ঢাকা, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ২৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর ; বিচার চেয়ে প্রক্টর বরাবর আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ মে, ২০২৩ ২০:২২
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর ; বিচার চেয়ে প্রক্টর বরাবর আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক শিক্ষার্থীর উপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীর নাম মোবারক হোসেন আশিক। সে ল' এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। রবিবার (৭ মে) সকাল ১০টার দিকে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচার চেয়ে প্রক্টর বরাবর আবেদন করেন ভুক্তভোগী।

আবেদন পত্র সূত্রে, মোবারক হোসেন তার বন্ধুদের নিয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান গেট সংলগ্ন 'শিপন টি স্টলে' চা খাওয়ার জন্য বসেছিল। ঠিক সে সময় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুসফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন লাঠিসহ দেশীয় কিছু অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর পরিকল্পিত হামলা চালায়। এসময় আশিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতেই আশিক সরে যায় ফলে তার হাতে আঘাত লেগে হাত কেটে যায়। এরপর তাকে লাঠি ও বাঁশ দিয়ে তার মাথায়, পিঠে, হাতে ও পায়ে আঘাত করা হয়। ফলে আশিক দৌড়ে ক্যাম্পাসের দিকে যায় তখন তাকে আবারও আঘাত করা হয়। এসময় আশিককে তার বন্ধু ও বড়ভাই এসে উদ্ধার করে ইবি মেডিকেল নিয়ে যায়। শরীরের আঘাত গুরুতর হওয়ার ফলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করে।

এর ফলে রবিবার (৭ মে) মুশফিকুর রহমান ও তার সহযোগীদের সনাক্ত করে প্রক্টর বরাবর দ্রুত বিচারের আবেদন জানায় মোবারক হোসেন আশিক। এছাড়া স্থানীয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করার অনুরোধ ও পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার প্রত্যাশা করে লিখিত আবেদন করেন ভুক্তভোগী।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অভিযুক্ত মুশফিকুর রহমান বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি কাউকে মারধর করিনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা বসেছিলাম। আগের একটি ঘটনার (ব্যাচ- ডে অনুষ্ঠানে টি-শার্ট বিতরণ নিয়ে মারামারি) জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। আগের ঘটনায় একটা তদন্ত কমিটি হয়েছিলো। সেই কমিটির কাছে বিষয়টি পাঠানো হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আমরা খুব দ্রুতই অ্যাকশনে যাব।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা মিলে গত ১৬ মার্চ বাংলা মঞ্চে ব্যাচ ভিত্তিক অনুষ্ঠান অবতরণিকা উৎসবের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে টি-শার্ট বিতরণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতরা সেদিনই তাদের উপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ করে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। পরে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে আহতের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়। উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে গত ২২ মার্চ তিন সদস্যের একটি তদন্ত করে দেয় প্রশাসন। কিন্তু তদন্ত কমিটি এখন অবধি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি বলে জানা গেছে। এছাড়া ধারণা করা হচ্ছে পূর্বের ওই ঘটনার জের ধরেই উক্ত হামলার ঘটনা ঘটেছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বশেমুরবিপ্রবি এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৭ মে, ২০২৩ ১৯:৬
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বশেমুরবিপ্রবি এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ বারবার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) এক শিক্ষকের নামে । অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হাসিবুর রহমান।

    রবিবার উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীরা লিখিত একটি পরীক্ষার নিয়ন্ত্রক দপ্তর বরাবর জমা দেয়। এতে ঐ বিভাগের প্রথম ব্যাচ ২০১৭-১৮ এর পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগপত্রে ২০১৯ সালের ৭ জুলাই ঐ শিক্ষকের ক্লাস নেওয়া বিষয় পলিটিকাল ইকোনোমি অব বাংলাদেশের প্রশ্ন ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম হৃদয়ের ব্যাগে পাওয়া যায় বলে তারা দাবি করেন যা মুল পরীক্ষার প্রশ্নের সাথে হুবহু মিল। যাতে তারা স্পষ্ট অভিযুক্ত শিক্ষকের হাতে লেখা প্রশ্ন ও উত্তরপত্রের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান।

    এছাড়াও আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি শেষ হওয়া বিভাগটির একই ব্যাচের শেষ সেমিস্টারের সিকিউরিটি ইস্যু বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্ন পরীক্ষার আগের রাতেই নারী শিক্ষার্থী সুরাইয়া আফনান নাহিনের এক ভয়েস ক্লিপ পাওয়া যায়। পরদিন পরীক্ষায় ছয়টি প্রশ্নের মধ্যে তার প্রকাশিত হওয়া ভয়েস ক্লিপের চারটি প্রশ্ন আসে। পরবর্তীতে ফলাফল প্রকাশিত হলে ঐ নারী শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ৪.০০ পান।

    অভিযুক্ত শিক্ষক সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার সভাপতি ও ঐ বিষয়ের ক্লাস নিতেন। অভিযোগ পত্রে ঐ দুই শিক্ষার্থীর সাথে অভিযুক্ত শিক্ষককের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয় তুলে ধরে ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিচারের দাবি জানানো হয়।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ড. হাসিবুর রহমানকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, "অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অভিযোগ কোন শিক্ষার্থীরা করেছে তাদের পরিচয় কোথাও অভিযোগের মধ্যে নাই। আমার বিরুদ্ধে কোন একটা মহল চক্রান্ত করে এসব মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে।"

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম গোলাম হায়দার বলেন, "আবেদনটি আজকে অফিস সময় শেষে আমার কাছে জমা দেয়া হয়েছে যখন উপাচার্য স্যার ছিলেন না। আমি এটা আগামীকাল ভিসি দপ্তরে উত্থাপন করব এবং পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়ম অনুযায়ী গৃহীত হবে।"

    এ বিষয়ে রেজিস্টার মো. দলিলুর রহমান বলেন, "আমি আবেদনের একটি অনুলিপি পেয়েছি। তবে আবেদনটি যেই দপ্তর বরাবর দেয়া হয়েছে সেই দপ্তর থেকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

    অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব বলেন, "বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে এমন অভিযোগ যেহেতু লিখিত ভাবে বসছে, সেহেতু তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে।"

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইবি জিয়াউর রহমান হলে তালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৭ মে, ২০২৩ ১৬:১৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ইবি জিয়াউর রহমান হলে তালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

      নিজস্ব প্রতিবেদক: বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ফটকে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৭ মে) বেলা ১২ টার দিকে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

      এসময় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা 'ওয়াফাইয়ের স্থায়ী সমাধান চাই', 'ডাইনিং এর খাবারের মান বৃদ্ধি করুন', 'বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে', 'হলের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে', 'হল প্রভোস্টের দায়িত্বহীনতার জবাবদিহি করতে হবে', 'দায়িত্বশীল প্রভোস্ট নিয়োগ করুন', 'বেতন ভাতা সবই হয়, কাজের বেলায় ফান্ড নাই', ও 'সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি মানতে হবে, নইলে দায়িত্ব ছাড়তে হবে' সহ বিভিন্ন দাবি সম্বলিত লেখা ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

      এ বিষয়ে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হানিফ হোসাইন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হলের ডাইনিং, টয়লেটগুলোতে অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে। এছাড়া টিউবওয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে শিক্ষার্থীদের ট্যাপের পানি খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়া গত এক সপ্তাহ যাবত হলে ওয়াইফাই নেই। বিষয়গুলো নিয়ে কয়েকবার প্রভোস্ট স্যারের সাথে কথা বলেছি। কিন্তু কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এদিকে স্যারকে আবারও সমস্যার কথাগুলো অবহিত করলে তিনি বলেন, 'সাধারণ ছাত্ররা যে যাই বলুক আমরা আমাদের মতো হল চালাবো'।

      এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট ড. আব্দুল জলিল পাঠান বলেন, ফান্ডে তেমন টাকা নেই। ফান্ড গঠন সাপেক্ষে যতদ্রুত সম্ভব যাবতীয় জিনিসপত্র কিনে ওয়াইফাইয়ের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        খুলনায় জবি অধ্যাপককে নির্যাতনের বিচার চায় শিক্ষক সমিতি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৭ মে, ২০২৩ ১৬:৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        খুলনায় জবি অধ্যাপককে নির্যাতনের বিচার চায় শিক্ষক সমিতি

        জবি প্রতিনিধি: খুলনার কয়রায় উত্তরচক কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপকের ওপর হামলা ও কক্ষের মধ্যে আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

        রোববার (৭ মে) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান এর সই করা এক প্রতিবাদলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।

        প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, খুলনার কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ নিয়োগে দায়িত্বপালনে থাকা অবস্থায় শুক্রবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের উপর হামলার ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি অত্যন্ত মর্মাহত ও ব্যথিত।

        এতে আরও বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সেখানে রাষ্ট্রীয় কাজে দায়িত্বরত ছিলেন। মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে পরীক্ষায় পাশ না করা সত্বেও নিয়োগের জন্য শুরু থেকেই চাপ দিতে থাকেন এবং অবৈধভাবে নিয়োগ দিতে রাজি না হওয়ায় অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে আটকে রেখে তার ওপর নির্মম নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

        প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামকে আটকে রেখে তার ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগে মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য সমিতি জোর দাবী জানাচ্ছে।

        এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের মহারাজপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বাড়িসংলগ্ন রাস্তায় অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ওপর প্রথমে হামলা এবং পরে তার বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

        গুরুতর আহত অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছেন।

        এ ঘটনায় অধ্যাপক নজরুল এখনও আইনের আশ্রয় নেননি। তবে তিনি দ্রুত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন কয়রা থানার ওসি এবিএমএস দোহা। অভিযোগ পেলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি জানান। বিষয়টি জগন্ননাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবগত হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          পূর্ব ঘটনার জেরে ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৭ মে, ২০২৩ ১০:৩৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          পূর্ব ঘটনার জেরে ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর

          ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ল' এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মারধরের শিকার ঐ শিক্ষার্থীর নাম মুবারক হোসেন আশিক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করেন।

          জানা যায়, শনিবার (৬ মে) রাত ৯ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটক সংলগ্ন চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় তার উপর হামলা করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে পূর্বের অবতরণিকা উৎসবের সময় মারামারি জের ধরে এ হামলা করা হয়েছে।

          আহত শিক্ষার্থীর এক সহপাঠীসূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি' বিভাগের ২০-২১ শিক্ষার্থীবর্ষের মুসফিকুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থী ১৫-২০ জন অনুসারী বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আশিকের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় আশিক পালিয়ে ক্যাম্পাসের ভিতর ঢুকে পড়লে হামলাকারীরা সটকে পড়ে। পরে আশিকের বন্ধুরা তাকে মেডিকেলে ভর্তি করে।

          এবিষয়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার মাথায় গায়ে এবং পায়ে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় আঘাত লাগায় থাকে কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে।

          ঘটনায় পরপরই বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা হামলাকারীর শাস্তির দাবিতে ভিসি বাংলোর সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে নামেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডির আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেন তারা।

          এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, এটা একটা ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমি ওদের সাথে কথা বলেছি। আগামীকাল সকালে ১০টার ওদের প্রক্টর অফিসে ডেকেছি। উভয়পক্ষের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

          এবিষয়ে মুসফিকুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত