শিরোনাম
ফুলপরী পছন্দমতো যেকোনো হলে সিট পাবেন: হাইকোর্ট
বুধবার (১ মার্চ) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুনকে তিন দিনের মধ্যে তার পছন্দমতো হলে আবাসিকতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
একই সাথে নির্যাতন ও ভিডিও ধারণের ঘটনায় জড়িত সাময়িক বহিষ্কৃত পাঁচজন কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকতে পারবে না। এছাড়া হল প্রভোস্টকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতে বলেছেন, সাময়িক বহিষ্কৃত পাঁচজন কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকতে পারবে না। এছাড়া নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুনকে তিন দিনের মধ্যে তার পছন্দমতো হলে আবাসিকতা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী গাজী মো. মহসীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।
ইবির ৫ ছাত্রীকে বহিষ্কার ও হল প্রভোস্টকে সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের
বুধবার (১ মার্চ) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক ছাত্রীকে রাতভর নির্যাতন করে ভিডিও ধারণের ঘটনায় পাঁচ ছাত্রীকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টকে সরিয়ে দিতেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতে বলেছেন, সাময়িক বহিষ্কৃত পাঁচজন কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকতে পারবে না। এছাড়া নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুনকে তিন দিনের মধ্যে তার পছন্দমতো হলে আবাসিকতা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন- ইবি ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, ছাত্রলীগ কর্মী ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের তাবাসসুম ইসলাম, আইন বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের ইসরাত জাহান মীম, ফাইন আর্টস বিভাগের হালিমা খাতুন উর্মী ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মোয়াবিয়া।
ইবিতে ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় হল ছেড়েছেন তিন শিক্ষার্থী
নিয়ামতুল্লাহ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রীকে অমানবিক নির্যাতন ও র্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত তিন ছাত্রী স্থায়ীভাবে হল ছেড়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তারা তাদের নিজস্ব জিনিসপত্র নিয়ে হল ছাড়েন বলে জানিয়েছেন হলের শাখা কর্মকর্তা হামিদা খাতুন।
হল ছেড়ে যাওয়া তিন শিক্ষার্থী হলেন- আইন বিভাগের ইসরাত জাহান মীম, চারুকলা বিভাগের হালিমা আক্তার উর্মি এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মাওয়াবিয়া জাহান।
হল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে হল ছাড়েন ছাত্রী নির্যাতনে অভিযুক্ত ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মাওয়াবিয়া। হলের গণরুম প্রজাপতি-১ এ থাকতেন তিনি। বাবার সঙ্গে তিনি ক্যাম্পাস ছেড়েছেন। পরে দুপুরে নিজের মালপত্র গুছিয়ে হল ছাড়েন একই অভিযোগে অভিযুক্ত আইন বিভাগের একই সেশনের ইসরাত জাহান মীম। তারা উভয়ই ক্যাম্পাস ছেড়ে মেসে উঠেছেন বলে জানা গেছে। এরপর হল ছাড়েন ফাইন আর্টস বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের ছাত্রী হালিমা আক্তার উর্মি । তিনিও ক্যাম্পাস ছেড়ে মেসে উঠেছেন।
এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হাইকোর্টের নির্দেশে হল ছাড়েন ছাত্রী নির্যাতনের মূলহোতা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের তাবাসসুম ইসলাম। তবে তারা স্থায়ীভাবে হল ছেড়েছেন কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে গত ১১ ও ১২ই ফেব্রুয়ারি দুই দফায় ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ফুলপরীকে রাতভর র্যাগিং, শারীরিকভাবে নির্যাতন ও বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠে। এতে শাখা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, তাবাসসুম ইসলাম, ইশরাত জাহান মীম, হালিমা আক্তার উর্মি ও মুয়াবিয়া জাহানসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। পরে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৫ই ফেব্রুয়ারি একটি তদন্ত কমিটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে ১৫ই ফেব্রুয়ারি পৃথকভাবে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল ও শাখা ছাত্রলীগ তদন্ত কমিটি গঠন করে। এছাড়া হাইকোর্টের নির্দেশেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন। পরে তদন্ত কমিটিগুলো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় স্ব স্ব স্থানে।
বাউয়েট ন্যাচার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ক্লাবের উদ্যোগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
বাউয়েট প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (বাউয়েট) এর ন্যাচার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ক্লাবের উদ্যোগে সিভিস্টা ২.০ শিরোনামে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাউয়েট ক্যাম্পাসে ন্যাচার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফটোগ্রাফি কনটেস্ট, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং আইডিয়া কনটেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মোস্তফা কামাল (অব.) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রশিদুল হাসান, রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, ন্যাচার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ক্লাবের সভাপতি ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাজাহান আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীরা। এসময় পরিবেশ সচেনতা তৈরীর লক্ষে ক্লাবের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন।
বাকৃবিতে বাংলা ভাষায় গল্প বলা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, বাকৃবিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলা ভাষায় গল্প বলা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হল ছাত্রলীগ।
জানা যায়, অনুষ্ঠান কার্যক্রমটি বাংলা ভাষায় গল্প বলা, বিচারকদের রায় এবং পুরস্কার বিতরণ মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ছাত্রী ও ছাত্র হলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
আসিফ আহমেদ শুভ ও মেহেদী আলিফ অয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম। এছাড়াও বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেরিন ফিশারিজ সায়েন্স বিভাগের প্রভাষক উম্মে অহিদা রহমান, হাওর ও চর উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের প্রভাষক মো. মাহবুবুল আলম, মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. চন্দ্রশেখর চৌহান এবং কৃষি ব্যবসায় ও বিপণন বিভাগের প্রভাষক এস. এম. শাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষকের দায়িত্ব পালন করেন বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন হলের শতাধিক শিক্ষার্থী।
এসময় প্রধান বিচারক বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই বাংলা ভাষার অর্জন। তাই ভাষার ব্যবহারে আমাদের সচেতন হতে হবে। নতুন শব্দের জন্য আমাদের অনেক বই পড়তে হবে। ভাষার মাসে আমাদের সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে। এ ধরনের আয়োজন আমাদের অনেক নতুন নতুন শব্দের সাথে পরিচিত করে। আমরা নিজে লিখতে না পারলেও পাঠক হিসেবে আমাদের বন্ধুদের উৎসাহ দিতে পারি। নিজ নিজ আঞ্চলিক ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। তবে প্রমিত বাংলা ভাষাটাও সকলকে জানতে হবে। সাবলীল বাংলায় উপস্থাপন করা শিখতে হবে আমাদের সকলকে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য