ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ৯ মাঘ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

টেকনাফে পাঁচ মানবপাচারকারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ নভেম্বর, ২০২২ ১৯:৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
টেকনাফে পাঁচ মানবপাচারকারী আটক

কক্সবাজার প্রতিনিধি :কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচ মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এসময় তাদের জিম্মা থেকে অপহৃত মো. শাহেদ (১৭) নামে এক কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার মৃত হোছন আহমদের ছেলে মো. বেলাল (২০), মৃত আমির হামজার ছেলে আব্দুর রহমান (৫৫), মৃত হোছন আহমদের ছেলে আব্দুর রশিদ (২৭), হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালীর মো. কালুর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (২৬) ও আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর (১৯)।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সম্প্রতি টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় মানবপাচারকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সুপারের নির্দেশে মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পৃথকভাবে এই পাঁচ মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এসময় মানবপপাচারকারীদের জিম্মিদশা থেকে মো. শাহেদ (১৭) এক কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার মানবপাচারকারীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জবি ফিচার রাইটার্স: সেরা লেখকদের পুরস্কার বিতরণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৪ নভেম্বর, ২০২২ ১৯:৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জবি ফিচার রাইটার্স: সেরা লেখকদের পুরস্কার বিতরণ

    জবি প্রতিনিধি:'জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ফিচার, কলাম এন্ড কন্টেন্ট রাইটার্স' সংগঠনের অক্টোবর মাসের সেরা লেখক পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। সেরা লেখক হিসেবে যারা মনোনীত হয়েছেন তারা হলেন, "সাকিবুল ইসলাম", "রবিন আহমেদ রাজিন" এবং আফরোজা আক্তার।

    শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সংগঠনটির সমন্বয়ক সুবর্ণ আসসাইফ এবং সভাপতি আবির হাসান সুজন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিল্টন এ পুরস্কার বিতরণ করেন।

    সেরা লেখকদের মধ্যে স্থান পেয়ে সাকিবুল ইসলাম জানান, 'আমাকে সেরা লেখকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় ধন্যবাদ জানাই সংশ্লিষ্ট সকলকে। পুরস্কার প্রাপ্তি সর্বদাই প্রফুল্লতা এনে দেয়, লেখালেখীর প্রতি আগ্রহ বাড়ায়। এমন একটি সংগঠনে থাকতে পেরে এবং সেরাদের তালিকায় থাকতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।'

    আফরোজা আক্তার বলেন, 'আমি অক্টোবর মাসে সেরা লেখকদের একজন নির্বাচিত হয়েছি ও পুরষ্কৃত হয়েছি, যেটা আমার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে দীর্ঘদিন। নিজেকে লেখনির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই তরুণদের উচিত এই স্বনামধন্য প্লাটফর্ম-এ যুক্তহওয়া।'

    উল্লেখ্য যে, 'জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ফিচার কলাম এন্ড কন্টেন্ট রাইটার্স' সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীদের লেখালেখি বিষয়ে সহযোগিতা করে উৎসাহ উদ্দীপনা জুগিয়ে আসছে। এবং শিক্ষার্থীদের লেখালেখীতে আগ্রহ বাড়াতে প্রতি মাসে তিনজন সেরা লেখক নির্বাচন করে পুরস্কার বিতরণ করে থাকে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      গিনেস বুকে চবি শিক্ষার্থী

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৪ নভেম্বর, ২০২২ ১৯:০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      গিনেস বুকে চবি শিক্ষার্থী

      রেকর্ড মানেই প্রতিনিয়ত ভাঙা গড়ার খেলা।নিত্য নতুন রেকর্ডে সয়লাব হচ্ছে বিশ্ব।একে অপরকে ছাড়িয়েও যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।নতুন কিছু করার তাগিদে ক্রমাগত ছুটে চলছে উদ্দ্যমী মানুষের কৌতূহলী মন।

      গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এইবার নাম লিখিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী প্ৰেনচ্যুং ম্রো।পা দিয়ে এক মিনিটে সর্বোচ্চ ২০৮ বার ফুটবল ট্যাপ করে এ রেকর্ড অর্জন করেন তিনি।এর আগে এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি বার পা দিয়ে ফুটবল ট্যাপ করার রেকর্ডটি ছিল ভারতের গুজরাটের ছেলে ময়ূর মাকওয়ানার।২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারী এই রেকর্ড গড়েন মাকওয়ানার।এছাড়া ঢাকার মোস্তাকিমুল ইসলাম ও যৌথভাবে এই রেকর্ডটি অর্জন করেন চলতি বছরের এপ্রিল মাসে।তারা উভয়ে ১ মিনিটে ২০৭ বার ফুটবল ট্যাপ করেছিলেন।

      প্রেন চ্যুং ম্রো বান্দরবান সদরের ৪নং সুয়ালক ইউনিয়নের লামার পাড়ার মৃত পিয়াচাং ম্রো'র ছেলে।তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।তিনি ২০১৭ সালে বান্দরবান সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ২০১৫ সালে ম্রো আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।তিনি ভালো শিক্ষার্থীর পাশাপাশি একজন সম্ভবনাময়ী ফুটবলারও।২০২০-২১ সিজনে ফর্টিস এসসির হয়ে ঢাকায় প্রথমবারের মতো বিসিএল খেলেন।২০২১ মৌসুমে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের হয়ে চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার লিগে সেরা সাফল্য অর্জন করেন।সে বছরেই ব্রাদার্স ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন হয়। পাশাপাশি জেলা টিম এবং বিশ্ববিদ্যালয় টিমেও খেলেছেন প্ৰেনচ্যুং ম্রো।

      বিশ্ব রেকর্ডের এই পথচলার গল্প জানতে চাইলে প্ৰেনচ্যুং ম্রো দ্যা রাইজিং ক্যাম্পাসকে জানান,চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির দিকে সর্বপ্রথম কনক কর্মকারের ভিডিও দেখে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের বিস্তারিত জানতে পারেন তিনি।কনক এক মিনিটে ১৯৭ বার ফুটবল ট্যাপ করেছিলেন।কনক কর্মকারের এই রেকর্ডটি দেখার পর থেকে তিনি তা ভাঙার পরিকল্পনা করেন এবং অনুশীলনে নেমে পড়েন।অনুশীলনের তিন দিনের মাথায় কনক কর্মকারের সেই রেকর্ড ভাঙার সক্ষমতা অর্জন করেন।গত ২৪ এপ্রিল তারিখে ১ মিনিটে পা দিয়ে সর্বোচ্চ ২০৮ বার ফুটবল ট্যাপ করার ভিডিও এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ বরাবর সাবমিট করেন।এরপর দীর্ঘ ৬ মাসেরও বেশি সময় পর যাচাই বাছাই করে গত বুধবার (২ নভেম্বর) তারা রেকর্ডটির স্বীকৃতি দেন এবং গিনেস বুকের ওয়েবসাইটে রেকর্ডটি অন্তর্ভুক্ত করেন।

      প্ৰেনচ্যুং ম্রো'র এই সাফল্যে খুশি তার পরিবার,বন্ধু মহল, চবির শিক্ষার্থী ও তার ডির্পাটমেন্টের শিক্ষকরা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ার প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করেছে ইবি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৪ নভেম্বর, ২০২২ ১২:১২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ার প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করেছে ইবি

        ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্নাতক সম্মান ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

        বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুচ্ছভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে আগামী সোমবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টা হতে শুক্রবার (১১ নভেম্বর) রাত ১১টা ৫৯মিনিটের মধ্যে GST ওয়েবসাইটের (gstadmission.ac.bd) মাধ্যমে প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে।

        প্রত্যেক আবেদনকারী তার আবেদনকৃত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রস্তুতকৃত মেধাক্রম ও প্রদত্ত বিভাগ পছন্দক্রম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট বিভাগে প্রাথমিক ভর্তির জন্য নির্বাচিত হবে। মেধাক্রম ও অন্যান্য তথ্য স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।

        প্রাথমিক ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর মূল কাগজপত্র (এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র) আগামী সোমবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২:০০ টা হতে শনিবার (১২ নভেম্বর) বিকাল ০৪:০০ টার মধ্যে প্রাথমিক ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে, অন্যথায় প্রাথমিক ভর্তি বাতিল হবে। এছাড়া মূল নম্বরপত্র দুটি আবেদনকারীর নাম ও GST রোল নম্বর লিখা একটি A4 সাইজের খামে করে জমা দিতে হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ফুলেরাই যখন ফুল বিক্রেতা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৪ নভেম্বর, ২০২২ ৭:৪৯
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ফুলেরাই যখন ফুল বিক্রেতা

          পুলক আহমেদ, বেরোবি প্রতিনিধিঃএমন কেউ নেই যে ফুলকে ভালোবাসে না। অথচ এই ফুলের মধ্যে রয়েছে সাড়াজাগানো কিছু রহস্য। বেরোবি কেম্পাসে দেখা মিলল ফুলের হাতে ফুল। শখ করে নয়, পেটের দায়ে এ ফুল বিক্রির জন্য ক্যাম্পাসে আসে রিফাত,সিফাত,আরিফ ও সুজন। তাদের কারোর বাবা নেই, কারোর মা নেই। তাদের প্রতিদিন দেখা যায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক,চত্বর ও মাঠে ।

          বিকেলের দিকে হাজারো শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের সামনে তাদের আবদার-থাকে ‘একটা ফুল নিন।’ জীবন-বাস্তবতায় এসব শিশুকে কিছু বুঝে ওঠার আগেই নামতে হয়েছে উপার্জনে।

          প্রায় সবার হাতে থাকে পদ্মফুল যা তারা ডোবা , বিল বা নালা থেকে নিয়ে আসে এই সব ফুল এবং এই ফুলই এসব শিশু বিক্রির জন্য বেছে নেয়।

          কেউ ফুল নেয়, কেউ বা ফিরেও তাকায় না। আবার কেউ কেউ আছেন, ফুলের মতো শিশুর হাতে তুলে দেন অতিরিক্ত টাকা। এভাবেই এসব শিশু উপার্জন করে বাবা-মার হাতে তুলে দিচ্ছে অর্থ,যা সংসার চালাতে কাজে লাগছে।

          ক্যাম্পাসের পার্কের মোড়,স্বাধীনতা স্বারক মোড়,হতাশা চত্বর,শেখ রাসেল চত্বর,গ্যারেজ রোড,দেবদারু রোড,কৃষ্ণচূরা রোড ও খেলার মাঠ গুলোসহ বিভিন্ন স্থানে হাতে নিয়ে ফুল বিক্রি করতে দেখা যায় এইসব শিশুকে। এর মধ্যে তারা বেশি পদ্মফুল নিয়ে আসে। এসব ক্ষেত্রে অধিকাংশ ফুল বিক্রেতাই হয়ে থাকেন পথশিশু এবং অস্বচ্ছল পরিবারের। যাদের অনেকের মা -বাবা থাকা স্বত্বেও অভাবের তাড়নায় তারা এই পথে বেছে নিয়েছে।

          তারা চাইলে ভিক্ষা করতে পারতো কিন্তু তা নাকরে অভিনব পদ্ধতিতে ফুল বিক্রি করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। এমনকী ক্যাম্পাসে আগত বিভিন্ন দর্শনার্থী ও যুগলদের আকৃষ্ট করতে এবং তাদের কাছে ফুল বিক্রির জন্য আজকাল এই ফুল বিক্রেতা পথশিশুরা টুকটাক শুদ্ধ ভাষাও শিখছে। আর তাদের এই শুদ্ধ ভাষা শিখতে সাহায্য করছে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বড় আপু ও ভাইয়ারা। তবে এসব শিশুরা দুই হাত পেতে ভিক্ষা নিতে একদমই নারাজ।

          তাদের মধ্যে একজন হলেন রিফাত। যার বয়স ১০ বছর। এই বয়সে তার মায়ের কোলে থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা কিন্তু সে স্কুলে না গিয়ে বিকেলে করে ক্যাম্পাসে ফুল বিক্রির পথ বেছে নিয়েছে। পরিবারের সাত ভাই বোনের মধ্যে সে ছয় নম্বর। সে বলল সারা বিকেল ফুল বিক্রি করে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পায়। এই টাকা সে তার মা বাবাকে দেয়। যা তাদের পরিবারের বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়োজন মিটাতে সহায়তা করে।

          সিফাত নামের আট বছরের এক ছেলে। যে ক্লাস টুয়ে পড়ে।সে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকা গুলোতে থাকে। সে সাত ভাইবোনের মধ্যে সে তিন নাম্বার। ঠিক মত বই পড়তে পারে না। সে সারাদিন ফুল বিক্রির করে ৮০ থেকে ১২০ টাকা পায়। তার বাবা কৃষি কাজ করে। তাই সে ফুল বিক্রি করে এই টাকা তার বাবাকে দেয় যা তাদের পরিবারের ভরনপোষণের কাজে সামান্য হলেও সহায়তা করে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত