ঢাকা, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাস শিডিউলে ভোগান্তিতে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১ এপ্রিল, ২০২৩ ২২:২৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাস শিডিউলে ভোগান্তিতে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

পাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) দুপুরের বাসের শিডিউল ১টা ২৫ মিনিট। তার ঠিক দশ মিনিট আগেই বাসের সকল আসন পূর্ণ হয়ে গেছে। কিছু শিক্ষার্থী ধাক্কাধাক্কি করে কোনোমতে বাসে উঠলেন এবং জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। কিছু শিক্ষার্থী বাসের দরজায় ঝুলে আছে। বাসে উঠতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থী বিকল্প হিসেবে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় উঠে পড়লেন। এ যেনো রমজান মাসের নিত্যদিনেরই ঘটনা। কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বাসের হাতল ধরে ঝুলতে ঝুলতে বাসে করে ক্যাম্পাসে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ।

এ সমস্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে রমজান মাসে বাস সংখ্যা কমানো এবং বাসের শিফট সংখ্যা কমানো। এর কারণে রোজা রেখে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ পুল সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বাসের সংখ্যা মোট ১১টি। এর মধ্যে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাকি ২ টি ভাড়া করা। তবে দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষার্থীদের ১নাম্বার বাসটি ব্যবহার করা হচ্ছেনা।

রমজানের আগে সিডিউল অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ টা শিফটের ক্লাসের জন্য ৬ টা শিফটে বাস চলাচল করত, প্রতি শিফটে ছেলেদের ৪ টা মেয়েদের ৪ টা করে বাস চলাচল করত। কিন্তু রমজান মাসে নতুন সিডিউল অনুযায়ী একটা শিফটের বাস সম্পন্ন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দুপুরের শিফটে শিক্ষার্থীদের চাপ বেশি হলেও দুপুর ১:২৫ এর সিডিউলে ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য মাত্র তিনটি বাস রাখা হয়েছে।

প্রথম রমজান থেকে ছেলে এবং মেয়েদের তিনটি কম্বাইন বাস এবং এক শিফটের বাস বন্ধ করা নিয়ে বিভিন্নভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা এসব নিয়ে কথা বলেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। শিক্ষার্থীদের দাবি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগ আমলে নেয়নি।

সিগবাতুল্লাহ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রায় সকল ডিপার্টমেন্টের ক্লাস,পরিক্ষা নিয়মিত হচ্ছে। রমজান মাসে বাস সংখ্যা কমিয়ে দেওয়াটা সত্যিই হতাশাজনক।দুপুরে ক্লাস শেষে এসে বাসে বিন্দু পরিমান জায়গা পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে অটোরিকশায় করে আসতে হচ্ছে। প্রসাশন যদি কোনো ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আরো ভোগান্তি পোহাতে হবে আমাদের শিক্ষার্থীদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের সাথে বাস নিয়ে তামাশা করছে। রমজান মাসে বাসে সিডিউল চেঞ্জ করে এবং বাস সংখ্যা কমিয়েছে। যা ফলে আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে। ক্যাম্পাস আসা যাওয়ার জন্য বাসের সিট পাচ্ছি না, এমন কি দাঁড়িয়ে বাসে জায়গা পাচ্ছি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবহন পুলের প্রশাসন ড. রাহিদুল ইসলাম রাহী বলেন, ইউজিসি এর নিয়ম অনুযায়ী আমাদের ২০% জ্বালানি খরচ কমাতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে খাতে জ্বালানি(পেট্রোল, ডিজেল) দরকার হয় প্রতিবছর ৬০ লক্ষ টাকা কিন্তু আমাদের জন্য বরাদ্দ ছিলো ৩৫ লক্ষ টাকা যার ভেতরে ২০% জ্বালানি খরচ আরো কমাতে বলেছেন ইউজিসি। এতে আমাদের কাছে জ্বালানি বাবদ ২৮ লক্ষ বরাদ্দ ছিল। পাশাপাশি তেলের দাম বৃদ্ধিও পেয়েছে । বরাদ্দকৃত টাকা গতবছর ডিসেম্বর মাসে শেষ হয়ে গেছে। যার ফলে জ্বালানির অর্থের অভাবে বাস গুলো চালানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রশাসন শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে কিছু সংখ্যক বাস কমিয়ে বাকি বাস গুলো চালাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা ভেবে আমরা দুটি বিআরটিসি ডাবল ডেকার বাস ভাড়া করে চালাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়টা আমরা দেখেছি। এর জন্য দুপুরের শিফটে আরো দুটি বাস বেশি যুক্ত করা হবে।

এমরান হোসেন তানিম/

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    রাবির সাত শিক্ষার্থীর ৭০০ টাকার পুঁজিতে ‘সাধের বাজার’

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১ এপ্রিল, ২০২৩ ১৫:১৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাবির সাত শিক্ষার্থীর ৭০০ টাকার পুঁজিতে ‘সাধের বাজার’

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে বাজারে গিয়ে বিপাকে পড়েননি এমন মানুষ কমই আছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি দুর করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত শিক্ষার্থী মিলে তৈরি করেছেন " সাধের বাজার"। মোবাইল ফোনে অর্ডার করলেই রান্নার প্রয়োজনীয় বাজার রুমে পৌঁছে দিচ্ছেন তাঁরা।

    এই সাত উদ্যোক্তারা হলেন- আবদুল্লাহ আল মামুন, রাব্বি হাসান রাজন, রিফাত আলী, আরিফ হোসেন, আবু সুফিয়ান, শাহীন আলম ও সুদিপ্ত কুমার সরকার। তাঁরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

    জানা যায়, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করেই তাদের এই উদ্যোগ। মাত্র ৭০০ টাকার মূলধন নিয়ে ‘সাধের বাজার’ এর যাত্রা শুরু হয়। অল্পদিনে সাধের বাজার সাড়াও পেয়েছে অনেক। ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অনায়াসে অর্ডার করতে পারবেন যে কেউ। প্রত্যেকে হল অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে ভোক্তার হাতে অর্ডারকৃত পণ্য পৌঁছে দেওয়াসহ ক্যাম্পাসে সম্পূর্ণ ফ্রি ডেলিভারিও দিয়ে থাকেন তাঁরা।

    শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে তাঁরা তিন ধরনের প্যাকেজ চালু করেছেন। মুরগির মাংসের প্যাকেজ, মাছের প্যাকেজ, স্পেশাল খিচুড়ির প্যাকেজ। প্রতিটি প্যাকেজে রয়েছে রান্নার যাবতীয় উপকরণ। এছাড়াও সর্বনিম্ন ২০০ গ্রাম মুরগির মাংস, ২৫০ গ্রাম গরুর মাংস, ৩ টুকরো মাছসহ যেকোনো পরিমাণ কাঁচা সবজি পাওয়া যায় তাদের কাছে। তাঁরা দিনে দুইবার বাজার করে। সেই সাথে সবকিছু ফ্রেশ ডেলিভারি দেন। বর্তমানে রমজান উপলক্ষে দুপুর ১টার আগে অর্ডার নেন এবং বিকেল চারটার পরে ডেলিভারি দেন এই উদ্যোক্তারা।

    উদ্যোগ সম্পর্কে শাহীন আলম বলেন, অনেকদিন আগে থেকেই আমাদের মধ্যে এসব নিয়ে কথা হচ্ছিল। শুরুর অনেক আগে থেকে আমরা বাজার যাচাই, গবেষণা, জরিপ করেছি। সবক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। মাত্র ৭০০ টাকার মূলধন নিয়ে আমাদের ‘সাধের বাজার’ এর যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ১০ দিনে আমরা দুই হাজার মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি'।

    কিভাবে তাঁরা উদ্যোক্তাটা গ্রহণ করলেন সে বিষয়ে জানতে চাইলে সুদিপ্ত কুমার সরকার বলেন, 'আমরা প্রতিনিয়ত ডাইনিং-ক্যান্টিনের একই মেন্যুর খাবার খেতে খেতে অতিষ্ঠ। মাঝেমধ্যে ইচ্ছা করত, রান্না করে খাই। কিন্তু বাজার গেলে বাধে যত বিপত্তি। এক বেলার রান্নার জন্য ২০০ গ্রাম মুরগি, ৩-৪ টুকরো মাছ, ১০ টাকার তেল, ৫ টাকার আদা-রসুন, ৫ টাকার পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দোকানির চোখ রাঙানো দেখতে হয়। তাছাড়া একবেলা রান্নার জন্য আস্ত মুরগি কেনাও সম্ভব হয় না। এই সমস্যা শুধু আমার না অধিকাংশ শিক্ষার্থীর। শিক্ষার্থী ও নিজের সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজতে লাগলাম। তখন মাথায় আসে যদি একবেলা রান্নার প্রয়োজনীয় প্যাকেজ করা যায় তাহলে কেমন হয়। সেই থেকে যাত্রা শুরু সাধের বাজারের। এভাবে নিজেদের কিছু রোজগারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হয়েছি'।

    ‘সাধের বাজার’ নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে রাব্বী হাসান রাজন বলেন, 'সাধের বাজার এখন শুধু সবজি, মাছ এবং মাংস পৌঁছে দিচ্ছে। ধীরে ধীরে এর প্রসার বাড়তে থাকবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে গ্রীষ্মকালীন ফল যেমন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর আম ও দিনাজপুরের লিচু সরবরাহ করবে'।

    'সাধের বাজারের' ক্রেতা ক্রপসাইন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাহিয়া সিদ্দিকা ঈশফা বলেন, 'তাদের থেকে আমি ভালো সেবা পাচ্ছি। এখন নিয়মিত অর্ডার করে থাকি। মাছ-মাংস, শাকসবজি সবকিছুই টাটকা দিচ্ছে। বিশেষ করে সব থেকে বেশি ভালো লাগছে যে, আমার যেটুকু প্রয়োজন হচ্ছে সেইটুকু নিতে পারছি। বাড়তি নিতে হচ্ছে না। ফলে অনেক টাকাও বেঁচে যাচ্ছে'।

    এবিষয়ে মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, 'তাদের উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। তাঁরা সুন্দর একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি দূর হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁদের কিছুটা অর্থ উপার্জন হচ্ছে। এতে করে তাঁরা পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যেতে পারবে। এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি'।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জাবিতে মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে মাসুম-মামুন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১ এপ্রিল, ২০২৩ ১২:৫৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      জাবিতে মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে মাসুম-মামুন

      জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের(জাবি) অধ্যয়নরত মাদারীপুর অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদ’র নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাসুম বিল্লাহ'কে সভাপতি ও ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন'কে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করা হয়েছে।

      শুক্রবার (৩১ মার্চ) সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

      কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন শাকিল খান (৪৭ ব্যাচ)। সহ - সভাপতি পদে দায়িত্ব প্রাপ্তরা হলেন : নুসরাত জাহান ঊর্মি ( ৪৭ ব্যাচ), আব্দুল্লাহ আল জলিল (৪৭ ব্যাচ), গৌড়া আসাদুল্লাহ মারুফ (৪৭ ব্যাচ), অপূর্ব বৈদ্য (৪৭ ব্যাচ) ও তাওহিদুল ইসলাম (৪৭ ব্যাচ)।

      যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে : মেজবাহ খান (৪৮ ব্যাচ),আরিফুল ইসলাম শুভ (৪৮ ব্যাচ), শেখ অনন্যা আনান (৪৮ ব্যাচ), মুন্না (৪৮ ব্যাচ)। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে : ইয়াসিন আরাফাত (৪৮ ব্যাচ), শুক্কুর আলী (৪৮ ব্যাচ), আমিনুর রহমান শাওন (৪৮ ব্যাচ) ও নাজমিন জাহান নাবিলা (৪৮ ব্যাচ)।

      এছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন আবিদ হাসান খান কৌশিক ( ৪৯ ব্যাচ),দপ্তর সম্পাদক পদে আদনান হালিমি (৪৯ ব্যাচ), প্রচার সম্পাদক পদে বায়েজিদ হাসান রাকিব (৪৯ ব্যাচ), আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে লিয়া মনি (৪৮ ব্যাচ),শিক্ষার্থী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে আমিনা সুলতানা (৪৯ ব্যাচ), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে সাফওয়ান সজীব (৪৮ ব্যাচ),সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে হালিমাতুজ সাদিয়া (৪৮ ব্যাচ),গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদে মেহেরাব শিক্ষাত (৪৯ ব্যাচ ),আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে লামিয়া রহমান তৌশি পূর্ণতা (৪৯ ব্যাচ) ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে আরমান আহমেদ (৪৯ ব্যাচ)।

      এছাড়াও কমিটিতে উপ সম্পাদক এবং কার্যকরী সদস্য পদে রয়েছেন নয় জন করে মোট ১৮ জন সদস্য।

      এ প্রসঙ্গে সংগঠনটির সদ্য নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদ মাদরীপুরের শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে আসছে। আমি স্বপ্ন দেখি আগামীতে মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        কাভার্ডভ্যান চাপায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১ এপ্রিল, ২০২৩ ১২:৩৮
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        কাভার্ডভ্যান চাপায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত

        রাজধানীর লালবাগের বেড়িবাঁধ এলাকায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক  শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নিহত শিক্ষার্থীর নাম সানজিদা আক্তার তামান্না (২৭)। শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাত সাড়ে দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

        বিষয়টি নিশ্চিত করে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম মোরশেদ গণমাধ্যমে বলেন, নিহত সানজিদা আক্তার তামান্না নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের সামনে থেকে মোটরসাইকেলে করে লালবাগ হয়ে তার বাসা কামরাঙ্গীরচর যাচ্ছিলেন। পরে লালবাগ বেড়িবাঁধ এলাকায় এলে একটি কাভার্ডভ‍্যান মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে পেছন থেকে সানজিদা পড়ে যায়। এ সময় ওই কাভার্ডভ‍্যান সানজিদার ওপর দিয়ে চলে যায়। পরে আমরা খবর পেয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

        এ ঘটনায় মোটরসাইকেল ও কাভার্ডভ‍্যান চালকসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ মর্গে রাখা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          রাবিতে ইচ্ছে'র ঈদ উপহার সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৩১ মার্চ, ২০২৩ ২২:৫০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          রাবিতে ইচ্ছে'র ঈদ উপহার সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ

          রাবি প্রতিনিধি: 'ইদ মানে খুশি, ইদ মানে আনন্দ'। কিন্তু এই আনন্দ যেন শুধু সামর্থ্যবানদের মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝেও পৌঁছে তারই উদ্যোগ নিয়ে থাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজসেবামূলক একটি সংগঠন 'ইচ্ছে'। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সংগঠনটির উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

          আজ শুক্রবার (৩১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টায় খামারবাড়ি সংলগ্ন ইচ্ছে স্কুলে বিতরণ সামগ্রীসমূহ বিতরণ করা হয়।

          এসময় উপস্থিত ছিলেন ইচ্ছে'র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান উপদেষ্টা দেবশ্রী মন্ডল ছুটু, নগরীর অন্যতম উদ্যোক্তা শারমিন আক্তার জুঁই, মোশাররফ হোসেন সজীব, নির্মল চন্দ্র দাস, তামান্না ফেরদৌস ও খাইরুল আলম প্রমুখসহ অন্যান্য উপদেষ্টামণ্ডলী।

          বিতরণকালে দেবশ্রী মন্ডল ছুটু বলেন, আমরা প্রতিবছরই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ায়। সমাজের প্রতিটি স্তরে সকলের উচিত যথাসম্ভব সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। এতে করে আমাদের সমাজ আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে। একে অপরের মাঝে সুখ দুঃখের ভাগাভাগির মাধ্যমে আত্মতৃপ্তি লাভ করা যায়। এছাড়াও অন্যান্য উপদেষ্টাগণ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

          উল্লেখ্য, ইচ্ছে' একটি ব্যতিক্রমধর্মী সমাজসেবামূলক সংগঠন। 'মেধা দেই, শ্রম দেই আর্তমানবতার সেবা করি, পৃথিবীকে বদলে দেই' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি সংগঠনটির পথ চলা। 'ইচ্ছে' সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করে থাকে। সংগঠনটি কখনো কারো কাছ থেকে কোনো দান কিংবা চাঁদা গ্রহণ করে না। সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের মেধা ও শ্রম দিয়ে যে অর্থ উপার্জন করে তা শিশুদের মাঝে ব্যয় করে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত