ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নিটারে ফ্যাশন ক্লাবের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১১:১০
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিটারে ফ্যাশন ক্লাবের উদ্বোধন

নিটার প্রতিনিধিঃ সাভারে অবস্থিত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ নিটারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নিটার ফ্যাশন ক্লাব।

শনিবার (২১ জানুয়ারি) নিটারের ডিজাইন এন্ড কলার ল্যাবে ফ্যাশন ক্লাব উদ্বোধন করা হয়। ক্লাবটির উদ্বোধন করেন নিটারের অধ্যক্ষ জনাব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জোনায়েবুর রশিদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিটারের ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপেরাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট প্রধান ইসমত জেরিনসহ অন্যান্য শিক্ষকেরা। এসময় ক্লাবটির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে কেক কর্তন করা হয়।

নিটার ফ্যাশন ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপেরাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মহসীন এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন একই ডিপার্টমেন্টের আরেক শিক্ষার্থী সুহৃদ আরেফিন।

শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফ্যাশন ডিজাইন সম্পর্কিত কাজ অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও চমক ছিল শিক্ষার্থীদের ক্রিয়েটিভ ডেকরেশনে।

আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপেরাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীদের করা বিভিন্ন কাজ পরিদর্শন করেন এবং প্রশংসা করেন।

নিটারের অধ্যক্ষ ও ফ্যাশন ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জোনায়েবুর রশিদ বলেন, "শিক্ষার্থীরা আজকের অনুষ্ঠানের ডেকরেশনে অনেক পরিশ্রম করেছে তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে এবং চমৎকার ডেকরেশন করেছে। আমি চাই শিক্ষার্থীরা যেন ক্লাবের কার্যক্রম ধরে রাখে এবং বছরে অন্তত দুটি প্রোগ্রাম করুক।"

নিটারের ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপেরাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট প্রধান ইসমত জেরিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "নিটারে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফ্যাশন ডিজাইন সম্পর্কিত বড় কোনো ইভেন্ট আয়োজন করতে পারো। এ ব্যাপারে তোমরা প্লানিং করো, তোমাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।"

নিটার ফ্যাশন ক্লাব নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহের কমতি নেই। শুরু নিটারের ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপেরাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা নয়, অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরাও ক্লাবের সদস্য হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    একযুগে পদার্পণ করলো জাবি প্রেসক্লাব

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১০:৫৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    একযুগে পদার্পণ করলো জাবি প্রেসক্লাব

    জাবি প্রতিনিধিঃ প্রতিষ্ঠার একাদশ বর্ষ অতিক্রম করে এক যুগে পর্দাপণ করল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাংবাদিকদের সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।

    শনিবার (২১ জানুয়ারি) বেলা সাড়প বারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের জাবি প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা শেষে কেক কেটে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদাযাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং সংগঠনে যুক্ত থাকা সদস্যরা।

    অনুষ্ঠানটিতে জাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুর হাছান নাঈম এর সঞ্চালনায় কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এজহারুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রতিষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। আশা করি, যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে তাদের যাত্রা হয়েছিল, তা অব্যাহত থাকবে।

    অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রনি হোসাইন বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই জাবি প্রেসক্লাব বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ উপস্থাপনের মাধ্যমে সুনামের সাথে কাজ করে আসছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক ভাবমূর্তি দেশ ও বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে সংগঠনটির সদস্যরা ভবিষ্যতেও এভাবেই কাজ করে যাবে বলে আশা করছি । জাবি প্রেসক্লাবের আগামী দিনগুলোর জন্য শুভ কামনা রইল।

    অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে জাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমন মাহমুদ বলেন, নানা চড়াই উত্তরাই পেরিয়ে জাবি প্রেসক্লাব ১ যুগে পদার্পণ করেছে। এ পথচলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে সহায়তা করে আসছেন। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা করি, জাবি প্রেসক্লাবের সদস্যরা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে ভবিষ্যতেও সমাজ উন্নয়নে কাজ করে যাবেন।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জাবি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. মুসা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরীসহ সংগঠনটির সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কৃচ্ছ্রসাধন নীতিতে চাপ বাড়ছে শিক্ষার্থীদের

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১০:৪৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      কৃচ্ছ্রসাধন নীতিতে চাপ বাড়ছে শিক্ষার্থীদের

      নাবিদ, কুবি প্রতিনিধিঃ ২০ শতাংশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি অনুসরণ করছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। এই নীতি অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক দিন সশরীরে ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে।

      ২০২২ সালের ২৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সপ্তাহে এক দিন (বৃহস্পতিবার) অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

      খোঁজ নিয়ে জানা যায় , ১৯টি বিভাগে মধ্যে ১০টিতে অনলাইনে ক্লাস রাখা হয়নি। যে ৯টি বিভাগে অনলাইন ক্লাস রাখা হয়েছে তারমধ্যে বেশির ভাগ বিভাগে ক্লাস নেওয়া হয় না। প্রশাসন ও শিক্ষকদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ব্যয় সাশ্রয়ের নাম করে বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তাহে এক দিন সশরীরে ক্লাস বন্ধ রেখে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার কথা থাকলেও কোনো ক্লাস নেওয়া হচ্ছে না। এইদিকে আমাদের ওপর চাপ বাড়ছে। এমনিতে চার মাসের সেমিস্টার তারমধ্যে আবার এক দিন বন্ধ। আমাদের ওপর অতিরিক্ত ক্লাসের চাপ ও ক্রেডিট পূরণ করার জন্য সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে দিচ্ছে কোর্স শিক্ষকরা। অনেক সময় সিলেবাস শেষ না করেই পরীক্ষা নিয়ে নিচ্ছে।

      ক্লাস না রাখার বিষয়ে শিক্ষকরা জানান, অন্য চার দিনে ক্লাস নিয়ে ক্রেডিট ঘন্টা পূরণ করতে পারায় অনলাইনে ক্লাস রাখা হয়নি। কিন্তু শিক্ষার্থীরা বলছেন, অন্য দিনগুলোতে অতিরিক্ত ক্লাস, প্রেজেন্টেশন ও অ্যাসাইনমেন্টের কারণে মানসিক ও শারীরিক চাপ তৈরি হচ্ছে। অনলাইনে ক্লাস থাকলেও না হওয়ার পেছনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনীহা রয়েছে।

      অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম বলেন, আমি অনলাইনের চেয়ে সশরীরে ক্লাস নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সরাসরি মিথস্ক্রিয়া প্রয়োজন। তা সম্ভব হয় সশরীরের ক্লাসে।

      আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ খরচ কমানোর লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ক্লাস বন্ধের নামে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পিছনে কোনো যৌক্তিকতা নেই। করোনার কারণে সেমিস্টার চার মাসের হয়ে গেছে তারপরেও একাডেমি কার্যক্রম একদিন কমিয়ে ফেলার কোনে যৌক্তিকতা দেখিনা আমরা, তাতে আমাদের পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে। অনলাইন ক্লাসের কথা বলা থাকলেও আদৌও কোনো ক্লাস অনলাইনে হয়নি আমাদের।

      তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে বৃহস্পতিবার অফ থাকায় টানা তিন দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস সার্ভিস বন্ধ থাকে যার ফলে অনেক বিপাকে পড়তে হচ্ছে আমাদের। মানসিক চাপ বাড়ছে আমাদের। এইভাবে চলতে থাকলে সেশনজটের কবলে পড়বো আমরা । মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ শীগ্রই যেন বৃহস্পতিবার একাডেমি কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়।

      প্রশাসনের এমন বিপরীতমুখী কার্যকলাপের বিষয়ে উপ-উপাচার্য মোহাম্মদ হুমায়ূন কবিরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

      তবে বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাসের বিষয়ে তিনি জানান, অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক। যদি এটা বাস্তবায়ন না করা যায়, তাহলে কিভাবে ক্লাস নেওয়া যায়, তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

      এদিকে করোনা মহামারির ক্ষতি পুষিয়ে আনতে ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর ক্রেডিট ঘন্টা অপরিবর্তিত রেখে ছয় মাসের সেমিস্টার চার মাসে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু যথাসময়ে কোর্স শেষ করতে না পারায় সেমিষ্টার ছয় মাসে নেওয়া হচ্ছে ১০টির অধিক বিভাগে। ফলে কমছে না সেশনজট। অনলাইনে ক্লাসের বিরোধিতা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, অনলাইন ক্লাস নিলে অনেকে সংযুক্ত হতে পারেন না।

      এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন একাধিক শিক্ষক। অধ্যাপক মো. আৰু তাহের বলেন, 'বৃহস্পতিবার প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গাড়ি ব্যবহার করে অফিসে আসেন। বিভিন্ন মিটিং হয় প্রশাসনের। ক্লাস নিতে কী সমস্যা?” অধ্যাপক মো. আব্দুল হাকিম বলেন, আমি উপাচার্যকে অনুরোধ করব, ক্লাস যেন সব দিন সশরীরে নেওয়া হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ৩১ জানুয়ারি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১০:৪৪
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ৩১ জানুয়ারি

        তুষার,নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন আগামী ৩১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হবে। আজ শনিবার (২১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড.হুমায়ুন কবীর। ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে স্পিকার হিসেবে থাকবেন শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা.আলীম চৌধুরীর কন্যা অধ্যাপক ডা.নুজহাত আলীম চৌধুরী।
        ৩১ জানুয়ারী সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গাহি সাম্যের গান মুক্ত মঞ্চে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান শুরু হবে। ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগে উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানে বিভাগ থেকে তাঁদের বরণ করে নেওয়া হবে।
        চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের পাঠদান শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। আসন পূর্ণ না হওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে পাঠদান শুরু করতে পারেনি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বিশ্বের সাথে আমাদের তাল মিলিয়ে চলার সামর্থ্য অর্জন করতে হবে: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২১ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৯:৫১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বিশ্বের সাথে আমাদের তাল মিলিয়ে চলার সামর্থ্য অর্জন করতে হবে: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

          রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ আজ ২১ জানুয়ারি (শনিবার) সেচ্ছাসেবী সামাজিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন আলোকবর্তিকা'র ৪র্থ বার্ষিক উপলক্ষে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম এ কথা বলেন।

          প্রধান অতিথির বক্তব্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম বলেন, তরুণদের আদর্শ মানুষ হিসেবে তৈরি হতে হবে। আদর্শ মানুষ নির্ণয় করতে নানা মানুষের কাছে নানারকম ভ্রান্তি তৈরি হয়, তবে আদর্শ মানুষ কে হবে সেটির জন্য একটি সহজ নির্ণায়ক আছে। বাংলাদেশর যে মুক্তিযুদ্ধ সূচিত হয়েছিল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এবং তিনি আমাদের চারটি মূলনীতি নির্ধারণ করেন-- অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র, ন্যায্যতার প্রশ্নে সমাজতন্ত্র এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ। আজকের এই তরুণদের নিজেদের মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে, যে তারা যে কাজগুলো করছেন সেই কাজগুলোর কতটুকু এই চার মূলনীতি থেকে দূরে কিংবা কতটুকু জাতীয় মূলনীতির সঙ্গে সমার্থক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন।

          যদি তারা এই চার মূলনীতির ধারক হয়ে থাকেন তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত যে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা শুরু করেছেন তা বিনির্মাণ নিশ্চিত এবং সহজসাধ্য হবে। তবে এই কাজ করতে গেলে আমাদের এই চেতনাধারণের পাশাপাশি পরিবর্তমান বিশ্বের সাথে আমাদের তাল মিলিয়ে চলার সামর্থ্য অর্জন করতে হবে।

          সেকারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিবান্ধব হতে হবে, প্রযুক্তির ব্যবহার শিখতে হবে এবং সে ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকন্যা ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর যে স্মার্ট বাংলাদেশের পরিকল্পনা দিয়েছেন, সেই স্মার্ট বাংলাদেশের মূলকথা উপলব্ধি করতে হবে এবং সে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আমাদের এই তরুণদের পাঠে যুক্ত হতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশের যে চার অনুষঙ্গ -- স্মার্ট সরকার, স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সমাজ, এটি বিনির্মাণে যদি আমরা সমর্থ হই তাহলে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের এখন যে সুনাম এবং প্রসার শুরু হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে এবং অবশ্যই বাংলাদেশ যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বঙ্গবন্ধুকন্যার ২০৪১ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে স্বপ্ন তা সার্থক হবে৷

          তবে শিক্ষার্থীদের কে সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে থাকতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতি চর্চায় নিয়োজিত হতে হবে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রবীন্দ্রাদর্শের সম্মিলনে সংস্কৃতি চর্চার একটি বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে। শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনটি সময়োপযোগী একটি সঠিক কাজ হয়েছে বলে উপাচার্য মনে করেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে সংস্কৃতি চর্চা করছে আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীরাও যদি নিজেদেরকে সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখেন তাহলে তাই হবে যথার্থ দেশপ্রেমের কাজ।

          শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এইসভায় সভাপতিত্ব করেন আলোকবর্তিকা'র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সুমনা আক্তার শিমুর। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব এস এম সাইফুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিমল কুৃমার কুন্ডু, ৭১ টেলিভিশনের সাংবাদিক জনাব মাসুদ পারভেজসহ ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মীবৃন্দ।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত