শিরোনাম
কূটনীতিকদের শিষ্টাচার বজায় রাখতে ঢাবি শিক্ষক সমিতির আহ্বান
চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
বিবৃতিতে সংগঠনের নেতারা বলেন, ‘ধ্বংসাত্মক শক্তির প্ররোচনায় কোন কোন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে যে ধরনের মন্তব্য করছেন তা দৃষ্টিকটু। আমরা বিদেশি কূটনীতিকদের শিষ্টাচার বজায় রেখে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’
শনিবার সন্ধ্যায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতি এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতি বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি রাজনৈতিক সভা সমাবেশের নামে দেশব্যাপী একটি মহলের নৈরাজ্য ও ধ্বংসাত্মক তৎপরতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং বিদ্যমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার এ ধরনের অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।’
‘নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সভা-সমাবেশসহ সকল রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার অধিকার সকলের রয়েছে তবে রাজনৈতিক সমাবেশের নামে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করি। কোভিড মহামারি ও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব যে মুহূর্তে অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেই মুহূর্তে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ফেলবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ যে আর্থ-সামাজিক সাফল্য অর্জন করেছে তা যেকোনো মূল্যে অব্যাহত রাখতে হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম ও সহনশীলতা বজায় রেখে সকল নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি সুরক্ষার আহ্বান জানাচ্ছে।’
নিটারে অষ্টম ব্যাচের র্যাগ ডে উদযাপন
নিটার প্রতিনিধি:
"কত স্মৃতি, কত ভালোবাসা, কত পুরানো প্রেম, আর না মেটানো আশা"
এভাবেই শেষ হলো ঢাকার অদূরে অবস্থিত নিটারের (ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ) ৮ম ব্যাচের তিনদিনব্যাপি র্যাগ ডে অনুষ্ঠান।এই তিনদিন অম্লান-০৮ এর স্মরণে ক্যাম্পাস হল প্রাঙ্গনে শিখা প্রজ্জলন ও বিভিন্ন বর্ণিল আয়োজনে মুখরিত হয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গন।অনুষ্ঠানের প্রথম দিন,৭ ডিসেম্বর আয়োজন করা হয় এক বিশাল আনন্দ র্যালি।র্যালিতে বাদ্যের তালে তালে মুখরিত হয় ক্যাম্পাস। দ্বিতীয় দিন আয়োজন করা হয় ফ্ল্যাশমোব, রঙ উৎসব ও ক্যাম্প ফায়ার। রঙ উৎসব নিটার যেনো সাজে এক বর্ণিল আমেজে। এ দিন সন্ধ্যার শেষ আকর্ষণ ছিলো ক্যাম্প ফায়ার। ক্যাম্প ফায়ারে উপস্থিত ছিলেন অম্লান-০৮ এর সকল শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসে বিদ্যমান অন্যান্য জুনিয়র ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এসময় সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের আবেগঘন ভালোবাসার আভায় স্মৃতিবিজরিত হয়ে উঠে নিটার ক্যাম্পাস।
অনুষ্ঠানের শেষদিন অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর আয়োজন করা হয় কালচারাল ইভেন্ট। এ দিন অম্লান-০৮ এর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সেগমেন্টে স্টেজে পারফর্ম করেন। অনুষ্ঠানের শেষ আকর্ষণ ছিলো বাংলাদেশ ব্যান্ড মিউজিকের অন্যতম পরিচিত ব্যান্ড সহজিয়া।রাত ১২ঃ৪৫ টার পর সহজিয়া স্টেজে উঠে অনুষ্ঠানের আনন্দমাত্রাকে নিয়ে যায় আরো এক ধাপ উপরে,মেতে উঠে পুরো ক্যাম্পাস।
রাত ৪ টায় অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এআইইউবিতে ডিসকভার ইংলিশ ২০২২ শীর্ষক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) এবং টিসল সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় ডিসকভার ইংলিশ ২০২২ “স্টুডেন্টস কনফারেন্স অন ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিটারেচার” শীর্ষক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিগত ৮ ডিসেম্বর এআইইউবি ক্যাম্পাসে কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারাদেশের ২৪টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের বিএ, এমএ এবং এমফিল শিক্ষার্থীদের মোট ১২৬টি গবেষণামূলক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তু ছিল “এ কনফারেন্স বাই দ্যা স্টুডেন্টস অ্যান্ড ফর দ্যা স্টুডেন্টস”।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন এআইইউবি’র ইংরেজি বিভাগীয় প্রধান সিনিয়র সহকারী প্রফেসর এম হামিদুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি’র ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজ (বিআইএল) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র পরিচালক লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ, এআইইউবি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আবদুর রহমান এবং কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব ইশতিয়াক আবেদীন এবং ভাইস চ্যান্সেলর ড. কারমেন জিটা লামাগনা।
অনুষ্ঠানে কৃতজ্ঞতা-জ্ঞাপন সূচক বক্তব্য দেন কনফারেন্সের আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট এর ইংরেজি ভাষা বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী আকিকুর রহমান।
কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে ৪টি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের ৮টি গবেষণাপত্রকে নির্বাচিত এবং পুরস্কৃত করা হয়।
ঢাবিতে রোকেয়া মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক ও বৃত্তি প্রদান
যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল ৯ ডিসেম্বর ২০২২ শুক্রবার দিনব্যাপী ‘রোকেয়া দিবস-২০২২’ উদযাপিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের ৭মার্চ মিলনায়তনে ‘রোকেয়া মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন বক্তৃতা, স্বর্ণপদক ও বৃত্তি প্রদান’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন । অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশন বক্তৃতা প্রদান করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বর্ণপদক ও বৃত্তি প্রদান করেন।
২০২০ সনের জন্য অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মৌমিতা চক্রবর্তী এবং ২০২১ সনের জন্য জিন প্রকৌশল ও জীব প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী সময়িতা সরকার তুলি স্বর্ণপদক পেয়েছেন।
মেধাবৃত্তি লাভ করেছেন- শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সোনিয়া ইয়াসমিন ও জান্নাতুল ফেরদৌসী, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের মোছা. সাদিয়া আক্তার, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আফিয়া মুবাস্সিরা ইসলাম, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের মিম আরা হক অভি, লোক প্রশাসন বিভাগের শুক্তি বালা, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের মোছা. আসফাত আরা জলি এবং মৎসবিজ্ঞান বিভাগের রোকেয়া আক্তার।
সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন- ইতিহাস বিভাগের সোনিয়া আক্তার, জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের জিনিয়া হায়দার ও জয়ত্রী সরকার, পরিসংখ্যান বিভাগের ছাহেরা আক্তার ও আশরাফুন জান্নাত সুপ্তি, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সাইফুন নাহার স্মৃতি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রত্যাশা বাহার উর্মি এবং গণিত বিভাগের জয়ন্তী ঘোষ।
এছাড়া, কল্যাণ বৃত্তি পেয়েছেন- সংস্কৃত বিভাগের মোছা. সুমি খাতুন এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের মোছা. ফাতেমা তুজ জোহরা।
ঢাকা কলেজের তাশরীফ যাচ্ছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সফরে
‘বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২২’-এ দেশের সব কলেজকে পেছনে ফেলে বিজ্ঞান শাখায় সেরা স্থান অর্জন করেছেন ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী তাশরীফ আহমেদ তুহিন। সে সফলতার পুরস্কার হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সফরে জাপান যাচ্ছেন এ শিক্ষার্থী।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং জাপান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে জাপান সফরের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন তিনি।
জাপানে টোকিও মেট্রোপলিটন তাচিকাওয়া হাইস্কুলে মালয়েশিয়া, মঙ্গোলিয়া, পাপুয়া নিউগিনি ও তাইওয়ানের শিক্ষার্থীদের সাথে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ নেবেন তাশরীফ। একই সাথে পদার্থবিদ্যায় নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক কাজিতা তাকাকির অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব ও ফটো সেশনেরও সুযোগ পাবেন তিনি।
তাশরীফ ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি বিজ্ঞান বিভাগের (২০২১-২২) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি থাকেন কলেজের উত্তর ছাত্রাবাসে। নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার উমার ইউনিয়নের ছেলে তিনি।
তাশরীফ প্রথমবারের মতো গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেই করেছেন বাজিমাত। উচ্চমাধ্যমিকে ঢাকা কলেজে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম বর্ষেই দেশের সব জেলা, উপজেলা, মহানগরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।
তার এমন অর্জনে গর্বিত কলেজ প্রশাসন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য