ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কুবিতে সিসি ক্যামেরা বসানোর ঘন্টাখানিক পরেই গায়েব

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ নভেম্বর, ২০২২ ১১:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুবিতে সিসি ক্যামেরা বসানোর ঘন্টাখানিক পরেই গায়েব

হেদায়েতুল ইসলাম নাবিদ, কুবিঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক হলসহ বিভিন্ন স্থানে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিসি ক্যামেরা বসানোর ঘন্টাখানিক পরেই ২টি ক্যামেরা উধাও হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) কাজী নজরুল ইসলাম হলে এ ঘটনা ঘটে। তবে হল ছাত্রলীগের এক সিনিয়র নেতার পছন্দ না হওয়ায় সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক হল, ক্যাফেটেরিয়া, শহীদ মিনারসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে নজরুল ইসলাম হলের বিভিন্ন তলায় ৮টি ক্যামেরা বসানো হয়। সকালে ক্যামেরা বসানো হলেও কিছুক্ষণ পরে হলের পশ্চিম ব্লকের দ্বিতীয় তলা ও দক্ষিণ ব্লকের তৃতীয় তলা থেকে ২টি সিসি ক্যামেরা উধাও হয়ে যায়।

এদিকে সিসি ক্যামরা বসানো নিয়ে শুরু থেকে হল ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমরান হুসাইনসহ একাধিক নেতাকর্মী বিরোধীতা করে আসছে। হলের ভিতরে নিজেদের গোপনীয়তা বিঘিœত হতে পারে এমন দাবি তাদের। এবিষয়ে জানতে ছাত্রলীগ নেতা ইমরানের কাছে গেলে তিনি কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের উল্টো দোষারূপ করে এবং কেন সিড়ির পাশে (নিজের পছন্দ অনুযায়ী) হয়নি জানতে চান। তবে সংযোগ দেওয়ার পূর্বেই হল থেকে ক্যামেরা চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নজরুল হলের বিভিন্ন তলায় গতকাল ৫টি এবং আজকে সকালে ৩টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। কিন্তু ক্যামেরা বসানোর ঘন্টাখানিকের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার দুইটি সিসি ক্যামেরা উধাও হয়ে যায়। শ্রমিকদের কাছে ফুটেজ থাকলেও ওই ছাত্রলীগ নেতা সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে কিনা নাকি তারা মিথ্যা বলছে এমন সন্দেহ প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শ্রমিক বলেন, বিভিন্ন ফ্লোরে আমরা সিসি ক্যামেরা বসিয়েছি। সিসি ক্যামেরা লাগাতে লেগে হলের শিক্ষার্থীরা সিসি ক্যামেরা না লাগানোর জন্য বার বার নিষেধ করে। কাজ করার এক পর্যায়ে আমি বাহিরে গেলে এসে দেখি ২টি ক্যামেরা নাই। বিষয়টি নিয়ে আমি ছাত্রদের কাছে জানতে চাইলে ইমরান ও হলের সেকশন অফিসার নানাভাবে ধমক দেন। আমি আইসিটি সেলকে বিষয়টি জানিয়েছি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ইমরান হুসাইন বলেন, সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছি কিনা সেটাও জানি না। সেখানে আমার বিরুদ্ধে কে অভিযোগ দিছে? তবে হলে ক্যামেরা লাগানোর বিষয়টি জানতে পেরে আমি প্রভোস্টের সাথে কথা বলেছি, এখানে শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা থাকে। আমি পরামর্শ দিয়েছি ড্রিলং ছাড়াও ক্যামেরা লাগানো যায়। তবে পরবর্তীতে কি হয়েছে সে বিষয়ে আমি অবগত নই।

এবিষয়ে জানতে চাইলে আইসিটি সেলের সিনিয়র প্রোগ্রামার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি সিসি ক্যামেরা বসিয়েছি। তবে নজরুল হলে ক্যামেরা পাওয়া যাচ্ছেনা এমন একটি বিষয় যারা কাজ করছে তারা জানিয়েছে। আমি বিষয়টি প্রভোস্ট স্যারকে অবগত করেছি। তবে হলটিতে সিসি ক্যামেরা লাগানো নিয়ে শুরু থেকে কয়েকজন ছাত্রনেতা নিষেধ করে আসছে।

হলটির প্রভোস্ট ড. মিহির লাল ভৌমিক বলেন, সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছে কিনা সেটা তো আমি জানি না। আমাকে বুঝায় দেওয়ার পর আমি বলতে পারব যে লাগায়ছে কিনা।

এবিষয়ে প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, আমি সিসি ক্যামেরা প্রণয়ন কমিটিতে ছিলাম। এখন যদি চুরি হয়ে যায় সেটি হল প্রভোস্ট দেখবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    'তুমি বেঁচে থাকো শত কোটি বছর', প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরে পা দিল চবি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৮ নভেম্বর, ২০২২ ১১:২৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    'তুমি বেঁচে থাকো শত কোটি বছর', প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরে পা দিল চবি

    সারওয়ার মাহমুদ, চবিঃ

    "তুমি আজীবন বেঁচে থাকো আন্দোলন সংগ্রামের জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে। তুমি বেঁচে থাকো জ্ঞানপিপাসুদের আশ্রয়স্থল হয়ে। তুমি বেঁচে থাকো হার না মানা অসংখ্য প্রেমকাব্যের স্বাক্ষ্য হয়ে। তুমি বেঁচে থাকো সবুজ ঘাসের স্নিগ্ধতায় আর অন্যায়ের প্রতিবাদের ঢাল হয়ে। তুমি বেচেঁ থাকো আরো এক কোটি বছর "

    আজ ১৮ নভেম্বর চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এমন অনুভুতি প্রকাশ করেছেন এক শিক্ষার্থী।

    ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর চারটি বিভাগ নিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের জঙ্গল পশ্চিম-পট্টি মৌজার ২১০০ একর জায়গাজুড়ে পাহাড়ের কোল ঘেষে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক দিয়ে এটি তৃতীয় বৃহত্তম এবং আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় এটি‌‌।বর্তমানে ১০টি অনুষদ ও ২টি ইনস্টিটিউটের আওতাধীন ৫৪টি বিভাগে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে আছেন প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী।

    যেখানে সকাল হয় শাটলের হুইসেলে ,পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয় সবুজ প্রকৃতি।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যস্ত হয়ে ওঠে কাটাপাহাড়ের রাস্তা। ভিড় জমতে থাকে ঝুপড়িগুলোয়।

    প্রাকৃতিক শোভামণ্ডিত চবি’র পুরো আঙিনা দেখতে অপরূপ। দৃষ্টিজুড়ে নান্দনিক, অপ্সরী। নান্দনিক সৌন্দর্যের পুরোধা।সৌন্দর্যপিপাসুদের কাছে পরম আকর্ষণীয়। ভ্রমণের পিপাসা মেটায় চিরসবুজ-শ্যামল এই সোনালি ক্যাম্পাস।প্রতিষ্ঠার ৫৬ বছর পরেও যে বৈশিষ্টগুলোর জন্য চবি চির যৌবনা সেগুলোর মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো:

    ১.প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিঃ কবি সত্যিই বলেছেন, আমাদের দেশ পৃথিবীর সৌন্দর্যের রাণী। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন, ঐতিহাসিক স্থাপনা, বিস্তীর্ণ পাহাড় রাশি, দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠ, পৃথিবী বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন, অফুরন্ত সবুজের সমারোহ সব মিলিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশ। আর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হিসেবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

    শহরের কোলাহল আর যান্ত্রিকতা থেকে দূরে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন প্রকৃতি আর মানব প্রাণের মিলনস্থল। সবুজ বৃক্ষসারির উপর উড়ন্ত বিচিত্র রঙের হরেক রকম পাখি, প্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাটা পাহাড়, বাণিজ্য অনুষদের পেছনে, ফরেস্ট্রি একালাসহ অন্যান্য সবুজ পাহাড়ের কোলে প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকা ছোট আকারের লালচে বাদামী পিঙ্গল রংয়ের মায়া হরিণ, অজগর কিংবা বিচিত্র রকমের দুর্লভ প্রাণীর জীবন্ত জাদুঘর চবি ক্যাম্পাস। ঝুলন্ত সেতু, ঝর্ণাধারা, উদ্ভিদ উদ্যান কিংবা সুবিশাল মাঠ কি নেই চবি ক্যাম্পাসে! পৃথিবীর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিরিপথের দেখা পাওয়া যায় কিনা সেই সন্ধান দিতে পারবেন কি? চবিতে এসে দলবেঁধে ভ্রমণ করতে পারেন অপরূপ সৌন্দর্যের চালন্দা গিরিপথ যা আপনাকে এডভ্যাঞ্জারের পাশাপাশি অতিমাত্রায় বিমোহিত করবে

    প্রকৃতি প্রেমীরা এখানে নিজেকে খুঁজে পাবেন সবুজের পাতায় পাতায়, দূর পাহাড়ে শেন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার মাঝে কিংবা শীতের সকালের শিশির বিন্দুতে, প্রকৃতির নির্জনতায় আর রাতের নিস্তব্ধতায়।

    আর যারা চট্টগ্রামের বাইরে থেকে আসবেন তারা খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ফাঁকে ফাঁকে চাইলে দেখে নিতে পারেন কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি আর খাগড়াছড়ির বৈচিত্রময় প্রকৃতি আর পাহাড়ি জনপদের জীবনযাত্রা। ক্লাসের বাইরের এই ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আপনাকে নির্মল বিনোদনের পাশাপাশি আত্ববিশ্বাস আর কর্মতৎপরতা বাড়াতেও সহায়তা করবে।প্রাকৃতিক ঝর্ণাধারা, উদ্ভিদ উদ্যান আর মায়া হরিণের দেখা পাবেন চবিতে।

    ২। বিশ্বের একমাত্র শাটল ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ঃ চবি একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে এখনো শাটল ট্রেন এখনো চলাচল করে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ বলা হয় এই শাটল ট্রেনকে। এই শাটলেই প্রতিদিন হাজারো প্রাণের মেলা বসে। গল্প আড্ডা আর গানে মুখরিত হয়ে উঠে এই শাটল ট্রেন। এই ট্রেনের বগিতে গান করে অনেকেই হয়েছে বিখ্যাত গায়ক। তাই চবিকে গানবাজদের তীর্থস্থানও বলা হয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যলয়ের অধ্যয়ন শেষে এখানকার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশী যা মিস করে তা হলো এই শাটলের আড্ডা আর গান।

    ৩। অসাধারণ ফ্যাকাল্টিঃ বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, বিশ্বতত্ত্ববিদ সর্বজন শ্রদ্ধেয় ডঃ জামাল নজরুল ইসলাম স্যার , নোবেল বিজয়ী ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস স্যার , বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান স্যারের মত বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা শিক্ষকতা করেছেন চবিতে। পুরাতন ধ্যান- ধারণা ভেঙ্গে গুরু শিষ্য সম্পর্কের গন্ডি পেরিয়ে চবির শিক্ষক, শিক্ষার্থীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক সম্পর্ক যেন জীবনের অন্য রকম অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরা দেয়। এখানে রয়েছে এমফিল, পিএইচডি ,এমডি,এমপিএইচ এর মতো উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহনের সুযোগও।

    ৪। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরঃ ১৯৭৩ সালের ১৪ই জুনে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একমাত্র অ্যাকাডেমিক জাদুঘর যা মূলত মানব ইতিহাস, শিল্প এবং সংস্কৃতি বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সহায়তা প্রদান, প্রত্নতত্ত্ব, ইতিহাস ও প্রাচীন শিল্পকলার নিদর্শন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন এবং এ সকল বিষয়ে মৌলিক গবেষণার সু্যোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। এটি চট্টগ্রামের একমাত্র শিল্প জাদুঘর এবং দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের মধ্যেও একমাত্র জাদুঘর হিসেবে বিবেচিত। এছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের পাঠক্রমের সমর্থনে রয়েছে ‘প্রাণীবিদ্যা জাদুঘর’,আবার বিশ্ববিদ্যালয়েরই সামুদ্রিক বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে গড়ে তোলা হয়েছে ‘সমুদ্র সম্পদ যাদুঘর’ যেখানে ৫৫০টির মতো সামুদ্রিক প্রাণী সংরক্ষণ করা হয়েছে।

    ৫। ৪০ হাজার জার্নাল সমৃদ্ধ চবি গ্রন্থাগারঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার যা দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই গ্রন্থাগারে বর্তমান সংগ্রহ সংখ্যা প্রায় ৩.৫ লক্ষ যার মধ্যে রয়েছে বিরল বই, জার্নাল, অডিও-ভিজ্যুয়াল উপাদান, পান্ডুলিপি এবং অন্ধদের জন্য ব্রেইল বই। গ্রন্থাগারটিকে বর্তমানে অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছে।

    ৬। চবির স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্যঃ বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাসের সাথে চবির নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ পথেই রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধারদের আত্মত্যাগ আর বীরত্বের স্মৃতিস্বরূপ নির্মিত ‘স্মরণ স্মৃতিস্তম্ভ’ যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন মুক্তিযোদ্ধার নাম ও ছবি রয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের সামনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত হয়েছে “বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভ’। স্তম্ভটির অবস্থান বুদ্ধিজীবী চত্বর নামে পরিচিত। বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভের বিপরীত পাশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অবস্থিত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সামনে রয়েছে নবনির্মিত ‘স্বাধীনতা স্মৃতি ম্যুরাল’, ভাস্কর্যটিতে ৪টি পাখির প্রতীকী নির্মাণে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাঙালির ছয় দফা ও স্বাধীনতা আন্দোলনের ক্রমধারা এবং পাখির ডানায় ২১টি পাথরের টুকরায় লিপিবদ্ধ হয়েছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি।

    ৭। চবির হলসমূহ – যেন প্রকৃতির সাথে বসবাসঃ পাহাড় ঘেরা প্রকৃতির কোলে চবি ক্যাম্পাসে রয়েছে ১২টি আবাসিক হল যার মধ্যে ৮টি ছাত্র হল ও ৪টি ছাত্রী হল এবং ২টি নির্মানাধীন ছাত্র ও ছাত্রী হল। । প্রতিটি হলের নির্মাণশৈলী যেমনি আলাদা তেমনি হল গুলো কোনটা পাহাড়ের কুল ঘেষে আবার কোনটা পাহাড় আর নয়নাভিরাম সবুজের ঘেরা যেন এক স্বপ্নপূরী। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে দূর পাহাড়ে পাখির কলতান, জোনাকির মৃদু আলো আর ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক পুরো ক্যাম্পাসকে করে তুলে আরো আকর্ষণীয়।

    ৮। ঝুপড়ির মধুর আড্ডা: চবির বিভিন্ন অনুষদ ও হলগুলোর পাশে রয়েছে সারি সারি অনেক দোকান। এসব দোকানকে ঝুপড়ি নামে ডাকা হয়। চবি শিক্ষার্থীদের আড্ডার অন্যতম জায়গা এই ঝুপড়িগুলো। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্বাদু আর রুচিশীল খাবারগুলোর উৎস হলো এসব ঝুপড়ি। হরেকরকম ভর্তা আর নানা মজাদার খাবারের জমজমাট আয়োজন করে বিভিন্ন অনুষদের সঙ্গে থাকা পাহাড়ের কোলঘেঁষে টিনের ছাউনিতে নির্মিত এই ঝুপড়িগুলো। অপেক্ষাকৃত অল্প দামে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, গরম ভাত কিংবা ভর্তার জন্য অপেক্ষমাণ শত শত শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখর এই ঝুপড়িগুলো। যেন ধনী, মধ্যবিত্ত, নিম্ম মধ্যবিত্ত এবং গরিব শিক্ষার্থীদের এক মিলনমেলা। যেখানে সবাই সমান, সহযাত্রী সবাই রাজা, সবাই বাদক, গায়ক কিংবা আড্ডাবাজ। কলা অনুষদের ঝুপড়ি, সমাজ বিজ্ঞানের ঝুপড়ি, লেডিস হলের ঝপড়ি এদের মধ্যে অন্যতম।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইবি থেকে গবেষণায় অনুদান পাচ্ছেন যারা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৮ নভেম্বর, ২০২২ ১১:১৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ইবি থেকে গবেষণায় অনুদান পাচ্ছেন যারা

      ইমন, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১২জন শিক্ষক ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ বিষয়ে বিশেষ গবেষণা প্রকল্প অনুদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন। মনোনীত শিক্ষকরা তাদের প্রকল্প অনুযায়ী দুই থেকে সর্বোচ্চ পাচ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন।

      বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১৫ নভেম্বর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গবেষণা অনুদানে মনোনীত শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

      বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসূচি’র খাত থেকে মোট ৬৮২টি গবেষণা প্রকল্পের অনুদানে নির্বাচিত গবেষকদের নামসহ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়। এতে ইবি থেকে বিভিন্ন বিভাগের মোট ১২জন শিক্ষক বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্স, ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি, মেডিকেল সায়েন্স ও ফিজিক্যাল সায়েন্স গ্রুপ গবেষণায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত গবেষকদের গ্রুপসমূহ যথাক্রমে আড়াই লাখ, দুই লাখ, আড়াই লাখ, পাঁচ লাখ এবং তিন লাখ করে অর্থ অনুদান পাবেন।

      বায়োলজিক্যাল সায়েন্স গ্রুপে নির্বাচিত ইবি শিক্ষকরা হলেন- বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. খসরুল ইসলাম; অধ্যাপক ড. একেএম নাজমুল হুদা ও সহকারী অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম। ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্স গ্রুপে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খাইরুল ইসলাম। ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি গ্রুপে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ইব্রাহিম আব্দুল্লাহ ও সহযোগী অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান। মেডিকেল সায়েন্স গ্রুপে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুধাংশু কুমার বিশ্বাস ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম জহুরুল ইসলাম। ফিজিক্যাল সায়েন্স গ্রুপে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইফফাত আ’রা নির্বাচিত হয়েছেন।

      মনোনীত গবেষক বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের একটা বিষয়। আমরা এটা নিয়ে খুবই আনন্দিত। আমাদের মোট ১২জন শিক্ষক ৬টি প্রজেক্টের আওতায় কাজ করবেন। এতে একজন প্রধান গবেষক এবং তার সঙ্গে একজন সহকারী গবেষক হিসেবে কাজ করবেন।

      এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য এটা অনেক ভালো একটা খবর। যে শিক্ষকরা নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকে অভিনন্দন। আমাদের শিক্ষকরা সামনে যেন আরো বেশি বেশি এরকম গবেষণার জন্য মনোনীত হন সেই প্রত্যাশা করি। উল্লেখ্য, ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ বিষয়ক গবেষণার জন্য এ অনুদান প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জবি'র দ্বিতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৭ নভেম্বর, ২০২২ ২২:৫৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        জবি'র দ্বিতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ

        সাকিবুল ইসলাম, জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথমবর্ষে ভর্তির দ্বিতীয় মেধাতালিকা ও প্রথম মাইগ্রেশন প্রকাশ করা হয়েছে।

        বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক উজ্জল কুমার আচার্য্য স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

        জানা যায়, বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটে মেরিট পজিশন ১১৫৬ থেকে ১৬২৯ পর্যন্ত, মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে মেরিট পজিশন ৮৫১ থেকে ১১২৫ পর্যন্ত, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটে মেরিট পজিশন ৬১১ থেকে ৭১২ পর্যন্ত ২য় মেধা তালিকায় সুযোগ পেয়েছে।

        দ্বিতীয় মেধাতালিকায় বিষয়প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে ২১ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। এর আগে প্রথম মেধাতালিকায় ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৮৮ জন।

        গত ৪ নভেম্বর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। যার ভর্তি কার্যক্রম চলে ৭ নভেম্বর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত।

        উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এ’ ইউনিটে আসন রয়েছে এক হাজার ১৫৫টি এর বিপরীতে আবেদন করেছে ২৪ হাজার ৮৪৯জন। বি’ ইউনিটে ৮৫০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৯ হাজার ৯৮৯ জন। আর ‘সি’ ইউনিটের আসন সংখ্যা ৬১০টি এর বিপরীতে আবেদন করেছেন ছয় হাজার ২৪০ জন। এছাড়া ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগে ৭৮০ জন, চারুকলা বিভাগে ৮৯৭, নাট্যকলা বিভাগে ৩২৭ ও সংগীতে ৩৪৫ জন আবদেন করেছেন।

        https://therisingcampus.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae/

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন ১৯ নভেম্বরঃ ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৭ নভেম্বর, ২০২২ ২০:৫৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন ১৯ নভেম্বরঃ ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ

          ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন আগামী ১৯ নভেম্বর ২০২২ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর জনাব মোঃ আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করবেন। নোবেল বিজয়ী ফরাসী অর্থনীতিবিদ Professor Dr. Jean Tirole সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তাঁকে সম্মানসূচক Doctor of Laws (Honoris Causa) ডিগ্রি প্রদান করা হবে। আজ ১৭ নভেম্বর ২০২২ বৃহস্পতিবার অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ৫৩তম সমাবর্তন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এসব তথ্য তুলে ধরেন।

          এসময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

          প্রেস ব্রিফিং -এ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান জানান, ৫৩তম সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য ৩০ হাজার ৩শ’ ৪৮জন গ্র্যাজুয়েট ও গবেষক রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অনুষ্ঠানে ১৩১জন কৃতী শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে ১৫৩টি স্বর্ণপদক, ৯৭জনকে পিএইচডি, ২জনকে ডিবিএ এবং ৩৫জনকে এম ফিল ডিগ্রি প্রদান করা হবে। অধিভুক্ত সাত কলেজের রেজিস্ট্রেশনকৃত গ্র্যাজুয়েটগণ ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করবেন।

          উপাচার্য আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটবৃন্দ খেলার মাঠের সুইমিংপুল সংলগ্ন গেইট দিয়ে সমাবর্তনস্থলে প্রবেশ করবেন। তাদের জন্য সকাল ৯:৩০টায় গেইট খোলা হবে এবং তারা সকাল ১১টার মধ্যে অবশ্যই সমাবর্তনস্থলে আসন গ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানস্থলে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করার পর কোনক্রমেই মঞ্চের আশেপাশে ও অন্যান্য স্থানে ঘুরাফেরা করা যাবে না। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জিমনেসিয়াম সংলগ্ন গেইট দিয়ে সমাবর্তনস্থলে প্রবেশ করবেন। তাঁদের জন্য সকাল ১০টায় গেইট খোলা হবে এবং তাঁরা সকাল ১১:৩০টার মধ্যে অবশ্যই সমাবর্তনস্থলে আসন গ্রহণ করবেন। সমাবর্তনস্থলে প্রবেশের জন্য মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক।

          উপাচার্য আরও জানান, সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্র/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আইডি/পাসপোর্ট সাথে আনতে হবে। আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তরযোগ্য নয়। সমাবর্তনস্থলে মোবাইল ফোন, হাতব্যাগ, ব্রিফকেস, ক্যামেরা, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ছাতা ও পানির বোতল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।

          তিনি সমাবর্তনের দিন নিরাপত্তার স্বার্থে শাহবাগ থেকে টিএসসি-দোয়েল চত্বর হয়ে হাইকোর্ট মোড় পর্যন্ত রাস্তায় নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান। ঐদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত টিএসসি ক্রসিং থেকে দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট থেকে দোয়েল চত্বর এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত রাস্তায় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদয় সহযোগিতা উপাচার্য প্রত্যাশা করেন। তিনি সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য ঐদিন বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য অনুরোধ জানান।

          উপাচার্য বলেন, সমাবর্তনের দিন ভিআইপি এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের গাড়ী কাজী মোতাহার হোসেন বিজ্ঞান ভবন (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন সায়েন্স এনেক্স ভবন) মাঠে পার্কিং ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া, অন্যান্য সকল গাড়ী এসএম হল মাঠ, জহুরুল হক হল মাঠ, মুহসীন হল মাঠ এবং ফুলার রোডে পার্কিং করতে হবে। গ্র্যাজুয়েটদের চলাচলের সুবিধার্থে ক্যাম্পাসের অন্য রাস্তায় গাড়ী পার্কিং না করার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

          তিনি আরও বলেন, সমাবর্তনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব, অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ফায়ার সার্ভিস, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সদয় সহযোগিতা কামনা করেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত