ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

রুসার্কের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি নাহিদুল, সম্পাদক নিশাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ নভেম্বর, ২০২২ ২২:৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
রুসার্কের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি নাহিদুল, সম্পাদক নিশাত

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী ইউভার্সিটি স্টুডেন্টস' অ্যাসোসিয়েশন অব রাজশাহী কলেজ (রুসার্ক) এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন ফিন্যান্স বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র নাহিদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী মুমতাহিনা সিদ্দিকা নিশাত।

শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর পাশে শহীদ হবিবুর রহমান মাঠ সংলগ্ন এলাকায় রুসার্কের বার্ষিক বনভোজন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে সেখানে কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী নুর ইসলাম ও ভূমি ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাবিহা সুলতানা।

এছাড়াও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রাইসুল ইসলাম জুবায়ের এবং ইবনে সিনা রুদ্র। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ইশতিয়াক আহমেদ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জিনান হোসাইন, প্রচার সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রাতুল আদনান, গবেষনা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তৌফিক হাসান, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা বিনতে রহমত, ক্রীড়া সম্পাদক ইনতিসার আহমেদ তিষার, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রাজিবুল ইসলাম, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজমাইন তাসিক এবং হসপিটালিটি সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ।

কমিটি ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সাবেক সভাপতি সদস্য মোঃ মোশাররফ হোসেন, বিদায়ী কমিটির সভাপতি মো. সুলতান মাহমুদ, সহসভাপতিদ্বয় ইশরাত জাহান সৃষ্টি এবং নুর আফসা তন্নী।

এর আগে সেখানে রুসার্কের সদস্যদের নিয়ে বনভোজন, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়জন করা হয়। পরে র‍্যাফেল ড্র এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে, বিদায়ী কমিটির সভাপতি নতুন কমিটির সদস্যদের জন্য শুভকামনা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    রাবি কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় ফের খাবারের দাম বৃদ্ধিঃ শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৮ নভেম্বর, ২০২২ ২১:৫৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাবি কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় ফের খাবারের দাম বৃদ্ধিঃ শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ

    রাবি প্রতিনিধি: নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের দাম ফের বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সেখানে সাধারণ মিলে ২টাকা ও অন্যান্য মিলে ৫টাকা বৃদ্ধি হবে বলে জানা গেছে। যা চলতি মাসের ২০ তারিখ থেকে কার্যকর হবে। মানের দিকে না তাকিয়ে এভাবে কয়েক মাস পরপর খাবারের দাম বাড়ানোতে শিক্ষার্থীরা চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দ্রব্যমূল্যের কারণে এ বছরের পহেলা জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়াসহ ১৭টি হলে প্রতিবেলায় খাবারের পূর্ব মূল্য থেকে ৪টাকা বাড়ানো হয়েছিল। মূল্য বৃদ্ধির ফলে দুপুরের খাবার ২৪টাকার পরিবর্তে ২৮টাকা এবং রাতের খাবার ১৮টাকার পরিবর্তে ২২টাকা করা হয়েছিল। সেখানে শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছিল যে খাবারের মান বৃদ্ধি করা হবে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দাম বৃদ্ধির পরেও খাবারের কোন মান বৃদ্ধি করা হয়নি। পরিমাণটা সামান্য বেশি দিলেও আগের তুলনায় মানের কোনো বৃদ্ধি হয়নি। এ যেন শুভঙ্করের ফাঁকি।

    অভিযোগের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা আরও বলছেন, খাবারের গুণগত মান ভালো না হওয়ায় ঠিকমতো খেতে পারেন না তারা। এমনকি প্রতিদিন একই ধরণের তরকারি দিয়ে চলে খাবার পরিবেশন। মাছ বা মাংসের উপস্থিতি থাকলেও তা নামমাত্র। এসব খাবারের মান উন্নত করার পরিমাণ একেবারেই নগন্য। খাবারের গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য বিভিন্নভাবে দাবি জানিয়ে আসলেও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির অজুহাত দিয়ে খাবারের মান বৃদ্ধিতে নজর দিচ্ছে না প্রশাসন।

    দাম বাড়ানো অযৌক্তিক দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বকুল ইসলাম বলেন, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। এটা কি শিক্ষার্থী বান্ধব নাকি শিক্ষার্থী স্বার্থ? যখন তখন অজুহাত দেখিয়ে খাবারের দাম বৃদ্ধি করছে। এইতো কিছুদিন আগেও মিল প্রতি ৪টাকা বৃদ্ধি করেছে। এখন আবার বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের উচিত ছিল খাবারের মান বৃদ্ধি করা। খাবারের মান এতই খারাপ যে জেলখানার কয়েদিরাও এর চাইতে ভালো খাবার পায়। আমাদের টাকায় আমাদের খাবারের ব্যবস্থা হলেও সঠিক তত্ত্বাবধানের অভাবে পুষ্টিহীন খাবার খাচ্ছি।

    রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের সুযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করবে। কিন্তু সেটা কি হচ্ছে? কিছুদিন আগেও ক্যাফেটেরিয়াসহ হলগুলোতে খাবারের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু মানের কি আদৌ পরিবর্তন হয়েছে? খাবারের মান না বাড়িয়ে ঘন ঘন দাম বাড়ানোটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং শিক্ষার্থী পরিপন্থী। অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা সকালের খাবার মাইনাস করে চলেও খাবারের দামের সাথে দৌঁড়ে পারছে না। তাই বলতে চাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ভর্তুকি দিয়ে খাবারের দাম ও মান ঠিক রাখা হোক।

    নতুন করে খাবারের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া প্রশাসক ড. এ.কে.এম আরিফুল ইসলাম বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে পূর্বের দাম অনুযায়ী আমরা দীর্ঘদিন যাবত লোকসানে আছি। বিশেষ করে সাধারণ মিলে আমাদের বেশি লোকসান হয়। দৈনন্দিন প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী সাধারণ মিল খেয়ে থাকে। এভাবে লোকসান নিয়ে চলা আমাদের জন্য কষ্টকর। দাম বাড়ানো ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই। সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করে সাধারণ মিলে ২টাকা বাড়িয়ে ৩০টাকা ও অন্যান্য মিলে পাঁচ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, নতুন করে দাম বৃদ্ধি করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোন কর্তৃপক্ষ আমাকে জানায়নি। এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। দাম বৃদ্ধি করতে চাইলে একটা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বৃদ্ধি করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন নতুন করে আবার দাম বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে বিষয়ে আমি জানবো। তারপর একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হবো।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্ষসেরা পুরষ্কার পেলেন যারা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৮ নভেম্বর, ২০২২ ১৯:৪৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্ষসেরা পুরষ্কার পেলেন যারা

      মোস্তাক মোর্শেদ ইমন, ইবি: তিন সংবাদকর্মীকে 'বর্ষসেরা পুরস্কার-২০২২' প্রদান করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) রিপোর্টার্স ইউনিটি।

      মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেরা উদীয়মান প্রতিবেদক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন ডেইলি সানের ইবি প্রতিনিধি সোহান সিদ্দিকী, বিশেষ প্রতিবেদন ক্যাটাগরিতে দৈনিক দেশের কন্ঠের তারিক সাইমুম এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য স্বদেশ প্রতিদিনের শাহীন আলম।

      শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। সাংবাদিক সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ রহমান রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক তাসনিমুল হাসান এবং কোষাধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম আদনান তিন সাংবাদকর্মীর হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দেন।

      এ সময় ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সালেহ শামীম, বর্তমান সভাপতি মুরতুজা হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

      ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সংবাদকর্মীদের জমা করা প্রতিবেদন থেকে জুরিবোর্ডের মাধ্যমে পুরস্কারের জন্য তাদের বাছাই করা হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঢাবি’র ৫৩তম সমাবর্তন আগামীকাল: সমাবর্তনের মহড়া অনুষ্ঠিত

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৮ নভেম্বর, ২০২২ ১৭:৫১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ঢাবি’র ৫৩তম সমাবর্তন আগামীকাল: সমাবর্তনের মহড়া অনুষ্ঠিত

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন আগামীকাল ১৯ নভেম্বর ২০২২ শনিবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। সমাবর্তনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর জনাব মোঃ আবদুল হামিদ। নোবেল বিজয়ী ফরাসী অর্থনীতিবিদ চৎড়ভবংংড়ৎ উৎ. ঔবধহ ঞরৎড়ষব সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তাঁকে সম্মানসূচক উড়পঃড়ৎ ড়ভ খধংি (ঐড়হড়ৎরং ঈধঁংধ) ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

        ৫৩তম সমাবর্তনের মহড়া আজ ১৮ নভেম্বর ২০২২ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সিনেট, সিন্ডেকেট ও একাডেমিক পরিষদের সদস্যগণ এবং গ্র্যাজুয়েটবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

        এই সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য ৩০ হাজার ৩শ’ ৪৮জন গ্র্যাজুয়েট ও গবেষক রেজিস্ট্রেশন করেছেন।। অনুষ্ঠানে ১৩১জন কৃতী শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে ১৫৩টি স্বর্ণপদক, ৯৭জনকে পিএইচডি, ২জনকে ডিবিএ এবং ৩৫জনকে এম ফিল ডিগ্রি প্রদান করা হবে। অধিভুক্ত সাত কলেজের রেজিস্ট্রেশনকৃত গ্র্যাজুয়েটগণ ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে সমাবর্তনে অংশ নেবেন।

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটবৃন্দ খেলার মাঠের সুইমিংপুল সংলগ্ন গেইট দিয়ে সমাবর্তনস্থলে প্রবেশ করবেন। তাদের জন্য সকাল ৯:৩০টায় গেইট খোলা হবে এবং তারা সকাল ১১টার মধ্যে অবশ্যই সমাবর্তনস্থলে আসন গ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানস্থলে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করার পর কোনক্রমেই মঞ্চের আশেপাশে ও অন্যান্য স্থানে ঘুরাফেরা করা যাবে না। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জিমনেসিয়াম সংলগ্ন গেইট দিয়ে সমাবর্তনস্থলে প্রবেশ করবেন। তাঁদের জন্য সকাল ১০টায় গেইট খোলা হবে এবং তাঁরা সকাল ১১:৩০টার মধ্যে অবশ্যই সমাবর্তনস্থলে আসন গ্রহণ করবেন। সমাবর্তনস্থলে প্রবেশের জন্য মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক।

        উল্লেখ্য, সমাবর্তন উপলক্ষ্যে আগামীকাল ১৯ নভেম্বর ২০২২ শনিবার বিশ^বিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বাকৃবিতে আন্তঃঅনুষদ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট শুরু

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৮ নভেম্বর, ২০২২ ১৬:৩৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বাকৃবিতে আন্তঃঅনুষদ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট শুরু

          আমান উল্লাহ, বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আন্তঃঅনুষদ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০২২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগ সংলগ্ন মাঠে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। এসময় জাতীয় পতাকা, বিশ^বিদ্যালয়ের পতাকা এবং অনুষদসমূহের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

          জানা যায়, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতায় বিশ^বিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদ ও একটি ইনস্টিটিউট থেকে ছাত্র ও ছাত্রীদের মোট ১৩টি দল অংশগ্রহণ করছে। দিনের শুরুতে মেয়েদের হ্যান্ডবল খেলায় বিশ^বিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ ভেটেরিনারি অনুষদকে ২-১ গোলে পরাজিত করে। পরে ছেলেদের হ্যান্ডবল খেলায় কৃষি অনুষদ কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদকে ২৩-৭ গোলের এক বিশাল ব্যাবধানে পরাজিত করে। ছেলেদের খেলায় সর্বোচ্চ ৯ গোল করেন কৃষি অনুষদের অধিনায়ক তারিক জামান জয়।

          উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. খান মো সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক ড. মো আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো নুরুল হায়দার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন। এ সময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সিনিয়র শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

          অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, সবসময়ই শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি খেলাধুলা চালিয়ে যেতে হবে। খেলাধুলার ব্যাপারে আমি সবসময় সার্বিক সহযোগিতা করব। খেলোয়াড়দের খেলাধূলার ব্যস্ততার কারণে তারা বিভিন্ন ক্লাস পরীক্ষা দিতে পারে না। তাদের ক্লাসে উপস্থিতিজনিত সমস্যা ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যাপারেও আমি সাহায্য করার চেষ্টা করব। আমি সকলকে আহবান করছি যার যে বিষয়ে প্রতিভা আছে তার বহিঃপ্রকাশ করার জন্য। আর এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় সার্বিক সহযোগিতা করবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত