শিরোনাম
মানুষমাত্রই মানবাধিকার ভোগ করবে এবং চর্চা করবে- জাহিদ হোসাইন
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ মানব পরিবারের সকল সদস্যের জন্য সার্বজনীন, সহজাত, অহস্তান্তরযোগ্য এবং অলঙ্ঘনীয় অধিকারই হলো মানবাধিকার। মানবাধিকার প্রতিটি মানুষের এক ধরনের অধিকার যেটা তার জন্মগত ও অবিচ্ছেদ্য। মানুষমাত্রই মানবাধিকার ভোগ করবে এবং চর্চা করবে। তবে এ চর্চা অন্যের ক্ষতিসাধন ও প্রশান্তি বিনষ্টের কারণ হতে পারবে না।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ইউনাইটেড ন্যাশনস বাংলাদেশের সমন্বয়ক মো. জাহিদ হোসাইন। রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ইউনাইটেড ন্যাশনস বাংলাদেশ এবং বাকৃবি যৌথভাবে এবার অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল ১০টায় একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যালিপ্যাড থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষের সামনে এসে শেষ হয়।
মো. জাহিদ হোসাইন বলেন, মানবাধিকার বলতে সবাই বুঝে যে এটি আইনের ছাত্রদের বিষয়। আমাদের এই ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মানবাধিকার সম্পর্কে সবার ধারণা থাকা উচিত। তাহলে আমরা সবার অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো। কেউ বঞ্চিত হবে না। কারণ আমরা যদি জানি যে কোনটা আমার অধিকার, তাহলে আমরা সেটি ভোগ করতে পারবো এবং অন্যের অধিকার যাতে নষ্ট না হয় সেটিও মেনে চলতে পারবো। আমরা যদি মানবাধিকার নিয়ে কাজ না করি তাহলে আবার আমরা অন্ধকারে চলে যাবো। সভ্যতাকে বিকাশিত করতে আমাদের মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা অত্যন্ত জরুরী।
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এছাড়াও, 'সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সার্বজনীন মানব অধিকার ঘোষণা ছিল ২য় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, আমি কখনোই ছাত্রদের টিউশন ফি বাড়ানোর পক্ষে নয়। আমার ছাত্ররা কৃষকদের নিয়ে কাজ করে, তারা টাকা কোথায় পাবে? আমরা কম খরচে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করি। তাহলে গরীব মেধাবীরা এখানে পড়াশোনার সুযোগ পাবে। তারাই পরে কৃষকদের জন্যে কাজ করবে। এছাড়া কৃষকের অধিকার নিয়ে আমার ছাত্ররা কথা বলবে।
বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ন্যাশনস বাংলাদেশের সমন্বয়ক মো. জাহিদ হোসাইন এবং বাকৃবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মুহির উদ্দীন। এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক আরবি ভাষা দিবসে ইবিতে বর্নাঢ্য র্যালি
ইবি প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক আরবি ভাষা দিবস-২০২২ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আরবি ভাষা সাহিত্য বিভাগের আয়োজনে বর্নাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় অনুষদ ভবনের সামনে থেকে র্যালি শুরু করে বিভাগটি।
র্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে মিলিত হয়। র্যালি পরবর্তী অনুষদ ভবনে বিভাগটির শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিভাগটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মোত্তালিবের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগটির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান, প্রফেসর ড. মোস্তাক এম এ এম মনোয়ার আলী। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ, প্রফেসর ড. আব্দুল মালেক, প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেন, প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর ড. আবু সাইদ মোহাম্মদ আলী, প্রফেসর ড. ওয়াবাইদুল ইসলাম, এছাড়াও প্রফেসর ড. এ কে এম মফিজুল ইসলাম, প্রফেসর ড. এ কে এম শামসুল হক সিদ্দিকী, প্রফেসর ড. কামরুল হাসান, প্রফেসর ড. কাউসার বাকি বিল্লাহ ও প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম। এছাড়া বিভাগটির দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন বিভাগটির প্রফেসর ড. নুর মোহাম্মদ।
বিভাগটির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, আরবী ভাষা কোন সাধারণ ভাষা নয়। এটা মহান আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসুলের ভাষা। এই ভাষা প্রতিটি মুসলমানের জানা উচিত। এছাড়া বর্তমানে এই ভাষা সারা বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় একটি ভাষা। মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি দেশে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
জাবির ইতিহাস বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত
জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইতিহাস বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সুবর্ণজয়ন্তী ও তৃতীয় পুনর্মিলনী উৎসবের মাসব্যাপী আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সড়ে ৯টায় র্যালির মাধ্যমে সমাপনী দিনের দিনব্যাপী আয়োজন শুরু হয় এবং রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয়।
‘অতীতের আলোতেই এই বর্তমান, পঞ্চাশে ইতিহাস হোক অম্লান’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে র্যালি, সাবেক শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও গুণীজন সম্মাননা প্রদান, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র পরিচালিত ফ্রি চক্ষু শিবির ও র্যাফেল ড্র আয়োজন করা হয়।
পরবর্তীতে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট আয়োজিত হয়। এতে গান পরিবেশন করেন বিখ্যাত ব্যান্ড দল ‘আর্টসেল’।
সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা দেশ-বিদেশে অবস্থানরত ইতিহাস বিভাগের সাবেকদের থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। এভাবেই আমাদের বন্ধন আরো সুদৃঢ় থাকবে। ইতিহাস বিভাগের জয়জয়কার ছড়িয়ে পড়বে সারা বিশ্বে।
ঢাবিতে “কোড সামুরাই- আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যাকাথন” বসছে ২০ ডিসেম্বর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘কোড সামুরাই- আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যাকাথন ২০২২’। আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এ প্রতিযোগিতায় দেশের ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়রনত সিএসই শিক্ষার্থীদের ৫০টি দল অংশ নেবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগ এবং বাংলাদেশ জাপান ইনফরমেশন টেকনোলজি (বিজেআইটি) যৌথভাবে এ হ্যাকাথনের আয়োজন করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ ও জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে এবারের হ্যাকাথন আয়োজন করা হচ্ছে।
আজ (শনিবার) ঢাবির সিএসই বিভাগ মিলনায়তনে হ্যাকাথন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কোড-সামুরাই হ্যাকাথন ২০২২-এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. উপমা কবির।
তিনি বলেন, হ্যাকাথন এক ধরনের প্রবলেম বেজড প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। হ্যাকাথনে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের বৈশ্বিক কিংবা স্থানীয় সমস্যার সফটওয়্যারভিত্তিক সমাধান বের করার সুযোগ পায়। আধুনিক প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশ ও মানুষের জীবনধারার উন্নতিতে দারুণভাবে ভূমিকা রাখছে হ্যাকাথন। ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) ও রোবোটিক্স—এগুলো এখন প্রযুক্তিনির্ভর সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তিনি আরও বলেন, কোড সামুরাই হ্যাকাথনের লক্ষ্য হলো, শিক্ষার্থীদের আসন্ন বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করা, যাতে তারা সমাজ ও অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। এ আয়োজন তাদের ভবিষ্যত ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
প্রতিযোগিতায় সেরা পারফরম্যান্সকারী দলগুলোর জন্য ১০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পুরস্কার জিতে নেওয়ার আকর্ষণীয় সুযোগ রয়েছে। অংশগ্রহণকারী বাকিদের জন্যও থাকছে বিশেষ স্বীকৃতি। পাশাপাশি জাপানে ইন্টার্নশিপ এবং মর্যাদাপূর্ণ আইটি ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবেন যোগ্য প্রতিযোগীরা।২০ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে হ্যাকাথনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।
উদ্বোধনের পর দুপুর ১২টায় সিএসই বিভাগের ল্যাবে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। টানা ২৪ ঘণ্টার এ হ্যাকাথন পরের দিন অর্থাৎ বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে।
প্রতিযোগিতা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, গবেষক, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারক প্যানেল প্রতিযোগীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও বিচার করবেন। বুধবার বিকাল ৪টায় টিএসসি মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদলের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
বাকৃবিতে হাসিমুখের শীতবস্ত্র বিতরণ
বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসির মিনি কনফারেন্স কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাসিমুখ।
জানা যায়, এ বছর ১৭০ জন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাসিমুখ। অনুষ্ঠানে বাকৃবি ক্যাম্পাসের তিন গ্রামের কেওয়াটখালী, বয়রা (নিঝুম দ্বীপ), সমাধানের মোড়ের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
হাসিমুখের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা সভাপতিত্বে এবং হাসিমুখের মো মোবারক হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো সাইফুল ইসলাম, প্রভোষ্ট পরিষদের আহŸায়ক অধ্যাপক ড. মো. নূরুল হায়দার রাসেল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন, হাওর ও চর উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস, লেকচারার মো. ইফতেখার জাহান ভূঞা, হাসিমুখের সাধরণ সম্পাদক মো রবিউল ইসলাম সহ হাসিমুখের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসিমুখের শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ এ অবস্থা থাকুক তা আমরা চাই না। জনগন নিজেরাই সক্ষমতা অর্জন করবে। বাংলাদেশ আরও উন্নত হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য