শিরোনাম
মশক নিধন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে রাবি প্রশাসন
রাবি প্রতিনিধি: ডেঙ্গু আতঙ্কে দেশবাসী। দেশব্যাপী প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এ রোগের সংক্রমণ ও মৃত্যু।
সারা দেশের ন্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। ইতোমধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৪ শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আবাসিক হলগুলোতে জ্বর নিয়ে কাতরাচ্ছেন অনেকে।
গত শুক্রবার (২১ জুলাই) থেকে ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা নিধনে কার্যক্রম শুরু করেছে প্রশাসন। ফগার মেশিনের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের হলসহ বিভিন্ন ড্রেনে মশা ও লার্ভা নিধনের ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। এছাড়াও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ ও ঝোপ-জঙ্গল পরিষ্কার করার কাজও চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
প্রথম দিন (২১ জুলাই) বেগম রোকেয়া হল, রহমতুন্নেসা হল ও তাপসী রাবেয়া হলে মশা ও লার্ভা নিধনের ওষুধ ছিটানো হয়েছে। পরদিন শনিবার মন্নুজান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল ও বেগম খালেদা জিয়া হলে, রোববার শেরে বাংলা ফজলুল হক হল, মতিহার হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ওষুধ ছিটানো হয়েছে।
আজ সোমবার (২৪ জুলাই) শাহ মখদুম হল, সৈয়দ আমীর আলী হল ও নবাব আব্দুল লতিফ হলে মশা ও লার্ভা নিধনের ওষুধ ছিটানো হচ্ছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) শহীদ মীর আবদুল কাইয়ুম ইন্টারন্যাশনাল ডরমিটরি, শহীদ শামসুজ্জোহা হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং পরদিন অবশিষ্ট শহীদ জিয়াউর রহমান হল ও শহীদ হবিবুর রহমান হলে মশা ও লার্ভা নিধনের ওষুধ ছিটানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এআই প্রেজেন্টার নিয়ে আসলো খুবির সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিন
খুবি প্রতিনিধিঃ সংবাদ উপস্থাপনায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিন।
এআই অ্যাভাটার ‘খুশি’ সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পাঠ করেন। ৪৫ সেকেন্ডের এই ভিডিওতে, অ্যাভাটারটি নিজের পরিচয় দিয়ে পুরো সময় বাংলায় সংবাদ পাঠ করেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ- ”খুবি” নামটি সাথে মিল রেখে: এআই প্রেজেন্টারের নামকরণ করা হয়েছে “খুশি"।
ডিসিপ্লিনের পক্ষে এআই স্টুডিও এর সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে সংবাদটি ডেভেলপ করেছেন সহকারী অধ্যাপক মো: উজ্জ্বল তালুকদার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হলে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকেও এসব বিষয়গুলো গ্রহন করতে হবে, সংবাদটি আমি ডেভেলপ করেছি, অ্যাভাটার ও ভয়েচের জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে, মূলত এআই নিয়ে সবাইকে উৎসাহ দিতে ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ও এআই এর জন্য প্রস্তুত সেটা জানাতে এমন উদ্যোগ।
এই কাজে ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মো: শরিফুল ইসলামেরও উৎসাহ ও সহযোগিতা ছিলো।
মাভাবিপ্রবির সাথে বিডিরেন ‘ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক মেইনটেন্যান্স সার্ভিস’ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরিত
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক (বিডিরেন) এর যৌথ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সোমবার (২৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে পরবর্তী এক বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে Bangladesh Research and Education Network (BdREN) এর দুটি যৌথ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
স্বাক্ষরিত চুক্তি-
১. মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক রক্ষাণবেক্ষণ পরিসেবার চুক্তি।
২. ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ইন্টারনেটসহ অন্যান্য সেবাসমূহ ব্যবহারের চুক্তি।
মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন এর উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তি দু’টিতে স্বাক্ষর করেন মাননীয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম এবং বিডিরেন এর পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ তৌরিত।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ.আর.এম সোলাইমান, আইসিটি সেল এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরমর্শ দান কেন্দ্র এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহীন উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ এর ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল মাহমুদ, জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা দপ্তর-এর অফিস প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ আজিজুল হক ও আইসিটি সেল এর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি শুরু
খুবি প্রতিনিধি: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) প্রথম বর্ষে স্নাতক (সম্মান) /স্নাতক শ্রেণিতে প্রথম পর্যায়ের ভর্তি শুরু হয়েছে। আজ রোববার থেকে এ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়।
প্রথম পর্যায়ে প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া ২৫ জুলাই রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে জিএসটি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফি (৫০০০ টাকা) প্রদান করে সম্পন্ন করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রথম পর্যায়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের এসএসসি–এইচএসসি ও সমমানের পাসের মূল মার্কশিট আগামী ২৬ জুলাই (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪ টা) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে, অন্যথায় প্রাথমিক ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মধুসূদন দত্ত অতিথি ভবনের শিক্ষক ক্লাবে এই ভর্তির কাগজপত্র জমা নেওয়া হবে। মূল মার্কশিট দুটি আবেদনকারীর নাম ও জিএসটি রোল নম্বর লেখা একটিএ ফোর সাইজের খামে করে জমা দিতে হবে।
প্রাথমিক ভর্তি ফি অনলাইনে পরিশোধের পরেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল কাগজপত্র জমা দিতে না পারলে ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে এবং জিএসটি’র কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে না। কোনো আবেদনকারী প্রাথমিক ভর্তি বাতিল করলে পরবর্তীতে জিএসটি’র কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ থাকবে না।
পছন্দক্রমে অন্তর্ভুক্ত যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রাথমিক ভর্তির জন্য প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পরেও প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে পরবর্তীতে জিএসটি-গুচ্ছ ভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে না। এমনকি কোটায় ভর্তির জন্যও বিবেচিত হবে না।
এ ছাড়া প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালে কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট বিভাগে ভর্তি থাকা অবস্থায় ‘মাইগ্রেশন স্টপ’ সম্পন্ন করলে সেই বিভাগ ব্যতীত অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বিভাগে মাইগ্রেশনের সুযোগ থাকবে না।
শিক্ষার্থীদের সাথে বসে রাতের খাবার খেলেন ইবির জিয়া হল প্রভোস্ট
ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ বি এম জাকির হোসেন আকস্মিকভাবে হল পরিদর্শন করেছেন।
রবিবার (২৩ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ডাইনিং পরিদর্শন করেন এবং এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একই সাথে বসে রাতের খাবার খান। ৩৮ টাকার টোকেন সংগ্রহ করে মাছ, সবজি ও ডাল দিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে একই টেবিলে বসে খাবার খান তিনি। এসময় খাবারের মান ও স্বাদ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন হল প্রভোস্ট।
হল প্রভোস্টের এমন আকস্মিক পরিদর্শনে সন্তুষ্ট হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। এসময় একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, যদি প্রভোস্ট স্যার নিয়মিত এমন আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত রাখেন তবে হলের খাবারের মান সহ যাবতীয় সমস্যা গুলো খুব দ্রুতই নিরসন হবে।
এসময় হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ বি এম জাকির হোসেন বলেন, হলের শিক্ষার্থীদের সাথে খাবার খেয়েছি। খাবারের স্বাদ ও মান নিয়ে আমি সন্তুষ্ট তবে ইম্প্রুভেরও কিছু জায়গা রয়েছে। সেই জিনিসগুলো নিয়ে বসবো এবং খুব শীঘ্রই তা সমাধান করার চেষ্টা করবো।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য