ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে ডিআইইউকে তিন মাসের আল্টিমেটাম ইউজিসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৩:১
নিজস্ব প্রতিবেদক
স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে ডিআইইউকে তিন মাসের আল্টিমেটাম ইউজিসির

ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ এক যুগ পার করা দেশের ২২ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার সময়সীমা বেধে দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ইউজিসি।

যার ভিতর এখন পর্যন্ত ৭ টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর হয়েছে এবং বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরো কিছুদিনের সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।

স্থায়ী ক্যাম্পাস ইস্যুতে ইতোমধ্যে ৪ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে ইউজিসি।

নির্ধারিত সময় পার হলেও সকল একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর না করায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো তিন মাস সময় বেধে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। নির্ধারিত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে সকল কার্যক্রম স্থানান্তর করা না হলে নতুন করে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন৷

স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরে নতুন করে ৩ মাসের সময় দেওয়া হয়েছে বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে - রয়েল ইউনিভার্সিটি, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের এ সময়ের মধ্যে একাডেমিক এবং প্রশাসনিক সব কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইউজিসি।

এ বিষয়ে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের ১২ বছরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর হতে হবে। আইন অমান্য করা এমন ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। এ সময়ের মধ্যে তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন করে সব কার্যক্রম সেখানে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু অনেকেই তা এখনো করেনি। এদের মধ্যে যাদের অগ্রগতি একবারেই নেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে ইউজিসি। আর যাদের অগ্রগতি দৃশ্যমান তাদের নতুন করে সময় দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড.সাইফুল ইসলাম কে ফোন করা হলে তিনি ফোন পাওয়ার পর প্রশ্ন শুনে কল কেটে দেন এবং পরবর্তীতে আবার কল দিলে কল কেটে দেন।

এ বিষয়টি জানতে চাইলে উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. গনেশ চন্দ্র সাহাকে কল করা হলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান৷

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ডিআইইউতে বন্ধুসভার সভাপতি আব্দুল মুনিয়ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১২:১৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ডিআইইউতে বন্ধুসভার সভাপতি আব্দুল মুনিয়ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন

    ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বন্ধুসভার নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে৷ এতে সভাপতি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল মুনিয়ম সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন গাজী।

    সম্প্রতি ডিআইইউ বন্ধুসভার ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।

    কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহসভাপতি মোঃ ফুয়াদ রায়হান, সহসভাপতি তাহমিনা আক্তার মনিরা,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়রা আনজুম শামসী,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান টিটো,সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিম খান,সহসাংগঠনিক সম্পাদক সাজিদুর রহমান,অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রিয়াদ,দপ্তর সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম,প্রচার সম্পাদক প্রলয় নিবারণ সরকার,পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক আসফি ইসলাম হেনা,সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল জম জম ইমাম,জেন্ডার সমতা বিষয়ক সম্পাদক আয়েশা সুলতানা স্মৃতি,প্রশিক্ষণ সম্পাদক সামিউল বিন আরহাম,দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাওছার,স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক আরাফাত মুস্তাকিম শুভ,পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমের ইয়ামিন, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ ইমাম মেহেদী হাসান,তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ জুবায়ের আহমেদ,ম্যাগাজিন সম্পাদক এ. আসাদ, বইমেলা সম্পাদক আব্দুল মোতালেব ফয়সাল,কার্যনির্বাহী সদস্য বিভা আক্তার,কার্যনির্বাহী সদস্য পলি আক্তার রিয়া,কার্যনির্বাহী সদস্য মাহমুদুল হাছান।

    এ বিষয়ে নব নিযুক্ত সভাপতি আব্দুল মুনিয়ম সরকার বলেন, অনেক দিন যাবত বন্ধুসভায় কাজ করছি, সামনে ডিআইইউ বন্ধুসভাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

    নব নিযুক্ত সাধারন সম্পাদক বলেন, আমি গত কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলাম, এ কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আনন্দিত। ডিআইইউ বন্ধুসভাকে সেরা ১০ বন্ধুসভার মাঝে নিয়ে যেতে চাই।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      এগ্রোমেটেওরোলজির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার -বাকৃবি উপাচার্য

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১১:৫৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      এগ্রোমেটেওরোলজির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার -বাকৃবি উপাচার্য

      আমান উল্লাহ, বাকৃবি প্রতিনিধি: প্রতি বছর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবেলা করে কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে এগ্রোমেটেওরোলজির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এগ্রোমেটেওরোলজির মাধ্যমে কৃষকেরা আবহাওয়ার পূর্বাভাসকে কাজে লাগাতে সমর্থ হবেন। এতে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাব।

      আজ সোমবার কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এগ্রোমেটেওরোলজি বিভাগের পাঠ্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের এগ্রোমেটেওরোলজি বিভাগের আয়োজনে কৃষি অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

      জানা যায়, প্রকল্পটির বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় বাকৃবিতে কৃষি অনুষদের অধীনে এগ্রোমেটেওরোলজি নামে নতুন বিভাগ চালু হতে যাচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে কোর্স চালুর মাধ্যমে ওই বিভাগের কার্যক্রম শুরু হবে। দিনব্যাপী কর্মশালায় এগ্রোমেটেওরোলজি বিভাগের কোসের্র পাঠ্যসূচি প্রণয়নের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয়।

      এগ্রোমেটেওরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এ বি এম আরিফ হাসান খান রবিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম জাকির হোসেন, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হক, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন এবং কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. শাহ কামাল খান। এছাড়াও কর্মশালায় বিভিন্ন অনুষদের প্রায় শতাধিক শিক্ষক ও গবেষক উপস্থিত ছিলেন।

      কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম জাকির হোসেন বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়া শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ জরুরি। তাহলে কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। সমন্বিত কৃষি পরামর্শক পদ্ধতির মাধ্যমে কৃষকদের আবহাওয়ার তথ্য দিতে হবে। এতে শতকরা ৫ শতাংশ কৃষকও যদি সম্পৃক্ত হয় তাহলে প্রায় ০.২৮ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

      কর্মশালায় প্রকল্প পরিচালক ড. শাহ কামাল খান বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় এগ্রোমেটেওরোলজি বিভাগ দক্ষ জনবল তৈরীতে কাজ করবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কাজ করবে। এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় পরিবেশ সাংবাদিকতার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে বলে জানান তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঢাবির কারুশিল্প বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু, চলবে ৬ দিন

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৮:৫৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ঢাবির কারুশিল্প বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু, চলবে ৬ দিন

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কারুশিল্প বিভাগের উদ্যোগে ৬-দিনব্যাপী ‘বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী’ আজ ০২ জানুয়ারি ২০২৩ সোমবার চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারীতে শুরু হয়েছে।

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

        কারুশিল্প বিভাগের চেয়ারপার্সন ফারহানা ফেরদৌসী-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন এবং প্রদর্শনীর আহ্বায়ক মো. ফারুক আহাম্মদ মোল্লা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ।

        প্রদর্শনীতে শেষ্ঠ শিল্পকর্মের জন্য নির্বাচিত ১২টি শিল্পকর্মের শিল্পীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

        এবারের কারুশিল্প বিভাগের এই বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে ৬৫ জন শিক্ষার্থীর ১৪৫টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনী আগামী ০৭ জানুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান পেল কুবির ৫৯ শিক্ষক

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৮:৫৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান পেল কুবির ৫৯ শিক্ষক

          হেদায়েতুল ইসলাম, কুবি প্রতিনিধিঃ বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন বিভাগের ৫৯ জন শিক্ষক।

          সোমবার (২ জানুয়ারি) বিশ্বসেরা গবেষকদের নিয়ে অ্যালপার ডগার (এডি) সায়েন্টিফিক ইনডেক্স-২০২৩ প্রকাশ পেয়েছে। এডি'র নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই তালিকায় এসব গবেষকের নাম রয়েছে। তালিকায় কুবি গবেষকদের মধ্যে প্রথম এবং বাংলাদেশের মধ্যে ১৪৯১তম স্থানে আছেন একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বেলাল উদ্দিন।

          সেরা গবেষকদের নিয়ে প্রকাশিত এ তালিকায় বিশ্বের ২১৬টি দেশের ১৯৫২৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৩২৮৩০ গবেষক রয়েছেন। বিভিন্ন মানদণ্ড ও একাডেমিক অধ্যয়ন বিশ্লেষণ করে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

          তালিকায় স্থান পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ জন শিক্ষক হলেন, আইসিটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. তোফায়েল হোসেন মজুমদার, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ গোলাম মর্তুজা তালুকদার।

          এছাড়াও তালিকায় আছেন মো. মিজানুর রহমান, পার্থ চক্রবর্তী, জি এম আজমল আলী কাউছার, মাহমুদুল হাসান, মো. খলিলুর রহমান, মো. কামাল হোসাইন, মো. সোলাইমান, এম জাকির ছাদউল্লাহ খান, ফয়েজ আহমেদ, মো. আব্দুল মাজেদ পাটোয়ারী, সাইফুর রহমান, নয়ন বনিক, মো. ওয়ালী উল্লাহ, মো. জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, এম আমিনুল ইসলাম আকন্দ, মো. মশিউর রহমান, মো. হাসান হাফিজুর রহমান, তারেক হোসাইন, মো. তোফায়েল আহমেদ, শহিদুল ইসলাম, হুমায়ুন কায়সার, কাজী ওমর সিদ্দিকী, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ, নবিনখোর কন্দু, মাকছুদুর রহমান, মো. মমিনুর রহমান, আমান মাহবুব রিংকু।

          তালিকায় আরও আছেন মাহমুদা খাতুন, এন এম রবিউল আউয়াল চৌধুরী, মো. সাইফুর রহমান, মো. আব্দুল হাকিম, মো. রাকিব হাসান, বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেব, জাহাঙ্গীর আলম, সংগীতা বশাক, অদিতি সরকার, মোহাম্মদ রেজাউল করিম, আফরিনা আক্তার মিশু, বুরহান উদ্দিন, মো. শাহেদুর রহমান, মো. কামাল হোসাইন চৌধুরী, মো. ফরহাদ হোসাইন, মো. মাইনুল হাসান, মিলন, কৃঞ্চ কুমার সাহা, চৌধুরী শাহরিয়ার মোজাম্মেল, সজিব রহমান, নাহিদা আফরোজ, মোহাম্মদ মাহবুব রহমান মানিক, আব্দুল আহাদ, মো. নাজমুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, খানিজ মাতেমা ও রেজওয়ান আহমেদ মেহেদি।

          এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, তালিকায় স্থান পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। একইসাথে একজন গবেষক হিসেবে এটি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা যোগায়। আমি মনে করি সামনের দিকে যারা নিজদের প্রমাণ করতে চায় তাদের জন্যও এটি অনুপ্রেরণা যোগাবে।

          এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, এটি খুবই প্রশংসনীয়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান এখন ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউজিসিও আমাদের গবেষণার বরাদ্দ বাড়িয়েছে। ফলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চের কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটিও বেড়েছে।

          বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি অত্যন্ত সুখকর বিষয়। আমরা আমাদের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পরিবেশ তৈরী হয়েছে। যেটি ইতোপূর্বে ছিলনা। আমি বিশ্বাস করি শিক্ষকদের মধ্যে এ প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে। গবেষণা মুখী পরিবেশ তৈরীতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত