ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

প্রশ্নের পুরোনো ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তির চেষ্টা হয়েছে: ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ এপ্রিল, ২০২২ ১৩:৫১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রশ্নের পুরোনো ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তির চেষ্টা হয়েছে: ডিজি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২০ এর প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম। তিনি জানান, এ পরীক্ষায় কোন ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই। গতকাল থেকে ফেসবুকে ছড়ানো প্রশ্নটি পূর্বের বছরের।

গতকাল থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরুর পর দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, একটি কুচক্রি মহল প্রতিটি পরীক্ষার আগে এ ধরনের কার্যক্রম করে থাকে। বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এরা এসব করে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) রাত থেকে পরীক্ষাকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যমগুলেতে ‘প্রশ্নসহ উত্তরপত্র’ ও ‘সাজেশন’ বিক্রির পোস্ট দিয়ে প্রলোভন দেখানো হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা শুরু সর্বশেষ কয়েক ঘণ্টা আগে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের একাধিক পাতার ছবি ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ-গ্রুপে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

মনসুরুল আলম বলেন, প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষার ৪৭০৯-নং সেটের যে প্রশ্নের ছবিটি ভাইরাল করা হচ্ছে সেটি পুরোনো। এ ধরনের সেট নম্বরে এবারে কোন প্রশ্ন হয়নি। সবাইকে সতর্ক থাকতে। যারা এগুলো করতেছে, তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিয়োগ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়েছে। আমি নিজেও একাধিক কেন্দ্র পরিদর্শনে যাচ্ছি।

প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপে শুক্রবার ঢাকাসহ ২২টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এরমধ্যে ১৪টি জেলার সব উপজেলা এবং ৮টি জেলার কয়েকটি উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আবেদনকারীরা নিজ নিজ জেলায় বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    প্রাথমিকের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা যেসব জেলা-উপজেলায়

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২২ এপ্রিল, ২০২২ ১৩:৪৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রাথমিকের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা যেসব জেলা-উপজেলায়

    সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষার শুরু হয়েছে আজ শুক্রবার (২২ এপ্রিল)। দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে ২০ মে ও তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৩ জুন।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দ্বিতীয় ধাপে ৩০ জেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৮ জেলার সব এবং ২২ জেলার কিছু উপজেলায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    তৃতীয় ধাপে ৩১ জেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৭ জেলার সব এবং ১৪টি জেলার কিছু উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুটি ধাপেরই পরীক্ষা শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নেওয়া হবে।

    দ্বিতীয় ধাপে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৫ জন এবং কেন্দ্রের সংখ্যা ৬৫৩টি। দ্বিতীয় ধাপের যেসব জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, ফরিদপুর, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, রংপুর ও বরিশাল।

    যেসব জেলার কিছু উপজেলায় পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো—নওগাঁ (সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, রানীনগর, পোরশা, সাপাহার) নাটোর (বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, গুরুদাশপুর, লালপুর), সিরাজগঞ্জ (রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, সদর, তাড়াশ) কুষ্টিয়া (খোকসা, সদর, মিরপুর) ঝিনাইদহ (হরিণাকুণ্ডু, সদর, কালিগঞ্জ) যশোর (অভয়নগর, চৌগাছা, সদর, বাঘেরপাড়া), সাতক্ষীরা (সদর, দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ), বাগেরহাট (মোল্লারহাট, মোংলা, মোড়লগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা), জামালপুর (সদর, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহ) ময়মনসিংহ (মুক্তাগাছা, সদর, নান্দাইল, ফুলপুর, তারাকান্দা, ত্রিশাল) নেত্রকোনা (খালিয়াজুড়ী, মদন, মোহনগঞ্জ, সদর, পূর্বধলা) কিশোরগঞ্জ (সদর, কুলিয়াচর, মিঠামইন, নিকলী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল) টাঙ্গাইল (কালিহাতি, মধুপুর, মির্জাপুর, নাগরপুর, সফিপুর, বাসাইল) রাজবাড়ি (কালুখালী, গোয়ালন্দ, পাংশা) কুমিল্লা (দেবিদ্বার, হোমনা, লাকসাম, লালমাই, সদর দক্ষিণ, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর, নাগলকোট, তিতাস) নোয়াখালী (বেগমগঞ্জ, চাটখিল, কোম্পানিগঞ্জ, হাতিয়া) পিরোজপুর (নাজিরপুর, নেছারাবাদ, সদর) পটুয়াখালী (কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, সদর, রাঙ্গাবালি, দুমকি) সুনামগঞ্জ (দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ, শাল্লা, সদর, তাহিরপুর) হবিগঞ্জ (সদর, লাখাই, মাধবপুর, নবীগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ) কুড়িগ্রাম (ফুলবাড়ী, রাজারহাট, রাজীবপুর, রৌমারী, উলিপুর) গাইবান্ধা (সাদুল্যাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ।

    তৃতীয় ধাপে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ২৭ হাজার ৯৭৩ জন এবং কেন্দ্রের সংখ্যা ৬৫২টি। তৃতীয় ধাপে যেসব জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো জয়পুরহাট, বগুড়া, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, নড়াইল, মেহেরপুর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, ঝালকাঠী, ভোলা, বরগুনা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী ও পঞ্চগড়।

    যেসব জেলার কিছু উপজেলায় পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো নওগাঁ (আত্রাই, বদলগাছী, ধামুরহাট, মহাদেবপুর, মান্দা), নাটোর (নলডাঙ্গা, সদর, সিংড়া), কুষ্টিয়া (ভেড়ামারা দৌলতপুর, কুমারখালী), ঝিনাইদহ (কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, শৈলকুপা), সাতক্ষীরা (আশাশুনি, শ্যামনগর, তালা), বাগেরহাট (সদর, চিতলমারী, ফকিরহাট, রামপাল), জামালপুর (বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, সরিষাবাড়ী), রাজবাড়ী (বালিয়াকান্দি, সদর), পিরোজপুর (ভাণ্ডারিয়া, ইন্দুরকানী, মঠবাড়িয়া), পটুয়াখালী (বাউফল, দশমিনা, গলাচিপা), সুনামগঞ্জ (ছাতক, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দিরাই, ধর্মপাশা), হবিগঞ্জ (আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, বাহুবল, চুনারুঘাট), কুড়িগ্রাম (ভুরুঙ্গামারী, চিলমারী, সদর, নাগেশ্বরী), গাইবান্ধা (সদর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী)।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঈদুল আজহার সঙ্গে গ্রীষ্মের ছুটি সমন্বয়, প্রাথমিকে ছুটি ১৯ দিন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২১ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৪৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ঈদুল আজহার সঙ্গে গ্রীষ্মের ছুটি সমন্বয়, প্রাথমিকে ছুটি ১৯ দিন

      সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদুল আজহার ছুটির সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন ছুটি সমন্বয় করা হয়েছে। আগামী ২৮ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৯ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকবে।

      বুধবার (২০ এপ্রিল) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

      অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ সালের ছুটির তালিকায় গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬ থেকে ২৩ মে নির্ধারিত ছিল। শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি দেওয়ার সুবিধার্থে আগে নির্ধারিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬ থেকে ২৩ মের পরিবর্তে ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই সমন্বয় করে নির্ধারণ করা হলো।

      আগামী ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ৬ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আজহা এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করতে মন্ত্রণালয়ের সভা আজ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২১ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৩৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করতে মন্ত্রণালয়ের সভা আজ

        নতুন শিক্ষা আইন করতে খসড়া তৈরি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এটি চূড়ান্ত অনুমোদন হওয়ার কথা রয়েছে। বুধবার এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নিরীক্ষা ও আইন) খালেদা আক্তার।

        তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির নেতৃত্বে এ সংক্রান্ত কমিটির সভা রয়েছে। আশা করছি, সভায় আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করে আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়ে দেব। পরে বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে।’

        এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী এক আলোচনা সভায় বলেন, শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করার কাজ শেষের দিকে। কমিটি আইনটি পর্যালোচনা করেছে। শিগগিরই আইনের খসড়া সংসদে উঠবে। শিক্ষার কাঠামো ঠিক রাখা, অসংগতি-অনিয়ম দূর করার জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা শিক্ষা আইন।

        জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর কিছু পরিবর্তন-পরিমার্জন করে সংসদে পাঠানো হবে আইনটি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ নিয়ে কাজ করব: কুবি উপাচার্য

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২১ এপ্রিল, ২০২২ ৮:১৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ নিয়ে কাজ করব: কুবি উপাচার্য

          কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কুবিসাসের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ কম, আমরা গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি নিয়ে কাজ করব। এ ছাড়া আমাদের শিক্ষক যারা জিআরই, টোফেল ইত্যাদি করতে চান, আমরা তাদেরকে সাপোর্ট দেব। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণার জন্য আমরা একটা ফান্ড তৈরি করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক গবেষণা এগিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে শিক্ষকদের গবেষণার জন্য আমরা একটি ফান্ড তৈরি করেছি।’

          কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (কুবিসাস) আয়োজনে 'কেমন চাই আগামীর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়' শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কুবিসাসের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। বুধবার (২০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

          উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের নতুন ক্যাম্পাসের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ হয়ে গেছে। অডিটোরিয়াম বা অন্যান্য ডিজিটাল ফেসিলিটিস প্রবলেমটা সলভ হয়ে যাবে। আমি চাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হবে। এখানে জ্ঞানের চর্চা হবে, দর্শনের বিকাশ ঘটবে। শিক্ষা, গবেষণা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হবে, যদি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয়কে চিনতে সাংবাদিক সমিতি তথ্য দিয়ে অনেক সহযোগিতা করেছে। তাদের এ যাত্রা অব্যাহত থাকুক।’

          সমিতির সভাপতি শাহাদাত বিপ্লবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান মুরাদের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, সাধারণ সম্পাদক ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এন. এম. রবিউল আউয়াল চৌধুরী, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক ড. মোহা হাবিবুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি আবু তাহেরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদসহ শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন আহবায়ক আহসান হাবিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

          অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘পরীক্ষার ফলাফল তৈরিতে শিক্ষকদের অনেক কর্মঘন্টা নষ্ট হয়। এ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অটোমেশন করা হলে সবার ভোগান্তি লাঘব হবে। গবেষণায় ফান্ড বরাদ্দ দিয়ে এ ক্ষেত্রটিকে এগিয়ে নেওয়া জরুরি। তাছাড়া, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরীক্ষায় ভালো ফলাফলধারীদের প্রণোদনা দিলে অন্যান্যরাও উৎসাহিত হবে। শিক্ষকদের এসকল বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মকর্তারাও উপকৃত হবে।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত