টের ডে কেয়ার সেন্টারকে দিতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই জরিমানার টাকা পরিশোধ করবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে অতিরিক্ত ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের রিভিউ আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

      এর আগে ১৩ এপ্রিল দেশের কোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে প্রতি সেমিস্টারে ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না বলে মতামত দিয়েছিলেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদী আইনের ডিগ্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য হবে না।

      দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলার আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দেন আপিল বিভাগ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে’ জবি শিক্ষার্থী অংকনের রেকর্ড

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৪ আগস্ট, ২০২৩ ১১:৩৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে’ জবি শিক্ষার্থী অংকনের রেকর্ড

        সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে রেকর্ড গড়ে নাম লিখিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অংকন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে "ফাস্টেস্ট টাইম টু সেটআপ এন্ড টপেল ফাইভ ইরেজার " অর্থাৎ পাঁচটি শোয়ানো রাবার দাঁড় করিয়ে আবার একটির উপর আরেকটি ফেলে দিয়ে তিনি এ রেকর্ড করেন।

        গতকাল বুধবার (২৩ আগস্ট) এ রেকর্ডের বিষয়টি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়।

        জানা যায়, ২.৪৭ সেকেন্ডে পাঁচটি রাবার দাঁড় করিয়ে একটির উপরে আরেকটি ফেলে তিনি নতুন রেকর্ড গড়েন। এর আগে একই বিষয়ে মালয়েশিয়ান নাগরিকের ৩.৬৪ সেকেন্ডের রেকর্ড ছিলো। গত ১৭ মে তিনি এ রেকর্ড করলে ২৩ আগস্ট ই-মেইলে তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে গিনেস বুক।

        এ বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ করে অংকন বলেন, অনুভূতি শব্দে প্রকাশ করার মতো নয়। আমি খুশি, খুব খুব খুশি। প্রায় তিন বছর থেকে চেষ্টা করছি গিনেস বুকে নাম লেখাতে, অবশেষে পেরেছি। ইচ্ছে আছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গিনেস রেকর্ড হোল্ডার হওয়ার।

        উল্লেখ্য, গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ছাড়াও অংকন একজন উপন্যাস লেখক। এ পর্যন্ত তার চারটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম উপন্যাস শূন্য ঠিকানা প্রকাশিত হয় ২০২০ অমর একুশে বইমেলায়, এরপর খোঁপার বাঁধন, দখিনা চিঠি এবং হাওয়া যথাক্রমে ২১,২২ ও ২৩ বইমেলায় প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তার আরেকটি উপন্যাসের কাজ চলমান আছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বঙ্গবন্ধু শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে শেখ জামাল পুরষ্কার পেলেন খুবি শিক্ষার্থী রাফি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৪ আগস্ট, ২০২৩ ১১:৩১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বঙ্গবন্ধু শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে শেখ জামাল পুরষ্কার পেলেন খুবি শিক্ষার্থী রাফি

          বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, খুবি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী স্মরণে আয়োজিত "বঙ্গবন্ধু শিল্পকর্ম প্রদর্শনী-২০২৩" এ "শেখ জামাল পুরষ্কার" পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মো. সাইমুম ইসলাম রাফি। 'জাতীয় শোক দিবস পালন পরিষদ-২০২৩' কর্তৃক আয়োজিত এ প্রদর্শনীটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়।

          এ প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষরকৃত সনদ ও ক্রেষ্টসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৫টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ১ম পুরষ্কার (বঙ্গবন্ধু পুরস্কার) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ টাকা), ২য় পুরষ্কার (শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব পুরষ্কার) ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার টাকা), ৩য় পুরস্কার (শেখ রাসেল পুরস্কার) ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার টাকা), ৪র্থ পুরষ্কার +শেখ কামাল পুরষ্কার) ২০,০০০/- (বিশ হাজার টাকা) এবং ৫ম পুরস্কার (শেখ জামাল পুরষ্কার) ২০,০০০/- ( বিশ হাজার টাকা)। মো. সাইমুম ইসলাম রাফি 'শেখ জামাল পুরষ্কার' লাভ করেন। এতে শিল্পকর্মের বিষয় ছিল 'বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ'।

          অনুভূতি প্রকাশ করে মো. সাইমুম ইসলাম রাফি বলেন, ছবি আঁকাটা কেবল আনন্দ লাভের এবং আত্মিক তৃপ্তি অর্জনের কারণ হলেও পরবর্তীতে একজন শিল্প শিক্ষার্থী হিসেবে কোনো প্রকার স্বীকৃতি জুড়ে দেয় উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা। এরমধ্যে একাডেমিক বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে দু'বার পুরষ্কার এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শিরোনামে শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে প্রথম পুরস্কার অর্জন করি। এছাড়াও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আন্তঃহল কতৃক শিল্পকর্ম প্রতিযোগিতায়ও পুরস্কৃত হই৷ তবে এবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়নুল গ্যালারীতে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শিল্পকর্ম প্রদর্শনী-২০২৩ এ পাওয়া শেখ জামাল পুরস্কার আমাকে এবং আমার বিশ্ববিদ্যালয়কে গর্বিত করেছে। বাংলাদেশের স্বীকৃত ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের শিল্পীদের মধ্যে আমার এ অর্জনে আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার শুভাকাঙ্ক্ষী এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি।

          এছাড়াও ১৫ আগস্টে তার তৈরি শিল্পকর্মটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে "বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ" শিরোনামে আয়োজিত প্রদর্শনীতে প্রথম পুরস্কার লাভ করে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত