ঢাকা, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ২৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৯ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ এপ্রিল, ২০২২ ২৩:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৯ জুন

চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষার প্রস্তাবিত সময়সূচি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। আগামী ১৯ জুন থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। এদিন কুরান মাজিদ ও তাজভিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (মাদ্রাসা-২) এ কে এম লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত পত্রের প্রেক্ষিতে জানানাে যাচ্ছে যে, ২০২২ সালের দাখিল পরীক্ষার সময়সূচির প্রস্তাব সরকার কর্তৃক অনুমােদিত হয়েছে। ২০২২ সালের দাখিল পরীক্ষার অনুমােদিত সময়সূচি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ সাথে প্রেরণ করা হলো।

পরীক্ষার নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে অসন গ্রহণ করতে হবে । প্রশ্নপত্রে উল্পিশিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সকল বিষয়ের পরীক্ষার সময় হবে ০২ (দুই) ঘন্টা। সুজনশীল বিষয়ের ক্ষেত্রে এমসিকিউ এর জন্য ২০ মিনিট, সিকিউ এর জন্য ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোন বিরতি থাকবেন।

পরীক্ষার্থীদেরকে তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে পরীক্ষা আরম্ভের কমপক্ষে তিনদিন পূর্বে সংগ্রহ করতে হবে। শারীর্ষিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা (১৪২) এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা (১৪৫) বিষয় দুটি এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরববাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বাের্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে। পরীক্ষার্থীগণ তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা স্ব-স্ব কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ৪৪তম বিসিএস ২৭ মে: পরীক্ষা কেন্দ্রে যা আনা নিষেধ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৬ এপ্রিল, ২০২২ ২২:৩৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৪৪তম বিসিএস ২৭ মে: পরীক্ষা কেন্দ্রে যা আনা নিষেধ

    ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২৭ মে (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় হাতঘড়ি, অলঙ্কার ও কোনো ধরনের ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ওই দিন পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ সামগ্রী না আনতে নির্দেশনা দিয়েছে পিএসসি।

    পিএসসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে যদি এসব নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে পিএসসির সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২১ এর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী আগামী ২৭ মে অনুষ্ঠেয় প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বই-পুস্তক, সব রকম ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্যাগসহ পরীক্ষা হলে প্রবেশ করা নিষেধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো ইতিপূর্বে পরীক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে—

    ক. পরীক্ষা কেন্দ্রে বই-পুস্তক, সব রকম ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

    খ. পরীক্ষার হলের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মুঠোফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে হবে।

    গ. পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব পরীক্ষার্থীর মুঠোফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

    ঘ. পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ পূর্বেই কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে বর্ণিত নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা ২০১৪-এর বিধিভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে কর্ম কমিশন কর্তৃক গৃহীতব্য সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

    পরীক্ষার দিন (২৭ মে) বই-পুস্তক, সব রকম ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা ও ব্যাগ না আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষার্থীকে পুনরায় বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৪৪তম বিসিএসে শ্রুতলেখকের জন্য আবেদন আহ্বান

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৬ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৩৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৪৪তম বিসিএসে শ্রুতলেখকের জন্য আবেদন আহ্বান

      ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ২৭ মে অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের মধ্যে যে প্রার্থীদের শ্রুতলেখক প্রয়োজন, তাঁদের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) থেকে শ্রুতলেখক নিয়োগ দেওয়া হবে। শ্রুতলেখক পেতে প্রার্থীদের আবেদন করার এ আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে পিএসসি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যাঁদের শ্রুতলেখক প্রয়োজন হবে, তাঁদের ২৮ এপ্রিলের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

      অফিস চলাকালে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার), বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়, প্রধান কার্যালয়, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকার দপ্তরে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

      আবেদনপত্রের সঙ্গে নিম্নলিখিত কাগজ জমা দিতে হবে ক. অনলাইন আবেদনপত্রের (BPSC Form-1) কপি ও প্রবেশপত্র। খ. প্রার্থীর দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি। গ. শ্রুতলেখকের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রদত্ত ডাক্তারি প্রত্যয়নপত্র। ঘ. সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি।

      কাগজপত্রসহ ২৮ এপ্রিলের মধ্যে অফিস চলাকালে আবেদন না করলে শ্রুতলেখক নিয়োগ করা হবে না। শ্রুতলেখকের জন্য আবেদনকারী প্রার্থীকে কেবল কর্ম কমিশন থেকে প্রদত্ত অনুমোদিত শ্রুতলেখকের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

      ৪৪তম বিসিএসের আবেদন ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আবেদন করেছেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭১৬ জন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নিতে ইউজিসির সুপারিশ, নাকচ করল জাবি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৬ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৩২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নিতে ইউজিসির সুপারিশ, নাকচ করল জাবি

        সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) এখনো নিজস্ব ক্যাম্পাসে পরীক্ষা নিচ্ছে। সোমবার জাবির সিনেট কক্ষে শিক্ষা পর্ষদের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

        বিভাগীয় শহরে কেন্দ্র করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকটে সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি)। তবে ইউজিসির এ সুপারিশ নাচক করে দিয়েছে জাবি কর্তৃপক্ষ।

        জাবি প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষা পূর্বের মতোই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। তবে জাবি প্রশাসন ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তা করছে।

        জানা গেছে, ৭ এপ্রিল দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ অনুসারে প্রতিষ্ঠিত দেশের চারটি সরকারি (ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর) বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গুচ্ছ করার আহ্বান জানানো হয়।

        সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ না নিলে ওই চার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টির বেশি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা ও বিভাগভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার ফি নেওয়া যাবে না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আদলে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ ও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভোগান্তি লাঘবে বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র করার সুপারিশ করা হয়।

        এদিকে ইউজিসির সুপারিশ অনুযায়ী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ১০ ইউনিটের পরিবর্তে ৫টি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে শিক্ষা পর্ষদের জরুরি সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্রতা বজায় রেখে পূর্বের মতোই ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাবি প্রশাসন।

        এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩-এর অ্যাক্ট মেনে চলে। অ্যাক্ট মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্রতা বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একাডেমিক কাউন্সিলে মেজরিটি এ মতামত দিয়েছেন। তবে ক্যাম্পাসের যত জায়গায় সম্ভব ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করব।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          এনটিআরসিএর মাধ্যমে ৪৭১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৬ এপ্রিল, ২০২২ ১০:২৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          এনটিআরসিএর মাধ্যমে ৪৭১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

          মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) প্রকল্পে পুলিশ ভেরিফিকেশন কার্যক্রম চলমান অবস্থায় ভিরোল ফরম দাখিল করা ৪৭১ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। নিয়োগ সুপারিশের বিষয়টি সুপারিশকৃত প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এসএমএস যোগে অবহিত করা হয়েছে।

          সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সদস্য (শিক্ষা ও শিক্ষামান) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

          বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এনটিআরসিএ থেকে সেসিপ বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় গত বছরের ০৫ আগস্ট এবং ২৮ নভেম্বর (৪৭১+১২০)= ৫৯১ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে (৪০০+৭১)=৪৭১ জন প্রার্থী এনটিআরসিএ কার্যালয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ভিরোল ফরম দাখিল করেন।

          মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পুলিশ ভেরিফিকেশন কার্যক্রম চলমান অবস্থায় ডিরোল ফরম দাখিল করা ৪৭১ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। নিয়োগ সুপারিশের বিষয়টি সুপারিশকৃত প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এসএমএস যোগে অবহিত করা হয়েছে।

          এতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে স্ব-স্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে সুপারিশ পত্র ডাউনলোড করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সুপারিশ পত্রে উল্লেখিত তারিখের মধ্যে যোগদান করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

          বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অবশিষ্ট প্রার্থীগণের মধ্যে ১২০ জন প্রার্থীকে ভিআর ফরম প্রেরণ না করায় সুপারিশ করা হয়নি। যে সকল প্রার্থীকে সুপারিশ করা হয়নি তাদের তালিকা এনটিআরসিএর ওয়েব সাইটের সেসিপ নিয়োগ সুপারিশ নামক সেবা বক্সে দেখা যাবে।

          যে সকল প্রার্থী ভিআর ফরম প্রেরণ করেননি তাদেরকে আগামী ১২ মে তারিখের মধ্যে ভিআর ফরম এনটিআরসিএ অফিসে সরাসরি জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় তাদের প্রাথমিক নির্বাচন বাতিল হয়ে যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত