শিরোনাম
পবিপ্রবি'তে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড- ২০২৩ আয়োজিত
পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৩ আয়োজিত হয়েছে। জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমির আয়োজনে এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সার্বিক সহযোগিতায় এবারের এ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড আয়োজিত হয়। এতে বরিশাল বিভাগের প্রায় দু'শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড শুরু হয়। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উক্ত আয়োজনের উদ্বোধন করেন। এসময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বলেন, মানুষের পাথরের যুগ থেকে আজ যে অট্রালিকা তা শুধু বিজ্ঞানেরই অবদান। বিজ্ঞানের কল্যাণেই আজ শিল্প, চিকিৎসা, কৃষি খাতে এত অগ্রগতি এবং সে অগ্রগতিকে পুঁজি করেই পৃথিবী আজ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমেই ২০৪১ সালের ভিশনে আমাদের পৌছাতে হবে। বাংলাদেশ সরকার আগামীর যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে তার জন্য বিজ্ঞান মনস্ক তরুন সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে, একইসাথে বিজ্ঞান চর্চার পাশাপাশি মানবিক শিক্ষার দিকেও নজর দিতে হবে।
এসময় বরিশাল বিভাগীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. এস. এম. তাওহিদুল ইসলাম বলেন, ডেটা সাইন্স, মেশিন লার্নিং অথবা রোবটিক্স আজ সব কিছুই আধুনিক বিজ্ঞানের উদ্ভাবন এবং এগুলোর সামগ্রিক বিকাশে আগামীর জন্য আজকের এ প্রজন্মকে তৈরী হতে হবে। আমাদের এ মেধা ও মননশীলতাকে কাজে লাগিয়েই আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে একসাথে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. সন্তোষ কুমার বসু, এগ্রোনমি বিভাগের প্রফেসর ড. জাহিদ হাসান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতায় ১ম হলেন শাফায়াত হোসেন
সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২২ উপলক্ষে বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় ১ম হলেন মোঃ শাফায়াত হোসেন।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২২ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর অবদান শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ।
রচনা প্রতিযোগিতায় ১ম হয়েছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ শাফায়াত হোসেন, ২য় হয়েছে আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী তানিয়া সুলতানা মিম, ৩য় হয়েছে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ নাশরাহ আলম তাফহীম।
১ম স্থান অধিকারী মোঃ শাফায়াত হোসেন দি রাইজিং ক্যাম্পাস পত্রিকার বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছে।
কুবিতে বন্ধুসভার নবীনবরণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত
কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নবনির্বাচিত প্রথম আলো বন্ধুসভার কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।সেইসাথে নবীন বন্ধুদের বরণ ও বন্ধু সম্মাননা -২০২৩ প্রদান করা হয়েছে।বুধবার (১২ জানুয়ারি) বেলা তিনটায় টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রথম আলো বন্ধুসভার সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.এ এফ এম আবদুল মঈন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. জি এম মনিরুজ্জামান, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.মোহা. হাবিবুর রহমান,গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম আনিছুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী ওমর সিদ্দিকী, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান,ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা,ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক তারিন বিনতে এনাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক জাকিয়া জাহান মুক্তা, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার গাজিউল হক সোহাগ ও বন্ধু সভার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঐশি ভৌমিক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, প্রথম আলোর যে স্লোগান তার সাথে আমরা সকলেই একমত। প্রথম আলোর বন্ধুসভা যেভাবে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটিয়ে যাচ্ছে তা নিশ্চয়ই প্রশংসার দাবি রাখে। বন্ধুসভার সকল ভালো কাজের সাথে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় এগিয়ে থাকবে। আমি নবীন সদস্যদের বলবো "ভালোর সাথে,আলোর পথে" এ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজের গুনগত মান বৃদ্ধি করে সকলের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার।' এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে সকলকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি কুবি বন্ধুসভার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন গণিত বিভাগের ২০১৮- ১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা শান্তা এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী হাসান তানিম।
বাকৃবিতে অফিসার পরিষদের বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অফিসার পরিষদের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। অফিসারদের বেতনের কিছু অংশ চাঁদা হিসেবে কর্তন, গঠনতন্ত্র অনুসারে ন্যূনতম সংখ্যক সাধারণ সভা না করা, যেকোনো সিদ্ধান্তে সাধারণ সদস্যদের মতামত না নেওয়া এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরেও কমিটি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন অফিসার পরিষদের একাংশ। এসময় তাদের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ আরীফ জাহাঙ্গীর।
লিখিত বক্তব্যে তাঁরা জানান, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ এক বছর এবং বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের এক মাস পূর্বে নির্বাচন কমিশন গঠন করার কথা। সে অনুযায়ী বর্তমান কমিটির মেয়াদ ১২ ডিসেম্বর উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচন কমিশন গঠন করেনি তারা। বছর শেষ হওয়ার পূর্বেই কার্যনির্বাহী কমিটির রিপোর্ট ও হিসাব নিরক্ষণ রিপোর্টের উপর আলোচনার জন্য সাধারণ সভা আয়োজন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করেনি বর্তমান কার্যকরী পরিষদ।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, অফিসার সন্ধ্যায় অংশগ্রহনের জন্য সাধারণ সভায় সদস্য প্রতি আটশত টাকা, যুগল ১৬শত টাকা ও সন্তান প্রতি ছয়শত টাকা চাঁদা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু কার্য-বিবরণীতে চাঁদার পরিমাণ বাড়িয়ে সদস্য প্রতি নয়শত টাকা, যুগল ১৮শত টাকা ও সন্তান প্রতি ছয়শত পঞ্চাশ টাকা চাঁদা এবং অতিরিক্ত কুপন নয়শত টাকা নির্ধারণ করে বর্তমান কমিটি। আলোচনা ছাড়াই অতিরিক্ত চাঁদা নির্ধারণের জন্য অফিসার সন্ধ্যায় অংশগ্রহন করবেন না তাঁরা। নিজেদের বেতন থেকে চাঁদা না কাটার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেন অফিসারস পরিষদের ৮২ জন সদস্য। কিন্তু এর পরেও তাদের বেতন থেকে চাঁদা কর্তন করা হয়। এছাড়াও যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অফিসার পরিষদের সকল সাধারণ সদস্যের মতামত না নিয়ে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি নিজেদের গুটিকয়েকজনের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে অফিসার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আবুল বাসার আমজাদ বলেন, যে পক্ষটি সাংবাদিক সম্মেলন করেছে তারা সংখ্যায় কম। বর্তমান কমিটির ভালো কাজগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁরা এ অভিযোগগুলো করেছে। সাধারণ সভায় বেশিরভাগ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে লিখিতভাবে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তাঁদের কোনো অভিযোগ থাকলে তাঁরা লিখিতভাবে কোনো বিষয় আমাদের জানায়নি। উল্টো অফিসার সন্ধ্যার চাঁদার বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য তাঁরা রেজিস্ট্রার বরাবর একটি অভিযোগপত্র দেন। এমনকি অফিসার সন্ধ্যা অনুষ্ঠানটি যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হতে পারে এটা তাঁদের চক্রান্ত।
চাঁদা কর্তনে বিষয়ে তিনি আরও বলেন, পূর্বের কমিটিগুলোতেও একইভাবে সাধারণ সভার সিদ্ধান্তক্রমে বেতন থেকে চাঁদা কর্তন করা হতো।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের এডিশনাল লাইব্রেরিয়ান কৃষিবিদ মো. আব্দুল বাতেন, সংস্থাপনা শাখার ডেপুটি রেজিট্রার কৃষিবিদ মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (আলমগীর), উপ-প্রধান বাগান তত্ত্বাবধায়ক কৃষিবিদ মুহাম্মদ সাইফুল হকসহ প্রায় ৩০জনের মতো অফিসার উপস্থিত ছিলেন।
কুবিতে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
নাবিদ, কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বঙ্গবন্ধু পরিষদ ওমর-জাহিদ নেতৃত্বাধীন অংশের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নম্বার কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি কাজী ওমর সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু জাফর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান লাল্টু, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উদযাপন কমিটির কমিটির আহ্বায়ক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার।
আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ড. শাম্মী আহমেদ বলেন, ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ বিজয় লাভ করে। এরপর রিজার্ভ শূন্যে থাকা একটি দেশের মাটি ও মানুষকে নিয়ে তিনি দেশ গড়ার কাজে হাত দেন এবং একেবারে অল্পসময়েই তিনি বাংলাদেশকে একটি স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হন। রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর দরজা সবসময়ই সবার জন্য খোলা ছিলো। নেতা কিংবা কর্মী বলে তিনি কখনো ভেদাভেদ দেখান নাই। তিনি তার কর্মীদের কলও ধরতেন সবসময়। যার ফলে তিনি সবাইকেই চিনতেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে যে কার্যক্রম গুলো হাতে নিয়েছেন তার সবগুলোর সূচনাই সেসময় বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বঙ্গবন্ধুকেই স্বাধীনতা বিরোধীরা ৭৫ সালে হত্যা করে। এখন সময় এসেছে এর প্রতিশোধ নেয়ার। তবে আমাদের প্রতিশোধ হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. মঈন বলেন, বঙ্গবন্ধু এমন একজন নেতা যিনি সারাজীবন বাংলাদেশের জন্য, মুক্তিকামী মানুষের জন্য, স্বাধীনতার জন্য কাজ করে গেছেন। অনেক ত্যাগ ও তিতীক্ষার মাধ্যমে আমাদেরকে এই দেশ উপহার দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু যেদিন দেশে ফিরে এসেছিলেন সেদিন রাস্তায়, বিমানবন্দরে মানুষ তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন যা তার একটা ঐশ্বরীয় গুন।
উপাচার্য আরও বলেন, মহানুভবতা ও ক্ষমাশীলতা ছিল বঙ্গবন্ধুর দুইটি বড় গুন। বঙ্গবন্ধুর আরেকটি বড় গুন হলো তিনি কখনো থেমে থাকেননি। তার মতো এমন ত্যাগী মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ বর্তমানে দেখা যায়না। যার ফলে তিনি একসময় হয়ে উঠেছিলেন সারা পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের নেতা।
এসময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগের শিক্ষক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাংশের নেতৃবৃন্দ, শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য