শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের আবাসন-পরিবহন ফি’র অর্থ ফেরত দিচ্ছে ঢাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের আবাসন ও পরিবহন ফি ফেরত দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এজন্য শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করে টাকার চেক নেওয়ার আহবান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞিপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘‘২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ক্লাস আগামী ৭ থেকে শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে গত ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত ডিনস্ কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘‘কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকাকালীন মার্চ ২০২০ থেকে ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় আরম্ভ না হওয়া পর্যন্ত ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত আবাসন ফি এবং পরিবহন ফি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মওকুফ করেছে। উক্ত আবাসন ফি ও পরিবহন ফি সমন্বয় করে স্ব স্ব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়া হচ্ছে। নিজ নিজ বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করে মওকুফকৃত উল্লেখিত ফি’র চেক গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সময় ১ম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ, ৫ম বর্ষ (ফার্মেসী) এবং মাস্টার্স শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবাসন ফি ও পরিবহন ফি নেয়া হয়েছিল। ভর্তি হওয়া সকল শিক্ষার্থী আবাসন ও পরিবহন ফি’র অর্থ ফেরত পাবেন।
প্রকৌশল গুচ্ছের ফল আজ
দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ শেষ। আজ বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার ভর্তিচ্ছুদের খাতা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেখানে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকালের আগেই ফল প্রকাশ করা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকৌশল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আহবায় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক অধ্যাপক ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন।
তিনি বলেন, ফল তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ওয়েবসাইটে ফল আপলোডের কাজ চলমান রয়েছে। আশা করছি বিকালের মধ্যেই ফল প্রকাশ করতে পারবো।
এর আগে গত ৬ আগস্ট প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার চুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৭৪০ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৭৩৭ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী; কুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৫৫৩ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৮৭০ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন।
রুয়েট কেন্দ্রে সর্বমোট ৯ হাজার ৪৯৫ জন ভর্তিচ্ছু অংশ নিচ্ছে। ‘ক’ গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে সর্বমোট ৮ হাজার ৮৭৩ জন এবং ‘খ’ গ্রুপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগে অংশ নিয়েছে ৬২২ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার’ অ্যাওয়ার্ডের প্রাইজ মানি ৩ লাখ, আবেদন চলছে
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার’ নির্বাচন ও অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ অ্যাওয়ার্ডের প্রাইজ মানি ৩ লাখ টাকা। সঙ্গে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পাবেন সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও গবেষণা ভাবনায় পরবর্তী প্রজন্মকে উজ্জীবিত করতে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
সামাজিক বিজ্ঞান, কলা ও মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন, ভৌতবিজ্ঞান, গাণিতিক বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, সমুদ্রবিজ্ঞান, পরিবেশবিজ্ঞান বা পরমাণুবিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা এমার্জিং টেকনোলজি, শিক্ষা ও উন্নয়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, চারু ও কারু এবং ধর্মীয় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার’ নির্বাচন ও অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
সামাজিক বিজ্ঞান, কলা ও মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং কৃষিবিজ্ঞান অধিক্ষেত্রে দুজন এবং অবশিষ্ট অধিক্ষেত্রগুলোয় একজন করে মোট ২২ জন চূড়ান্তভাবে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার’ অ্যাওয়ার্ড পাবেন।
আবেদনের নিয়ম ও শর্তাবলি ১. ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার নির্বাচন ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান নির্দেশিকায়’ বর্ণিত শর্ত, যোগ্যতা এবং অন্যান্য বিষয়াদি অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে। এ নির্দেশিকা এবং আবেদনপত্রের ফরম ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ২. বৃত্তির জন্য অবশ্যই এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ–৫.০০ (স্কেল ৫.০০ এর ক্ষেত্রে) এবং স্নাতকে জিপিএ বা সিজিপিএ–৩.৭০ (স্কেল ৪.০০–এর ক্ষেত্রে) থাকতে হবে।
৩. সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির নিশ্চয়তা পেয়েছেন বা ভর্তি হয়েছেন এমন শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, নম্বরপত্র ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের (এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাকটিভিটিজের) সনদের সত্যায়িত অনুলিপি সংযোজন করতে হবে।
৪. আবেদন ফরম আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বা সরাসরি পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের পর প্রাপ্ত কোনোও আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
৫. কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় এ বিজ্ঞপ্তি বাতিল বা পরিবর্তন এবং যেকোনো আবেদন বিবেচনা বা বাতিলের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।
*বিজ্ঞপ্তিতে দেখতে এখানে ক্লিক
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাস্ক পরা বাধ্যমূলক করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে নির্দেশনাটি সব জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিসে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এই নির্দেশনাটি গত সোমবার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাসরিন সুলতানা স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ বিস্তার মোকাবেলায় সব দপ্তর-সংস্থাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী, ছাত্র ছাত্রীদের মাস্ক পরিধানের বাধ্যবাধকতা আরোপসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হলো।
শিক্ষাক্ষেত্রে বয়সের বাধা ভাঙ্গতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা অনেক রকমের বাধা বসিয়ে রেখেছি। বয়সের বাধা, কবে পাস করলো সেটার বাধা। সতের বা আঠারো বছর বয়সে আমাদের সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা হয়ে যাবে এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। সিদ্ধান্ত হয়তো সঠিক নিয়েছিলাম একটা তিন বছর পর মনে হলো আমি এটাও নিতে চাই। একটি ডিগ্রি নিয়েছি আরো নিতে চাচ্ছি। এজন্য আমাদের বয়সের বাধা ভাঙ্গতে হবে।
বুধবার (১০ আগষ্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রলীগ আয়োজিত উন্মুক্ত বক্তব্য প্রতিযোগিতায় তিনি এ কথা বলেন।
দীপু মনি বলেন, আমাদের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান নেই। আমরা দেখছি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু শিক্ষার্থী ভর্তি করেই যাচ্ছে। তাদের সক্ষমতার থেকে অনেক বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। এটির কারণে শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা থেকে আরো বহুবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিসরে অনেক সমস্যা রয়েছে। আবাসন তার একটি সমস্যা। আবাসন সমস্যার কারণে বুলিং ও র্যাগিং হয় যার কোনটিই আসলে হওয়া উচিত নয়। এই বিষয়গুলোকে আমাদের বিশেষভাবে দেখা দরকার।এই কারণে আমরা চাই সকল বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান করুক।
তিনি বলেন, আমাদের এখন সারাদেশে প্রতি জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। কাজেই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন তিরিশ চল্লিশ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি করার কোন দরকার নেই। বরং চিন্তা করতে হবে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় কোন কোন বিষয়গুলোর উপর বেশি মনোনিবেশ করবে, কোনগুলোর উপর বিশেষায়িত হবে। এখনি তা ভাবনা-চিন্তার সময় এসেছে।
শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের তাগিদ দিয়ে দীপু মনি বলেন, আমাদের বড় ঘাটতি হচ্ছে ভাষার ক্ষেত্রে,আইসিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে জ্ঞান দরকার সেটার ,উদ্যোক্তা হবার ক্ষেত্রে যে জ্ঞান ও দক্ষতা দরকার সেখানে একটা ঘাটতি রয়েছে। আর সবচেয়ে বড় ঘাটতি হচ্ছে সফট স্কিলস, লিডারশীপ স্কিলস, ক্রিটিক্যাল থিংকিং স্কিলস-এ। সারা পৃথিবীতে এখন এগুলোকে খুব বড় করে দেখা হয়। এগুলো আমাদের অর্জন করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখনও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সকল ধরনের পরামর্শ দিয়ে সকল সময়ে রাজনৈতিক দ্বন্দে যাতে সংগঠিত রাখতে পারে সেজন্য বঙ্গমাতা সবসময় বঙ্গবন্ধুর পাশে ছিলেন। কিন্তু দুঃখ ও বেদনার বিষয় হলো ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়। এবং হত্যা করার কারণ ছিল এই পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্য রাজনৈতিক মানুষ ছিলেন।
এছাড়া বক্তব্য প্রতিযোগিতায় ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি, ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য