শিরোনাম
বন্যায় ২৯০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা, এসএসসি নিয়ে শঙ্কা
সিলেট সিলেটে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ২৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ করা হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তলিয়ে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বন্যার পানির কারণে এখানকার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
জেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গকুল চন্দ্র দেবনাথ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানান, এ পর্যন্ত জেলায় ২৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে। এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।
সিলেটে বৃষ্টি ও ঢল এখনো অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৃষ্টিতে পানি আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলার বেশির ভাগ এলাকাই পানিতে তলিয়ে গেছে। জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলারও বিস্তীর্ণ এলাকা পানিবন্দি। পানি বাড়ছে সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, জকিগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলায়। নগরের অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. ওয়াদুদ জানান, এ পর্যন্ত জেলার ৬০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসা পানিতে তলিয়ে গেছে। এগুলোতে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা। গোয়াইনঘাটে ৪৮ ও কোম্পানীগঞ্জে ২৬ প্রতিষ্ঠানের সবগুলোতেই পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া কানাইঘাটে ৩৭টি, জৈন্তাপুরে ১২টি, বিশ্বনাথে ১৩টি, সিলেট সদরে ১৯ ও জকিগঞ্জে ১৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
এদিকে, এ পরিস্থিতির মধ্যে আগামী রবিবার থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। বন্যার কারণে পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পাড়ুয়া এলাকার বাসিন্দা সেবুল আহমদের ছেলে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী। তবে এখন পর্যন্ত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সিলেট শিক্ষা বোর্ড।
সিলেট শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডের অধীন থাকা চার জেলায় এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী রয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৭৩ জন। এর মধ্যে বন্যাকবলিত জেলা সিলেটে ৪৩ হাজার ৮৪৪ জন ও সুনামগঞ্জে ২৩ হাজার ৭৫২ জন পরীক্ষার্থী আছে। ৪ জেলায় ১৪৯টি পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ৫৯টি ও সুনামগঞ্জে ৩৩টি পরীক্ষাকেন্দ্র আছে।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক অরুণ চন্দ্র পাল গণমাধ্যমকে বলেন, বন্যার পানিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের ৯টি উপজেলার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। বন্যার এই চিত্র্র আজ আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। এসএসসি পরীক্ষার ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ই সিদ্ধান্ত নেবে।
গুচ্ছে ৩০ ঘণ্টায় আবেদন ছাড়াল ৩৭ হাজার
গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে তিন ইউনিটে ৩৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদন করেছেন। আগামী ২৫ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
গুচ্ছের টেকনিক্যাল সাব কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৩৭ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অনলাইনে ভর্তি আবেদন করেছেন। আবেদন সংখ্যা গত শিক্ষাবর্ষের চেয়ে বেশি হবে বলে প্রত্যাশা টেকনিক্যাল সাব কমিটির।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনিক্যাল কমিটির সভাপতি এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৭ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন।
এদিকে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি কমিটির সচিব প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
আবেদন: ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের এসএসসি ও সমমান এবং ২০২০ ও ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল), A লেভেল এবং অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় (সমমান নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কেবল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে যথাক্রমে ইউনিট-এ, ইউনিট-বি ও ইউনিট-সি-তে আবেদন করতে পারবে।
ইউনিট ভিত্তিক আবেদনের যোগ্যতা: ইউনিট-এ: বিজ্ঞান শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখাসহ মাদ্রাসা বোর্ড (বিজ্ঞান) এবং ভোকেশনাল (এইচএসসি) বিজ্ঞান শাখা হিসাবে বিবেচিত হবে।
ইউনিট-বি: মানবিক শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.০০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক শাখাসহ মিউজিক, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদ্রাসা বোর্ড (সাধারণ, মুজাব্বিদ) মানবিক শাখা হিসাবে বিবেচিত হবে।
ইউনিট-সি: বাণিজ্য শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.৫০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাণিজ্য শাখাসহ ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (এইচএসসি) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স বাণিজ্য শাখা হিসাবে বিবেচিত হবে।
জিসিই-এর ক্ষেত্রে আইজিসিএসই (ও লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে ৩টি বিষয়ে বি-গ্রেডসহ ৫টি বিষয়ে পাস এবং আইএএল (এ লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে ২টি বিষয়ে B গ্রেডসহ ৩টি বিষয়ে পাস থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সরাসরি আবেদনের মাধ্যমে সমমান ও যোগ্যতা নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদন ক্রমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। সমমান নির্ধারণের জন্য আবেদনের শেষ তারিখের কমপক্ষে ১২ দিন পূর্বে সরাসরি রেজিস্ট্রার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এ যোগাযোগ করতে হবে।
আবেদন করার পদ্ধতি: জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট (www.gstadmission.ac.bd)-এ পাওয়া যাবে।
পরীক্ষার সময়সূচি: ৩০ জুলাই শনিবার ইউনিট-এ (বিজ্ঞান), ১৩ আগস্ট শনিবার ইউনিট-বি (মানবিক) এবং ২০ আগস্ট শনিবার ইউনিট-সি (বাণিজ্য)-এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরীক্ষা হবে।
ঢাবির ‘চ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা আজ, আসনপ্রতি লড়বে ৫৬ জন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ শুক্রবার (১৭ জুন) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও দেশের সাতটি বিভাগে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই ইউনিটের ১৩০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭ হাজার ৩৫৭ জন। সে হিসেবে ‘চ’ ইউনিটে প্রতি আসনের জন্য লড়বেন ৫৬ জন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ঢাবি প্রশাসন জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চারুকলা অনুষদের ‘চ’ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান অংশের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শুরুর পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কলা ভবনের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।
এর আগে দিকে গত ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা, গত ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, গত ৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, গত ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস থেকে পাওয়া তথ্যমতে, ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮ শিক্ষার্থী। আসন সংখ্যা ৬ হাজার ৩৫টি। সার্বিক হিসেবে প্রতি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪৮ জন।
‘ক’ ইউনিটের ১ হাজার ৮৫১ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭১০ জন। ‘খ’ ইউনিটের ১ হাজার ৭৮৮ আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৫৫১ জন, ‘গ’ ইউনিটে ৯৩০ আসনের বিপরীতে ৩০ হাজার ৬৯৩ জন, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে ৭৮ হাজার ২৯ জন এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৩০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭ হাজার ৩৫৭ জন।
নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা পেছাল
চলতি সপ্তাহে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন এবং কাগজপত্র প্রস্তুত করতে না পারায় চলতি সপ্তাহে এমপিওভুক্তির ঘোষণা সম্ভব হবে না বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী চলতি সপ্তাহে নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়ার কাজ চলছিল। তবে অনেক কাজ বাকি থাকায় সেটি এই সপ্তাহে সম্ভব হচ্ছে না। কাগজপত্র প্রস্তুত করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিতে কয়েকদিন সময় লেগে যাবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সপ্তাহের শেষ কার্য দিবস হওয়ায় এটি চলতি সপ্তাহে সম্ভব হবে না।
ওই কর্মকর্তারা আরও জানান, দুই হাজার ১০০ এর অধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা শিক্ষামন্ত্রী দেখেছেন। সেখান থেকে অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়েছে। এই তালিকা এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আগামী সপ্তাহে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হবে।
এর আগে গত ৫ জুন চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, আগামী সাতদিনের মধ্যে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হবে।
এর অন্য আরেকটি অনুষ্ঠানে চলতি সপ্তাহে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তবে শিক্ষামন্ত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
চবিতে ভর্তি আবেদন শুরু
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে আজ সকাল ১১টা থেকে। আবেদন চলবে আগামী ১৩ জুলাই রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ইউনিট/উপ-ইউনিটে আবেদন ফি ২০০ টাকা বাড়িয়ে ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সাথে ১০০ টাকা প্রসেসিং ফি যুক্ত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম বলেন, ভর্তি পরীক্ষার আবেদন কার্যক্রম নিয়ে আমাদের সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আশা করি শিক্ষার্থীদের আর আবেদন করতে কোনো অসুবিধা হবে না।
আবেদনের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে শিক্ষার্থীদের-
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র যারা ২০১৯ সালে মাধ্যমিক ও ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন তারাই আবেদন করতে পারবেন।
যেভাবে আবেদন করবেন:
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে (https://admission.cu.ac.bd) আবেদন করতে পারবেন।
আবেদন করতে ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথমে শিক্ষার্থীরা তাদের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও মাধ্যমিকের (এসএসসি) তথ্য পূরণ করে ‘Submit’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর যেকোনো ইউনিট/উপ ইউনিটে আবেদনের যোগ্য হলে পরবর্তী পেইজে মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে। এবং ‘Send confirmation code’ বাটনে ক্লিক করলে আবেদনকারীর প্রদানকৃত নম্বরে ‘Confirmation code’ আসবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত এবং সচল মোবাইল নম্বরটি ব্যবহার করতে হবে।
‘Confirmation code’ প্রদান করে ‘Verify code’ বাটনে ক্লিক করার পর সঠিক হলে আবেদনকারীর একটি প্রোফাইল তৈরি হবে এবং মোবাইলে ‘UserID’ ও ‘Password’ পাঠানো হবে। যা সংরক্ষণ করা জরুরি।
পরবর্তীতে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ওয়েবসাইটে লগইন করলে আবেদনকারীর যাবতীয় তথ্যাদি প্রদর্শিত হবে। কোটা থাকলে সেটি যুক্ত করতে পারবেন।
আবেদনকারী তার প্রোফাইলের নির্দিষ্ট অংশে সঠিক মাপের (Size:150kb,300×300 pixels) সদ্য তোলা স্পষ্ট ছবি (চেহারা অনাবৃত) আপলোড করবেন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ভাষা নির্বাচন করতে ‘Question Language’ এ ক্লিক করতে হবে। পাশাপাশি তিনি কোন কোন ইউনিটে আবেদনের যোগ্য এবং আগ্রহী সে অনুযায়ী ‘Select’ করতে হবে।
ইউনিট/উপ ইউনিট সিলেক্ট করার পর আবেদনকারী ‘Apply’ বাটনে ক্লিক করে একটি ‘Bill Number’ পাবেন। সেটি ব্যবহার করে ‘বিকাশ’ অথবা ‘রকেট’ এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।
এছাড়া ছবি/কোটা/প্রশ্নের ভাষা/মোবাইল নম্বর সংশোধন করতে চাইলে আবেদনকারী তার প্রোফাইলে লগইন করে ৩০০ (তিনশত) টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে করতে পারবেন। একইভাবে এসব তথ্য পরিবর্তন করতেও প্রোফাইলের ‘Personal’ ট্যাবে ‘Request To Change’ বাটনে ক্লিক করে নির্ধারিত ফি প্রদান করে পরিবর্তন করতে পারবে।
ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা যা করবে: এ-লেভেল/ও-লেভেল/সমমান বিদেশি পাঠক্রমে বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান অনুষদ অফিসে তার গ্রেডশিট/মার্কশিটসমূহের ফটোকিপসহ আবেদন করতে হবে এবং চবি রেজিস্ট্রার অনুকূলে অগ্রণী ব্যাংক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে সংগৃহিত ১০০০/- (এক হাজার) টাকার পে-অর্ডার সমতা নিরূপণ ফি হিসেবে প্রদান করতে হবে। সমতা নিরূপনেট পর আবেদনকারিকে একটি সমতা নিরূপন সনদপত্র পদান করা হবে এবং উক্ত সনদপত্রে Equivalent ID উল্লেখ থাকবে।
প্রদত্ত Equivalent ID ভর্তির ওয়েবসাইটে প্রবেশের সময় মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক রোল নম্বরের স্থানে বসিয়ে এবং বোর্ডের স্থলে Equivalent Board নির্বাচন করে যথাযথ সময়ে নির্দিষ্ট আবেদন ফি জমা দেয়ার রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।
এদিকে ভর্তি পরীক্ষা ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হবে। ১৬ ও ১৭ আগস্ট ‘এ’ ইউনিট, ১৯ আগস্ট ‘সি’ ইউনিট, ২০ ও ২১ আগস্ট ‘বি’ ইউনিট, ২২ ও ২৩ আগস্ট ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২৪ আগস্ট সকালে উপ-ইউনিট ‘বি-১’ ও একই দিন বিকেলে ‘ডি-১’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য