ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাংলাকে অসম্মান করে ভাষার চর্চা নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ মার্চ, ২০২৩ ১৮:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাকে অসম্মান করে ভাষার চর্চা নয়

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বরকত, সালাম, রফিকসহ আরও অনেকে ঢাকার রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে ছিনিয়ে এনেছেন মাতৃভাষার মর্যাদা। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেই চেতনা আজ ক্ষয়িষ্ণু। আমরা শুধু ‘২১ ফেব্রুয়ারি’ এলে অনেকটা দায়িত্ববোধ ও লোকলজ্জার কারণে এক গুচ্ছ ফুল নিয়ে যাই শহীদ মিনারে। এই একটি দিনের যাওয়াটাও নিজের বা নিজেদের দলের প্রচারণা বাড়ানোর জন্য। কোন দলের পুষ্পস্তবক কত বড়, ব্যানার কত বড়, দলের লোকসংখ্যা কত ইত্যাদির প্রতিযোগিতায় ভাষা আন্দোলনের চেতনা মুখ লুকিয়ে বাঁচে।

পরিতাপের বিষয়, শিক্ষিত সমাজের একটা বিরাট অংশের অনীহা দেখা যায় বাংলা ভাষার প্রতি। তাঁরা বাংলার চেয়ে ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এই মানসিকতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকলে বিশ্বের দরবারে বাংলাকে কখনোই প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে না। এর মানে এই নয়, আমি বাংলাদেশে ইংরেজি চর্চার বিরোধিতা করছি। ইংরেজিসহ পৃথিবীর অন্যান্য ভাষার চর্চা এখানে করা দরকার, তবে বাংলাকে অসম্মান করে নয়।

বিশ্বে প্রতিটি জাতিই তার মাতৃভাষার ভিত আগে শক্ত করে, তারপর যোগাযোগ স্থাপনের জন্য অন্য ভাষা আয়ত্ত করে। এতে নিজের ভাষার সঙ্গে অন্য ভাষার তুলনা করাও সহজ হয়। এভাবে তুলনামূলক বিবেচনায় অন্য ভাষার উৎকৃষ্ট শব্দ বা সেই জাতির উৎকৃষ্ট আচরণ নিজেদের মতো করে মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিরা যখন বাংলাকে অবহেলা করে, উদাসীনতা দেখায়, তখনই আঘাত লাগে প্রাণে। নিজের নাক কেটে পরের শোভা বৃদ্ধি করা বোকামি ছাড়া আর কিছু কি? মধ্যযুগের কবি আব্দুল হাকিম যথার্থ বলেছিলেন– যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী/ সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।

ভাষা আন্দোলনের সময় যাঁরা মায়ের ভাষাকে রক্ষা করতে এক অসম যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে আজও অনেকে বেঁচে আছেন। তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার মতো মানসিকতাও হারিয়ে ফেলেছি আমরা। ভাষার জন্য তাঁদের আত্মত্যাগ কখনোই ভোলার নয়। ভাষাসংগ্রামীদের যথাযথ মর্যাদা দিয়ে তাঁদের ও পরিবারগুলোর খোঁজ রাখা প্রয়োজন। ৭০ বছর পার হওয়ার পরও ভাষাসংগ্রামীদের তালিকা হয়নি; হাইকোর্টের এ বিষয়ে নির্দেশ থাকলেও। তবে মনে রাখতে হবে, তালিকা তৈরি করতে গিয়ে যেন ভুল কোনো কিছু না হয়। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার মতো ভুয়া ভাষাসংগ্রামী করা ঠিক হবে না।

তবে সংশয়, বিস্ময় বা দ্বিধা নয়; প্রাণের অনুভূতি ও মমত্ববোধ দিয়ে বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে স্বীকৃত ভাষার মর্যাদা এনে দেওয়ার অঙ্গীকার করতে হবে বাঙালিকে। এটা স্বস্তির যে, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ছে। মাতৃভাষার জন্য লড়াই করে, জীবন দিয়ে বিশ্বে যে বিরল ইতিহাস বাঙালি তৈরি করেছে, তার স্বীকৃতি আমাদের জন্য গৌরবের। কিন্তু সেই গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য সর্বত্র বাংলার প্রচলন জরুরি। বাংলা ভাষার সঙ্গে মা-মাটি-মানুষ তথা দেশমাতৃকার প্রেমও প্রয়োজন। একাত্তরের স্বাধীনতার ইতিহাসও আমাদের প্রেরণা জোগায়, যদিও বৈরী বাতাস বইছে আজ ৭১-এর চেতনার আকাশে। দীর্ঘ ৯টি মাস কতখানি আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা একটি মানচিত্র অর্জন করেছি, তা সবাই জানি। কেন সেই আত্মত্যাগ? তার সবটুকু সবাই না জানলেও অন্তত এইটুকু সবাই জানি– একটি সুখী ও সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গড়াই ছিল আমাদের লক্ষ্য।

উত্তরণের পথ একটাই– বাঙালিকে আবার ‘৫২’ কিংবা ‘৭১’-এর মতো নিজেদের মুক্তির অন্বেষায় সংগঠিত হতে হবে। আবার বাঙালিকে আসাদ হতে হবে; মোস্তফা কামালের মতো সাহসী হতে হবে। আবার নূর হোসেনের মতো রাজপথে নেমে আসতে হবে। বায়ান্নকে এই চেতনার উৎস ভেবে অস্থিমজ্জায় ধারণ করতে পারলেই বাঙালির বোধোদয় হবে। আর তখনই মুক্তি সম্ভব।

অধ্যাপক ড. এম শাহ্‌ নওয়াজ আলি: সাবেক সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নিজের পছন্দের সীটে উঠেছেন ফুলপরী

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৪ মার্চ, ২০২৩ ১৭:৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নিজের পছন্দের সীটে উঠেছেন ফুলপরী

    মোস্তাক মোর্শেদ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে নির্যাতনের শিকার ফিনান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে স্থায়ীভাবে উঠলেন। হলের ৫০১ নং কক্ষে নিজের সীট বেঁছে নিয়েছেন ফুলপরী। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে নিজের পছন্দমত হলের সিটে ওঠার অংশ হিসেবে এই হলে উঠলেন নির্যাতিত শিক্ষার্থী ফুলপরী।

    শনিবার (৪ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট কক্ষে হলে তোলার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এসময় হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিয়া মো: রাশেদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন, সহকারী প্রক্টর সাহাবুব আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    এবিষয়ে ফুলপরী বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদে দেশবাসী আমার পাশে দাড়িয়েছে তাদের সকলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে ভালো অনুভব করছি। আমি পড়াশুনা করে, দেশের উন্নয়ন করবো। আমার সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে তা যেন আর কারও সাথে না ঘটে এ বার্তা পৌঁছে দিতে চাই।

    এপ্রসঙ্গে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিয়া মো: রাশেদুজ্জামান জানান, সকালে ফুলপরী তার বাবা ও ভাইকে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি যেহেতু এই হল পছন্দ করেছেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা তাকে ৫ম তলায় পছন্দসই রুমে আবাসিকতা প্রদান করেছি। ফুলপরী তার বাবা ও ভাইকে নিয়ে এসেছিলেন এবং সে চাইলে এখন থেকেই হলে থাকতে পারবেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জাবিতে জলসিঁড়ির নতুন কমিটি গঠন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৪ মার্চ, ২০২৩ ১৭:৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      জাবিতে জলসিঁড়ির নতুন কমিটি গঠন

      জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন জলসিঁড়ির ১৫ সদস্য বিশিষ্ট ২০২২-২৩ সেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

      কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাদ্দাম হুসাইন রোহানকে সাধারণ সম্পাদক এবং বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট বিভাগের ৪৮ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাহাতুল ফেরদৌস রাত্রিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

      শনিবার (৪ মার্চ) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

      কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সভাপতিমন্ডলী যথাক্রমে ফাইরুজ সাজিদা তাজরিন ও আকাশ মন্ডল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি হায়দার তূর্য ও দূর্জয় বসাক , অর্থ সম্পাদক মো: ফেরদৌস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তুষার শিকদার , সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আসিফ করিম পাটোয়ারি রুপম, দপ্তর সম্পাদক ধীরাজ রায়, পাঠাগার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির।এছাড়া কার্যকরী সদস্য হিসেবে আছেন তপু চন্দ্র দাস, প্রমা রাহা, সুরভী চক্রবর্তী, শ্বাশত প্রামাণিক।

      প্রসঙ্গত, ‘আমরা শ্রম ও মেধায় বাবুই পাখির মত সৃষ্টিশীল হতে চাই’ শ্লোগানকে ধারণ করে জলসিঁড়ি তার সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহের রবি, সোম, মঙ্গল ও বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের ৭ নং কক্ষে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নিরাপত্তার সাথে ক্যাম্পাসে ফিরলেন ভুক্তভোগী ফুলপরি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৪ মার্চ, ২০২৩ ১২:১৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        নিরাপত্তার সাথে ক্যাম্পাসে ফিরলেন ভুক্তভোগী ফুলপরি

        নিয়ামতুল্লাহ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রীকে অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় ভুক্তভোগী ফুলপরি খাতুন নিরাপত্তার সাথে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন। শনিবার (০৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় ক্যাম্পাসে ফিরেন ভুক্তভোগী ও তার বাবা আতাউর রহমান।

        জানা যায়, এর আগে বুধবার (১ মার্চ) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশে অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার হয় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী অন্তরাসহ ৫ জন। হাইকোর্ট আরো নির্দেশ দেন ভুক্তভোগী ফুলপরি যে হলে থাকতে চাই সে হলের আবাসিকতা দেওয়ার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকালে ফুলপরি ক্যাম্পাসে ফিরেন এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে থাকতে ইচ্ছে পোষণ করেন।

        এ ব্যাপারে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহদৎ হোসেন আজাদ বলেন, পাবনা এবং কুষ্টিয়া পুলিশের মাধ্যমে তাকে নিরাপত্তার সাথে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়েছে। তার সাথে ছিলেন সহকারী প্রক্টর শাহাবুব আলম। ক্যাম্পাসে এসে ফুলপরি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে থাকতে ইচ্ছা পোষণ করেন। আমরা হল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি এখন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          রাবিতে নেত্রকোনা জেলা সমিতির কমিটি ঘোষণা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৪ মার্চ, ২০২৩ ১১:৪৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          রাবিতে নেত্রকোনা জেলা সমিতির কমিটি ঘোষণা

          সোহানুর রহমান, রাবিঃ শুক্রবার(০৩ মার্চ) রাতে রাজশাহীর বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) নেত্রকোনা জেলা সমিতির ২০২৩-২৪ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হৃদয় চৌধুরীকে সভাপতি ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী মাহবুব আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়।

          বিশ্ববিদ্যালয়ের জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের গ্যালারী রুমে কমিটির নাম ঘোষণা করেন ম্যাটারিয়াল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম।

          কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রাজীব, সাঈদ আনোয়ার,শুভ তালুকদার, গোলাম কিবরিয়া, জোবায়ের আহমেদ আকন্দ, শরীফুল ইসলাম ইফতি, নুসরাত জাহান রিয়া, মেহেদী হাসান খান হৃদয়, আকাশ দত্ত, ফরিদুল আলম রাজন, তারিফ হাসান মেহেদি, পলাশ কুমার দে, প্রান্ত সরকার। সহ-সভাপতি, মেহেদী হাসান হৃদয়, মোঃ আলী আজম, জিন্নাতুন নূর মুক্তা, মোঃ মাহফুজ আলম, নাজমুস সাকিব ইফতি, এনামুল হক বিজয়, অনন্যা পাল শ্যামা, কাজী মনিরুজ্জামান মুন, রোকেয়া পারভীন সাথী,নির্জয়, শেখ রামীম আহমেদ, জেরিন আক্তার।

          যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল, আজহারুল ইসলাম, আওলাদ মিয়া, আল মাহমুদ সাইফ, মোঃ মুজাহিদ, মিজানুর রহমান, মোঃ মাহবুব আলম, স্বপন দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: পলাশ, তানজীনা আক্তার, মো: হাসান খান, মেহেদী হাসান রুদ্র, ইসরাত জাহান তামান্না, তাইবা বারী লিউনা, সজল হোসাইন বাপ্পি, তুহিনুজ্জামান, নূরে আলম, সানাউল্লাহ, রাহাদ আরিয়ান, মারুফ আহমেদ, শাহরিয়ার খান শান্ত, মনির হোসেন মাহিন।

          সহ-সাংগঠনিক,আরিফুল ইনলাস, ফারজানা শম্পা, শেখ আরয়িান রনি, আশিক, আরাফাত ইসলাম, টুম্পা মজুমদার, রাকিবুল হাসান সৌরভ, কোষাধ্যক্ষ আল আমিন আকন্দ, প্রচার সম্পাদক মনিমুল হক, উপ-প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান হিরন, রুবি আক্তার, দপ্তর সম্পাদক তাজিন আক্তার তমা, উপ-দপ্তর সম্পাদক পলাশ মিয়া, আইন বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান সৌরভ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ঝর্না আক্তার, নাজমুন্নাহার তাহেরা, জুয়েনা আক্তার তন্বী, তাহাসমিন হাসি, মুর্শিদা ইসলাম, চন্দ্ৰীকা পাল, শিক্ষা সম্পাদক, মর্তুজা হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বায়জিদ, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান তুহিন,রাসেল আহমেদ, উপ-ক্রীড়াসম্পাদক মেহেদী হাসান সানা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ইব্রাহীম খলিল, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শামিম রেজা, প্রকাশনা সম্পাদক রবিন খান ,আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক অন্তর চন্দ্র ঘোষ পাঠচক্র বিষয়ক, আইনুল ইসলাম রিমন ত্রান ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মামুন খান, কার্যকরী সদস্য জাকারিয়া আহমেদ আকিব, মনিরুল ইসলাম পরশ, নুসরাত জাহান, জুবায়েদ হোসেন।

          এসময় কমিটির অন্যান্য সদস্য ও উপদেষ্টাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত