ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দিল্লীর 'সুশান্ত বিশ্ববিদ্যালয়' ও 'ডিআইইউ'র' সমঝোতা স্মারক সাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৯:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
দিল্লীর 'সুশান্ত বিশ্ববিদ্যালয়' ও 'ডিআইইউ'র' সমঝোতা স্মারক সাক্ষর

ভারতের দিল্লীর সুশান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃক আয়োজিত "উচ্চশিক্ষায় সীমনা উন্মোচন" শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

গতকাল ২৬ সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার অনুষ্ঠিত অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং গবেষনা ও প্রকাশনা সেলের অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক আব্দুল বাসেদ।

উক্ত অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের মাঝে সমোঝতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    দেশের স্বার্থে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে:বেরোবি উপাচার্য

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৯:২৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    দেশের স্বার্থে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে:বেরোবি উপাচার্য

    পুলক আহমেদ, বেরোবি প্রতিনিধিঃ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হাসিবুর রশীদ বলেছেন, "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে সর্বক্ষেত্রে কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। সকলকে সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। নিজের স্বার্থে নয় বরং দেশের স্বার্থে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

    সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২) সকালে একাডেমিক ভবন-২ এর ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, আপনাদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বল্পতম সময়ে চার বছরের সেশনজট নিরসন এমন কার্যক্রমের অন্যতম উদাহরণ। সুতরাং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।"

    দূর্নীতি দমন ও শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক প্রণীত জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ কমিটির উদ্যোগে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মজিব উদ্দিন আহমদ।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আহবায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মোঃ শরিফুল ইসলাম, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. আর এম হাফিজুর রহমান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোঃ ওসমান গনি তালুকদার, বহিরাঙ্গন কার্যক্রমের পরিচালক সাব্বীর আহমেদ চৌধুরী, অর্থ ও হিসাব বিভাগের বাজেট শাখার উপ-পরিচালক খন্দকার আশরাফুল আলম, সেন্টার ফর ডিজিটাল ট্রান্সমিশন-এর উপ-পরিচালক এস এম আব্দুর রহীম, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সাত কলেজের প্রথম মেধাতালিকা কাল

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:১৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      সাত কলেজের প্রথম মেধাতালিকা কাল

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথমবর্ষের প্রথম মেধাতালিকা আগামীকাল বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুই মেধাতালিকা প্রকাশিত হবে।

      মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

      তিনি জানান, সাত কলেজের প্রথম মেধাতালিকা আগামীকাল প্রকাশিত হবে। এরপরে আরও দুইটি মেধাতালিকা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে। শিক্ষার্থীদের চাহিদা সাপেক্ষে ও ওয়েটিং তালিকা আবারও মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে।

      মোস্তাফিজুর আরও বলেন, আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে সাত কলেজের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম মনোনয়নে উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছুদের ২৮ অক্টোবরের মধ্যে কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তি হতে হবে। পরবর্তীতে প্রকাশিত মনোনয়নগুলোর ভর্তি কার্যক্রমের তারিখ পরে জানানো হবে। তবে ১৮ অক্টোবর থেকেই নতুন বর্ষের পাঠদান শুরু হবে।

      উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট বিজ্ঞান অনুষদ, ১৯ আগস্ট কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং ২৬ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে ইউনিটগুলোর ফল প্রকাশিত হয়।

      এর আগে, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছুদের কলেজ ও বিষয় পছন্দক্রম শুরু হয়। একইসঙ্গে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীরা শিক্ষার্থীদেরও কলেজ ও বিষয় পছন্দক্রম কার্যক্রম চলছিল।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রাথমিকের শিক্ষকেরা সামাজিক মাধ্যমে যা যা করতে পারবেন না

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১২:২৪
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        প্রাথমিকের শিক্ষকেরা সামাজিক মাধ্যমে যা যা করতে পারবেন না

        সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে প্রাথমিকের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষকদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ ক্ষেত্রে কী কী অনুসরণ করতে হবে, এর আট দফা তালিকা দিয়েছে অধিদপ্তর।

        ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’র আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গতকাল রোববার এ নির্দেশনা দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সব পরিচালক, সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আদেশে সই করা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মহিউদ্দীন আহমেদ তালুকদার প্রথম আলোকে বলেছেন, বিষয়টি শিক্ষকদের অবহিত করবেন জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা।

        নির্দেশনায় বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, মন্তব্য, লাইক ও শেয়ার করতে পারবেন না। এসব কাজ থেকে তাঁদের বিরত থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনো রকম তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।

        এ ছাড়া কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নীতিপরিপন্থী কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে, এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, মন্তব্য, লাইক, শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিসকে হেয়প্রতিপন্ন করে, এমন কোনো পোস্ট দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। লিঙ্গবৈষম্য বা এ–সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য–উপাত্তও শেয়ার করা যাবে না।

        এ ছাড়া জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে, এমন বিষয়ে লেখা, অডিও বা ভিডিও প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না। ভিত্তিহীন, অসত্য বা অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকেও বিরত থাকতে হবে। অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্যসংবলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, মন্তব্য, লাইক, শেয়ার করা যাবে না।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য নীতিমালা করছে ইউজিসি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১২:২০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য নীতিমালা করছে ইউজিসি

          দেশে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পর শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে একটি নীতিমালা করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

          এ জন্য ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে শিগগির এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

          কমিটি সোমবার প্রথম সভা করেছে ভার্চ্যুয়ালি। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য সঞ্জয় কুমার অধিকারী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহউপাচার্য মাহবুবা নাসরীন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন আফরোজা পারভীন ও ইউজিসির উপপরিচালক মৌলি আজাদ (সদস্যসচিব)।

          সভায় কমিটির প্রধান মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, অবকাঠামো ও শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নানাভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।

          মুহাম্মদ আলমগীর আরও বলেন, নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে একটি নীতিমালা করা গেলে দেশে গুণগত উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হবে। মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হবে। তাঁরা বৈশ্বিক বাজার উপযোগী হিসেবে গড়ে উঠবেন।

          কমিটির সভায় বলা হয়, নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সংকট রয়েছে। কনিষ্ঠ শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য কমিটি ‘একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান’ তৈরি ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

          কমিটি অংশীজনদের নিয়ে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে সভা-সেমিনারের আয়োজন করবে।

          কমিটি গঠনের বিষয়ে ইউজিসি বলছে, সাম্প্রতিক কালে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর কোনো ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এ ছাড়া তারা ভাড়া করা ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত