শিরোনাম
বাকৃবির উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার নতুন কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. হাদী
বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান।
রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রেজিস্ট্রার মো. ছাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগামী দুই বছরের জন্য তাঁকে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম-১ এর স্থলাভিষিক্ত হবেন। তিনি ৩১ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণ করবেন। এছাড়াও পদাধিকারবলে তিনি পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া পিএইচডি ডরমেটরির সুপারের দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে অধ্যাপক ড. হাদী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালকের দায়িত্ব, বাকৃবির প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় ল্যাবরেটরির পরিচালকের দায়িত্বসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের (একাংশ) সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ।
অধ্যাপক ড. হাদী গবেষক হিসেবে ৬৪ টি জাতীয় এবং ৪৪টি আন্তর্জাতিক সায়েন্টিফিক পেপার প্রকাশ করেছেন। শিক্ষকতা জীবনে তাঁর তত্ত্বাবধানে ৫৪জন মাস্টার্স ডিগ্রি ও ৮জন পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন।
অধ্যাপক ড. হাদী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ থেকে ১৯৮৯ সালে স্নাতক, প্যাথলজি বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অবস্থিত স্ট্র্যাথক্লাইড ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি জাপানের ওসাকা ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েট স্কুল অব মেডিসিন থেকে পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রি অর্জন করেন।
মো আমান উল্লাহ/
নিটারে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
পিঠা বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর সেই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে তা ছড়িয়ে দিতে সাভারের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ বা নিটারে আয়োজন করা হয় পিঠা উৎসবের।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ আলী খোকন ( চেয়ারম্যান বিটিএমইএ), অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু (ডিন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), জনাব মোঃ ফজলুল হক (ভাইস-প্রেসিডেন্ট, বিটিএমএ), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ জাকির হোসেন (এনডিসি, পিএসসি চেয়ারম্যান, বিটিএমসি)। পিঠা উৎসবে সভাপতিত্ব করেন নিটারের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ জুনাইবুর রশীদ ।
সন্ধ্যায় ১৫ টি স্টলের মাঝে আহো ভাই পিঠাঘর তৃতীয় স্থান, ফটোগ্রাফিক পিঠাঘর দ্বিতীয় স্থান, ও বুননকারী রসমঞ্জরী প্রথম স্থান অধিকার করে। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ জুনকিবুর রশীদ, একাডেমিক ইনচার্জ ইসমত জেরিন এবং টেক্সটাইল বিভাগের প্রধান মাহবুবুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- নিটারের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সহ নিটারের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
জবি শিক্ষার্থীদের খন্ডকালীন চাকরি কেবলই আশ্বাস
মাসুম তালুকদার, জবিঃ ২০২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের উন্নত দেশের মতো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ঘণ্টা অনুযায়ী পার্টটাইম চাকরি দেবার পরিকল্পনার কথা শিক্ষার্থীদের জানিয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। ৫ মাস অতিবাহিত হতে চললেও তার ফল এখনো পায়নি শিক্ষার্থীরা ,আশ্বাসেই আটকে আছে জবি শিক্ষার্থীদের আর্থিক সচ্ছলতার স্বপ্নটা।
রাজধানীতে ব্যয়বহুল জীবনমান ও আবাসন সংকট বিবেচনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অর্থ উপার্জনক্ষম করে তুলতে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক জানান, আমি শিক্ষার্থীদের জন্য খন্ডকালীন চাকরির ব্যাপারে লাইব্রেরিতে কোন সুযোগ আছে কিনা সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ানকে একাধিকবার বলেছি। তিনি এখনো আমাদের কাছে প্রস্তাব পাঠাননি। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি শিক্ষার্থীদের জন্য খন্ডকালীন চাকরির ব্যবস্থা করার।
এ বিষয়ে গ্রন্থাগারিক মো. এনামুল হক বলেন, আমাদের সফটওয়্যার ম্যানেজমেন্টের কাজ চলমান রয়েছে বিধায় এখনো প্রস্তাবনা পাঠানো হয়নি। লাইব্রেরি ও আইটি দপ্তরসহ অন্যান্য দপ্তরে খন্ডকালীন লোকবল নেওয়ার জন্য উপাচার্য বরাবর আমরা প্রস্তাবনা পাঠাবো।
ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগের ১০ম স্বেচ্ছাসেবী সংগ্রহ সম্পন্ন
সোহানুর রহমান, রাবি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ইউনাইটেড ন্যাশন্স ইয়ুথ অ্যান্ড স্টুডেন্টন্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব) রাজশাহী বিভাগের ১০ম স্বেচ্ছাসেবী সংগ্রহের চূড়ান্তপর্ব সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী আগ্রহী তরুণ ও ক্রিয়াশীল শিক্ষার্থীদের সরাসরি সাক্ষাৎকার গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগের ১০ম স্বেচ্ছাসেবী সংগ্রহ ২০২৩-এর প্রাথমিক পর্যায়ে আবেদন করে প্রায় পাঁচ শতাধিক আগ্রহী প্রার্থী। এদের মধ্যে থেকে প্রাথমিক যাচাইকরণ শেষে মেধা, দক্ষতা এবং আগ্রহ ইত্যাদি যাচাই করে স্বেচ্ছাসেবী সংগ্রহ প্রক্রিয়া শেষ করা হয়। এই তরুণরা যাতে ভবিষ্যতে দেশের কল্যাণে জাতিকে নেতৃত্ব দিতে পারে তা বিবেচনা করে যোগ্য স্বেচ্ছাসেবক বাছাই করা হয়।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি হতে সদস্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া শুরু হয়। তারপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখ পর্যন্ত অনলাইন এবং অফলাইনে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সচল ছিল। এতে রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাথমিক বাছাইপর্ব শেষে ২৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। মোট তিনটি ধাপে বিভক্ত এই প্রক্রিয়ার; প্রথম পর্বে লিখিত পরীক্ষা, দ্বিতীয় পর্বে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন এবং সর্বশেষ ভাইভার মাধ্যমে সদস্যদের বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সারাদিনব্যাপি মোট চৌদ্দটি স্লটে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ভাইভা হয়।
জানা যায়, যুবসমাজের গঠনমূলক উন্নয়ন ও নেতৃত্বের বিকাশকে প্রতিপাদ্য রেখে ‘স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে নেতৃত্বের বিকাশ’ এই স্লোগান নিয়ে ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগ।
প্রতিবছর ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগ ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এর পাশাপাশি নানা ব্যক্তিক দক্ষতার উন্নয়নমূলক সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করে থাকে। করোনার সময়েও ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগ অসহায়, বন্যায় কবলিত ও অর্থহীন মানুষের জন্য কাজ করে গেছে।
এছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন, শীতকালীন সময়ে শীত বস্ত্র বিতরণ, ঈদ ফর স্ট্রিট চিলড্রেন, প্রজেক্ট হ্যাপি বার্থডে, বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রান্তিকালে বহুবিধ সহায়তা কার্যক্রম, সমাজ সংস্কারসহ বিবিধ কার্যক্রমের মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্যতম যুব সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ইবি শিক্ষার্থীরা
মোস্তাক মোর্শেদ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আইন অনুষদের অধীন আল ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা স্থগিত করায় বিভাগ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে।
রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন ভবনের নিচতলায় পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলন করেন প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, করোনা কারণে এমনিতেই আমরা দুই বছর পিছিয়ে গিয়েছি। এই মুহূর্তে আবার পুনরায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ২০১৯ সালের পরীক্ষা আমাদের ২০২৩ সালে দিতে হচ্ছে। আমরা অনতিবিলম্বে পরীক্ষার গ্রহণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।
এ প্রসঙ্গে বিভাগের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল ওহাবের সংঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং প্রতিবেদককে সরাসরি দেখা করতে বলেন।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন বলেন, পরীক্ষা কমিটিকে বসে সিদ্ধান্ত নিতে বললাম। আর দ্রুত পরীক্ষা নিতে বললাম। পরিক্ষা কমিটির সভাপতি বলেছেন ওনি কন্ট্রোলার অফিসে কাগজ পাঠিয়েছেন। তারা যথাযথ ভাবে কাজ করে নি। একবার সাপ্লিমেন্টারী দিতে হবে এবং আর্ডিনেন্স গত সমস্যাও রয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য