ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ২৭ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চির স্মরণীয় করতে ক্যাম্পাসেই জুটির গায়ে হলুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:৪৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
চির স্মরণীয় করতে ক্যাম্পাসেই জুটির গায়ে হলুদ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, রাবি: বাঁশের ডালা, কুলা, চালুন ও মাটির সরা, ঘড়া, মটকা দিয়ে বিয়ের বাড়ির আমেজ তৈরি করা হয়েছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাদারবখশ হলের পুকুর পাড়। নিজ ক্যাম্পাসে এভাবেই বর-কনের সাজে বসে আছে আকিবুল ইসলাম ও সাদিয়া আফরোজ। তরুণ-তরুণীর হলদে শাড়ি ও পাঞ্জাবিতে চোখ আটকে যায় যে কারো।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) চিরাচরিত নিয়মেই আকিবুল ও সাদিয়াকে হলুদ-মেহেদি মাখিয়ে সকল আনুষ্ঠানিকতা করেন তাদের সহপাঠীরা। হলুদ, মেহেদি, মিষ্টান্ন, ফলমূলসহ কোনো কিছুরই কমতি ছিল না সেখানে। বন্ধুদের এমন আয়োজনে উচ্ছ্বসিত বর-কনে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর আকিবুল ইসলাম আকিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের মাস্টার্সে পড়ছেন। তার বাসা শেরপুরে। পড়াশোনা পাশাপাশি তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত। আকিবুল হাসান পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। সর্বশেষ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনটির আজীবন সদস্য হিসাবে আছেন।

এদিকে কনে সাদিয়া আফরোজ শৈলী বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের মাস্টার্সে পড়ছেন। তার বাসা রাজশাহীর পদ্মা আবাসিক এলাকায়। দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাদের বিয়ে হচ্ছে বলে জানান তারা। বিয়েতে বড় ভাই, ক্যাম্পাসের বন্ধু-বান্ধব ও জুনিয়ররা উপস্থিত ছিলেন।

নিজ ক্যাম্পাসে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন সম্পর্কে বর আকিবুল ইসলাম আকিব বলেন, ' আমি অনেক আনন্দিত কারণ আমার ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। আমার খুব ইচ্ছে ছিল আমার বিয়ে ব্যতিক্রমী করতে। ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ করার ইচ্ছা ছিলো অনেক আগে থেকেই। বন্ধু-বান্ধব ও ছোটভাইরা মিলে আমার সেই আশা পূরণ করল। সকলের এতো ব্যস্ততা থাকার পরেও এই আয়োজন উপলক্ষে এসেছে, আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। ক্যাম্পাসের সকলকে এক সাথে পেয়ে আমিই খুবই আনন্দিত। বাড়িতে হলে সকলকে একসাথে পাওয়া যেতো না।

অনুভুতির বিষয়ে কনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। একজন মেয়ের কাছে তার গায়ে হলুদ অনেক বড় একটা মুহূর্ত। ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হবে কখনও ভাবিনি। আমি অনেক বেশি আনন্দিত। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

এই অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজক বরের বন্ধু আবিদ হাসান বলেন, 'বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরত্ব অনেক বেশি হওয়ায় অনেক আত্নীয়ের বিয়েতে যাওয়া হয় না। বন্ধু আকিব যখন রাজশাহী বিয়ে করছে, আমরা সব বন্ধুরা মিলে আলোচনা করে আয়োজনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই করি। এরকম আয়োজন করার কোন অভিজ্ঞতা অতীতে আমাদের ছিলো না৷ এই আয়োজন ব্যতিক্রম এবং আনাড়ি হলেও বন্ধু, বড়ভাই ছোটভাই সকলের কাছে এর আনন্দ ছিলো সীমাহীন। স্মৃতিবিজড়িত এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান আমাদের মধ্যকার সৌহার্দ্যের ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি।

এই গায়ে হলুদ প্রোগ্রামের অন্যতম আয়োজক ছিলেন বরের আরেক বন্ধু ইসতেহার আলি। তিনি বলেন, 'বন্ধুবান্ধব মিলে ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ করার মধ্যে একটা অন্যরকম আনন্দ আছে। ভালবাসার জায়গায় বন্ধুর গায়ে হলুদ হচ্ছে বলে ভালো লাগছে। তার দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভ কামনা রইলো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইবিতে ময়মনসিংহ জেলা কল্যাণের বরণ-বিদায়

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২২ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:৪০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ইবিতে ময়মনসিংহ জেলা কল্যাণের বরণ-বিদায়

    ইবি প্রতিনিধি:ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর মিলনায়তনে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

    জেলা কল্যাণের সভাপতি হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি এ.বি.এম রিজওয়ান উল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব মোঃ ইকরামুল হক টিটু। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এ্যাডভোকেট জনাব শাহ্ মনজুরুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ কামাল হোসেন, সাবেক ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, অর্থনীতি বিভাগের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ আবু রায়হান, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মিন্নাতুল করিম, নালিতাবাড়ী, শেরপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আমিনুল ইসলাম।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মশিউর রহমান জয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ ও ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া।

    অনুষ্ঠানে নবীনদের উপহার সামগ্রী দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং প্রবীণদের সম্মাননাস্মারক ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিল জেলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান মেজবাহ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      আইসিটিসহ ১২টি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা কোর্স আগামী বছর থেকেই চালু হচ্ছে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২২ অক্টোবর, ২০২২ ৮:৩৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      আইসিটিসহ ১২টি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা কোর্স আগামী বছর থেকেই চালু হচ্ছে

      আইসিটিসহ ১২টি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা কোর্স আগামী বছর থেকেই চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর উপলক্ষে শুক্রবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর নগর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

      অধ্যাপক মশিউর রহমান বলেন, গত দুই বছর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নতুন করে আর অনার্সের অধিভুক্তি দিচ্ছে না। তবে অদূর ভবিষ্যতে খুব প্রয়োজন হয় যেমন যুগোপযোগী, যুৎসই, প্রয়োজনীয় আবশ্যিক বিষয়ে প্রয়োজন হলে যাচাই-বাছাই করে অধিভুক্তি করা হতে পারে।

      উপাচার্য জানান, তারা দক্ষতাভিত্তিক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্স চালু করতে যাচ্ছেন। আগামী বছরের শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে এসব কোর্স চালু করা হবে। এ ধরনের মোট ১২টি ডিপ্লোমা কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।

      কোর্সগুলো হল- ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি), ল্যাংগুয়েজ ইংলিশ অ্যান্ড অ্যারাবিক, অন্ট্রাপ্রেনারশিপ, ফার্মিং টেকনোলজি, ডাটা অ্যানালাইসিস, ট্যুরিজম অ্যান্ড ট্রাভেল ম্যানেজমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, ক্যাপিটাল মার্কেট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান, সাইবার সিকিউরিটি, সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট।

      গাজীপুর জেলার বোর্ডবাজারে ১৯৯২ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি-বেসরকারি কলেজ এখন ২ হাজার ২৭৪টি। এর মধ্যে ২৭৯টি সরকারি কলেজ আর বাকিগুলো বেসরকারি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৯ লাখ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মার্কিন সংস্থায় চাকরি, বেতন বছরে পৌনে ৯ লাখের বেশি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২২ অক্টোবর, ২০২২ ৭:৩০
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মার্কিন সংস্থায় চাকরি, বেতন বছরে পৌনে ৯ লাখের বেশি

        যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা আইপাস বাংলাদেশে কর্মী নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি কক্সবাজার প্রজেক্ট অফিসে ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

        পদের নাম: প্রজেক্ট অ্যাসোসিয়েট—ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা: স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাকাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট বা ফাইন্যান্স বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থায় দুই বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতাসহ অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে।

        কর্মস্থল: কক্সবাজার প্রজেক্ট অফিস বেতন: বছরে ৮ লাখ ৮২ হাজার ৯১২ টাকা সুযোগ–সুবিধা: উৎসব বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, কর্মীর স্বামী/স্ত্রীসহ স্বাস্থ্যসুবিধা, জীবনবিমাসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে। . আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীদের আইপাসের ক্যারিয়ারসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে কভার লেটার, দুটি প্রফেশনাল রেফারেন্সসহ সিভি পাঠাতে হবে। এই লিংকে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

        আবেদনের শেষ সময়: ২৯ অক্টোবর ২০২২।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল গুচ্ছে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৭০টি আসন ফাঁকা রয়েছে

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২১ অক্টোবর, ২০২২ ২৩:৩৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল গুচ্ছে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৭০টি আসন ফাঁকা রয়েছে

          ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল গুচ্ছের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৭০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দ্বিতীয় মেধাতালিকা শেষে আসনগুলো ফাঁকা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি। এ সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

          সর্বশেষ গত বুধবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১টি, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯টি এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০টি আসন ফাঁকা রয়েছে।

          প্রকৌশল গুচ্ছের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি সূত্র বলছে, প্রথম মেধাতালিকা শেষেও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বড় সংখ্যায় আসন ফাঁকা ছিলো। এরপর দ্বিতীয় মেধাতালিকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় মেধাতালিকা শেষে সেরকম আসন ফাঁকা না থাকলেও ধীরে ধীরে অনেকে ভর্তি বাতিল করায় আসনগুলো ফাঁকা হয়েছে।

          তিনটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে মূলত আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং (ইউআরপি) ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে এক ভাগ আর অন্যভাগে আরকিটেকচার বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ইউআরপি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগেই ৭০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এগুলোতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আর অন্যদিকে আরকিটেকচার বিভাগে কোন আসন খালি নেই।

          জানা যায়, তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগে সবয়েচে বেশি আসন ফাঁকা রয়েছে। এরমধ্যে চুয়েটের আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগেই ১১টি আসন ফাঁকা রয়েছে। চুয়েটেও বিভাগটিতে ১৬টি এবং লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৩টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এ ছাড়া রুয়েটের ফাঁকা ৪০টির সবগুলোই আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগে।

          খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও প্রকৌশল গুচ্ছ কমিটির সদস্য-সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ শুক্রবারে বলেন, তিনটি প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে; তবে এখনো শেষ হয়নি। যে আসনগুলো খালি রয়েছে, এ সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। আগামী ২৭ অক্টোবর ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন শেষ হলে প্রকৌশল গুচ্ছের খালি আসনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত