শিরোনাম
যানজটের কাছে হেরে গেল কুবির ভলিবল দল
রাস্তায় যানজটের কারণে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ ভেন্যুতে পৌঁছাতে ৪৫ মিনিট দেরি হওয়ায় বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২ থেকে বাদ পড়লো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ভলিবল দল।

দ্বিতীয় রাউন্ডে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এআইইউবি) মধ্যকার খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জ্যামের কারণে ১১টা ৪৫ মিনিটে সাভার গণবিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পৌঁছায় কুবি ভলিবল দল। এরই মধ্যে এআইইউবিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এই বিষয়ে শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য আমি ঢাকাতেই ছিলাম। ভলিবল দল পথে গৌরীপুরে জ্যামের কারণে সঠিক সময়ে উপস্থিত হতে পারেনি বলে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
ভলিবল দলের অধিনায়ক রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভালো কিছু করার প্রস্তুতি ছিল।কিন্তু যানজটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়তে হলো।না খেলে হেরে যাওয়াটা অনেক কষ্টের।
উল্লেখ্য যে, গত ২৬শে সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ভলিবল টুর্নামেন্টে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিকে ২-০ সেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।
দুই অধ্যক্ষের দ্বন্দ্ব, পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী ভুক্তভোগী সাত পরীক্ষার্থী
লক্ষ্মীপুরে ২০ মিনিট দেরি হওয়ায় সাত শিক্ষার্থীকে জীববিজ্ঞান পরীক্ষা দিতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্র সচিব তাদের পরীক্ষার হল থেকে বের করে দিলে কান্নায় ভেঙে পড়ে তারা। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার আলেকজান্ডার কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা।
তারা হলো জিয়া উদ্দিন, আকিব হোসেন, তাজরিন জাহান, আরমান হোসেন, রুমানা আক্তার, শরীফুল ইসলাম ও নুশরাত জাহান ইতি। সকলে চর আবদুল্যাহ ফাজিল মাদরাসার পরীক্ষার্থী। ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমের সঙ্গে আলেকজান্ডার কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা তৈয়ব আলীর ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব রয়েছে। সেই দ্বন্দ্বের কারণেই কেন্দ্র সচিব তৈয়ব আলী তাদেরকে পরীক্ষায় বসতে দেননি বলে তারা অভিযোগ করেছে।
পরে শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম শান্তনু চৌধুরী ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার (একাডেমিক সুপারভাইজার) কার্যালয়ে গেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযোগ করে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার চর আবদুল্যাহ ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার ৯ জন শিক্ষার্থীর জীববিজ্ঞান বিষয়ে (ঐচ্ছিক) পরীক্ষা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা আছে কি না, তা নিয়ে তারা বিভ্রান্তিতে পড়ে। পরে পরীক্ষার বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে এর মধ্যে দুজন ১১টা ১৫ মিনিটে কেন্দ্রে প্রবেশ করে। তারা পরীক্ষা দিতে পারলেও আরো পাঁচ মিনিট পরে আসা বাকি সাতজনকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি। ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা জানায়, কেন্দ্রে আসতে তাদের ২০-২৫ মিনিট সময় লাগে। পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ায় কেন্দ্রে পৌঁছতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ২০ মিনিট দেরি হয়ে যায়। এতে তারা কেন্দ্রে ঢুকলেও পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি। অনুনয়-বিনয় করেও পরীক্ষা দিতে পারেনি। কেন্দ্র সচিব তৈয়ব আলী তাদেরকে বের করে দেন। তাদের অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমের সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণেই তৈয়ব আলী ঘটনাটি ঘটিয়েছেন বলে জানায় তারা।
আলেকজান্ডার কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তৈয়ব আলী বলেন, ‘তাদের অনুপস্থিতি দেখে যোগাযোগ করেছি। পরে ওই মাদরাসার ৯ পরীক্ষার্থীর দুজন ১৫ মিনিট পরে আসে। তাদেরকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাকি সাত শিক্ষার্থী প্রায় আধাঘণ্টা পরে হলে আসে। এতে তাদেরকে নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যায়নি ‘
চর আবদুল্যাহ ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম শান্তনু চৌধুরী বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে। পাবলিক পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী তারা নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেনি। ঘটনাটি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। চেষ্টা করব যেন তাদের প্রতি কর্তৃপক্ষ সুদৃষ্টি দেয়। তাদেরকে অন্যান্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বলেছি।’
৬০০ বার ব্যর্থ হয়ে অবশেষে বিশ্বব্যাংকে চাকরি পেলেন তিনি
এ যেন সিনেমা'র কাহিনীকে হার মানায়! বার বার ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়েননি। বিশ্বা'স করতেন ধৈর্য ধরলে সফলতা একদিন আসবেই। নিজের স্বপ্নের চাকরি পেতে চেষ্টা করে গেছেন ক্রমাগত। অবশেষে সেই চেষ্টার ফল হিসেবে বিশ্বব্যাংকে চাকরির সুযোগ পেলেন যু'ক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ২৩ বছর বয়সী ভাটসাল নাহাতা।
দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অব কমা'র্স থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে যু'ক্তরাষ্ট্রের নামকরা ও প্রাচীন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি। সেখানে ২০২০ সালে স্নাতকের শেষ পর্যায়ে করো'না মহামা'রির সময় থেকে চাকরির জন্য চেষ্টা শুরু করেন নাহাতা। কিন্তু করো'না মহামা'রির কারণে কোথাও সুবিধা করতে পারছিলেন না।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের পছন্দের চাকরি পাওয়ার অ'ভিজ্ঞতা জানিয়েছেন ভা'রতের এই যুবক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার প্রকাশিত পোস্টটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে নেটিজেনদের মধ্যে। তার এ পোস্টে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ লাইক দিয়েছেন। এ ছাড়া তার পোস্টটি শতাধিক মানুষ শেয়ারও করেছেন।
নাহতা জানান, বিশ্বব্যাংকে চাকরি করার স্বপ্ন ছিল তার। স্বপ্নের চাকরির পেছনে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে লেগে ছিলেন। এর জন্য তাকে ৬০০ মেইল আদান–প্রদান করতে হয়েছে। ৮০ বার কল করতে হয়েছে। তবু হাল ছাড়েননি তিনি। ক্রমাগত চেষ্টার পর গিয়ে স্বপ্নের চাকরি করার সুযোগ পেয়েছেন।
নাহাতা তার পোস্টে লিখেন, ওই (করো'না মহামা'রী) সময় অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মী ছাঁটাই শুরু হয়েছিল। দুই মাসের মধ্যে স্নাতক শেষ হচ্ছিল। হাতে কোনো কাজ ছিল না। আমি ইয়েলের শিক্ষার্থী হিসেবে ভাবলাম, যদি চাকরিই নিশ্চিত করতে না পারি, তবে ইয়েলে এসে কী' লাভ? ওই সময় মা-বাবাও প্রশ্ন করতে শুরু করেছিল।
নাহাতা বলেন, ভা'রতে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে ভাবিনি। আমি ভেবেছিলাম, প্রথম বেতন হবে ডলারে। এ জন্য আমি নেটওয়ার্কিং বা সবার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করি। এ সময় কোনো পোর্টালে বা চাকরির দরখাস্ত করা থেকে দূরে থাকি। দুই মাসে ১৫ হাজার জনের সঙ্গে যু'ক্ত হই। ৬০০ ই–মেইল লিখি। ৮০ জন যোগাযোগ করে। বেশির ভাগ জায়গা থেকে প্রত্যাখ্যাত হই।
নাহাতা আরও লিখেন, আমি এত বেশিজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি যে আমা'র কৌশল কাজে লেগেছে। আমি মে মাসের শুরুতে চারটি চাকরির প্রস্তাব পাই। এ সময় বিশ্বব্যাংককে বেছে নিই। তারা আমা'র ভিসা স্পনসর করতে সম্মত হয়। এ ছাড়া আমা'র ব্যবস্থাপক আমাকে মেশিন লার্নিংয়ের ওপর একটি গবেষণা প্রবন্ধে সহলেখক হওয়ার সুযোগ দেন।
নাহতা বলেন, কঠিন সময় তাকে কিছু জিনিস শিখিয়েছে। এর একটি হচ্ছে নেটওয়ার্কিংয়ের শক্তি।
লালমাটির ক্যাম্পাস কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
লালমাই পাহাড়ের কোলে, প্রকৃতির মায়ায় ঘেরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।
লালমাটির ক্যাম্পাস বলে খ্যাত দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের ২৬তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ২০০৬ সালের ২৮ মে লালমাটির পাহাড় আর সমতল ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়টি।
কুমিল্লা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিমে সালমানপুর গ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান। ৫০ একর আয়তনের এ ক্যাম্পাসের বেশির ভাগজুড়েই টিলা। মূল ক্যাম্পাসের অদূরে নতুন করে একই মৌজায় আরও ২০০ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। সেখানেও সবুজে ঘেরা উঁচু উঁচু টিলা। আগামীতে এসব জায়গায় নানা ধরনের স্থাপনা গড়ার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরই প্রেক্ষৃতে সরকার ১ হাজার ৬৫৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদনও দিয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এই কাজ করবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চোখজুড়ানো এক জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হবে এই ক্যাম্পাস। তখন নিশ্চয়ই পর্যটকদের ভিড় বাড়বে আরও।
২০০৭ সালের ২৮ মে প্রথম ব্যাচের ৭ বিভাগে মোট ৩০০ শিক্ষার্থী ও ১৫ শিক্ষক নিয়ে যাত্রা শুরু করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬টি অনুষদের ১৯টি বিভাগে আছেন ৭ হাজার ৫৫ জন শিক্ষার্থী ও ২২৫ শিক্ষক।বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ টি আবাসিক হল রয়েছে। ছাত্রদের জন্য ৩ টি, ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ২টি হল। এছাড়াও শিক্ষকদের জন্য রয়েছে ডরমেটরি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪টি একাডেমিক ভবনের পাশাপাশি রয়েছে ১টি দৃষ্টিনন্দন প্রশাসনিক ভবন।
ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৮ টি নীল বাস এবং বিআরটিসির ১২ টি ভাড়া বাসসহ সর্বমোট ২০ টি বাসের ব্যবস্থা রয়েছে।এছাড়াও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য রয়েছে যাতায়াতের সুব্যবস্থা।বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে রয়েছে জরুরী প্রয়োজনে ২ টি এম্বুলেন্স। বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে একটি সুসজ্জিত লাইব্রেরি। লাইব্রেরিতে রয়েছে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি বই।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো CSE চত্বর,বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য,ফরেস্ট অব আর্ডেন,লালন চত্বর,বাবুই চত্বর, পিএ চত্বর, কাঠাল তলা,বৈশাখী চত্বর,প্রেম সেতু,ক্যাফেটেরিয়া,শহীদ মিনার,মুক্ত মঞ্চ প্রভৃতি। যা ক্যাম্পাসকে রাঙ্গিয়ে তুলেছে। মূলত একেকটি স্থাপনা ক্যাম্পাসকে ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। শিক্ষার্থীদের পদচারণে এ সকল স্থান উৎসবমূখর হয়ে উঠে। এ সব স্থান শিক্ষার্থীদের মিলনায়তন হিসেবেও পরিচিত।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে রয়েছে নানা ধরনের ফল,ফুল ও ঔষধি গাছ। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃক্ষগুলো হলো কাঁঠাল,তাল খেজুর,আম, কৃষ্ণচূড়া ফুল ,কাশফুল, জেসমিন ফুল ,জারুল, দাঁতরাঙ্গা, পাম, ইউক্যালিপটাস ও ইসকলোনিয়া নামক বৈদেশিক বৃক্ষসহ আরো হরেকরকমের গাছ। এ সব বৃক্ষগুলো যেমন ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।
অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ও।বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রকম দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের সংস্পর্শে এসে শিক্ষার্থীরা কো-কারিকুলাম এক্টিভিটিসে দক্ষ হয়ে উঠছে। এ সব সংগঠনের অনুপ্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষায় জন্য পাড়ি জমাচ্ছে বিদেশে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংগঠন হলো ডিবেটিং সোসাইটি,থিয়েটার,বিএনসিসি,রোভার স্কাউড,বৃত্ত কুবি,মডেল ইউনাইটেড নেশন,রক্তদান সংগঠন বন্ধু,ইএলডিসি,রোটার্যাক্ট ও লিও ক্লাবের মতো আন্তর্জাতিক মানের সংগঠন।
১৭ বছর আগের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আর এখনকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আকাশপাতাল ব্যবধান হয়ে দাড়িয়েছে। পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে এই ক্যাম্পাসে। ধারাবাহিকভাবে এগোচ্ছে কুবি। শিক্ষার্থীরা আশাবাদী আগামীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি হয়ে উঠবে।
প্রাথমিকের শিক্ষকদের অনলাইন বদলি আবেদনের সময় বাড়ল
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই উপজেলার মধ্যে অনলাইন বদলির আবেদন দাখিলের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষকরা।
সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মনীষ চাকমা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পত্র জারি হয়। তার আলোকে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই উপজেলার মধ্যে অনলাইন বদলি কার্যক্রম চালু হয়েছে। এই কার্যক্রমে শিক্ষকদের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া ছিল।
এতে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একই উপজেলার মধ্যে অনলাইন বদলির আবেদন দাখিল করার সময়সীমা আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্দেশনা সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য