ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

রাবি ভর্তিচ্ছুদের জন্য ট্রেনে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা রেলওয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জুলাই, ২০২২ ১০:৪৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাবি ভর্তিচ্ছুদের জন্য ট্রেনে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা রেলওয়ের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রেলওয়ে। আগামী ২৫ জুলাই শুরু হতে যাওয়া ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বন্ধের দিনও ১৪টি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেন আজ শনিবার (২৩ জুলাই) পঞ্চগড় থেকে রাজশাহী আসবে। রোববার (২৪ জুলাই) বন্ধের দিন চলবে ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস। রাজশাহী থেকে ঢাকা ফিরবে ট্রেনটি।

খুলনা থেকে রাজশাহীগামী ও রাজশাহী থেকে খুলনাগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস চলবে সোমবার (২৫ জুলাই)। ঢালারচর এক্সপ্রেসও পরিচালিত হবে। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাজশাহী থেকে গোপালগঞ্জে যাবে টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস, আবার ফিরে আসবে। চলবে ৫৭, ৫৮, ৭৭ ও ৭৮ নম্বর কমিউটার ট্রেনও।

চালু থাকবে খুলনা থেকে রাজশাহীগামী ও রাজশাহী থেকে খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস। রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেসও চলবে।

বন্ধের দিন বুধবার (২৭ জুলাই) চলবে তিতুমীর এক্সপ্রেস। রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস চলবে একইদিনে। ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাজশাহী যাবে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই)। এদিন চলবে মধুমতী এক্সপ্রেস।

এর আগে ভর্তি পরীক্ষার সময় ট্রেন চালু রাখার জন্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার। তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবই করছি। সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবারও আমরা স্বচ্ছ ও সুন্দর ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করতে পারব।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ৪৩তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২২ জুলাই, ২০২২ ১৪:২০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৪৩তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

    পরীক্ষার হলে অবশ্যই ৯০০ নম্বরের উত্তর লেখার চেষ্টা করবেন। লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের নম্বর ক্যাডার পাওয়ার ক্ষেত্রে পার্থক্য গড়ে দেয়। উত্তর কমন না পড়লেও নিজে থেকে গুছিয়ে লেখার সামর্থ্য এবং সারা জীবনের পড়া থেকে লিংক আপ করে লেখার সামর্থ্য আপনাকে লিখিত পরীক্ষায় এগিয়ে রাখবে। বর্তমানে প্রচণ্ড গরমে লোডশেডিং হচ্ছে। সেটা স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিতে হবে। বর্ষাকালে বৃষ্টি হতে পারে। এগুলোর জন্য অবশ্যই পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষার হলে যেতে হবে। যেসব বিষয় আমাদের হাতে নেই, সেগুলো নিয়ে চিন্তিত হওয়ারও কিছু নেই। কোনো একটি পরীক্ষা আপনার আশানুরূপ না হলে সেটার প্রভাব যেন অন্য পরীক্ষায় না পড়ে, সে বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন। পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার জন্য বিষয়ভিত্তিক পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

    ইংরেজি ইংরেজি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ ১০০ নম্বরের উত্তর করতে হয় একটা প্যাসেজ থেকেই। বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নগুলোর উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারলে এখানে ২২-২৩ নম্বর পাওয়া সম্ভব। প্রতিটি প্রশ্নে ৩ নম্বর থাকে বলে উত্তরগুলো একটু বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করবেন। তবে অযথা বাক্য বড় করবেন না। সারর্মম অবশ্যই ৯০-১০০ শব্দের মধ্যে লিখবেন। লেটার টু দ্য এডিটর এবং ফিচার দুইটা দুই জিনিস। এটা মাথায় রাখবেন। অনুবাদগুলো অবশ্যই ভাবানুবাদ করে করবেন। আক্ষরিক করতে গিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। পরীক্ষায় পার্থক্য গড়ে দেয় অনুবাদ। এখানে একটু বেশি সময় দেবেন। এক হাজার শব্দের মধ্যে রচনা লিখতে হবে। বেশির ভাগ প্রার্থীর রচনা কমন পড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে রচনা ১০০০-১১০০ শব্দের মধ্যে লেখার চেষ্টা করবেন। কত পৃষ্ঠা হলো সেটা মুখ্য বিষয় নয়। ইংরেজিতে যাদের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ, তারা একটু বেশি সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবেন। ইংরেজি বাক্য অযথা বড় করার দরকার নেই।

    বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রশ্নের উত্তর শেষ করা। শেষ সময়ে মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষায় গুরুত্ব দিন। অবশ্যই সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আসবেন।

    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় না জানলে অযথা বানিয়ে লিখবেন না। বিগত কয়েকটি বছরের বিসিএসের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলো থেকেই প্রশ্ন হয়। বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এবং বাংলাদেশে এর প্রভাব অবশ্যই পড়ে যাবেন। প্রবলেম সলভিং এবং পলিসি পেপার দুইটা ভিন্ন জিনিস। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই পলিসি পেপারের ছক দেখে যাবেন। এ বিষয়ে আপনি যেভাবেই লিখুন না কেন, কিছু না কিছু নম্বর পাবেন। তবে বেশি নম্বর পেতে হলে অবশ্যই ছক মেনে লিখতে হবে।

    বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য অংশে বেশি নম্বর তোলা সম্ভব। সিলেবাসে সারমর্ম উল্লেখ আছে; সারাংশ নেই। ভাব সম্প্রসারণ এবং অনুবাদ যেন খুব ভালো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। বাংলা রচনা সময় নিয়ে লিখবেন। বাংলা খাতা পরিপাটি ও বানান যেন ঠিক থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    বিজ্ঞান বিজ্ঞানে বানিয়ে লেখার সুযোগ নেই। প্রশ্নে যতটুকু চাইবে, উত্তরে ঠিক ততটুকুই লিখবেন। অযথা উত্তর বড় করবেন না। যেসব প্রশ্নের উত্তরে চিত্র আঁকা সম্ভব, তা অবশ্যই দেবেন। যাঁরা বিজ্ঞানের ছাত্র নন, তাঁদের ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিকস পার্ট নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ, বিগত সালের প্রশ্ন থেকেই তিন-চারটি প্রশ্ন কমন পড়ে। বিজ্ঞানে অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর করতে হয়, তাই সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা গণিত নিয়ে অনেকে শঙ্কায় থাকেন। গণিতে দুর্বল হলেও ২৫-৩০ নম্বর পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে মানসিক দক্ষতায় জোর দিতে হবে। আগের বছরের বিসিএসের প্রশ্ন থেকে মানসিক দক্ষতায় অনেক কিছুই কমন পড়ে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিসিএসে খাতা দেখার সময় নির্দিষ্ট হচ্ছে, বেশি সময় নিলে ‘ব্যবস্থা’

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২২ জুলাই, ২০২২ ১৪:১৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বিসিএসে খাতা দেখার সময় নির্দিষ্ট হচ্ছে, বেশি সময় নিলে ‘ব্যবস্থা’

      বিসিএসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ লিখিত পরীক্ষা। এই ধাপে বিষয়ভিত্তিক ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হয়। এই ধাপের ফল পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় প্রার্থীদের। ফলে একটি বিসিএস শেষ হতেই কয়েক বছর লেগে যায়। লিখিত পরীক্ষার খাতা যাতে কম সময়ে দেখা শেষ করে ফলাফল দেওয়া যায়, এ জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

      পিএসসি সূত্র জানিয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় আবশ্যিক ছয়টি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ ছাড়া কারিগরি বা পেশাগত বিষয় থাকে, যা ধাপে ধাপে নেওয়া হয়। এসব পরীক্ষা দিতেও যেমন পিএসসির অনেক সময় লাগে, তেমনি ফলাফল দিতেও সময় লাগে। মূলত বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল দিতে বেশি সময় লাগে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া ও খাতা দেখানোর কাজে।

      খাতা দেখার পর মার্কস স্বাভাবিক না হলে তা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছেও পাঠানোর নিয়ম আছে। এই বিপুল কর্মযজ্ঞে সময় লাগার কারণে বিসিএসের সার্বিক ফলাফল দিতে অনেক সময় লাগে। সর্বশেষ ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। আর ফল ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রকাশ করা হয়। প্রায় এক বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলেছে। বর্তমানে ৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখার কাজ চলছে।

      লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখতে কিছু কিছু পরীক্ষক বেশি সময় নিচ্ছেন বলে পর্যবেক্ষণ করেছে পিএসসির কমিটি। ৪১তম বিসিএসের খাতা দেখা নিয়ে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পরীক্ষক প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সময় নিলে বিষয়টি আবার আলোচিত হয়েছে। এ জন্য খাতা দেখার সময় নির্ধারণ করে দেওয়ার পাশাপাশি তা কঠোরভাবে মানার কথা জানিয়েছে পিএসসির কমিটি। ওই পরীক্ষক ৬ মাসে ১০০ খাতার মধ্যে মাত্র ৩০টি খাতা দেখেছেন।

      ওই কমিটির একাধিক সদস্য বলেন, খাতা দেখার জন্য এখন থেকে পরীক্ষকদের সময় নির্ধারণ করে দেওয়ার নিয়ম চালু করেছে পিএসসি। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাতা দেখতে না পারলে ওই পরীক্ষককে আর কোনো খাতা দেখতে দেওয়া হবে না বলে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, খাতা দেখার টাকা আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

      এই সময়ের মধ্যে খাতা দেখা শেষ করতে না পারলে পরীক্ষকের কাছে খাতা নিয়ে নেওয়া হবে এবং আর খাতা দেখার দায়িত্ব দেওয়া হবে না। সর্বোপরি তাঁকে খাতা দেখার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

      পিএসসির একজন সদস্য এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সর্বশেষ ৪০তম বিসিএসের ফল দেখতে এক বছর সময় লাগে। যার কারণে ওই বিসিএস শেষ করতেও সময় লেগেছে অনেক বেশি। এতে চাকরিপ্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, বয়স চলে যায়। এসব বিবেচনায় খাতা দেখার সময় কমিয়ে আনা হয়েছে ও সঠিক সময় খাতা দেখতে না পারলে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান চালু করা হয়েছে।

      এটি করা গেলে বিসিএসে দীর্ঘ সময় কমে আসবে। আরও কম সময়ে বিসিএসের চূড়ান্ত ফল দেওয়া যাবে। তবে এ জন্য পরীক্ষককে আরও বেশি আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান হতে হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ছাত্রী হেনস্তার প্রতিবাদে প্রক্টর বরাবর চবি সাংস্কৃতিক জোটের স্মারকলিপি প্রদান

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২২ জুলাই, ২০২২ ১০:৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ছাত্রী হেনস্তার প্রতিবাদে প্রক্টর বরাবর চবি সাংস্কৃতিক জোটের স্মারকলিপি প্রদান

        চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রী হেনস্তার প্রতিবাদে প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোট।

        বুধবার (২১ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

        সাংস্কৃতিক জোটগুলো হলো- অঙ্গন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চ, প্রথম আলো বন্ধু সভা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরায়ণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, লোকজ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।

        স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে- সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক জোট" চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক সংগঠন সমূহের একটি সম্মিলিত পরিষদ ক্যাম্পাসে চলমান যৌন হয়রানি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতায় আমরা উদ্বিগ্ন। তার প্রক্ষিতে আমরা নিম্নলিখিত দাবিগুলো উত্থাপন করছি।

        ১.যৌন হরানিতে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।

        ২. ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

        ৩. শাটল ট্রেনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

        ৪. কাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

        ৫. পুরো ক্যাম্পাসকে সিসি টিভির আওতায় আনতে হবে এবং তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

        ৬. পূর্বে সংগঠিত সকল অপরাধমূলক কার্যকলাপের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা, যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২২ জুলাই, ২০২২ ১০:৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা, যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ

          আগামী ২৫ থেকে ২৭ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসময় ক্যাম্পাসে সুষ্ঠুভাবে চলাচলসহ ভর্তি পরীক্ষা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

          বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

          বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষার দিন সকাল ৮টার পর ক্যাম্পাসে কোনো প্রকার ভারী যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন কাজলা ও বিনোদপুর গেট দিয়ে প্রবেশ করে মেইন গেট দিয়ে বেরিয়ে যাবে। কৃষি ও চারুকলা অনুষদে যাওয়ার ক্ষেত্রে মন্নুজান হল-বেগম খালেদা জিয়া হল-স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন-তুঁত বাগান সংলগ্ন রাস্তাটি চলাচলের জন্য উম্মুক্ত থাকবে। তবে, শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা সকল রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে।

          এছাড়াও, সকাল ৮টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনমুখী সংলগ্ন সংযোগ সড়কগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল এবং অটোরিকসাসহ কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত গাড়িসমূহ এই নির্দেশের আওতামুক্ত থাকবে।

          ২৫ থেকে ২৭ জুলাই শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ তাদের ব্যক্তিগত গাড়িসমূহ পার্কিং এর জন্য সাবাস বাংলাদেশ ও জুবেরী ভবনের মাঠ ব্যবহার করবেন।

          আগামী ২৫ থেকে ২৭ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসময় ক্যাম্পাসে সুষ্ঠুভাবে চলাচলসহ ভর্তি পরীক্ষা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

          বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

          বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষার দিন সকাল ৮টার পর ক্যাম্পাসে কোনো প্রকার ভারী যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন কাজলা ও বিনোদপুর গেট দিয়ে প্রবেশ করে মেইন গেট দিয়ে বেরিয়ে যাবে। কৃষি ও চারুকলা অনুষদে যাওয়ার ক্ষেত্রে মন্নুজান হল-বেগম খালেদা জিয়া হল-স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন-তুঁত বাগান সংলগ্ন রাস্তাটি চলাচলের জন্য উম্মুক্ত থাকবে। তবে, শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা সকল রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে।

          এছাড়াও, সকাল ৮টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনমুখী সংলগ্ন সংযোগ সড়কগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল এবং অটোরিকসাসহ কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত গাড়িসমূহ এই নির্দেশের আওতামুক্ত থাকবে।

          ২৫ থেকে ২৭ জুলাই শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ তাদের ব্যক্তিগত গাড়িসমূহ পার্কিং এর জন্য সাবাস বাংলাদেশ ও জুবেরী ভবনের মাঠ ব্যবহার করবেন।

          বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ভর্তি পরীক্ষার দিনগুলোতে তাদের আবাসিক এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কাজলা গেট ব্যবহার করতে পারবেন এবং বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্যারিস রোড হয়ে মেইন গেট এবং রোকেয়া হলের পেছনের রাস্তা (ফ্লাই-ওভার সংলগ্ন) ব্যবহার করতে পারবেন।

          উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সকলের একান্ত সহযোগিতা আশা করেছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত