শিরোনাম
জবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিকল্পিত হত্যা বলছে পরিবার
জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। খিঁচুনি ও শ্বাসকষ্টে অজ্ঞানরত অবস্থায় রাজু মারা গেলেও ঘটনার চার দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যু স্বাভাবিক নয় বলে দাবি করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চান রাজুর বাবা।
রাজুর পরিবার ও তার বন্ধুরা জানান, গ্রামের বাড়ী পঞ্চগড় থেকে শনিবার ঢাকায় ফিরে পুরান ঢাকার নারিন্দার একটি মেসে হটাৎ খিচুনি দিয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরবর্তী অবস্থা খারাপ দেখে রাজুর সহপাঠী ও মেসের অন্যান্যরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে রাজুর পরিবারের দাবি, তাদের বাসার টিউবওয়েলের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে কেউ ঘুমের ওষুধ বা এমন জাতীয় কোনো রাসায়নিক মিশিয়ে দিয়েছিল। যার ফলে বিষক্রিয়ায় রাজুর মৃত্যু হয়েছে। একই টিউবওয়েলের পানি পান করে রাজুর পরিবারের বাকি সদস্যরাও বমি করে ও দুইদিন অতিরিক্ত ঘুমে মগ্ন ছিলেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
রাজুর বাবা কৃষক আকতারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার আগেরদিন শুক্রবার সকাল ১০টার সময় রাজু, রাজুর মা এবং বোন একসাথে খাবার খান। খাবার খাওয়ার পর রাজুর মা ও বোনের বমি হয়। আমি সকালের নাস্তা ও টিউবওয়েলের পানি খেয়ে মাঠে বীজ বুনতে যাই। এরপর বাসায় ফিরে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে শরীর খারাপ অনুভব করি। পরে বাসায় ফিরে দেখি রাজু, রাজুর মা ও আমার ছোট মেয়ে ঘুমাচ্ছে। মাঠে কাজ থাকায় শরীর খারাপ লাগলেও আমি কাজে চলে যাই। এরপর সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে এসে দেখি, ওরা সবাই তখনও ঘুমাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমার বড় বোন (রাজুর ফুফু) ওদেরকে ডাকাডাকি করলেও কোন সাড়াশব্দ দেয়নি। রাত সাড়ে ৯ টায় রাজুর ঢাকায় যাওয়ার ট্রেন থাকায় রাত ৮ টার দিকে তাকে টেনে তুলে তার ফুফু। ততক্ষণে শরীর খারাপ থাকায় আমিও ঘুমিয়ে যাই রাজু’র ফুপু, ওকে তুলে দিয়ে, জামা কাপড় গুছিয়ে দিয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় রান্না করা খাবার টিফিন বক্সে দিয়ে রাজু বাসার পাশের এক ভ্যান গাড়ি চালকের ভ্যান গাড়িতে তুলে দেয়। তিনি রাজুকে স্টেশনে পৌঁছে দেন। সেখানে রাজুর ক্লাসমেট একই বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়ার সাথে তার দেখা হয়।
রাজুর বাবার ভাষ্যমতে, ভ্যানচালক সাদিয়াকে রাজুকে একটু দেখে রাখতে এবং তার বাসায় সবাই যে অসুস্থ সে বিষয়টিও জানান। পরবর্তীতে ঢাকার ট্রেনে উঠার আগেই রাজু তার এই সহপাঠীকে তার অসুস্থতার কারণ সন্দেহজনক বলে জানান।
তিনি বলেন, তাদের টিউবওয়েলে হয়ত কেউ কিছু দিয়েছে এবং বাসার সবাই এই পানি খেয়ে ঘুমাচ্ছে।
রাজুর রুমমেট শরীয়তুল্লাহ জানান, শনিবার বিকেলে রাজু খাওয়া দাওয়ার পর তিনি গায়ে হাত দিয়ে দেখেন রাজুর শরীর অনেক গরম। তখন কারণ জানতে চাইলে রাজু তাকে তাদের বাসায় এক আশ্চর্য্যজনক ঘটনা ঘটেছে এবং সবাই টানা ঘুমাচ্ছে বলে জানান।
শরীয়তুল্লাহর ভাষ্যমতে, পরবর্তীতে রাজু খেলা দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পরে। তারপর হটাৎ খিচুনি উঠার মত হয় এবং তিনি গিয়ে রাজুকে নাড়াচাড়া করে কোনো সাড়া না পেয়ে তার আরেক রুমমেট আরাফাতকে জানান। তারপর তারা রাজুর অন্য বন্ধুদের জানিয়ে তাকে আজগর আলী হাসপাতালে নিয়ে যান।
রাজুর সহপাঠী ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢালা মেডিকেলে নিয়ে যেতে বলা হয়। আমরা দেরি না করে এম্বুলেন্সে করে রাজুকে ঢাকা মেডিকেল নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে পোস্ট মর্টেমের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। তবে এখনও পোস্ট মোর্টেম রিপোর্ট পাওয়া যায় নি।
এই ঘটনায় এখনও কোনো মামলা দায়ের করেনি রাজুর পরিবার। আর্থিক সমস্যার কথা চিন্তা করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা। তবে এখন মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা।
রাজুর বাবা আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ। টাকা পয়সা না থাকলে মামলা চালাবো কিভাবে। তাই প্রথমে মামলা করতে চাইনি। এখন গ্রামের সবাই মামলা করার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাই মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সুষ্ঠু বিচারের জন্য রাজুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সবার সহযোগিতা চাই।’
এ ব্যাপারে ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, এই ঘটনায় ময়নাতদন্ত হয়েছে৷ আমরা লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি। সংশ্লিষ্ট থানাকেও অবহিত করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়ারি থানায় যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।
যোগাযোগ করলে ওয়ারি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাজিরুর রহমান জানান, ‘ময়নাতদন্ত হয়ে গেছে, তবে এখনও আমরা রিপোর্ট হাতে পাইনি। ঘটনার পর পরিবারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। স্থানীয় থানার মাধ্যমেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে তারা মামলা দায়ের করতে চায়নি। এখন তারা চাইলেও মামলা করতে পারবেনা। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অস্বাভাবিক কিছু পাওয়া গেলে স্থানীয় থানার মাধ্যমে পুলিশই মামলা দায়ের করবে। আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি।’
সাকিবুল ইসলাম/
১৮২ দিন পর চবির চারুকলা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার ঘোষণা
সাইফুল মিয়া, চবিঃ দীর্ঘ ছয় মাস পর ক্লাস বর্জনের কর্মসূচি স্থগিত করে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চারুকলা ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা। তবে ক্যাম্পাস স্থানান্তরের দাবি আদায় না হওয়ায় আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা।
বুধবার (৩ মে) বিকেলে আন্দোলনের ১৮২তম দিনে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এই ঘোষণা দেন। এর আগে গত ১৭ এপ্রিল চারুকলার সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে গত সোমবার চারুকলা ইনস্টিটিউট খুলে দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘ ছয় মাসের সেশনজট, একাডেমিক নানান ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সবাই মিলে ক্লাসে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
গত বছরের ২ নভেম্বর ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাসবর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। পরে সেই ২২ দফা দাবি মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে রূপ নেয়। চলমান আন্দোলনের মধ্যেই গত ২ ফেব্রুয়ারি সংস্কারকাজের জন্য চারুকলা ক্যাম্পাস ও হোস্টেল এক মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর আরও দুই দফায় বাড়ানো হয় চারুকলা বন্ধের মেয়াদ।
খুবির বাংলা ডিসিপ্লিনের থিয়েটার ল্যাবের উন্নয়নে সংস্কৃতিকর্মীর ত্রিশ লাখ টাকা অনুদান প্রদান
খুবি প্রতিনিধি: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের(খুবি)বাংলা ডিসিপ্লিনের থিয়েটার ল্যাব ‘নাটমণ্ডপ’-এর উন্নয়নকল্পে বেসিক ব্যাংক লিমিটেড এর প্রাক্তন উপমহাব্যবস্থাপক খুলনার বিশিষ্ট নাগরিক ও সংস্কৃতিকর্মী এস. এম. এ. রাজ্জাক ত্রিশ লক্ষ টাকা অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।
আজ ০৩ মে (বুধবার) বেলা ১২.৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এর নিকট তিনি এ চেক হস্তান্তর করেন।
এসময় উপাচার্য বলেন, পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে চাই। সংস্কৃতিকর্মী এস. এম. এ. রাজ্জাক এর এই অনুদান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। এই নির্দশন দেখে সমাজের অন্য বিত্তবানরা আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত হবে। তিনি বলেন, যুগে যুগে সমাজের বিত্তবানরা তাদের সম্পদ দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার ঘটিয়েছে। তা আজও বিদ্যমান আছে।
তিনি আরও বলেন, এই অনুদানকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সভা থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং অনুদানদাতার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
উপাচার্য শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সমাজের বিত্তশালী, সমাজসেবক, চিন্তাবিদদের এই ধরনের মহৎ কাজে অনুদান প্রদানের জন্য আহ্বান জানান। এসময় উপাচার্য সংস্কৃতিকর্মী এস. এম. এ. রাজ্জাককে বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম খচিত ক্রেস্ট উপহার দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন এবং বাংলা ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. রুবেল আনছার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দসসহ সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষকবৃন্দ ছাড়াও খুলনার লোকসংস্কৃতি গবেষক বাসুদেব বিশ্বাস বাবলা, শহীদ আবুল কাশেম কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিভূতিভূষণ মন্ডল ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বশেমুরবিপ্রবির সিন্ডিকেট সদস্য হলেন বাকৃবি অধ্যাপক ড. চয়ন
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) রিজেন্ট বোর্ডের (সিন্ডিকেট) সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। আজ বুধবার (৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা।
বিজ্ঞপ্তিসূত্রে জানা যায়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়নে বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা ওই দায়িত্ব পেয়েছন। মনোনীত আরোও দুজন সদস্য হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স এন্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল আলম। আগামী তিন বছরের জন্য তাঁরা ওই দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন দায়িত্বের বিষয়ে অধ্যাপক ড. চয়ন বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমি আমার দায়িত্ব যথাযথ পালনের চেষ্টা করব। রিজেন্ট বোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয়ে আলোকপাত করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের একজন সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই সর্বদা কাজ করতে চাই।
অনুমোদন ছাড়াই ইউসিএসআইয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞাপন, ইউজিসির শোকজ
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর প্রথম শাখা ক্যাম্পাস হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন লাভ করে মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি। ঢাকার বনানীতে এর ক্যাম্পাস অবস্থিত।
আইন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর ইউজিসির অনুমোদন সাপেক্ষে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালু করতে হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ছাড়াই শিক্ষার্থী ভর্তি করতে বিজ্ঞাপন দিয়েছে মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তি বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউজিসি।
জানা যায়, চলতি বছর ১ মার্চ রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রো-চ্যান্সেলর টুংকু জাইন আল-আবিদিন ও বাংলাদেশে মালয়েশিয়া দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত হাজনা মো. হাশিম। এক মাস আগে বাংলাদেশে শাখা ক্যাম্পাস চালু করে মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি। এক মাসের মধ্যেই নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৩ মে) এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব দিয়ে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ইউজিসির কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউজিসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
শোকজে বলা হয়, ‘বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার পরিচালনা বিধিমালা, ২০১৪ '-এর বিধি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাস কর্তৃক ব্যত্যয় ঘটেছে বলে কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ অবস্থায় যথোপযুক্ত জবাব আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কমিশনের কাছে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হলো।’
বুধবার ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, সম্প্রতি এ স্টাডি সেন্টার স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারা অ্যাকাডেমিক শিক্ষাক্রম চালানোর জন্য কোনো আবেদনও করেনি। কিন্তু বুধবার দেশের কয়েকটি পত্রিকায় শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর তাদের শোকজ করা হয়েছে। জবাব দেওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য