ঢাকা, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিএনপি মিথ্যা বলার কারখানা: শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জুন, ২০২২ ১৫:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপি মিথ্যা বলার কারখানা: শেখ হাসিনা

বিএনপি কথা বানানো এবং মিথ্যা কথা বলার কারখানা বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় (ভার্চ্যুয়াল) প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, 'তাদের (বিএনপি) একটা ভালো ইয়ে আছে- মিথ্যা কথা বানানোর আর মিথ্যা কথা বলার একটা কারখানা যদি থেকে থাকে সেটা হলো বিএনপি। তারা মিথ্যা কথা বানানো এবং বলতে খুব ভালো পারে। যত রকম মিথ্যা এটার প্রডাকশন তারা খুবই ভালোই দেয়, বলেও যায়। আমাদের কিছু লোক সেটা নিয়েও বেড়ায়। '

পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, 'আমরা পদ্মা সেতু করেছি আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে। এটা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। বিএনপি আবার প্রশ্ন তোলে কোন মুখে যাদের আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ভরা। এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে। সাজা পেয়েছে খালেদা জিয়া। শুধু এতিমের অর্থ কেন নাইকো, গেটকো এ রকম বহু কেস ঝুলে আছে। ’

তারেক জিয়াকে দেশ আসতে দেওয়া হচ্ছে না বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির এক নেতা বলেছেন যে তারেক জিয়াকে নাকি আসতে দেওয়া হয় না। কথাটা ঠিক না। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছে। ২০০৭ সালে তখন তারেক জিয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে মুছলেখা দিয়েছিল, একেবারে লিখিত দলিল সে আর রাজনীতি করবে না। এই শর্তে সে কারাগার থেকে মুক্তি নিয়ে সে বিদেশে পাড়ি জমায়। এটাতো বিএনপি নেতাদের ভুলে যাওয়ার কথা না। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতার তার যদি সাহস না থাকে ফিরে আসার সে আবার নেতৃত্ব দেয় কীভাবে। আমাকে তো বাধা দিয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আমার বিরুদ্ধে মার্ডার কেস দিয়েছিল। ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছিল। আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে আমি বলেছিলাম যে আমি দেশে যাবো। আমি কোর্টে হাজিরা দেবো এবং আমি মামলা মোকাবিলা করবো। আমি তো জোর করে দেশে ফিরে এসেছি। তারপর আমাকে কারাবন্দী করা হয়েছে, ঠিক আছে। আমি রাজনীতি করি, কারাবন্দী হতেই হবে। আমাকে তো খালেদা জিয়া, তারেক জিয়ারা গ্রেনেড মেরে হত্যাও করতে চেয়েছিল। ... বার বার আমার ওপর আঘাত করেছে, গুলি, বোমা। কারা করেছে এরাই তো করেছে। ’

সভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৩ জুন, ২০২২ ১৫:৪২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম ধাপের সাধারণ জ্ঞান (বহুনির্বাচনী) এর ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে পারবেন ভর্তিচ্ছুরা। আগামী ২ জুলাই দ্বিতীয় ধাপের অঙ্কন (ফিগার ড্রইং) এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মোট ১০০ নম্বরের। দুটি অংশে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একটি হলো— সাধারণ জ্ঞান (বহুনির্বাচনী)। এ অংশে রয়েছে ৪০ নম্বর। অন্যটি হলো— অঙ্কন (ফিগার ড্রইং)। এতে রয়েছে ৬০ নম্বর। সাধারণ জ্ঞান অংশের পরীক্ষাটি গত ১৭ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভাগীয় শহরের নির্ধারিত কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। আর দ্বিতীয় ধাপের অঙ্কন (ফিগার ড্রইং) পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই ইউনিটের অঙ্কন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

    তথ্য মতে, এই ইউনিটে ১৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন সাত হাজার ৩৫৬ জন। সেই হিসাবে সাধারণ জ্ঞান অংশের পরীক্ষায় আসনপ্রতি ৫৬ জন প্রার্থী অংশ নেয়। তবে প্রথম থাপের পরীক্ষা শেষে মেধাক্রম অনুযায়ী ১ হাজার ৫০০ জনকে দ্বিতীয় ধাপের অঙ্কন পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে।

    ‘চ’ ইউনিট শুধু চারুকলা অনুষদ নিয়ে গঠিত। এ অনুষদের বিভাগগুলো হলো— অঙ্কন ও চিত্রায়ণ, ভাস্কর্য, গ্র্যাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প, প্রিন্ট মেকিং, প্রাচ্যকলা, শিল্পকলার ইতিহাস এবং মৃৎশিল্প ইত্যাদি।

    এর আগে ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের, ৩ জুন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের এবং ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছেন প্রায় দুই লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮ শিক্ষার্থী। আবেদন ফি ছিল এক হাজার টাকা। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে আসন সংখ্যা ছয় হাজার ৩৫। অর্থাৎ প্রতি আসনের জন্য এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৮ জন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি: শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু রোববার

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৩ জুন, ২০২২ ১৫:৪০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি: শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু রোববার

      বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে আগামী রোববার (২৬ জুন) থেকে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই কার্যক্রম চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।

      বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন এনটিআরসিএ’র পরিচালক (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) কাজী কামরুল আহছান।

      বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) কর্তৃক ৪র্থ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের (Entry Level) শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনা) থেকে অনলাইনে MPO ভুক্ত শূন্য পদের অধিযাচন (e-Requisition) সংগ্রহের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত অধিযাচন (e Requisition) কার্যক্রম আগামী ২৬ জুন থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

      ৩য় গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম চলমান থাকায় ৩য় গণবিজ্ঞপ্তিতে যে সকল শূন্যপদের e- Requisition প্রদান করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে আগামী ৩০ জুন যে সকল MPO ভুক্ত পদ শূন্য হবে ঐ সকল শূন্য পদের অধিযাচন প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে অনুরোধ করা হলো। ৩য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগ সুপারিশ প্রদানের পর যে সকল MPO ভুক্ত পদে শিক্ষক যোগদান করে অন্যত্র চলে গেছেন সে সকল MPO ভুক্ত শূন্য পদের বিপরীতেও অধিযাচন প্রদান করতে হবে।

      প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের নিজস্ব User ID এবং Password ব্যবহার করে http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে অথবা NTRCA এর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) ই-রিকুইজিশন সেবা বক্সের e- Requisition Log Inঅপশনে ক্লিক করে e-Requisition প্লাটফরমে প্রবেশ করতঃ অনলাইন ফরমটি পূরণপূর্বক শুধুমাত্র MPO ভুক্ত শূন্যপদের অধিযাচন প্রেরণ করবেন। অনলাইন ফরমটি পূরণের সময় এনটিআরসিএ'র ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত ই-রিকুইজিশন সংক্রান্ত নির্দেশিকাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

      প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ কর্তৃক অনলাইনে ই-রিকুইজিশন দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (USEO) এবং পরবর্তীতে জেলা শিক্ষা অফিসার (DEO) তাদের নিজ নিজ User ID / Password ব্যবহার করে ই-রিকুইজিশন প্লাটফরমে প্রবেশ করবেন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ কর্তৃক প্রেরিত শূন্য পদের তালিকাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাইপূর্বক অনলাইনে সাবমিট করবেন।

      বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ের (entry level) MPO ক্যাটাগরির শিক্ষকের শূন্যপদের অধিযাচন, প্রদানের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো। Non-MPO পদের জন্য শূন্য পদের চাহিদা সংক্রান্ত অধিযাচন (e- Requisition) পরবর্তীতে গ্রহণ করা হবে।’’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ৪৩তম বিসিএসে লিখিত পরীক্ষায় মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৩ জুন, ২০২২ ১২:৩৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৪৩তম বিসিএসে লিখিত পরীক্ষায় মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

        ৪৩তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৪ জুলাই শুরু হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষায় বই, ঘড়ি, মুঠোফোন, অলংকার ও কোনো ধরনের ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ওই দিন পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ সামগ্রী না আনতে নির্দেশনা দিয়েছে পিএসসি। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

        বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে যদি এসব নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে পিএসসির সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

        লিখিত পরীক্ষায় যেসব নির্দেশনা মানতে হবে ১. পরীক্ষাকেন্দ্রে বইপুস্তক, ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গয়না, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

        ২. পরীক্ষার হলের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মুঠোফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে।

        ৩. পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব পরীক্ষার্থীর মুঠোফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

        ৪. পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখতে পারবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে। ৪৩তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা আগামী ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

        এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫, শিক্ষা ক্যাডারে ৮৪৩, অডিটে ৩৫, তথ্যে ২২, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমে ১৪ ও সমবায়ে ১৯ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সাধারণ গুচ্ছের আবেদন শেষ হচ্ছে শনিবার

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৩ জুন, ২০২২ ১১:৪৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সাধারণ গুচ্ছের আবেদন শেষ হচ্ছে শনিবার

          গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথমবর্ষ ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া আগামী শনিবার (২৫ জুন) শেষ হচ্ছে। এদিন দিবাগত রাত ১২টায় এই আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হবে। এর আগে, গত ১৫ জুন থেকে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়।

          এদিকে গুচ্ছের টেকনিক্যাল সাব কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ জুন) পর্যন্ত ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ তিনটি ইউনিটে সর্বমোট ১ লাখ ৩৫ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটভুক্ত বিজ্ঞান অনুষদের সবচেয়ে বেশি এবং ‘সি’ ইউনিটভুক্ত বাণিজ্য অনুষদে সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে।

          এবার ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের এসএসসি ও সমমান এবং ২০২০ ও ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল), A লেভেল এবং অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় (সমমান নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কেবল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারছেন।

          বিজ্ঞান শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০, মানবিক শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.০০ এবং বাণিজ্য শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.৫০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদনে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।

          এদিকে আগামী ৩০ জুলাই শনিবার ইউনিট-এ (বিজ্ঞান), ১৩ আগস্ট শনিবার ইউনিট-বি (মানবিক) এবং ২০ আগস্ট শনিবার ইউনিট-সি (বাণিজ্য)-এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরীক্ষা হবে।

          প্রসঙ্গত, গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়; খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর; বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়; শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়; শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়;

          মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত