ঢাকা, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

গুচ্ছের টানাপোড়েনে জবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৫৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
গুচ্ছের টানাপোড়েনে জবি

মাসুম তালুকদার, জবিঃ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শিক্ষাবর্ষ ২০২২-২৩ এ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থাকছে কিনা এনিয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয় নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩তম একাডেমিক সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নিতে একটি বিশেষ একাডেমিক সভার আয়োজন করা হচ্ছে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারিতে। সেখান থেকে গুচ্ছে জবি থাকছে কিনা সেবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইমদাদুল হক।

এদিকে বিগত বছরে গুচ্ছে থাকায় দশম মেরিট লিস্ট দিয়েও শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারেনি প্রশাসন। অথচ গুচ্ছের আগে পঞ্চম বা ষষ্ঠ মেরিট লিস্টেই ভর্তি সম্মন্ন হত। পাশাপাশি ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে লেগেছে অনেক সময় যা শিক্ষার্থীদের হতাশ করেছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি কর্তৃক অনলাইন জরিপের আয়োজন করা হয়। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা ভোট প্রদান করে। ৯৮ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে গুচ্ছে থাকার বিপক্ষে। মাত্র ২ শতাংশ ভোট পড়েছিল গুচ্ছ থাকার পক্ষে। এ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কী প্রত্যাশা তা স্পষ্টই বোঝা যায়।

বিগত দুই বারে গুচ্ছে ভোগান্তির শিকার ও আশার আলো দেখতে না পারায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরাও গুচ্ছের প্রতি অনীহা প্রদর্শন করে আসছে। শিক্ষার্থী বান্ধব ভর্তি পরীক্ষার নামে নানা হয়রানির শিকার হয়েছে তারা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বরাবরই গুচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রতিকূলে অবস্থান করেছেন। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম লুৎফর রহমান বলেন, আমরা শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার জবি কে গুচ্ছে না থাকার আহবান করেছি। আশাকরি এইবার আমাদের কথা রাখবে প্রশাসন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    নিয়ামতুল্লাহ, ইবি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের অডিও ক্লিপ ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিয়োগবোর্ড স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, "আগামী ২০ ফেব্রুয়ারিত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য 'মেডিক্যাল অফিসার' নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড, ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের 'প্রভাষক' পদে নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড এবং সকাল ১১ টায় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের 'সহকারী অধ্যাপক' পদে নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড অনিবার্য কারণবশত: স্থগিত করা হয়। উক্ত পদগুলোর নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ডের তারিখ ও সময় পরবর্তীতে জানানো হবে"।

    এ বিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, শুধুমাত্র অডিও ফাঁসের জন্য নিয়োগবোর্ড স্থগিত করা হয়েছে বিষয়টি এমন নয়। যেহেতু এতবড় একটা ঘটনা ঘটলো সেহেতু আমার শিক্ষক-কর্মকর্তা সবার সাথে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নিবো।

    উল্লেখ্য, উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের অডিও ফাঁসের ঘটনায় ডে লেবার ও 'অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ' শনিবার ভিসির পদত্যাগের দাবিতে তাঁর কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন করে। এসময় তারা ভিসির অপসারণ চেয়ে বিভিন্ন রকম স্লোগান দিতে থাকে। জানা গেছে, তারা বিশ্বাবিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করে ও তারা অধিকাংশই ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মী।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ২২ ফেব্রুয়ারি যবিপ্রবির অফিস ও সকল ক্লাস বন্ধ ঘোষণা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৩:১৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২২ ফেব্রুয়ারি যবিপ্রবির অফিস ও সকল ক্লাস বন্ধ ঘোষণা

      যবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(যবিপ্রবি) আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি সকল অফিস ও ক্লাসসমূহ বন্ধ থাকবে। ৪র্থ সমাবর্তন ঘিরে সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল হওয়ায়,এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

      রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো: আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

      অফিস আদেশে বলা হয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কে জানানো যাচ্ছে যে, ৪র্থ সমাবর্তন ২০২৩ উপলক্ষ্যে ইতিপূর্বে নং যবিপ্রবি/রেজি./সা.প্র./১০৮১ (০৩)/অফিস ও ক্লাস ছুটি/২০২১-৬৬৪, তারিখ ১৪/০২/২০২৩ খ্রি. মোতাবেক জারিকৃত অফিস আদেশের মাধ্যমে ১৬-১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রি. তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছিল। ৪র্থ সমাবর্তন ২০২৩ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস ও ক্লাসসমূহ বন্ধ থাকবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঢাবির পরীক্ষায় কানসহ মুখমণ্ডল খোলা রাখার নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:২১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ঢাবির পরীক্ষায় কানসহ মুখমণ্ডল খোলা রাখার নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ভুক্তভোগী তিন শিক্ষর্থীর পক্ষে আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন।

        আজ রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিনি এ রিট দায়ের করেন। এতে ঢাবি ভিসি, বাংলা বিভাগের প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে।

        আইনজীবী ফয়জুল্লাহ ফয়েজ বলেন, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে চলতি সপ্তাহে রিট আবেদনটির ওপর শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

        গত ১১ ডিসেম্বর বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. আজিজুল হক স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, বাংলা বিভাগের সকল শিক্ষার্থীকে জানানো যাচ্ছে যে, গত ১৮/৯/২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটি সর্বসম্মতভাবে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী বাংলা বিভাগের প্রতি ব্যাচের সংযোগ ক্লাস (টিউটোরিয়াল প্রেজেন্টেশন), মিডটার্ম পরীক্ষা, চূড়ান্ত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীকে পরিচয় শনাক্ত করার জন্য কানসহ মুখমণ্ডল পরীক্ষা চলাকালীন দৃশ্যমান রাখতে হবে।’

        এ সিদ্ধান্ত প্রতিটি ক্লাসে শিক্ষকরা ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের অবহিত করেছেন। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো শিক্ষার্থী এই সিদ্ধান্ত পালনে শৈথিল্য দেখাচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬/১২/২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত বিভাগের একাডেমিক কমিটির সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় : ‘১৮/৯/২০২২ তারিখে গৃহীত উপরিউক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে যারা পালন করবে না তাদের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইবি উপাচার্যের নিয়োগ সংক্রান্ত অডিও ফাঁস, ব্যাখ্যা চায় শিক্ষক সংগঠনগুলো

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১১:৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ইবি উপাচার্যের নিয়োগ সংক্রান্ত অডিও ফাঁস, ব্যাখ্যা চায় শিক্ষক সংগঠনগুলো

          নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের কণ্ঠের সদৃশ শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘ফারাহ জেবিন’ নামক এক ফেসবুক একাউন্ট থেকে ফোনালাপের তিনটি পর্ব পোস্ট করা হয়। এ অডিও'র ব্যাপারে উপাচার্যের অবস্থান জানানোর আহ্বান করেছে ইবি শিক্ষক সমিতি ও শাপলা ফোরাম।

          শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পৃথক দুটি বিবৃতিতে শিক্ষক সমিতি ও শাপলা ফোরাম এ আহ্বান জানায়।

          শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'অদ্য ১৮-০২-২০২৩ তারিখ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত অডিও-তে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যের কথোপকথন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত অডিওতে উপাচার্য মহোদয়ের মন্তব্যে শিক্ষক সমিতি হতবাক ও বিস্মিত। এধরনের মন্তব্যের মাধ্যম্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমুর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে মর্মে শিক্ষক সমিতি মনে করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে তাঁর এধরনের বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ক্ষুব্ধ ও হতাশা ব্যক্ত করছে। প্রচারিত অডিও-এর বক্তব্যের বিষয়ে অনতিবিলম্বে উপাচার্য মহোদয়ের অবস্থান জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।'

          এদিকে একই ঘটনায় আরেকটি বিবৃতি দিয়েছে প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম। শাপলা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'সম্প্রতি মিসেস সালাম নামের আইডিতে পোস্ট করা উপাচার্যের একটি অডিও শাপলা ফোরামের নজরে এসেছে। ওই অডিওতে তাঁর যে কণ্ঠ এসেছে সেখানে তিনি তাঁর সময়ের আগে ইবির সব শিক্ষক টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, এমনকি নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারেরা পর্যন্ত টাকা লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিনরা কোনো কাজ না করে বঙ্গবন্ধুর নামে ‘জিকির’ করেন বলে ওই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়।

          সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি অডিওতে উপাচার্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের নিয়োগ বোর্ডের প্রশ্ন আগেই ফাঁস করেছেন বলে প্রতিয়মান হয়। প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম যখন মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সর্বক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীলতার চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিয়োগকৃত উপাচার্য কর্তৃক এহেন মন্তব্য এবং কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে বলে শাপলা ফোরাম মনে করে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে ঢালাওভাবে এ ধরনের মন্তব্য করা কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং শাপলা ফোরাম এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ওই অডিও উপাচার্যের কি না সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদানসহ তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য শাপলা ফোরাম আহ্বান জানাচ্ছে।'

          এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, হ্যা রেকর্ডটি আমার তবে আমি কথা গুলো অন্যভাবে বলেছি উপাস্থাপক করা হয়েছে অন্যভাবেই। প্রশ্নফাসের ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রশ্ন তো আমরা করি পরীক্ষার দিন সকালে। আর প্রশ্ন তো কেউ একা করেনা। পরীক্ষাও তো হয়নি তাই এই কথার কোনো ভিত্তি নেই। শিক্ষকদের এরকম বিবৃতির বিষয়ে তিনি বলেন, আমি তাদের প্রতিবাদলিপি (বিজ্ঞপ্তি) দেখিওনাই পড়িওনাই। কাউকে আবেদন করতে বললেই কি চাকরী দিয়ে দিলাম? অডিও টি কারা ভাইরাল করতে পারে সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি তো কারো পক্ষের না। সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারবোনা। কাজটা যারা করেছে আমি তাদের রুচি নিয়ে প্রশ্ন করি। তাদের বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ অনুযোগ নেই।

          অডিও ফাঁসের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়েছে।

          ইবি থানার ওসি আননূর জায়েদ জানান, রেজিস্ট্রার থানায় একটি জিডি করেছেন। জিডিতে বলা হয়েছে একটি ফেক ফেসবুক আইডি থেকে তার কণ্ঠের ন্যায় একটি ভয়েস ইডিট করে পোস্ট করা হয়েছে। এখন আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিবো।

           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত