ঢাকা, সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ৬ মাঘ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নোবিপ্রবিতে সকালে বাস নিয়ে আন্দোলন, দুপুরে বাসের গ্লাস ভেঙ্গে শিক্ষার্থী আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুন, ২০২৩ ২০:৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
নোবিপ্রবিতে সকালে বাস নিয়ে আন্দোলন, দুপুরে বাসের গ্লাস ভেঙ্গে শিক্ষার্থী আহত

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পরিবহন সংকট নিরসনে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তুলনায় অপযার্প্ত বাস দেওয়ায় এ প্রতিবাদ আন্দোলন করেছেন তারা।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জুন ২০২৩) সকালে জেলা শহর মাইজদী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি বাস শহরের বিশ্বনাথ এলাকায় এলে বাসে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় আটকিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বাসটিতে থাকা অনেক শিক্ষার্থীর সেমিস্টার ও বিভিন্ন ক্লাস পরীক্ষা থাকায় পরবতীর্তে বাসটি ছেয়ে দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, বাস না পেয়ে ও বাসে উঠতে না পেরে ২০০—২৫০ শিক্ষার্থী নিজ খরচে প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে। এতে করে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত টাকা খরচ হয় ও রাস্তায় বিভিন্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকতে হয় তাদের। তাদের দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বহনকারী বাসের সংখ্য ও বাসের সিডিউল বাড়ানো হোক। এই দুর্দশা থেকে মুক্তি চান তারা।

এদিকে একই দিনে ক্যাম্পাস থেকে দুপুর ২টায় মাইজদীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা বিআরটিসির একটি দ্বিতল বাসের (মালতী) জানালার গ্লাস ভেঙে হাঁটুর উপর পড়ায় এক মেয়ে শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায় আহত শিক্ষার্থীর ক্ষত স্থানে চারটি সেলাই দেয়া হয়েছে। আহত শিক্ষার্থী নোবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগের ২০২১—২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে মাইজদীর উদ্দেশে ছেড়ে আসা বিআরটিসির একই বাস (মালতী) জেড—মোড় অতিক্রম করার সময় বাসটির সামনের গ্লাস খুলে পড়ে যায়। বাসের গ্লাসটি সামনের দিকে খুলে পড়ে যাওয়ায় এতে কেউ হতাহত হননি।

এ বিষয়েগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন উপদেষ্টা ড. কাউসার হোসেন বলেন, আমরা বাস সংকট নিরসনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একটি বাস সংস্কার করেছি। আগামীকাল থেকে পরিবহন পুলে বাসটি যুক্ত হবে। আর ফিটনেস বিহীন যদি কোনো বাস থাকে সেটি আমরা অতিদ্রুত মেরামত করার চেষ্টা করবো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কুবিতে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৩ জুন, ২০২৩ ২০:৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    কুবিতে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার

    কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম এর যৌথ আয়োজনে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারের আলোচনাির বিষয় ‘দ্য ফিউচার অব সিএস ক্যারিয়ার, এআই, এমআই, সাইবার সিকিউরিটি, রোবোটিক্স’।

    মঙ্গলবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈন। কিনোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মেহদী উদ-জামান, আরিফুল হাসান অপু, মনোয়ার ইকবাল, জিয়া উদ্দিন মাহমুদ, ও বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পার্থ চক্রবর্তী।

    উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈন। এসময় তিনি উপস্থিত সকল আমন্ত্রিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি এআই, এমআই, সাইবার সিকিউরিটি, রোবোটিক্স এর নামের সাথে পরিচিত কিন্তু এগুলো কাজ কি আমি জানি না। মনে হয়, সাইবার সিকিউরিটি বিষয়টি হ্যাকিং রিলেটেড। আশা করি এই সেশনের মাধ্যমে আপনারা শিল্পভিত্তিক সমাজের আপনাদের ক্যারিয়ার গঠনে অনেক বেশি কাজে আসবে। পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ও ভিশন অর্জনে কাজ করবে।

    এসময় কি-নোট স্পিকার অ্যামাজন ওয়েভ সার্ভিসের সলিউশন আর্কিটেকচার মোহাম্মদ মেহদী উদ-জামান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, আজকে যা হচ্ছে আগামী ১০ বছর পর সেইরকম থাকবে না। সেটা প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও। একসময় টেসলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিক্রি করে দিয়েছিল, আর এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটু অংশ ক্রয় করতে চাচ্ছেন। যারা এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করছেন না, তারা আগামী পাঁচ দশ বছর পর হারিয়ে যাবে। যেমন করে হারিয়ে যাচ্ছে নোকিয়া, বাজারে নেই কোডাকের মতো নামকরা কোম্পানিগুলো। বর্তমানে কোডিং করার ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হচ্ছে। ফলে কষ্ট করে এখন আর শুধু বেসিকটা ব্যতীত কোডিং এত কষ্ট করে করার কোনো দরকার নেই। এতে কোম্পানিগুলোর খরচও অনেক কমে আসছে।

    পরে প্যানেল ডিসকাশনের আয়োজন করা হয়। এসময় প্যানেল ডিসকাশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, সাইবার সিকিউরিটি, রোবোটিক্সে নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তারা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা হয়ত তাত্ত্বিক অনেক বেশি জ্ঞান রাখেন, কিন্তু প্র্যাকটিক্যাল নলেজের ব্যবহার অনেক কম। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ৪ বছর শুধু পড়ানোই হয়। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশে দুই বছর পড়াশোনা করলে বাকি দুই বছর কোম্পানিগুলোর সাথে কাজে যুক্ত থাকে। ফলে তাত্ত্বিক জ্ঞানও মনে রাখা সম্ভব।

    এসময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পাবিপ্রবিতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা কল্যাণ সমিতির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৩ জুন, ২০২৩ ১৭:৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      পাবিপ্রবিতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা কল্যাণ সমিতির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

      পাবিপ্রবি প্রতিনিধি : পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে আগত নবীন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

      সোমবার (১৩ জুন), সংগঠনটির সভাপতি অর্ণব মল্লিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

      অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রভাষক সনজিত কুমার নাথ। তিনি শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। নবাগত শিক্ষার্থীদেরকে হতাশা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যতটুকু রিসোর্স আছে তা কাজে লাগিয়ে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কোন ম্যাটার না। তোমাদেরকে পরিশ্রম করতে হবে, লেগে থাকতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে অনেক ভালো জায়গায় যেতে পারবে। তোমরা অনেক দূর থেকে পড়াশোনা করতে এসেছো । তোমাদের সংগঠনের সবার সাথে সুসম্পর্ক রাখবা, যে কোন সাহায্যে লাগলে তাদের সাথে যোগাযোগ করবা। তাহলে কখনো নিজেকে একা লাগবে না।

      সংগঠনটির সভাপতি অর্ণব মল্লিকের নবীন শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়ে বলেন, আমাদের সংগঠনটি প্রথম দিকে এতটা সুসংগঠিত না থাকলে ও দিন দিন শিক্ষার্থীদের আগমন আমাদের সংগঠনটির পূর্ণতা পাচ্ছে। তোমরা যারা এসেছো সবাইকে অভিনন্দন। যে কোন প্রয়োজনে আমাদেরকে পাশে পাবা। আমাদের বন্ধনটা যেন দৃঢ় থাকে আমরা চেষ্টা করবো প্রতি মাসে একবার আড্ডা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। তোমরা সংগঠনে সক্রিয় থাকবে, সংগঠনটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আশা করি আমাদের সংগঠনটি একদিন আরও বড় হবে।

      অত:পর অনুষ্ঠানে আগত সকল শিক্ষার্থীদের পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।সকলে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির অভিজ্ঞতা জানান। সকলের গল্প আড্ডা এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জবি উত্তরণ পরিবারের নতুন কমিটি ঘোষণা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৩ জুন, ২০২৩ ১০:২৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        জবি উত্তরণ পরিবারের নতুন কমিটি ঘোষণা

        সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) উত্তরণ পরিবারের নতুন শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান ইমন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান সিফাত দায়িত্ব পেয়েছেন।

        রোববার (১১ জুন) রাতে উত্তরণ পরিবারের উপদেষ্টামন্ডলীরা কমিটি ঘোষণা করেন।

        কমিটিতে অন্যান্য পদে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মেহেদী হাসান শাকিল ও সুমাইয়া শারমিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রাইসুল ইসলাম ও আব্দুর রহমান নাহিদ রয়েছেন।

        রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে যাতায়াত করেন অনেক শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন রুটে প্রায় ২৬টি বাস চলাচল করে। মিরপুর ১৪, মিরপুর ১৩, মিরপুর ১০, ২, ১, আনসার ক্যাম্প, কল্যাণপুর, শ্যামলি ও জবি রুটে চলাচলকারী বাস হচ্ছে উত্তরণ।

        উত্তরণ পরিবারের নতুন কমিটি নিয়ে সদ্য-সাবেক সভাপতি আসিফ নিলয় বলেন, বাসে যাতায়াতকারী বর্তমান সকল সদস্যের চাওয়া-পাওয়া বিশ্লেষণ করে এবং বাসের সাবেক সকল উপদেষ্টা মন্ডলীর অনুমোদনক্রমে নতুন কমিটি দেয়া হয়েছে। আশা করি তারা আমাদের এই বৃহৎ পরিবারকে সকলের সাথে মিলেমিশে সুশৃংখলভাবে পরিচালনা করবে।

        নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে উত্তরণ বাসে যাতায়াতকারী আই ই আর বিভাগ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফাহাদ হোসাইন বলেন, নতুন কমিটি নিয়ে আমরা খুবই আশাবাদী,আনন্দিত এবং উচ্ছ্বাসিত। যারা যোগ্য, সকলে যাদেরকে চেয়েছে তাদের হাতেই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে রেখে সুশৃঙ্খলভাবে সকল বাধা ভেঙে সকলকে একত্রে এগিয়ে যাওয়ার আহবান করছি। উত্তরণ পরিবারের পাশে সবসময় আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আছি।

        নতুন কমিটির সভাপতি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাহমুদুল হাসান ইমন বলেন, উত্তরণ পরিবারের সকলকে ধন্যবাদ আমার ও আমাদের সকলের পাশে থাকার জন্য৷ একই সাথে ধন্যবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন যারা আমাদের পাশে আছে। আশা করি উত্তরণ পরিবারের সকলকে সাথে নিয়ে আমরা দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরণ পরিবার এর শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমি ও আমার কমিটির সকল সদস্য বদ্ধপরিকর।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          নীতিমালা বাতিলের দাবিতে পবিপ্রবিতে মানববন্ধন

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১২ জুন, ২০২৩ ২২:৩০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          নীতিমালা বাতিলের দাবিতে পবিপ্রবিতে মানববন্ধন

          পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত নতুন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

          ১২ই জুন (সোমবার) দুপুর ১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ফিশারিজ গ্রাজুয়েটদের অধিকার বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীবৃন্দ। উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা অতিসম্প্রতি মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৩ খসড়া বিধিমালার ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২০(১) ও ২০(৪) বিধি সংশোধনের দাবি জানান।

          উক্ত বিধিমালার ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২০(১) বিধিতে বলা হয়েছে- কেন্দ্রীয় উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ মৎস্য চাষে ব্যবহৃত ক্ষতিকর নহে এইরূপ রাসায়নিক পদার্থের তালিকা এবং রোগাক্রান্ত মৎস্যের চিকিৎসার্থে ব্যবহৃত হইতে পারে, পরিচালক কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের সহযোগিতায় প্রস্তুতকৃত এইরূপ ঔষধের তালিকা পৃথকভাবে সরকারের অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করিবেন এবং ২০(৪) বিধিতে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়াান বা ভেটেরিনারি কর্মকর্তা মৎস্যের রোগ নিরাময়ে যে ঔষধ যে ভাবে ব্যবস্থাপত্রে নির্দেশনা প্রদান করিবেন সেই ভাবে প্রয়োগ করা যাইবে এবং খামার মালিক এইরুপ ব্যবস্থাপত্র মৎস্য আহরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ করিবেন। প্রস্তাবিত নতুন এ প্রজ্ঞাপনে, মৎস্যের রোগ নিরাময়ে ভেটেরিনারিয়ানরা নয় বরং শুধু মৎস্যবীদরাই করবেন এবং উক্ত ধারাদ্বয় সংশোধনের দাবীতে সারা বাংলাদেশের সকল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ জুন একযোগে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পবিপ্রবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সকল শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচীর পালন করেন। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবী জানিয়ে উল্লেখ করে ৮ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী আসিফ বলেন, "আমরা চার বছর ফিশারিজ নিয়ে পড়াশুনা করার পরও যদি মাছের চিকিৎসা করতে না পারি তবে আমাদের এ গ্রাজুয়েশনের মূল্য কোথায়?" বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী মনসুর ইসলাম বলেন, "যারা ভেটেরিনারি পড়েন তাদের তো মাছের বিষয়ে তেমন পড়ানো হয় না। তাহলে তারা কিভাবে মাছের চিকিৎসা করবে? আর মৎস্যবীদরা মাছ নিয়ে গ্রাজুয়েশন করার পরও তাদের চিকিৎসা করার অধিকার দেওয়া হয়নি। এমন প্রজ্ঞাপনের বাতিল চাই।" ৩য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ইত্তিজা সাবাব বলেন, "সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পিছনে হাজার হাজার টাকা ব্যায় করেন, গ্রাজুয়েশন শেষ করে তারা যদি তাদের কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করতে না পারে তাহলে গ্রাজুয়েট বেকার তৈরি করার কোনো দরকার নেই" এসময় শিক্ষার্থীরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এই নীতিমালায় দ্রুত সময়ের মাঝে পরিবর্তন আনার দাবি জানান।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত