ঢাকা, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৬ মাঘ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

“জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে”

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ জুন, ২০২৩ ১৮:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক
“জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে”

সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে দেশের সকল স্তরের জনগণ বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৩ উপলক্ষে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, আমাদের প্রজন্মের সকলের সমবেত এবং শক্তিশালী প্রচেষ্টাই পারে পরিবেশকে অক্ষুন্ন এবং সমৃদ্ধ রেখে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। হারানো প্রকৃতি ও প্রতিবেশকে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমেই আমরা এ ধরত্রীকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবো। এ বছরের থিম অনুসারে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আমাদের একই এগিয়ে না আসলে বিশ্ব এক ভয়াবহ অবস্থানে পতিত হবে।

তিনি আরও বলেন, প্লাস্টিক দূষণ হচ্ছে পরিবেশের সবচেয়ে ক্ষতিকর পদার্থের মধ্যে একটি যা আমাদের নিঃশ্বাসের সমস্যা সৃষ্টি করে। শুধু সেমিনার করলাম সবাইকে সচেতন করলাম এটার মধ্যে যেন আমাদের এই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না থাকে, এটা যেন বাস্তবে রূপদান করা হয়। যখন কোন আন্দোলন হয় কেন জানি না এই পরিবেশের গাছগুলোর উপরেই মানুষ চড়াও হয়, আমি দেখেছি যুদ্ধের সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে পাকিস্তানি মিলিটারিরা আমাদের এই বড় বড় গাছগুলোকে তারা পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য। যখন আমাদের দেশের মাঝে মাঝে কোন আন্দোলন হয় সেখানেও দেখি এই গাছের উপরে মানুষ বেশি হামলা করে। এ সকল কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে। আন্দোলনের নামে এই ধরনের পরিবেশ নষ্ট করা কখনোই কাম্য নয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বলেন, পরিবেশ রক্ষা করতে হলে আমাদের নিজেদের সচেতন হতে হবে। আগামী প্রজন্মকে নিশ্চিত ভবিষৎ দিতে হলে পরিবেশ রক্ষার বিকল্প নেই। প্লাস্টিক দূষণ রোধ করার জন্য শুধু পলিসি থাকলেই হবে না সেই পলিসির বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এটি বাস্তবায়ন করতে পারলে এই প্লাস্টিক দূষণকে আমরা রোধ করতে পারব। আমরা যারা ভূগোলবিদ আছি তারা মাঝে মাঝে পথ হারিয়ে ফেল কিন্তু পথ হারালে চলবে না আমাদেরই শুরু করতে হবে এই প্লাস্টিক দূষণ কিভাবে কমিয়ে আনা যায়। একজন ভূগোলবিদ চাইলেই সবকিছু করতে পারে, ভূগোলবিদ হিসেবে দৃষ্টিতে প্রসারিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল হাসান। সেমিনারের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মল্লিক আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাকিব আহমেদ, লাইফ এন্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান খন্দকার এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল কাদের। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সকল শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    সড়ক দূর্ঘটনায় আহত ইবির কেন্দ্রীয় মসজিদের ঈমামের মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১১ জুন, ২০২৩ ১৮:৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    সড়ক দূর্ঘটনায় আহত ইবির কেন্দ্রীয় মসজিদের ঈমামের মৃত্যু

    ইবি প্রতিনিধি : মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার ৪ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশী ঈমাম কাম খতিব ড. আ স ম শোয়াইব আহমাদ আজ রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে মৃত্যু বরণ করেছেন।

    শনিবার (১০ জুন) রাতে হাসপাতালে অবস্থানরত তাঁর পরিবারের লোকজন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    জানা যায়, আজ তার অপারেশনের ডেট ছিলো। তবে অক্সিজেন লেভেল নিচে নেমে যাওয়ায় এটি স্থগিত করা হয়। পরে রাতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    এর আগে, গত মঙ্গলবার ক্যাম্পাস থেকে ঢাকার উদ্দেশে গ্রিনলাইন বাসে রওনা দেন ড. শোয়াইব আহমদ। পথে মাগুরা পৌঁছানোর পর সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। এতে ড. শোয়াইব আহমদ মারাত্মক আহত হলে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দিলে ড. শোয়াইবকে কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা শঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। মৃত্যুর আগ মুহূর্তেও তিনি আইসিইউতে চিকিৎসারত অবস্থায় ছিলেন।

    ড. শোয়াইব আহমদ শুরু থেকেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে পেশ ঈমাম হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। এছাড়াও অর্থসহ আল কুরআন ও সালাত শিক্ষা, অর্থসহ হিফযুল কুরআন কোর্স, ড. শোয়েব’স স্পোকেন ইংলিশ এবং অ্যারাবিক শিক্ষার সংক্ষিপ্ত কোর্সেরও উদ্ভাবক তিনি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ময়মনসিংহে “মৎস্য চাষ যান্ত্রিকীকরণ” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১১ জুন, ২০২৩ ১৭:৫৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ময়মনসিংহে “মৎস্য চাষ যান্ত্রিকীকরণ” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

      বাকৃবি প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরে "মৎস্য চাষ যান্ত্রিকীকরণ: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ করনীয়" শীর্ষক কর্মশালা আয়োজিত হয়েছে। রবিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয়ে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

      কর্মশালায় মূল বক্তব্য পেশ করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক। কর্মশালায় মৎস কর্মকর্তাদের আধুনিক যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে মৎস্য চাষ, ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণসহ অন্যান্য অনেক কাজ খুব সহজে ও কম খরচে কিভাবে করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে মৎস্য বিভাগে যন্ত্র ও মেশিনের ব্যবহার উদ্ভুদ্ধ ও বৃদ্ধি করাই ছিল কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।

      ড. মাহফুজুল বলেন, মৎস্য চাষ, ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসায় বাংলাদেশে এখনো সনাতন পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া হয়। এর পরিবর্তে যন্ত্র ব্যবহার অনেক লাভজনক। অক্সিজেন বৃদ্ধিকারী যন্ত্র এরেটার ব্যবহারে পুরো ফার্ম বা পুকুরে অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব। এছাড়া এই যন্ত্র পুকুরের নিচ থেকে অতিরিক্ত ক্ষতিকর গ্যাসও দূর করে দেয়। "ফিশ কাউন্টিং ডিভাইস" ব্যবহারের মাধ্যমে খুবই কম সময়ে সঠিকভাবে মাছ ও মাছের পোনা গননা করা যায়। আধুনিক সব যন্ত্রপাতির সাহায্য নিলে উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও অনেকটা কমে আসবে৷

      কর্মশালায় মৎস্য অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগের উপপরিচালক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে মূল উপস্থাপক হিসেবে বাকৃবির একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে এম এম খালেকুজ্জামান, প্রনব কুমার, মো. শহীদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

      কর্মশালায় উপস্থিত মৎস্য চাষী ও খামারিরাও আধুনিক এসব যন্ত্র ব্যবহারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে এসব যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা ও সাশ্রয়ী দাম নিশ্চিত করে বাজারজাত করার আবেদন জানান তারা। পাশাপাশি এসব যন্ত্র ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রশিক্ষণ আয়োজন করা কথাও বলেন তারা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        খুবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে আনোয়ার ও আকতার

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১০ জুন, ২০২৩ ২১:৪
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        খুবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে আনোয়ার ও আকতার

        খুবি প্রতিনিধি: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন-২০২৩ এ সভাপতি পদে ১৩২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এ জেড এম আনোয়ারুজ্জামান (আনোয়ার)। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী খুরশিদ আল মেহের (তন্ময়) পেয়েছেন ১৩০২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ১০৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আকতার হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৯৪ ভোট।

        সহ-সভাপতির পাঁচটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন কে এইচ. মাযহাবুদ্দিন পল্লব, ড. ম. শফিক উর রহমান, মোহাম্মদ তানভীর হোসেন, আনিসুর রহমান তুহিন ও হোসনে আরা পপি। যুগ্ম সম্পাদকের দুইটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শায়কা ইমাম শান্তা ও মুজাহিদুল ইসলাম। সাংগঠনিক সম্পাদকের তিনটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. তকদীর রহমান মুকুট, মো. শফিকুল আলম সুজন ও মো. মতিউর রহমান মতিন।

        এছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে মোহাম্মদ ইকবাল কবির (বিপুল), অফিস ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পদে মোঃ রাশেদুল ইসলাম, অফিস ব্যবস্থাপনা সহ-সম্পাদক পদে ড. সঞ্জয় কুমার চন্দ, জনসংযোগ সম্পাদক পদে ড. মো. আজিজুল হাসান পিরু, জনসংযোগ সহ-সম্পাদক পদে মো. সোহেল সারওয়ার জাহান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে প্রফেসর ড. মুন্নুজাহান আরা, সাহিত্য ও প্রকাশনা সহ-সম্পাদক পদে ড. শেখ তারেক আরাফাত, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. শাতিল ইসলাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সহ-সম্পাদক পদে এ কে এম হুমায়ুন কবির দেওয়ান, নারী বিষয়ক সম্পাদক আসমা হক (কান্তা), ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পদে ড. আহসান হাবীব (শিমুল), ছাত্র বিষয়ক সহ সম্পাদক পদে মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে খন্দকার আজিজুর রহমান, তথ্য ও প্রযুক্তি সহ সম্পাদক করে মোঃ আল মাসুদ উদ্দিন ( মনি), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে কানিজ ফাতেমা পাপড়ি, সমাজ কল্যাণ সহ-সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম (শহিদ) নির্বাচিত হয়েছেন।

        নির্বাহী সদস্য (শিক্ষক কোটা) পাঁচটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. নূরুন্নবী (রিংকু), মো. নাজমুস সাদাত (শুভ), ফাল্গুনী আক্তার, মো. মাসুদুর রহমান ও অনুপম কুমার বৈরাগী। নির্বাহী সদস্য (সাধারণ কোটা) সতেরোটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ড. এ কে এম আক্তারুজ্জামান বসুনিয়া, তৌহিদ আব্দুল্লাহ, খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল আলম (লিপন), মো. জাকি-উল-হাসান, মো. নাজমুল হুদা, মো. শাহিনুর রহমান (কবির), এম এম আরাফাত হোসেন, কবরী বিশ্বাস অপু, হাসান জামিল (জেনিথ), প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হাসান, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ শামীম কিবরিয়া, মাহামুদুল হাসান (মিল্লাত), মুহাম্মদ মোবারক হোসেন (উজ্জ্বল), রাশেদুল আলম সরকার, সারওয়ার জাহান ও বিশ্বজিৎ রায়।

        এদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি নবনির্বাচিতদের কর্মমেয়াদের সাফল্য কামনা করেন। একই সাথে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সবিশেষ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          অত্যাধুনিক হবে জবির কেন্দ্রীয় মিলনায়তন

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১০ জুন, ২০২৩ ১৮:১২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          অত্যাধুনিক হবে জবির কেন্দ্রীয় মিলনায়তন

          সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় মিলনায়তন অত্যাধুনিকভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়কে দুই কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকার বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

          শনিবার (১০ জুন) রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ এ তথ্য জানান।

          উপাচার্য কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, 'জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম আধুনিকায়ন ও শিক্ষার্থীদের টয়লেট নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য এককালীন দুই কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকার বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে 'সিটি কর্পোরেশনের জন্য উন্নয়ন সহায়তা' খাতের বরাদ্দকৃত অর্থের অনুমোদিত বিভাজন অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অনুকূলে শর্তসাপেক্ষে অবমুক্তিতে এ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।'

          কামালউদ্দীন আহমদ জানান, 'মন্ত্রী মহোদয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে টাকা দিতে পেরে খুশি বলে জানান আমাদের। অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী সাহেব যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করলেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সাথে শাখা ছাত্রলীগকেও ধন্যবাদ, তাদের তৎপরতায় এটা সম্ভব হয়েছে।'

          এ বরাদ্দের বিষয়ে সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনও প্রকাশিত হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।

          প্রজ্ঞাপনে শর্তাবলী দিয়ে বলা আছে, ছাড়কৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোন অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে। ছাড়কৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে পিপিএ-২০০৬, পিপিআর-২০০৮( সর্বশেষ সংশোধনীসহ) অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। অব্যয়িত অর্থ ৩০ জুন ২০২৩ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন ব্যতীত অন্য কোন কাজে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

          বরাদ্দ পাবার বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, 'আমরা চাই আমাদের ক্যাম্পাস আধুনিকায়ন হোক। ছোট ক্যাম্পাসটা যেন শিক্ষার্থীদের মনে গেঁথে থাকে তেমনিও হোক। এজন্য যেভাবে কাজ করা দরকার আমরা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেভাবেই কাজ করে যাবে, ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে প্রশাসনকে সহয়তা করবে।'

          তিনি আরও বলেন, 'ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আলোচনা সভায় আমরা শিক্ষার্থী ভাই বোনদের পক্ষ থেকে এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম মহোদয়ের কাছে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সংস্কারের দাবী জানিয়েছিলাম। সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের টয়লেট গুলোর কথাও বলেছিলাম। তিনি তখন আশ্বস্ত করেছেন এবং পরে আমাদের ডেকে নিয়ে দ্রুত কাজ করার আশ্বাস ও দিয়েছেন। এজন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই৷ '

          তিনি বলেন, 'আমরা প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অত্যধুনিক ও ব্যবহার উপযোগী টয়লেট করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। এরই মধ্য দিয়ে টয়লেট করার ঘোষণাও আমরা বাস্তবায়ন করছি। ছেলে-মেয়ে উভয়ই ব্যবহার উপযোগী একটি টয়লেট খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন হব।'

          এর আগে চলতি বছরের ১২ই মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে 'ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আয়োজিত এক সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম কেন্দ্রীয় মিলনায়তনকে আধুনিকায়ন ও শিক্ষার্থীদের জন্য টয়লেট নির্মাণ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত