ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ ১২ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

পূবালী ব্যাংকে আবারও বড় নিয়োগ, পদ ৭৭, নেই আবেদন ফি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ অক্টোবর, ২০২২ ৭:৪৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
পূবালী ব্যাংকে আবারও বড় নিয়োগ, পদ ৭৭, নেই আবেদন ফি

পূবালী ব্যাংক লিমিটেড জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই ব্যাংকে আইসিটি অপারেশন ডিভিশনে ১৪ ক্যাটাগরির পদে ৭৭ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: সিনিয়র কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স টিম ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৪২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

২. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ওসিপি সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে

৩. পদের নাম: সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ভিসিপি, ভিএসএএন, ভিএনএসএক্স, আরএইচসিই, এমসিএসই, আজুর বা এম৩৬৫ সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।

৪. পদের নাম: সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৬ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স মেথডোলজির টুল সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।

৫. পদের নাম: নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সিসিএনএ, সিসিএনপি বা সিইএইচ সার্টিফিকেশনসহ অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।

৬. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৩ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ওসিপি সার্টিফিকেশন বা ট্রেনিং থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।

৭. পদের নাম: সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ভিসিপি, ভিএসএএন, ভিএনএসএক্স, আরএইচসিই, এমসিএসই, আজুর বা এম৩৬৫ সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।

৮. পদের নাম: আইসিটি সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৮ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সনদসহ নেটওয়ার্কিং, ডেটাবেজ, সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট স্কিলে অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।

৯. পদের নাম: সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ট কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৭ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স মেথডোলজির টুল সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।

১০. পদের নাম: সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ট কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব প্রবেশনারি জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ১০ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স মেথডোলজির টুল সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ৩০,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

১১. পদের নাম: সফটওয়্যার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব প্রবেশনারি জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৬ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সফটওয়্যার সাপোর্ট ও প্রসেস সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ৩০,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

১২. পদের নাম: সিস্টেম সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৪ যোগ্যতা: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে কম্পিউটার টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। ভিসিপি, ভিএসএএন, ভিএনএসএক্স, আরএইচসিই, এমসিএসই, আজুর বা এম৩৬৫ সার্টিফিকেটসহ অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ২৬,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

১৩. পদের নাম: নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৪ যোগ্যতা: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে কম্পিউটার টেকনোলজি বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সনদ থাকলে ভালো। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ২৬,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

১৪. পদের নাম: হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ফর হেড অফিস, রিজিওনাল অফিস বা ব্রাঞ্চ সাপোর্ট ইন দ্য র‌্যাঙ্ক অব ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২০ যোগ্যতা: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে কম্পিউটার টেকনোলজি বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ২৬,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

শর্ত সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার), অফিসার (কম্পিউটার), জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদের চাকরির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের এই প্রতিষ্ঠানে অন্তত পাঁচ বছর চাকরি করবেন মর্মে বন্ডে সই করতে হবে।

আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীদের পূবালী ব্যাংকের ক্যারিয়ারবিষয়ক ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে। একজন প্রার্থী শুধু একটি পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: আগামী ৩ নভেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আঠারো বছর বয়স জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২০ অক্টোবর, ২০২২ ৭:৩৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    আঠারো বছর বয়স জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের

    ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংহতির ধারক বাহক পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৭তম জন্মদিন আজ বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর)। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এক সময়ের পাঠশালাটি আজ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫’ জারির মাধ্যমে ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে চালু হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কার্যক্রম। এরপর থেকেই দিনটিকে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স ১৭ বছর পেরিয়ে ১৮-তে পা দিল।

    প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। আজ সকাল ৯টা উপাচার্যকে বিএনসিসি কর্তৃক গার্ড অব অনারের মাধ্যমে শুরু হবে কার্যক্রম। ৯টা ৫ মিনিটে জাতীয় পতাকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, ৯টা ১৫ মিনিটে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করবের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। ৯টা ২৫ মিনিটে ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচতলায় প্রকাশনা উৎসবের উদ্ধোধন।

    সকাল সাড়ে ৯টায় আনন্দ র‌্যালি। সকাল সাড়ে ১০টায় বার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন। বেলা ১১টা থেকে তাসের দেশ নামক নাটক পরিবেশনা। বেলা ১২টা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আড়াইটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ডদলগুলোর অংশগ্রহণে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে৷ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কনসার্টে চমক হিসেবে থাকছে ওয়ারফেজ ও সহজিয়া ব্যান্ড।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায় , বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয়টি অনুষদে ৩৬টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭৮ জন শিক্ষকের মধ্যে অধ্যাপক ১৪৪ জন, সহযোগী অধ্যাপক ১৭৭ জন, সহকারী অধ্যাপক ২৯০ জন ও প্রভাষক ৬৭ জন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৮৫৬ জন। এছাড়া এমফিল ২৪৫ জন ও পিএইচডি করছেন ১৪১ জন শিক্ষার্থী।

    বিগত একবছরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে উল্লেখযোগ্য অর্জন:

    নতুন ক্যাম্পাসের অগ্রগতিঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা সংকুলান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা, নতুন একাডেমিক ভবন এবং গবেষণা কাজের সুবিধার্থে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় ২০০ একর জমিতে তৈরিকৃত নতুন ক্যাম্পাসের সিমানা প্রাচীরের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে মাস্টারপ্লানের কাজ ।

    নতুন ছাত্রী হলঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা নিরসনে তৈরিকৃত একমাত্র ছাত্রীহল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে বর্তমানে ১৫৬টি কক্ষে ১২০০ জন শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। হলের নিচতলা ও দোতলায় রয়েছে লাইব্রেরি, ক্যান্টিন ও ডাইনিং।

    কাউন্সিলিং সেন্টারঃ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে আত্মহত্যার প্রবণতা, বিষণ্ণতা, পরীক্ষা ভীতি থেকে মুক্তির লক্ষ্যে গত ৩ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রতিষ্ঠিত হয় কাউন্সিলিং সেন্টার। প্রতিষ্ঠার পর গত নয় মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০ শিক্ষার্থী এ সেন্টার থেকে সেবা নিয়েছেন।

    বঙ্গবন্ধু চেয়ারঃ বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শন, মতাদর্শ, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’-এর। ডিনস কমিটির ১৩তম সভার সুপারিশ অনুযায়ী ১৮ সেপ্টেম্বর সিন্ডিকেটের ৯০তম সভায় ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু চেয়ার নীতিমালা-২০২২’ অনুমোদন হয়। খুব দ্রুতই একজন স্বনামধন্য অধ্যাপক, বিশিষ্ট গবেষক ও মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষককে এ চেয়ারে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে ৩য় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ঃ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক মূল্যায়নে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৯৩.৭৫ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।

    রসায়নে দেশসেরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ঃ স্পেনের সিমাগো ইনস্টিটিউশন র্যাং কিং-২০২২ এর প্রকাশিত ফলাফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে রসায়ন বিষয়ে গবেষণা সূচকে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথমস্থান অর্জন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ।

    বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নঃ মুজিববর্ষ ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় আসরের দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ইসাবা মাসনুন।ফাইনাল ম্যাচে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকসহ মোট ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবাড়ুদের সাথে জয় লাভ করেন ইসাবা মাসনুন।

    চক্রাকার বাস সার্ভিস চালুঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে চালু হয় চক্রাকার বাস সার্ভিস। ২৯ মে ২০২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয়কৃত একটি দ্বিতল বাসের মাধ্যমে এ সেবা শুরু হয়। বাসটি ১.৩০টায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যায়। বাসটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে দয়াগঞ্জ, সায়েদাবাদ, খিলগাঁও রেলগেট, মালিবাগ, মৌচাক,বাংলা মোটর, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও গুলিস্তান হয়ে আবারো ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

    সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইমদাদুল হক বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি প্রকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দিতে আমি কাজ করছি। আমরা গবেষণা খাতে গতবারের ছেয়ে বাজেট ডাবল করে দিয়েছি। গবেষণার উন্নয়নে আমি বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হচ্ছে।

    দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কিছু জটিলতা ছিলো। সেটা আমরা পুনরায় তৈরী করেছি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আমরা চুড়ান্ত কাজ শুরু করবো। এছাড়া ও আমি নিয়মিত মনিটরিং করছি। একটা কমিটি করে দিয়েছি তারা আমাকে নিয়মিত আপডেট পাঠাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, সিমাগো র্যাকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ দেশে প্রথম হয়েছে। এপিএ র্যাকিংয়ে আমারা ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃতীয় হয়েছি। আমাদের দুইজন শিক্ষক এবার ইউজিসি গোল্ড মেডেল পেয়েছে। সর্বোপরি যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন হয় এবং এটা একটা পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয় সেই প্রত্যাশা রেখে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিশ্বসেরা বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় শিবগঞ্জের কৃতি সন্তান ড. সফিউর

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২০ অক্টোবর, ২০২২ ৭:৩১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বিশ্বসেরা বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় শিবগঞ্জের কৃতি সন্তান ড. সফিউর

      আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক জন পি এ ইয়োনিডিসের সহযোগিতায় গত ১০ অক্টোবর বিখ্যাত জার্নাল এলসেভিয়ারে বিশ্বসেরা ২% বিজ্ঞান গবেষকের তালিকা প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞানীদের প্রকাশনা, এইচ-ইনডেক্স, সাইটেশন ও অন্যান্য সূচক বিশ্লেষণ করে তালিকাটি প্রস্তুত করা হয় ।

      স্কোপাস ইনডেক্সড আর্টিকেলকে ভিত্তি হিসেবে ধরে ২২টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র এবং ১৭৬টি উপ-ক্ষেত্রে শ্রেণীবদ্ধ করে দুটি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

      বিশ্বসেরা ২% বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ সফিউর রহমান। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার নাগরিক। তিনি ছাড়াও এই তালিকায় আইইডিসিআর, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা অন্তভুক্ত হয়েছেন।

      সেরা গবেষকদের তালিকায় নাম আসায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ড. মোঃ সফিউর রহমান বলেন, এ দেশ আমাকে সুশিক্ষিত হবার ও ভালো গবেষণা করবার সুযোগ করে দেওয়াই এ দেশের প্রতি আমার দায়িত্ব রয়েছে এবং সে কারণেই পি-এইচ.ডি. ডিগ্রী শেষ করে কানাডাতে চাকুরী/অবস্থান না করে দেশে ফিরে আসি। আজ কিছুটা হলেও তার প্রতিদান দিতে পেরেছি বলে আমার বিস্বাস এবং এটা আমার অনেক বড় প্রাপ্তি বলে আমি মনে করি।

      উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান পরমাণু শক্তি কেন্দ্র ঢাকা, বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ গবেষক হিসাবে ড. সফিউর রহমানকে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করেন। ড. সফিউর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের Applied Chemistry and Chemical Engineering বিভাগ থেকে B.Sc. ও M.Sc.ডিগ্ৰী (প্রথম বিভাগ) অর্জন করেন। B.Sc. (Hons) পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ফলাফলের জন্য তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বর্ণপদক লাভ করেন।

      ২০০০ সালে বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৪ সালে পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের Applied Chemistry and Chemical Engineering বিভাগ থেকে M.Phil ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০০৫ সালে NSERC (Natural Sciences and Engineering Research Council) Scholarship নিয়ে কানাডার Dalhousie University-তে Civil & Environmental Engineering বিভাগ থেকে M.A.Sc এবং Ph.D ডিগ্রি অর্জন করেন।

      Ph.D. গবেষণায় অবদানের স্বীকৃত স্বরুপ কানাডার Muslim Educational, Social and Knowledge Dissemination (MESK) থেকে তিনি “Outstanding Achievement Award-2014” পদক লাভ করেন। তিনি ৮টি বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের লেখক।

      জাতীয়-আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে তাঁর ১৫০-এর অধিক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, জার্মানি, ইতালি, ব্রাজিল, স্লোভাকিয়া, চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্ডিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বৈজ্ঞানিক সভা, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণে তিনি অংশগ্রহণ করেন।

      বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার (যেমন, USGS, IAEA, BGS, JAICA, CAS ইত্যাদি) বিজ্ঞানীদের সাথে তাঁর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পানির গুণগত মান উন্নয়ন, পরিবেশ দূষণ পুনরুদ্ধার, জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে।

      এদিকে ড. সফিউর এ সম্মান পাওয়ায় শিবগঞ্জে উচ্ছাস লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তাঁর প্রশংসা করেছেন জেলার বিশিষ্টজনরা। এ সম্মানে অভিনন্দন জানিয়েছেন শিবগঞ্জ প্রেসক্লাব ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ৩ নভেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর কোচিং সেন্টার বন্ধ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৯ অক্টোবর, ২০২২ ২২:৪২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩ নভেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর কোচিং সেন্টার বন্ধ

        দেশের সব কোচিং সেন্টার ৩ নভেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জন্য কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধের এ ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

        বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সংবাদ সম্মেলনের আগে এই পরীক্ষা নিয়ে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

        আগামী ৬ নভেম্বর রোববার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। প্রতি বছর এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে এ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৈশ্বিক অতিমারি কোভিড-১৯ এবং বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এ বছর পরীক্ষা যথাসময়ে হয়নি।

        শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে জানান, বর্তমানে করোনাসহ অন্যন্য দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পুনর্বিন্যাসকৃত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

        সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল), ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষাসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে মোট ১ লাখ ৯৬ হাজার ২৮৩ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। এ ছাড়া মোট প্রতিষ্ঠান কমেছে দুইটি। আর মোট কেন্দ্র বেড়েছে ২৮টি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          দেশের অতি বিরল ছোট কালি পেঁচা দেখা মিলেছে রাবি ক্যাম্পাসে

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৯ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:৩৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          দেশের অতি বিরল ছোট কালি পেঁচা দেখা মিলেছে রাবি ক্যাম্পাসে

          রাবি প্রতিনিধি: ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর দেশের পাখি তালিকায় নতুন সংযোজন ঘটে বিরল এক বন্য পেঁচার প্রজাতি। নাম জঙ্গল আউলেট বা ছোট কালি পেঁচা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্যারিস রোডে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম দেখা মেলে পাখিটির। কেবল রাবি ক্যাম্পাসে ছাড়া এখনো পর্যন্ত দেশের কোথাও দেখা যায়নি ক্ষুদ্রাকৃতির এই পাখিটি। পাখিটি ভারত ও শ্রীলঙ্কার সমভূমি, আর্দ্র অঞ্চল এবং জি রেডিয়াটাম শুষ্ক বনাঞ্চলে পাওয়া যায় বলে জানা যায়।

          পাখিটির দৈর্ঘ্য সাধারণত ২০ সে.মি. হয়ে থাকে। কালিপেঁচাটির গোলাকার মাথাটি সর্বত্র সূক্ষ্মভাবে বাঁধাযুক্ত। যার সমস্ত শরীরে ঘন বাদামি ডোরাকাটা রেখা আছে, পাখায় বাদামি রেখাগুলো সুনিপুণ চিত্রকলার মতো মনে হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলো অন্যান্য অনেক প্রজাতির পেঁচা থেকে একে আলাদা করেছে। পাখিটির বৈজ্ঞানিক নাম (Glaucidium radiatum)। এরা ফড়িং, পঙ্গপাল এবং অন্যান্য বড় পোকামাকড়, মোলাস্কস, টিকটিকি, ইঁদুর ইত্যাদি খেয়ে বেঁচে থাকে। পাখি গবেষকরা ১৯৫১ সাল থেকে দেশে এর ডাক শোনার কথা বলে আসলেও পাখি ডাটাবেসে নথিভুক্ত হয় ২০২১ সালে।

          রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক, বাংলাদেশের প্রখ্যাত বন্য প্রাণী গবেষক ও লেখক প্রফেসর আনিসুজ্জামান মো. সালেহ রেজার প্রথমে নজরে পড়ে পাখিটি। এরপর খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছোট কালিপেঁচার ছবি তুলতে রাবিতে আসতে থাকেন পাখিপ্রেমীরা। অধ্যাপক সালেহ রেজার প্রচেষ্টায় ছোট কালিপেঁচা এরই মধ্যে বাংলাদেশের পাখিদের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

          প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে অধ্যাপক রেজা বলেন, ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর সকালে রাবিতে হাঁটতে গিয়ে পাখিটির দেখা পাই। পাখিটি ছোট কালিপেঁচা বলে মনে হয়েছিল। পরে পাখিটির ছবি তুলে ও ডাক সংগ্রহ করে বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব এবং ইন্টারন্যাশনাল বার্ড ক্লাবের ওয়েবসাইটে পোস্ট করি। তারপর এই দুটি ক্লাব ও ভারতীয় বার্ড ক্লাব নিশ্চিত করে যে পাখিটি ছোট কালিপেঁচাই। বাংলাদেশের পাখির তালিকায় প্রথম নাম উঠল পাখিটির, যা গর্বের বিষয়। পাখিটির ডাক পর্যালোচনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান এবং বার্ডস বাংলাদেশের পল থম্পসন ও সায়াম ইউ চৌধুরী।

          অধ্যাপক সালেহ রেজা বলেন, সারা বিশ্বে মোট ২৫০ প্রজাতির মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ১৮ প্রজাতির পেঁচা রয়েছে। শুধু রাবি ক্যাম্পাসেই ৬ জাতের পেঁচা তাদের আবাসস্থল তৈরি করেছে, যা নতুন প্রজাতির সংযোজনের ফলে ৭টিতে পৌঁছাল। রাবির প্যারিস রোডের আম ও গগনশিরিশ গাছগুলোতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় এই পেঁচা সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। নতুন এই পাখির প্রজাতির আবিষ্কার বাংলাদেশের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের পরিচয় বহন করে এবং দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় গভীর মনোযোগের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।'

          বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী পাখিপ্রেমী আব্দুল্লাহ আল মামুনের ক্যামেরায় গতকাল আবারো ফ্রেমবন্দী হলো পাখিটি। তিনি বলেন, গতবছর যখন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাখিটি দেখতে ক্যাম্পাসে পাখি প্রেমিদের আনাগোনা চলছিল তখন আমি পরীক্ষার জন্য ঘরবন্দী। পরীক্ষা শেষে জানুয়ারি থেকে পাখিটিকে ক্যামেরাবন্দী করতে টুকটাক খোঁজ করতে থাকি। দীর্ঘ একবছর প্রতীক্ষার পর গতকাল দেখতে পেয়েছি। দেরি না করেই চট করে কয়েকটি ছবি ক্যাপচার করলাম। ছবি তোলার থেকে প্রথম চোখে দেখাতেই বেশি আনন্দ পেয়েছি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত