শিরোনাম
নিটারে শিক্ষার্থীদের চড়ুইভাতি অনুষ্ঠিত
দীপংকর ভদ্র দীপ্ত, নিটারঃ সাভারে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ নিটারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীদের চড়ুইভাতি অনুষ্ঠানে।
বুধবার বিকাল ৪ ঘটিকায় নিটারের কাজী নজরুল ইসলাম থিয়েটার প্রসঙ্গে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে নিটারের এফডিএই ডিপার্টমেন্টের ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এফডিএই কোর্স শিক্ষক লেকচারার ইয়াসমিন আক্তার তুলি এবং লেকচারার মো: রিদওয়ানুল ইসলাম।
কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করা হয়। এরপর ডিপার্টমেন্টের সকল শিক্ষার্থীরা এক সঙ্গে দুপুরের খাবার খায়।
অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন খেলা আয়োজন করা হয়। এবং পরবর্তীতে ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
দীপংকর ভদ্র দীপ্ত, নিটার
জবিতে ৪র্থ আবৃত্তি উৎসব অনুষ্ঠিত
সাকিবুল ইসলাম, জবিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের (জবিআস) আয়োজনে চতুর্থ আবৃত্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবৃত্তি পরিবেশনা, গান, কবি সম্মাননা ও সনদ প্রদানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যায়লয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হক।
এসময় উপাচার্য বলেন, 'সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত না করলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে না। তাই সাংস্কৃতিক সংঘটনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে। করোনা মহামারীর কারণে তাদের কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছিলো। এখন তারা পুরোদমে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ঐতিহ্য আছে, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও আমরা পিছিয়ে থাকবো না। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি সব কর্মকাণ্ডে যেন এগিয়ে যেতে পারি।'
সংসদের সভাপতি মোহাম্মদ জহির উদ্দীনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আন্যনমা নাসুহা নুহিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল হক আজাদ এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি তারেক সুজাতকে ‘কবি সম্মাননা’ দেওয়া হয়। এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের আঠারোতম কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে স্মারক, সনদ এবং বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
বাকৃবির গবেষকদের মাঠ পর্যায়ে কৃষি যন্ত্র সম্প্রসারণে সফলতা
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি একটি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীতে উন্নত দেশগুলোতে ফসলের অধিক উৎপাদনের জন্য উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও প্রচলিত প্রযুক্তিতে ফসল ফলানো এবং সংগ্রহ করা হয়। এমনকি কৃষিজাত ফসল সংগ্রহের পর সঠিক প্রযুক্তির অভাবে দীর্ঘদিন তা সংরক্ষণ করা যায় না। এর ফলে দেশে বছরে প্রচুর পরিমাণে ফসল নষ্ট হয়। দেশে অধিক উৎপাদন এবং ফসল সংগ্রহের পর দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য মাঠ পর্যায়ে বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) একদল গবেষক।
বুধবার (০৯ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকার লেকশোর হোটেলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত দুইদিন ব্যাপি আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান এপ্রোপ্রিয়েট স্কেল মেকানাইজেশন ইনোভেশন হাব (আসমি) বাংলাদেশ ও পোস্ট-হারভেস্ট লস রিডাকশন ইনোভেশন ল্যাব (ফিলিল) বাংলাদেশ ফেজ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং বাকৃবির কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল আলম। সিম্পোজিয়ামের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘বাংলাদেশের কৃষির রুপান্তর: উপযুক্ত পরিমাপে যান্ত্রিকীকরণ ও ফসল কর্তন পরবর্তী অপচয় কমানোর উদ্ভাবনসমূহের ভূমিকা’।
মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারিত প্রযুক্তিগুলো হলো আসমি প্রজেক্টের ধান কাটা, মাড়াই ও প্যাকেজিং যন্ত্র কম্বাইন হার্ভেস্টর, ধান কাটার যন্ত্র রাইস রিপার, ধানের বীজ বপন করার যন্ত্র রাইস সিডার, চারা লাগানোর যন্ত্র রাইস ট্রান্সপ্লান্টার। এছাড়া ফসল সংগ্রহের পর ফসলকে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য বাউ ড্রায়ার, বায়ুরোধী হারমেটিক ব্যাগ ও হারমেটিক কোকুন।
সিম্পোজিয়ামে মুখ্য প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ড. মঞ্জুরুল আলম আরও বলেন, কৃষি প্রযুক্তিগুলো আমাদের দেশের উপযোগী করে তৈরী করা হয়েছে যেন কৃষকরা খুব সহজে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে এবং খরচও কম হয়। এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কৃষকরা যেমন লাভবান হবে তেমনি ভোক্তারাও লাভবান হবে। কারণ কৃষকরা কম খরচে এবং কম সময়ে ফসল উৎপাদন করলে ভোক্তারও কম দামে কৃষি পণ্য পানে। এছাড়াও এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষক দীর্ঘদিন ফসলের কোন ক্ষতি ছাড়ায় সংরক্ষণ করতে পারবে।
আরও পড়ুনঃ রাবির সাবেক ছাত্রী লায়লা নাহারের মালেশিয়ায় স্বর্ণপদক অর্জণ
সিম্পোজিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সেমিনারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের প্রধান কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান, আমেরিকার কানসাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিড দি ফিউচার ইনোভেশন ল্যাব ফর দি রিডাকশন অফ পোস্টহারভেস্ট লস প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক ড. জেগার হার্ভে, আমেরিকার ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এপ্রোপ্রিয়েট স্কেল মেকানাইজেশন কনসোর্টিয়ামের (এএসএমসি) পরিচালক ড. প্রশান্ত কে. কালিতা এবং কানসাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিড দি ফিউচার ইনোভেশন ল্যাব ফর কলাবোরেটিভ রিসার্চ অন সাসটেইনেবল ইনটেনসিফিকেশনের (সিল) পরিচালক ড. পি. ভি. ভারা প্রসাদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিম্পোজিয়ামে এপ্রোপ্রিয়েট স্কেল মেকানাইজেশন এন্ড পোস্টহারভেস্ট লস রিডাকশন ইনোভেশনস সংক্রান্ত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা। সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন ফিলিল বাংলাদেশ ফেজ-২ প্রকল্পের নিযুক্ত উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি ও বাকৃবির কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বিলাস কান্তি বালা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. দীপু মনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে ফসল উৎপাদন, সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করার জন্য এই আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ রাখবে। গবেষণা ও উন্নয়নের সুবিধা দিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাজে এগিয়ে আসবে যা শিক্ষাক্ষেত্রে জাতীয় ও আঞ্চলিক সমস্যার সমাধানের দিকে নিয়ে যাবে এবং পরবর্তী গবেষণায় সহায়তা করবে।
হাত নেই, পা দিয়ে লিখেই আলিম পরীক্ষা দিচ্ছেন হাবিব
কঠিন শারীরিক প্রতিবন্ধকতাও আটকে রাখতে পারেনি মো. হাবিবুর রহমানের (১৯) মেধাকে। দুই হাত না থাকার পরও পা দিয়ে লিখেই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। দুই হাত না থাকার পরও পা দিয়ে লিখে এবারের আলিম পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তিনি।
মো. হাবিবুর রহমান (১৯) রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের কৃষক মো. আ. সামাদের ছেলে। হাবিবুর পুঁইজোর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে হাবিব তৃতীয়।
জানা যায়, মেধাবী হাবিবুর রহমান প্রথমে তার গ্রামের হেমায়েত খালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরে ২০১৫ সালে পুঁইজোর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৪.৬৩ পয়েন্ট নিয়ে জেএসসি পরীক্ষায় পাস করেন। এরপর ২০১৮ সালে দাখিল পরীক্ষায় ৪.৬১ পয়েন্ট নিয়ে পাস করেন। এবার একই মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন তিনি।
হাবিবুর রহমানের ভগ্নিপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, হাবিব জন্মগতভাবেই হাতহীন। তার মধ্যে অনেক প্রতিভা এবং আত্মবিশ্বাস রয়েছে। সে ভবিষ্যতে ভালো কিছু করতে চায়।
পুঁইজোর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, হাবিব আমার মাদ্রাসার অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্র। সে প্রতিটা ক্লাসেই ভালো করে। আজকে আলিম পরীক্ষা দিতে আসছে। সে আমাদের মাদ্রাসা এবং দেশের গর্ব। তাকে নিয়ে আমরা অনেক আশাবাদী।
আরও পড়ুনঃ ঢাবি ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরিচিতি সভা…
কেন্দ্রের নির্দেশনা মানেনি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ
রাহাত, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনার পরও নির্দিষ্ট তারিখে সম্মেলন আয়োজন করতে পারেনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। এছাড়া ক্যাম্পাসেও নেই সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের কেউ। নির্দিষ্ট দিনে সম্মেলন আয়োজন না করে শাখা ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনার অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ পদপ্রত্যাশী নেতাদের।
জানা গেছে, গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল ৮ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সম্মেলনের দিন নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু গতকাল ক্যাম্পাসে শাখা ছাত্রলীগের এমন কোন আয়োজন দেখা যায়নি।
জানা গেছে সম্মেলনের নির্ধারিত দিনেও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবু অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। আর সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান রাকিব কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সফর সঙ্গী হয়ে আছেন যশোরে। সাধারণ সম্পাদকের ফেসবুক এবং গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী যার সত্যতা পাওয়া গেছে।
সম্মেলন না হওয়ার বিষয়ে ইউনিটটির কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা পুতুল চন্দ্র রায় দ্যা বলেন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে সাধারণ সম্পাদক একা সম্মেলন করতে অপারগতা প্রকাশ করে আরও সময় চেয়েছেন। কিন্তু এটার সুযোগ নেই।
এদিকে, সম্মেলন নিয়ে শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দায়িত্বহীন আচরণে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে পদপ্রত্যাশী নেতাদের মাঝে।
শাখা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে শাখাটির সম্মেলন হওয়ার সুযোগ নেই। এই সময়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটি করার পরিকল্পনা চলছে। ব্যাপারটা এমন হলে বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক হতে পারেন নতুন কমিটির সভাপতি; যিনি লেখক ভট্টাচার্য্যের অনুসারী।
অন্যদিকে সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের পক্ষ থেকেও দুজনের নাম উঠে আসছে এ পদে। যার মধ্যে একজন ত্রিশালের স্থানীয়, অন্যজন খুলনা অঞ্চলের। সম্মেলন না হওয়া পদপ্রত্যাশী নেতাদের ধারণা প্রেস রিলিজের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতার পছন্দ থেকেই আসবে শাখা ছাত্রলীগের পরবর্তী নেতৃত্ব।
সম্মেলন ও কমিটি গঠনের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি যা চায় তাই হবে। আমি বর্তমানে কাজে ঢাকায় রয়েছি।
সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন, আমি দাদার (লেখক ভট্টাচার্য্য) সঙ্গে যশোর আছি। আমি একা কিছু পারবো না। কেন্দ্রীয় কমিটি সিদ্ধান্ত দিলে সেভাবেই কাজ হবে। কবে ক্যাম্পাসে ফিরবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বুধবার আসবো।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য