ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আইসিসিআর স্কলারশিপে ভারত যাচ্ছেন খুবির ৭ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ আগস্ট, ২০২৩ ২২:৫৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
আইসিসিআর স্কলারশিপে ভারত যাচ্ছেন খুবির ৭ শিক্ষার্থী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, খুবিঃ ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) এর ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন খুবির বর্তমান ও সাবেক ৭ শিক্ষার্থী। এতে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ৫ জন ও পিএইচডিতে সুযোগ পেয়েছেন ২ শিক্ষার্থী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুবির ইংরেজি ডিসিপ্লিন থেকে ৩ জন, এবং অর্থনীতি ডিসিপ্লিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিন, পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিন, ড্রইং এন্ড পেইন্টিং ডিসিপ্লিন থেকে ১ জন করে এই স্কলারশিপ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন।

অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের '১৪ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী সুমাইয়া তাসনিম 'এ্যাপ্লাইড ইকোনোমিকস' এ পিএইচডি করতে যাচ্ছেন ভারতের কোচিন ইউনিভার্সিটি অভ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে।

ড্রইং এন্ড পেইন্টিং ডিসিপ্লিনের সাবেক শিক্ষার্থী ('১৫ ব্যাচ) এর শিক্ষার্থী সুদীপ্তা স্বর্ণকার 'অ্যাবস্ট্রাক্ট পেইন্টিং' এ (বিমূর্ত শিল্প) বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পেয়েছেন। এর আগেও তিনি আইসিসিআর স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স করেছেন ২০২০ সালে। এটি তার ২য় বার পাওয়া আইসিসিআর স্কলারশিপ।

এ বিষয়ে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুইবার আইসিসিআর স্কলারশিপে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পেয়ে আমি খুবই খুশি এবং গর্বিত।

ইংরেজি ডিসিপ্লিনের '১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাদিয়া সিদ্দিকা যাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি অব দিল্লী তে মাস্টার্স করতে ২০২৩-২৪ সেশনে। তিনি দুই বছরমেয়াদী ইংরেজি বিষয়ের ওপর মাস্টার্স সম্পন্ন করবেন। একই ডিসিপ্লিনের '১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাকেশ শিকদার যাচ্ছেন আইআইটি মাদ্রাজে, এবং ঐ ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রাধামাধব যাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি অব দিল্লীতে। তবে রাধামাধব তার স্নাতক শেষ করেছেন খুলনা নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে।

অনুভূতি জানতে চাইলে সাদিয়া সিদ্দিকা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি নতুন একটি দেশ ও তাদের সংস্কৃতি জানার সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে।

এছাড়াও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের সাবেক শিক্ষার্থী ('১৬ ব্যাচ) শুভ্রদীপ মন্ডলও ইউনিভার্সিটি অফ দিল্লিতে মাস্টার্স এর সুযোগ পেয়েছেন।

পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের '১৮ ব্যাচের ফাতেমা তুজ জোহরা এমএসসিতে স্কলারশিপ পেয়েছেন সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে ইউনিভার্সিটিতে।

তিনি অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, যখন আমি জানতে পারি আমি স্কলারশিপ পেয়েছি তখন খুব সম্মানিত বোধ করেছি। অবশ্য, খুলনা ছেড়ে ও আমার বন্ধু-বান্ধবীদের ছেড়ে যাওয়া অনেকটা কষ্টের আমার জন্য। তবুও আমি নতুন সব অভিজ্ঞতার জন্য অপেক্ষায় আছি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জাবি প্রেসক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৭ আগস্ট, ২০২৩ ২০:২৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জাবি প্রেসক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় কর্মসূচিতে আমলকি, পেয়ারা, ডালিম, নিম, চেরী, মেহেগনি, কদম, প্রভৃতি ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভা বর্ধনকারী প্রায় শতাধিক গাছের চারা রোপণ করা হয়।

    এ প্রসঙ্গে জাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিবেশ-প্রতিবেশ সংরক্ষণ। বিশ্বের সকল মানুষ এখন পরিবেশ সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। আার পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিবারের ন্যায় এবারও আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এই কর্মসূচির আওতায় আমরা শতাধিক গাছের চারা রোপণ করবো।’

    বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জাবি প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শফি মুহাম্মদ তারেক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল হাসান, জাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসিব সোহেল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নোমান বিন হারুন, গ্রন্থাগার সম্পাদক তানভীর ইবনে মোবারক, কার্যকরী সদস্য রাহাত চৌধুরী, সৌরভ শুভ, সদস্য হাসান সজীব, আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা, আল সাঈদ মেহেদী, ওসমান সরদার, এস এম তাওহীদ, মো: হাদিউজ্জামান প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, জাবি প্রেসক্লাব দেশের গণমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্ব পালন করে থাকে। এর অংশ হিসেবে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি পালন করে থাকে সংগঠনটি। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দেশের জনগণ বনায়নে উৎসাহিত হবে বলে মনে করে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৬৩ বছরে পা দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৭ আগস্ট, ২০২৩ ২০:২৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৬৩ বছরে পা দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

      বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, বাকৃবি: দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে গৌরব ও মর্যাদার ৬২ বছর পার করে ৬৩ তে এসে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। বাংলাদেশের কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে সেই প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই। ব্রহ্মপুত্র নদের ধার ঘেঁষে ১৯৬১ সালের ১৮ আগস্ট প্রায় সাড়ে ১২শ একর জমির উপর গড়ে উঠেছিলো দেশের কৃষি শিক্ষার এই আতুড়ঘর।

      বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষ মোকাবেলা থেকে শুরু করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা রেখে তৈরি করেছে এক অতুলনীয় ইতিহাস। দেশের কৃষিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক গবেষক থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ। গত ৬২ বছরে বাকৃবির রয়েছে অসংখ্য গৌরবময় অর্জন। যার মধ্যে বাউ ধান-৩, ডেঙ্গুর সিরোটাইপ নির্ণয় প্রযুক্তি, মানুষ ও পশুর ব্রুসেলোসিস রোগের জীবাণু শনাক্তকরণ, ইলিশ ও বø্যাক বেঙ্গল ছাগলের জিন রহস্য উন্মোচন, ক্ষতিকর এন্টিবায়োটিকের বিকল্প উদ্ভাবন, হিমায়িত ভ্রুণ হতে ভেড়ার কৃত্রিম প্রজনন, শুকনো মৌসুমে বোরো ধান চাষের প্রযুক্তি উদ্ভাবন অন্যতম। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ ও মাছের কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি আবিষ্কার, শস্য ও পশুর একাধিক জাত উদ্ভাবনের মতো কৃষির স¤প্রসারণ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে অনন্য উচ্চতায় এখন বাকৃবি।

      যার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৭, ২০১৮ ও ২০২১ সালে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। অর্জনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন বাকৃবির সকল শিক্ষক শিক্ষার্থী। ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু এই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দিয়েছেন। এর ফলে দেশের কৃষিতে এসেছিল এক আমূল পরিবর্তন। ইতিহাস ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই বিশ্ববিদ্যালয় আরো হাজার বছর একই অবস্থানে থাকুক, দেশের কৃষিকে আরো সমৃদ্ধ করুক, এবং প্রতিবছর ঈর্ষনীয় সংখ্যক দক্ষ কৃষিবিদ তৈরি করুক সবার এমনই প্রত্যাশা।

      প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানাবিধ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাকৃবি প্রশাসন। সকালে র‌্যালি, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, গাছের চারা বিতরণ, ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ করা হবে। এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন 'শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তি' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে দোয়া ও প্রর্থনা, হল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালিত হবে।

      প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামগ্রিক চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেবর আজ বহুগুণে বেড়েছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে এর মর্যাদা ও সুখ্যাতি। নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণের গৌরবগাঁথা নিয়ে আমাদের প্রাণপ্রিয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬২ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথ চলা। বৈশ্বিক নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে আমরা এগিয়ে চলছি। উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশে গুণগত মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট বড়ই প্রয়োজন। গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সহায়তা করে। আর সেই লক্ষ্যেই গত ছয় দশক ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিথযশা শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ নিরলসভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান বিতরণ করে চলেছেন

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মূল ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলনে চবি ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৭ আগস্ট, ২০২৩ ১৯:১৪
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মূল ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলনে চবি ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপ

        বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, চবি: মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে চবির মূল ফটকে তালা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চবি শাখা ছাত্রলীগের দুচি গ্রুপ। গ্রুপ দুটি হলো- বিজয় ও ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স)।

        বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জিরো পয়েন্টের মূল ফটকে তালা আন্দোলন করে নেতাকর্মীরা।

        এসময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় নেতাকর্মীদের। এর মধ্যে - অবৈধ কমিটি মানি না মানবো না, প্রহসনের কমিটি মানি না মানবো না, দাবি মোদের একটাই, নতুন করে কমিটি চাই ইত্যাদি।

        আন্দোলনের বিষয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সহ- সভাপতি সাদেক হোসাইন টিপু বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ এ কমিটিকে বিলুপ্ত করতে হবে এবং নতুন কমিটি দিতে হবে এটাই আমাদের দাবি। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হলে তার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। চবি শাখা ছাত্রলীগের কাজকে বেগবান করতে নতুন কমিটির বিকল্প নেই। মেয়াদোত্তীর্ণ এ কমিটির সভাপতিকে আমরা আগেই অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছি। এখন নতুন কমিটির দাবিতে আমাদের এ আন্দোলন চলমান থাকবে।

        উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রেজাউল হক রুবেলকে সভাপতি ও ইকবাল হোসেন টিপুকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। আর ২০২২ সালের ৩১ জুলাই ৩৭৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ’বাংলাদেশের সমাজ ও নন্দনতত্ত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৭ আগস্ট, ২০২৩ ১৭:৩৯
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ’বাংলাদেশের সমাজ ও নন্দনতত্ত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

          বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ নন্দনতত্ত্ব নিয়ে গ্রিসে ও রোমে তাত্ত্বিক আলোচনার সুচনা হলেও ব্যবিলনীয় সভ্যতায়ও নন্দনতত্ত্ব আলোচনার বিষয় ছিল। আজ ১৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে 'বাংলাদেশের সমাজ ও নন্দনতত্ত্ব' বিষয়ক সেমিনারে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড.মো:শাহ আজম এ কথা বলেন।

          রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের লেকচার থিয়েটারে বেলা ১১ টায় এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম। উপাচার্য তাঁর বক্তব্যের শুরুতে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে নিহত সকল শহীদ এবং ৩ নভেম্বর জেলহত্যার শিকার জাতীয় চার নেতাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দলনে নিহত শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।উপাচার্য প্রফেসর ড.মো:শাহ আজম তার বক্তব্যে বলেন,আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি এরই অংশ হিসেবে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন নন্দনতত্ত্ব নিয়ে গ্রিসে ও রোমে তাত্ত্বিক আলোচনার সুচনা হলেও ব্যবিলনীয় সভ্যতায়ও নন্দনতত্ত্ব আলোচনার বিষয় ছিল। একই সঙ্গে বাংলা অঞ্চলের নন্দনতত্ত্ব ও মধ্যযুগের ইউরোপের নন্দনভাবনায় সমাজ ভূমিকা রেখেছে কিনা এবিষয়ে গবেষণার প্রয়োজন।

          সেমিনারে বাংলাদেশের সমাজ ও নন্দনতত্ত্ব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন লেখক, সম্পাদক, চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞ ও নৃত্যশিল্পী শ্রী সুশীল সাহা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত