শিরোনাম
পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে সভাপতি অধ্যাপক জেহাদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আসাদুজ্জামান
পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(পবিপ্রবি) শিক্ষক সমিতি নির্বাচন-২০২৩ এ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক জেহাদ পারভেজ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান মিয়া।
সোমবার (২৯মে) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সেমিনার কক্ষে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে ২৫০ জন ভোটারের মধ্যে ২০৬ জন ভোট প্রদান করেন। নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক জেহাদ পারভেজ ১৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল পেয়েছেন ৫৮ ভোট। অপরদিকে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান মিয়া পেয়েছেন ১১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী অধ্যাপক ড. জাহিদ হাসান পেয়েছেন ৯৩ ভোট।
নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. এস.এম.হেমায়েত জাহান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ মামুন উর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক প্রফেসর মো: নাজমুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর ড মো: আরিফুল আলম, দপ্তর সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান ,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোঃ আবুবকর সিদ্দিক, সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মোঃ মমিন উদ্দিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. কাজী শারমীন আক্তার এবং সদস্য হিসেবে প্রফেসর মোঃ আবদুল লতিফ,প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন,প্রফেসর ড. মো: আবুইউসুফ, প্রফেসর মো: মেহেদী হাসান , সহকারী অধ্যাপক অপরাজিতা বাঁধন নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো: মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাত ১০ টায় ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জেহাদ পারভেজ সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিক্ষকরা যে প্যানেল দিয়েছিলাম তার সবাই নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেছি। শিক্ষকদের মান মর্যাদা রক্ষা ও একাডেমিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমাদের এই প্যানেল আগামীতে কাজ করে যাবে"
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান মিয়া জানান, "বিশ্ববিদ্যালয়ের ও শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষার্থে যারা আমাদের নির্বাচিত করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষকদের স্বার্থে আমাদের যা কিছু করা প্রয়োজন আমরা আগামীতে সেটাই করবো"
প্রসঙ্গত, সর্বমোট ১৫ টি পদের বিপরীতে ১ জন স্বতন্ত্রসহ মোট ৩ টি প্যানেলে ২৬ জন প্রার্থিতা করেছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত শিক্ষকদের পাশাপাশি বিএনপি সমর্থিত সাদা দলের ৫ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ৫ জনই জয়ী হয়েছেন। অন্যান্য পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সদস্যরা জয়ী হয়েছেন।
বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসানের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল।
সোমবার (২৯ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরবর্তী উপাচার্য নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রয়োজনে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়ালকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও আর্থিক কর্মকান্ড পরিচালনার স্বার্থে সাময়িকভাবে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব প্রদান করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হলো।
স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ 'স্মার্ট বাংলাদেশ অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৩’-এর উদ্বোধন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি এর একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্কের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আছে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি।
‘যুক্তির তারুণ্যে স্মার্ট আগামী’ স্লোগানকে সামনে রেখে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিডিইউ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মির্জা আবু সায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক অনিমা জামান প্রমা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিডিইউডিএস এর সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান।
স্বাগত বক্তব্যে বিডিইউডিএস এর সভাপতি হাসিবুল আলম প্লাবন বলেন, ‘ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিকাশে বিতর্কচর্চা পথনির্দেশকের ভূমিকা পালন করে। প্রতিপক্ষের দুর্বল বিষয়গুলো ধরে এগোনোর মাধ্যমে বিতার্কিকেরা একটি নতুন সত্যের সন্ধান পান। যুক্তিতর্কের মাধ্যমে তরুণসমাজ সেসব সত্যকে তুলে ধরে আমাদের সমাজকে বদলে দেবে, এগিয়ে নেবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মির্জা সায়েম বলেন, ‘বিতার্কিকেরা তাদের বিতর্কচর্চার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ কন্সেপ্টকে পরিপূর্ণতা দান করবে। এবং যুক্তি তর্কের মাধ্যমে সকল অপশক্তিকে যৌক্তিকভাবে বিনাশ করবে ’
অন্যদিকে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনিমা জামান প্রমা জানান, ‘ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলছি বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের আত্ম:উন্নয়ন করবে। এভাবে ছাত্রলীগের এক একজন নেতাকর্মী হয়ে উঠবেন স্মার্ট বাংলাদেশের এক একজন কান্ডারী।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর আগামী সপ্তাহ জুড়ে চলে এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
উলুফুলের শুভ্রতার চাদরে ছেয়েছে বেরোবির ক্যাম্পাস
বেরোবি প্রতিনিধি: তীব্র রোদ্র, প্রচন্ড তাপদাহ। একটু শীতলছায়ায় পরশ পেতে উৎগ্রীব হাজারো মানুষ। গ্রাম কিংবা শহরে শুধু নয়, সর্বত্ত এ দৃশ্য বিরাজমান । গ্রীষ্মের প্রচন্ড খরতাপে প্রকৃতি যখন পুড়ছে তখন উত্তরের আলোকবর্তিকা রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি ) সেজেছে উলুফুলের শুভ্রতায়। চৈত্রের কাঠফাটা রোদ হার মেনেছে সাদার ক্যানভাসে। তীব্র রোদ্রের আলো নয়, চোখধাঁধাচ্ছে উলুফুল।
গ্রাম ও শহরের মিশ্র পরিবেশে তৈরি সবুজে ঘেরা ৭৫ একরের ক্যাম্পাস কাঁপছে শুভ্র উজ্জ্বলতায়। যেন মনে হচ্ছে কঠোর তাপদাহে ঝলসে গেছে বেরোবির বুক। সবুজের সমারোহ, বৃক্ষের চাদরে যেটুকু টিকে আছে, তার মধ্যে লুকিয়ে আছে নানান রঙের ফুল। ক্যাম্পাসের প্রতিটি জায়গায় কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সোনালু এর সৌন্দর্য হৃদয় ছেয়ে যাচ্ছে হাজারো শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের। পর্যটক বা সৌন্দর্য বিলাসী শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করতেছে উলু ফুল বা ঘাসফুল ।
উলুফুলের মন মাতানো সৌন্দর্য নিঙ্গরে পড়তেছে বেরোবি শিক্ষার্থীদের প্রাণে। এ যেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উলুফুলের মুক্তা ছড়িয়ে পড়েছে। আর সেই মুক্তা মোবাইল বা ক্যামেরা বন্দীর মাধ্যমে নিজের ঝুলিতে কুড়িয়ে নিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের সাদায় মায়ায় প্রকৃতি যেন নেমেছে শুদ্ধতার অভিযানে। তাইতো, ক্যাম্পাসের প্রতিটি প্রাণে লাগে পবিত্রতার ছোঁয়া। বাতাসে যখন উলুফুলগুলো দুলে তখন মনে হয় হাসছে ক্যাম্পাস, প্রকৃতি আর হৃদয়ের গহীন কোণ। শুভ্র সেই হাসিতে যেন মুক্তা ছড়াচ্ছে আকাশ, বাতাস, প্রাণের ক্যাম্পাস।
বছরের ছয়টি ঋতুতেই ফুলে ফুলে সুশোভিত থাকে উত্তরের এ বিদ্যাপীঠ। প্রকৃতির পালাবদলে রং-বেরঙের এসব ফুল দ্যুতি ছড়ায় প্রতিটি দিনই। হৃদয়কাড়া এ সৌন্দর্যের মুগ্ধতায় আর স্নিগ্ধতায় ভরে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, খেলার মাঠ, বিভিন্ন চত্বর। শুরুতেই গ্রীষ্মের তাপ হার মানে উষ্ণ অভ্যর্থনায়। বিভিন্ন চত্বর ও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগুলোর আশপাশে লাগানো হরেক রকমের ফুল মন মাতিয়ে রাখে প্রতিটি প্রাণকেই। তবে শুভ্রতায় শোভিত করে ওই উলুফুলই। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং খেলার মাঠের পশ্চিম অংশ পুরোটা জায়গা সাদায় মাতিয়ে রেখেছে উলুফুল। অযত্নে থাকা ফুলগুলো যেন আপন মনে গড়ে নিয়েছে নিজের সাম্রাজ্য। বেলা-অবেলায় মৃদু কিংবা ঝড়ো হাওয়ায় সেই ফুল যখন দোল খায়। সামনে থেকে দেখতে মনে হয় এক সাদা সমুদ্রের ঢেউ বয়ে চলেছে। প্রায় শত শতাংশের মাঠটি হয়ে উঠেছে আরেক দর্শনীয় স্থান। ফুল নিয়ে খুনসুটিতে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। কেউ কেউ পাশে বসে আড্ডাও দেন দলবেঁধে ।কেউ শুয়ে ছবি তুলায় ব্যাস্ত কেউ বা বসে সারি হয়ে। তবে ফুল মাড়ান না কেউই।
ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবা লোপা বলেন, ঘাসের চাদরে শুয়ে, হাতে উলুফুল বা ঘাস ফুল নিয়ে শুয়ে থাকাটাও যে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর মধ্যে একটা। ঘাস ফুলের সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে মৌ-মাছিও আকৃষ্ট হয়।কারন মৌমাছির কাছে সব ফুলেই সমান।যদি তুমি তোমার কষ্টে ভরা মনকে ভালো করতে চাও তবে ঘাস ফুলের মাঝে চলে যাও।ঘাস ফুল মানে অপরূপ সৌন্দর্যে এক বিকেল।
লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী জুয়েলকে হক বলেন,প্রকৃতির অপরুপ চিত্র যেন এক মহান শিল্পীর তুলিতে আকা বর্ষার আগমনী গানের সাথে যেন তাল, সুর, লয় মিলিয়ে প্রকৃতি কে জানান দিচ্ছে বেরোবির সাদা কাশফুল।ক্যাম্পাসের ছাত্র ছাত্রী ও বাহিরের যারায় ঘুরতে আসে সবাই যেন সাদা কাশফুলের মায়ায় পরে কাশফুলকে বরন করে নিচ্ছে।সবার চাহনি যেন এই অপরুপ প্রকৃতির সুন্দর সাদা কাশফুল কে ঘিরে।
উলুফুল বা ঘাসের ফুল দেখতে কাশফুলের মতো, তবে আকারে অনেক ছোট। ঘাসগুলো ২ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতাগুলো গাছের গোড়ার কাছে প্রায় ২ সেন্টিমিটার চওড়া এবং শীর্ষে একটি তীক্ষ্ণ বিন্দু পর্যন্ত সরু হয়; মার্জিনগুলো সূক্ষ্মভাবে দাঁতযুক্ত এবং ধারালো সিলিকা স্ফূটিক দ্বারা এম্বেড করা হয়। মূল শিরাটি পাতার বাকি অংশের তুলনায় হালকা রঙের এবং পাতার একপাশের কাছাকাছি থাকে। গাছের গোড়ার কাছে উপরের পৃষ্ঠটি লোমযুক্ত এবং নীচের অংশটি সাধারণত লোমহীন হয়। উলু গাছ এর বৈজ্ঞানিক নাম ইম্পেরটা সিলিন্ড্রিকা। এরা বহুবর্ষজীবী প্রজাতি।
সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে পতিত জমিতে এরা স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ে এবং বছরের পর বছর বেঁচে থাকতে পারে। কাঠ ফাঁটা রোদের সঙ্গে উলুফুলের দুলে ওঠা আবহমান বাংলার চিরচেনা রুপ। যা হৃদয়কে ভীষণভাবে নাড়া দেয়।
ইবিতে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ-এর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ওরিয়েন্টেশন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মাহবুবা নাসরীন।
ছাত্র-উপদেষ্টা ও ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আয়োজন কমিটি ২০২৩-এর আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শেলীনা নাসরীনের সভাপতিত্বে এবং ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ. এম. আলী হাসান, ডিনবৃন্দের পক্ষে প্রফেসর ড. এইচ. এন. এম. এরশাদ উল্লাহ, বিভাগীয় সভাপতিবৃন্দের পক্ষে প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি প্রফেসর ড. দেবাশীষ শর্মা, আইআইইআর-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মামুনুর রহমান, পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে গঠিত অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. রেবা মণ্ডল, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ, পরীক্ষা-নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম আজাদ এবং প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ সিরাজুল ইসলাম।
জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আলোচনাসভার পূর্বে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আসন গ্রহণের পর অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। প্রত্যেক ইউনিটের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ২জন করে মোট ৮জন শিক্ষার্থীকে ফুল ও স্যুভেনির এবং পরে নবীনদের সবাইকে রজনীগন্ধার স্টিক দিয়ে বরণ করা হয। সবশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য