ঢাকা, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ৬ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জাবিতে চলছে বর্ষবরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ২০:৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাবিতে চলছে বর্ষবরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুুতি

জাবি প্রতিনিধিঃ বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।বর্সবরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত সবুজ শ্যামল ক্যাম্পাসটির চারুকলা বিভাগে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখ উৎযাপন কমিটির এবারের প্রতিপাদ্য 'বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি'।

এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার সাজ-সজ্জা কমিটির আহ্বায়ক চারুকলা বিভাগের সভাপতি ফারহানা তাবাসসুম। শোভাযাত্রাটির মূলে অংশে থাকবে শান্তির প্রতীক ‘পায়রা’ ও বাংলা ঐতিহ্য মৃৎশিল্পের নিদর্শন হিসেবে দু’টি টেপা পুতুল।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনের সামনে চারুকলার বিভাগের সামনে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিক্ষার্থীরা। ভবনে ও এর আশপাশ ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা আঁকছেন ছোটবড় নানা আকৃতির পেঁচা, বাঘ, হাতি, ঘোড়ার আদলে মুখোশ। কাগজ, বাঁশ, বেতসহ নানা ক্রাফটসে রঙ-তুলির আঁচড়ে নিমেষেই ফুঁটিয়ে তুলছেন রঙিন সব অবয়ব, যেন বাঙালীর সাদাকালো-বেদনাবিধুর সংগ্রামী জীবনে শান্তি সমৃদ্ধির রঙিন জীবনের প্রত্যাশা। পুরাতন কলা ভাবনের সামনেই বিশালাকার পায়রার কাঠামো তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন।

নববর্ষ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপাচার্যের শুভেচ্ছা বিনিময়, মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং সংগীত পরিবেশন ছাড়াসহ স্ব স্ব অনুষদ, বিভাগ, হল ও অফিস পহেলা বৈশাখ উদযাপন করবে।

বুধবার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চুক্তিভিত্তিক) রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১লা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া আটটা থেকে সকাল সোয়া নয়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম নিজ বাসভবনে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি ও শিক্ষার্থীদের সাথে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এরপর সকাল পৌনে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ, অফিস, হল, জাবি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি, ছাত্র-ছাত্রী এবং মহিলা ক্লাব ও ক্যাম্পাসবাসীর অংশগ্রহণে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ভবন থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে গিয়ে শেষ হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রার শুরুতে জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গান পরিবেশিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচির সাথে সমন্বয় করে বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ, হল ও অফিস নিজ নিজ উদ্যোগে ১লা বৈশাখ উদ্যাপনের কর্মসূচি পালন করবে।

এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, মুখোশ পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা যাবে না, তবে মুখোশ হাতে নেয়া যাবে। সেদিন কোনো রং ছিটানো যাবে না। কেউ রং ছিটালে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ দিন দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের মটর সাইকেল ব্যতিত ক্যাম্পাসে মটর সাইকেল প্রবেশ/চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বহিরাগতদের গাড়ি প্রবেশ/চলাচল সীমিত রাখা হবে এবং কেন্দ্রীয় মসজিদের পশ্চিমে গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা করা হবে।

ঢাকা শহরে অবস্থানরত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আসা যাওয়ার জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করা হবে। বাস প্রচলিত রুটে ছেড়ে আসবে।

এদিকে পহেলা বৈষাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম রেজা বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘বরিষ-ধরা মাঝে শান্তির বারি’র সাথে মিল রেখে আমরা শান্তির প্রতীক ‘পায়রা’ তৈরি করেছি। শোলাশিল্পের মাধ্যমে পায়রাটি তৈরি করা হয়েছে। আমাদের ঐতিহ্য মৃৎশিল্পের নিদর্শন হিসেবে দু’টি টেপা পুতুল তৈরি করা হয়েছে। সেই সাথে পেঁচা, বাঘ, হাতি, ঘোড়ার আদলে মুখোশ তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এবার চারুকলা বিভাগ থেকে আলাদা কোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো করা হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    একজন রবিয়ানের ভাবনায় মহাস্থানগড়

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ১৯:৫৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    একজন রবিয়ানের ভাবনায় মহাস্থানগড়

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল। যিশু খ্রিস্টের জন্মের ও আগে অর্থাৎ প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এখানে সভ্য জনপদ গড়ে উঠেছিল প্রত্নতাত্ত্বিকভাবেই তার প্রমাণ মিলেছে। ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    প্রাচীর বেষ্টিত এই নগরীর ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থানে মৌর্য, গুপ্ত,পাল,সেন শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সামন্ত রাজাদের রাজধানী ছিল।তৃতীয় খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে পঞ্চদশ খ্রিস্টাব্দ অসংখ্য রাজা ও অন্যান্য ধর্মের রাজারা রাজত্ব করেন। মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৮ কি. মি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গেলে এই শহরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।

    মহাস্থানগড় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি স্থানীয় জনজীবনে আর্থ - সামাজিক প্রভাব বিস্তার করছে। এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি পরিদর্শনে প্রতিদিনই দেশ- বিদেশের দর্শনার্থীরা আসেন। বগুড়া শহর থেকে শুরু করে শিবগঞ্জ মহাস্থানগড় পৌঁছানো পর্যন্ত যে সমস্ত যানবাহন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর বেশির ভাগই বগুড়ার স্থানীয় মানুষের। এতে করে মহাস্থানগড় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটির জন্য স্থানীয় মানুষের বাড়তি কিছু আয় হচ্ছে । আবার মহাস্থানগড়ে বেশ কয়েকটি পরিদর্শন যোগ্য স্থান রয়েছে যেমন: মহাস্থান যাদুঘর, কালিদহ সাগর, গোবিন্দ ভিটা,হাতিবান্ধা, ভাসুবিহার, চাঁদ সওদাগরের বাড়ি, বেহুলা লক্ষিন্দরের বাসর ঘর( গোকুল মেধ), পদ্মাবতীর বাড়ি, ওঝা ধন্বন্তরীর বাড়ি, নেতাই ধোপানীর বাড়ি, শীলা দেবীর ঘাট, দুধ পাথর, হায়াত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী ( রহঃ) এর রওজা মোবারক, হয়রত মীর বোরহান ( রহঃ) এর মাজার শরীফ,হয়রত শাহ সুলঃ মাহমুদ বঃ ( রহঃ) এর রওজা মজার শরীফ, লাহোর পীর সাহেবের মাজার, প্রধান শিষ্যের মজার, যোগীর ভবন ইত্যাদি। এই সমস্ত স্থানগুলো অজ্ঞাত মানুষের পক্ষে একা ঘুরে দেখা সম্ভব নয়, তার জন্য প্রয়োজন একজন গাইডের। তাই স্থানীয় বেকার যুবকদের একটি সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে এই পেশায় যোগদানের । অন্য যেকোনো বয়সের মানুষ ও গাইড হিসেবে পেশা শুরু করতে পারেন। তাছাড়া ও মহাস্থানগড় এলাকাটি যেহেতু বিশাল বড়ো, একজন দর্শনার্থীকে দীর্ঘ সময় ঘুরে ঘুরে দেখতে হয় স্বাভাবিকভাবেই তার খাদ্যের প্রয়োজন হয়, এতে করে মহাস্থানগড়ের আশেপাশে গড়ে উঠেছে অনেক দোকান - পাট, যদি আরো ভালো মানের খাবারের সরবরাহ করা হয় তাহলে দেশের মধ্যে ছাড়াও দেশের বাইরে ও দর্শনার্থীরাও আমাদের দেশীয় খাদ্যের প্রতি আকৃষ্ট হবে। বগুড়া মহাস্থানে যেহেতু দেশি - বিদেশি সব রকমের দর্শনার্থীরা আসেন, সেখানকার স্থানীয় বিশেষ ধরনের কোনো শিল্পকর্মের প্রতি আকৃষ্ট হোন যেমন : মাটির তৈরি মৃৎশিল্প,বেত বা বাঁশের তৈরি ঝুড়ি ও অন্যান্য শিল্পকর্ম বিক্রির মাধ্যমে, একদিকে যেমন তাদের স্থানীয় শিল্প - সংস্কৃতির সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় জনজীবনে তৈরি যোকোনো শিল্পকর্ম তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি পাশাপাশি আমাদের জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নেও অবদান রাখছে।

    স্থানীয় মানুষদের সরকারিভাবে যদি সহায়তা করা হয় যাতে করে সেখানে আরো উন্নতমানের রাস্তা ব্যবস্থা ও যানবাহনের সুযোগ সুবিধা, সেখানে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের জন্য হোটেল, রেস্টুরেন্টে এবংবিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে লোক সমাগম আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়, ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের আয়ও বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং জাতীয় অর্থনীতও সমৃদ্ধ হবে।

    বগুড়া মহাস্থানের স্থানীয় জনগনকে বিভি বিভিন্ন সভা - সমাবেশের মাধ্যম্যে মহাস্থান প্রত্ননিদর্শটির গুরুত্ব বোঝাতে হবে,একে করে তাদের দ্বারা ক্ষতির সম্ভবনা থাকবেনা বরং তারা আরো রক্ষণশীল হবেন এবং দর্শনার্থীদের সাথে ভালো আচরণ ও তাদের শিল্প - সংস্কৃতি প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরে তাদের সংস্কৃতির সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। এভাবেই আমাদের প্রাচীন পুরাকীর্তি মহাস্থানগড় দীর্ঘসময় টিকে থাকবে।

    রাকিব মাহমুদ/

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দীর্ঘ ২৩ বছর পর অনুমোদন পেল পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ১৯:৫৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      দীর্ঘ ২৩ বছর পর অনুমোদন পেল পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি

      পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ ২৩ বছর পর অনুমোদন পেয়েছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি(পবিপ্রবিসাস)। বিশ্ববিদ্যালয়ের তেইশ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সাংবাদিক সংগঠন অনুমোদন পেল।

      বৃহস্পতিবার(১৩ এপ্রিল) রেজিস্ট্রার(অ. দা.) অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির গঠনতন্ত্র রিজেন্ট বোর্ডের ৫১ তম সভার ১২(খ) নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক অনুমোদিত হয়েছে।

      এর আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির গঠনতন্ত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন কৃষি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবিএম মাহবুব মোর্শেদ খান, সংশ্লিষ্ট কমিটিতে সদস্য ছিলেন- বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড ফুড এনালাইসিস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৌরভ দেবনাথ ও ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: ফয়সাল। উক্ত কমিটি যাচাই-বাছাই পূর্বক ১৬ মার্চ তারিখে পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির গঠনতন্ত্রটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ প্রদান করলে ২১.৩.২০২৩ খ্রি. তারিখে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রিজেন্ট বোর্ডের ৫১তম সভার ১২(খ) নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আপডেটকৃত সাংবাদিক সমিতির গঠনতন্ত্র অনুমোদিত হয়।

      অনুমোদন প্রসঙ্গে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ শাহিন বলেন, “দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির রিজেন্ট বোর্ডে এ অনুমোদন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিক সমিতি আগামীতে আরো নতুন উদ্যোমে কাজ করার সুযোগ পাবে এটাই প্রত্যাশা।”

      এ প্রসঙ্গে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (পবিপ্রবিসাস) সভাপতি আনিসুর রহমান অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের প্রতি। এই অর্জন পবিপ্রবিতে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য বড় পাওয়া। “সত্য প্রকাশে আপসহীন” এই স্লোগানকে ধারণ করে সাংবাদিকতার মহান ব্রত নিয়ে পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি এগিয়ে যাবে এই আশা ব্যক্ত করছি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষা নিবে ইবি, ১০ মে আবেদন শুরু

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ১৮:১৮
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষা নিবে ইবি, ১০ মে আবেদন শুরু

        নিয়ামতুল্লাহ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নিজস্ব প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরই প্রেক্ষিতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আগামী ১০ থেকে ২৭ মে পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

        এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বলেন, নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা কমিটির মিটিং শেষ করে ডিন মহোদয়রা ভর্তি বিজ্ঞপ্তির জন্য সিগনেচার করেছেন। এটি অনুমোদনের জন্য ভিসি স্যারের কাছে পাঠানো হবে। এখন টাইপিংয়ের কাজ চলছে। ১০ থেকে ২৭ মে পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

        এদিকে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে রেজিস্ট্রার দপ্তর।

        এর আগে গত ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত ইবির ১২৫ তম একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় সর্বসম্মতভাবে গুচ্ছে না যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কার্যনির্বাহী সভা ও সাধারণ সভায় গুচ্ছ থেকে সরে এসে একক পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। এসব সিদ্ধান্ত চিঠি আকারে ভিসিকে জানানো হয়। পরে গত ১৫ মার্চ আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম, বিএনপিপন্থীদের জিয়া পরিষদ ও সাদা দল এবং জামায়াতপন্থীদের গ্রীন ফোরামের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সভায় শিক্ষক সংগঠনগুলো গুচ্ছের বিপক্ষে মত দেন। পরে গত ২০ মার্চ উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম ইবির শিক্ষকদের সিদ্ধান্ত ও শিক্ষক সমিতি বিষয়টি ইউজিসির কাছে তুলে ধরেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          খুবিতে রং-তুলির আঁচড়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ১৬:১৯
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          খুবিতে রং-তুলির আঁচড়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি

          খুবি প্রতিনিধি: আগামী ১৪ এপ্রিল (শুক্রবার) বাংলা নববর্ষ ১৪৩০। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে জারিকৃত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১লা বৈশাখ ১৪৩০ বাংলা বর্ষবরণের আয়োজনের অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য বাংলা চত্বরে বর্ষ-আবাহন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হবে। পরে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের হাদী চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে।

          এদিকে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের (অনুষদ) শিক্ষার্থীরা। শোভাযাত্রা ডালা, বর্ষবরণ মুকুট ও মঙ্গল শোভাযাত্রার বিভিন্ন অনুসঙ্গ, প্লাকার্ড, ফেস্টুন, মুখোশ, রঙিন মাটির সরাসহ বিভিন্ন আকার ও রকমের শিল্পকর্ম তৈরি করছেন তারা।

          এ বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও চারুকলা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. নিহার রঞ্জন সিংহ বলেন, নববর্ষ উদযাপনের মধ্য দিয়ে বাঙালিদের মধ্য গড়ে ওঠে এক অপূর্ব স্বাজাত্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা। উগ্র মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে বাঙালি মনন চৈতন্যের মঙ্গল সূচনার উজ্জীবিত প্রকাশ এই মঙ্গল শোভাযাত্রা। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এ আয়োজন বর্ণাঢ্যভাবে পালন করতে যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ধারণ করে প্রতিটি বাঙালি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সচেষ্ট হবে। বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতি এগিয়ে যাক, মানবিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ তার ঐতিহ্যে অটুট থাকুক।

          এ বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চারুকলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা শোভাযাত্রার নানা ধরনের অনুসঙ্গ তৈরি করেছে এবং তারা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত