শিরোনাম
বিজয় দিবসে কুবিতে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও প্ল্যানচেট বিতর্ক
হেদায়েতুল ইসলাম নাবিদ, কুবি প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও প্ল্যানচেট বিতর্কের আয়োজন করা হয়েছে। ১৬ই ডিসেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এই আয়োজন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান, ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা পরিচালক ড. মোহা. হাবিবুর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এন এম রবিউল আউয়াল চৌধুরী সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।
শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এরপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশাত্ত্ববোধক গান, নাচ অভিনয় ও ডিবেটিং সোসাইটির পক্ষ থেকে প্ল্যানচেট বিতর্কের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও পারফরমেন্স করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে দশটায় উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে এবং বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের পাদদেশে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও একটি বিজয় র্যালির আয়োজন করেন।
কুবিতে বিজয় দিবস উপলক্ষে ৪০০ রোগীকে মেডিকেল স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
হেদায়েতুল ইসলাম নাবিদ, কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের আয়োজনে ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বিজয় দিবস উপলক্ষে ফ্রী মেডিকেল স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন করা হয়েছে। এতে মোট চারশো জন রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়।
শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে এ সেবা দেয়া হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আটজন ডাক্তার বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দুস্থ এলাকাবাসীদের সেবা প্রদান করেন।
ফ্রী মেডিকেল সেবা কার্যক্রমটি সকাল দশটায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন ও বিশেষ অতিথি প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান উদ্বোধন করেন। যা বিকাল ৫ টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
এ বিষয়ে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, কমিউনিটি এংগেজমেন্ট এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা ফ্রী মেডিক্যাল স্বাস্থ্যসেবার আয়োজনটা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন যাদের পক্ষে ঢাকায় যেয়ে সেবা নেয়া সম্ভব না। এই মানুষগুলো যেন একটু উপক্রিত হতে পারে সেটাই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।
এছাড়াও বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে কুবি ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে এবং বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের পাদদেশে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও একটি বিজয় র্যালির আয়োজন করেন।
র্যালি শেষে ভিসি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন দুস্থ মানুষের নেতা। তাই আমরা তার আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান রেখে এবারই প্রথমবারের মতো ফ্রী মেডিক্যাল স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন করেছি।
৫১ তম বিজয় দিবস উপলক্ষে তিনি বলেন, যাদের নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমরা সবসময় সচেষ্ট। এদেশে আর যেন কোনো স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে ব্যাপারে সবাই সচেষ্ট থাকবেন।
বিজয় দিবসে ইবি শেখ রাসেল হলে বিতর্ক প্রতিযোগিতা
ইবি সংবাদদাতা: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শেখ রাসেল হল ডিবেটিং সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত আন্তঃফ্লোর বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় শেখ রাসেল হলের সামনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ রাসেল হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আলী আরমান রকির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শার্মা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবাসিক হলের শিক্ষকবৃন্দ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইবি ডিবেটিং সোসাইটির আহ্বায়ক রুমি নোমান ও ইবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু হুরাইরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন নাহিদ হাসান।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ' বিজয়ের ৫২ বছরে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে' বিষয়ের উপর সরকারি দলের বিতার্কিক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়ক নুর মুহাম্মদ শেখ ফ্লোরের এম এম তানভীর আল যুবাইর তামিম (প্রধানমন্ত্রী), আহসান হাবিব রানা (মন্ত্রী) ও মাজিদুল ইসলাম উজ্জল (সাংসদ)। বিরোধী দলের বিতার্কিক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ফ্লোরের সোহরাব হোসেন (বিরোধী দলীয় নেতা), মো. রাজু আহম্মেদ (উপনেতা) ও আব্দুল্লাহ মাহমুদ (সাংসদ)। এছাড়া প্রতিযোগিতায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ফ্লোর অংশগ্রহণ করেছিলেন।
তিন ফ্লোরের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সরকারি দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয় বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়ক নুর মুহাম্মদ শেখ ফ্লোর এবং সেরা বিতার্কিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. রাজু আহম্মেদ। প্রতিযোগিতায় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন মাসুম সরকার এবং সময় নিয়ন্ত্রক ছিলেন রবিউল ইসলাম রবি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শার্মা বলেন, বিতর্কের মাধ্যমে আমার হলের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বের দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আশাবাদী শুধু ডিবেট নয় খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও পড়াশোনাসহ সকল ক্ষেত্রেই আমার হলের শিক্ষার্থী এগিয়ে যাবে এবং হলের সুনাম বইয়ে আনবে।
চবিতে '৭১ এর আয়নায় বর্তমান বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সাইফুল মিয়া, চবিঃ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে '৭১ এর আয়নায় বর্তমান বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুরাদ হোসেন এর সঞ্চালনায় এবং সভাপতি আকিজ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা ও ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সভাপতি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, লেখক ও আলোচক ড. শেখ সাদী।
মোঃ সাখাওয়াত হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, বাঙালি জাতি বিশ্বের অন্যান্য জাতি থেকে আলাদা, কেননা তাদের পূর্বপুরুষেরা গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষত্ব দিয়েছে। বিজয়ের এই ৫২ বছরে স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনা করতে না পারা জাতি হিসেবে আমাদের বড় ব্যর্থতা।
তিনি আরও বলেন, তবে এসময়ে অর্জনও আমাদের কম নয়। গৃহহীনদের জমি ও বাড়ির ব্যবস্থা করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শুধু এশিয়া মহাদেশ নয় বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।
ড. মোঃ শেখ সাদী তার বক্তব্যে বলেন, ৭১ এ বঙ্গবন্ধুর বুদ্ধিবৃত্তিক পরিকল্পনার জন্যই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। তিনি চাইলে ৭০ এর নির্বাচনের পর পাকিস্তানিদের সাথে হাত মিলাতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি ক্ষমতালোভী ছিলেন না। তবে, বর্তমানে আমাদের মধ্যে আত্মপরতা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্ম অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পরষ্পর বিচ্ছিন্ন। আমাদের মধ্যে চিন্তার দীনতা রয়েছে। সুতরাং, এসব সংকটের মোকাবেলা করতে হলে আমাদের আত্মমর্যাদা, সততা ও দেশপ্রেমের জায়গাটা আরও শক্তিশালী করতে হবে।
এছাড়া আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ নেজাম উদ্দিন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আজহার মাহমুদসহ চবি শাখার সকল সদস্যবৃন্দ।
মহান বিজয় দিবসে ইবি ছাত্রদলের বর্নাঢ্য র্যালি
ইবি সংবাদদাতা: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বর্নাঢ্য র্যালি করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদল। শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় থানা গেট সংলগ্ন ভিত্তি প্রস্তর থেকে র্যালিটি শুরু হয়। পরে র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া বাজারে গিয়ে শেষ হয়।
সংগঠনটির আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ ও সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন এর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ, সালাউদ্দিন রানা, উল্লাস মাহমুদ, আহবায়ক কমিটির সদস্য রাফিজ আহমেদ,নূর উদ্দীন,তরীকুল ইসলাম সৌরভ,রোকনুজ্জামান, মামুন, আবু সাঈদ রনি, তামিম, স্বাক্ষর, আশহাদুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এসময় সংগঠনটির আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ বলেন, বিজয় দিবসে আমাদের শপথ হোক বাকশাল মুক্ত বাংলাদেশ গড়া। এই অগণতান্ত্রিক, দখলদার ও লুটের সম্রাজ্য গড়া আওয়ামীলীগ সরকারের পতন ঘটাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল রাজপথে থাকতে বদ্ধপরিকর।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য