শিরোনাম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগামী রোববার (২২ মে) বিকাল ৪টা থেকে এ আবেদন শুরু হবে। এ আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৯ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে।
আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ১১ জুন ২০২২ তারিখের মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ০৩ জুলাই ২০২২ তারিখ থেকে শুরু হবে।
আবেদন ফরম পূরণ ও সংগ্রহের তারিখ: ২২/০৫/২০২২ থেকে ০৯/০৬/২০২২
আবেদন ফি জমা দেয়ার তারিখ: ২৩/০৫/২০২২ থেকে ১১/০৬/২০২২
অনলাইনে আবেদন ফরম নিশ্চয়ন তারিখ: ২৩/০৫/২০২২ থেকে ১২/০৬/২০২২
আবেদন ফি’র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ যেকোন সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দেয়ার তারিখ: এ লক্ষ্যে কলেজকে Login-এর মাধ্যমে Application Payment Info (Honours) অপশনে ক্লিক করে Pay Slip ডাউনলোড করতে হবে। যা ১৩/০৬/২০২২ থেকে ২০/০৬/২০২২ তারিখের এর মধ্যে নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।
আবেদনের সাধারণ যোগ্যতা:
ক) বাংলাদেশে স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে ২০১৮/২০১৯ সালের এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ এবং ২০২০/২০২১ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ৪র্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
খ) বাংলাদেশে স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ২০১৮/২০১৯ সালের এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ এবং ২০২০/২০২১ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ৪র্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
গ) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে শুধুমাত্র এইচ.এস.সি. (ভোকেশনাল) এইচ.এস.সি. (বিজনেস্ ম্যানেজমেন্ট)/ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা অনুচ্ছেদ-১ এর খ নং শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।
ঘ) আবেদনকারীদের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার পঠিত বিষয়সমূহ থেকে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি যোগ্য বিষয় নির্ধারণ করা হবে এবং উক্ত পঠিত বিষয়ে (২০০ নম্বরের) ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩.০ থাকতে হবে।
ঙ) ২০১৮/২০১৯ সালের ও-লেভেল পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত চারটি বিষয়ে উত্তীর্ণ এবং ২০২০/২০২১ সালের এ-লেভেল পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ’বি’ গ্রেডসহ অন্তত দুইটি বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এ ভর্তি কার্যক্রমে অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। এ সকল শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর সরাসরি/ই-মেইলে আবেদন পত্র প্রেরণ করবে। সাদা কাগজে লিখিত আবেদন পত্রে আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, ভর্তিচ্ছু বিষয়, প্রতিষ্ঠানের নাম ও নিবন্ধিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, ভর্তিচ্ছু বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধিভুক্ত থাকতে হবে।
চ) বিদেশী সার্টিফিকেটধারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তাদের অর্জিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নম্বর পত্রের সমতা নিরূপণ করা হলে তারাও এ ভর্তি কার্যক্রমে অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। এ সকল শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর সরাসরি/ই-মেইলে আবেদন পত্র প্রেরণ করবে। সাদা কাগজে লিখিত আবেদন পত্রে আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, ভর্তিচ্ছু বিষয়, প্রতিষ্ঠানের নাম ও নিবন্ধিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, ভর্তিচ্ছু বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধিভুক্ত থাকতে হবে। এছাড়া আবেদন পত্রের সঙ্গে আবেদনকারীর সকল পরীক্ষার ট্রান্সক্রিপ্ট, শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সমতা নিরুপনের কপি ও পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি সত্যায়িত ছবি সংযুক্ত করতে হবে।
ছ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান)/স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল/স্নাতক (পাস) নিয়মিত/প্রাইভেট কোর্সে বর্তমানে অধ্যয়নরত কোন শিক্ষার্থী ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না। তবে এ সকল শিক্ষার্থী ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বাতিলপূর্বক ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।
জ) একই শিক্ষাবর্ষে অথবা দুটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষে কোন শিক্ষার্থী স্নাতক (সম্মান)/ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল/স্নাতক (পাস) নিয়মিত/প্রাইভেট কোর্সে ভর্তি হলে ভর্তি আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
প্রাথমিকে আরও ৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তি শিগগিরই
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও ৫ হাজার ১৬৬ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে সংগীত বিষয়ে ২ হাজার ৫৮৩ জন ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে ২ হাজার ৫৮৩ জন। এই দুই বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ৮ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আটটি শর্তে সহকারী শিক্ষকের এই দুই পদ সৃষ্টিতে সম্মতি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়নাধীন চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় ৫ হাজার ১৬৬টি সহকারী শিক্ষক (সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা) পদ বছর বছর সংরক্ষণের ভিত্তিতে অস্থায়ীভাবে রাজস্ব খাতে সৃজনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতি দেওয়া হলো।’
শিক্ষক নিয়োগের জন্য কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। যেসব শর্তের কথা চিঠিতে বলা হয়েছে, সেগুলো হলো অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতি নিতে হবে, অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ থেকে বেতন স্কেল নির্ধারণ করতে হবে, প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করতে হবে, যে তারিখে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় থেকে পদ সৃষ্টির সরকারি আদেশ জারি করা হবে, সে তারিখ থেকে পদগুলো সৃষ্টি হবে, অস্থায়ী পদের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকারি আদেশ অনুসরণ করতে হবে, সহকারী শিক্ষক (সংগীত) ও সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদ নিয়োগ বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করে নিয়োগ দিতে হবে, পদ সৃষ্টির চূড়ান্ত আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সব শর্ত অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে এবং পদ দুটি সৃষ্টিতে অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের কপি ও প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের পদ সৃষ্টির সরকারি আদেশের কপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পাঠাতে হবে।
সংগীত ও শারীরিক শিক্ষায় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতির পর এখন এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্মতি দিলে সচিব কমিটির বৈঠকে প্রস্তাব তোলা হবে। সে বৈঠকে পাস হলে এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে যাবে। এরপর নিয়োগের বিষয়ে সরকারি আদেশ (জিও) করা হবে। এসব ধাপ অতিক্রম শেষে আমরা সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে ৫ হাজার ১৬৬ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারব।’
করে নাগাদ এই দুই বিষয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘যেহেতু আরও কয়েকটি ধাপ বাকি, তাই কত সময় লাগতে পারে, তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। তবে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের।’
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৬। অনুমোদিত শিক্ষক পদ ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭০১টি। সহকারী শিক্ষকের ৪৫ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের জন্য সারা দেশে তিন ধাপে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা (সিলেট বাদে) আগামীকাল ২০ মে ও তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩ জুন। তিন ধাপে পরীক্ষা নেওয়া শেষে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের আগামী জুলাই মাসের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রাবির ভর্তি পরীক্ষার বহুনর্বাচনি প্রশ্নের মানবন্টন যেভাবে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন ও শর্তাবলি প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (১৮ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০২১-২২ সেশনের ভর্তি পরীক্ষায় ৮০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নের মান হবে ১০০ নম্বর। ১ ঘন্টা সময়সীমায় অনুষ্ঠিত প্রতিটি বহুনির্বাচনি প্রশ্নের মান হবে ১.২৫।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষা তিনটি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। চার শিফটে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার প্রতিটি শিফটে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়া ১৮ হাজার করে মোট ৭২ হাজার ভর্তিচ্ছু পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
‘এ’ ইউনিট
‘এ’ ইউনিট মূলত মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত। এই ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান অংশ থেকে প্রশ্ন হবে। যেখানে বাংলা ৩৫, ইংরেজি ৩৫ ও সাধারণ জ্ঞান ৩০ নম্বরসহ মোট ১০০ নম্বর নির্ধারিত থাকবে।
জেনে রাখা ভালো: ইংরেজি বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্র বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া সঙ্গীত, নাট্যকলা, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র, মৃৎশিল্প ও ভাষ্কর্য এবং গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগসমূহে ব্যবহারিক পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হবে। যার পূর্ণমান হবে ১০০।
‘বি’ ইউনিট
‘বি’ ইউনিট মূলত বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত। তবে গ্রুপ পরিবর্তনের সুযোগ থাকায় অ-বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এখানে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। তবে এখানে বাণিজ্য ও অ-বাণিজ্যিক শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা পদ্ধতিতে প্রশ্ন হবে।
‘বি’ ইউনিটে শুধুমাত্র বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য হওয়া প্রশ্নের ধরণ হবে বাংলা ১০, ইংরেজি ২৫, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২৫, হিসাববিজ্ঞান ২৫, আইসিটি ১৫ নম্বর মিলে মোট ১০০ নম্বর নির্ধারিত। ‘বি’ ইউনিটে অ-বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের ধরণ হবে বাংলা ২০, ইংরেজি ৩০, সাধারণ জ্ঞান ২৫, আইসিটি ২৫ মিলে মোট ১০০ নম্বর নির্ধারিত।
জেনে রাখা ভালো: ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ)-এ ভর্তির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। এ ছাড়া বাণিজ্য গ্রুপের পরীক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ২৫ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ১০ নম্বর এবং অ-বাণিজ্য গ্রুপের ভর্তিচ্ছুদের ৩০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ১২ নম্বর পেতে হবে।
‘সি’ ইউনিট
‘সি’ ইউনিট মূলত বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত। তবে একই ইউনিটে গ্রুপ পরিবর্তনের অ-বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সুযোগ পাবে। তবে উভয়ের প্রশ্নের ধরণ ভিন্ন হবে। শুধু বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নের মানবন্টন হবে পদার্থ ২৫, রসায়ন ২৫, আইসিটি ৫টি প্রশ্ন। এগুলো আবশ্যিক প্রশ্ন হিসেবে বিবেচিত হবে।
অন্যদিকে ঐচ্ছিক প্রশ্নের মধ্যে থাকবে গণিত ২৫, জীববিজ্ঞান ২৫ এবং গণিত ও জীববিজ্ঞান মিলে ১৩ ও ১২টি প্রশ্নসহ মোট ৮০টি প্রশ্ন ১০০ নম্বর নির্ধারিত থাকবে।
অ-বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যারা পরীক্ষা দেবে সেসব শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নের মানবন্টন হবে বাংলা ২৫, ইংরেজি ২৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, ভূগোল ও মনোবিজ্ঞান থেকে ৩০টি প্রশ্নসহ মোট ৮০টি প্রশ্নে ১০০ নম্বর নির্ধারিত থাকবে।
জেনে রাখা ভালো: ভর্তি পরীক্ষায় আবশ্যিক শাখা থেকে ন্যূনতম ২৫ ও ঐচ্ছিক শাখায় ন্যূনতম ১০ নম্বরসহ পাশ নম্বর ৪০ নির্ধারিত থাকবে। এমনকি যেসকল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবশ্যিকসহ ঐচ্ছিক শাখার জীববিদ্যা ও গণিত উভয় বিষয়ে উত্তর দেবে, তারা ‘সি’ ইউনিটের সব বিভাগে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে। কিন্তু শুধু আবশ্যিকসহ জীববিজ্ঞান কিংবা গণিতের উত্তর করে, তাহলে নির্ধারিত কিছু বিভাগে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন ২৫ মে শুরু হয়ে শেষ হবে ৯ জুন। পরবর্তীতে জিপিএর ভিত্তিতে নির্বাচিত চূড়ান্ত পর্যায়ের আবেদন শুরু হবে ১৫ জুন। যা চলবে ২৮ জুন পর্যন্ত।
চূড়ান্ত আবেদন শেষে ২৫ জুলাই ‘সি’ ইউনিট, ২৬ ‘এ’ ইউনিট এবং ২৭ জুলাই ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তা ছাড়া শুধু এ বছরের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ থাকছে। প্রাথমিক আবেদন ফি ৫৫ টা এবং চূড়ান্ত আবেদন ফি ১১ শ টাকা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন শুরু
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ মে) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে এ আবেদন শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ওয়েবসাইটে (https://juniv-admission.org/) গিয়ে আগামী ১৬ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তিচ্ছুরা আবেদন করতে পারবেন।
এবার জাবিতে মোট পাঁচটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ভর্তি আবেদনের ফি বেড়েছে। জাবির এ, বি, সি ও ই ইউনিটে আবেদন ফি ৯০০ টাকা করা হয়েছে, যা গতবছর ছিলো ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। তবে ডি ইউনিটে আবেদন ফি ৬০০ টাকাই রয়েছে।
এদিকে আগামী ৩১ জুলাই হতে ১১ আগস্টের মধ্যে প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে বলে ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তবে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া পরীক্ষার পূর্বে বিস্তারিত তথ্য ও সিটপ্ল্যান (https://juniv-admission.org/) ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সাল ও তার পরবর্তী বছরসমূহের মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষা এবং ২০২০ ও ২০২১ সালের উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এবার জাবিতে প্রথমবর্ষ ভর্তিতে আবেদন করতে পারবে। মাধ্যমিক/সমমান ও উচ্চমাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ৪র্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ গণনা করা হবে। এছাড়া জি.সি.ই. ২০১৬ সাল থেকে তৎপরবর্তী সাল পর্যন্ত লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ৫টি (পাঁচ) বিষয়ে এবং ২০২০ অথবা ২০২১ সালের A লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
আবেদনকারীর লেভেল এবং A লেভেলের মোট ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে B গ্রেড ও ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষার্থী যেকোনো ইউনিটে আবেদন করতে পারবে।
আবেদনের নির্দেশনাবলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে (https://juniv-admission.org/) প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে ন্যূনতম যোগ্যতা যাচাইপূর্বক নিজ মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করবেন এবং প্রেরিত পাসওয়ার্ড পরবর্তীতে আবেদন/ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করবেন।
আবেদনযোগ্য ইউনিটগুলোর তালিকা থেকে আবেদনকারী আবেদন ফি প্রদানপূর্বক এক বা একাধিক ইউনিটে আবেদন করতে পারবেন। বিকাশ অথবা রকেট-এর মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি প্রদান করে ওয়েবসাইটে লগইন করার পর প্রার্থীর নিজ নিজ প্রোফাইলে স্বাক্ষর ও ছবি আপলোড করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
সর্বমোট ৫টি ধাপে (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) এই আবেদন সম্পন্ন করতে হবে-
ক. আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান
খ. মোবাইল নম্বর যাচাই ও নিশ্চিতকরণ
গ. ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড
ঘ. আবেদন প্রক্রিয়া ও ফি প্রদান
ঙ. প্রবেশপত্র ডাউনলোড
ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড আবেদনকারীকে নিজ প্রোফাইল এ গিয়ে “ছবি আপলোড করুন” ও “স্বাক্ষর আপলোড করুন” অপশনগুলোতে যথাক্রমে ক্লিক করে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (৩০০×৩০০ পিক্সেল এবং ফাইল সাইজ ১০০ কিলোবাইট এর বেশি নয়) ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর (৩০০×৮০ পিক্সেল এবং ফাইল সাইজ ৬০ কিলোবাইট এর বেশি নয়) স্ক্যান করে .jpg অথবা .jpeg ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে।
জানুয়ারি থেকে বছরে ২ সেমিস্টার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে
২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকেই দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সেমিস্টারের পরিবর্তে দুই সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এই সিদ্ধান্তের কথা এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়ে দিয়েছে।
এসব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান বাড়ানো, যেনতেনভাবে কোর্স শেষ করার প্রবণতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা এবং শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে হাতেকলমে শেখানোর দক্ষতা বাড়ানো এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে ইউজিসি।
জানা গেছে, ইউজিসি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে তিন সেমিস্টার পদ্ধতির লাগাম টানার উদ্যোগ নিয়েও অনেকটা ব্যর্থ হয়েছে। কমিশন দুই সেমিস্টার পদ্ধতির নির্দেশনা দিয়ে এর আগে কয়েক দফা সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল। তবে এবার কমিশন এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর নতুন যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছে, সেগুলোতে শুরু থেকেই দুই সেমিস্টার পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়েছে।
ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক ওমর ফারুখ বলেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দুই সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হবে। এতে শিক্ষার মান বাড়বে। শিক্ষার্থীরা প্রায়োগিক দিকগুলোতে দক্ষতা অর্জন করবে।
তিনি আরও বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে মাত্র একবার শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সারা বছর ধরে শিক্ষার্থীকে ভালোভাবে বিষয়গুলো আত্মস্থ রপ্ত করার সময় দেওয়া হয়। উন্নত দেশগুলোতে বছরে 'স্প্রিং' ও 'ফল' এ দুটি সেমিস্টার। আর আমাদের দেশে বছরে তিনটি- স্প্রিং, ফল ও উইন্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।
“প্রতি চার মাসে একটি সেমিস্টার। একটি সেমিস্টারের পাঠ ভালোভাবে রপ্ত করার আগেই আরেকটি চলে আসে। এভাবে চাকরি বাজারে শিক্ষার্থীরা গিয়ে দক্ষতায় পিছিয়ে পড়ে। আবার প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষার্থীকে নতুন করে ভর্তি হতে হয় বিপুল অঙ্কের টাকা দিয়ে।”
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে যার মতো করে পড়াচ্ছে। এ জন্যই আমরা একটা স্ট্যান্ডার্ড গাইড লাইন অনুসরণ করতে দুই সেমিস্টারে পড়াতে বলছি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য