শিরোনাম
ইউজিসি-গুচ্ছের সমন্বয় করতে দুই সদস্যের কমিটি গঠন
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় করতে দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি কিমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি গুচ্ছের সব বিষয় দেখভাল করবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ এপ্রিল ইউজিসি ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সভার পর এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে দুইজন ছাড়াও সাচিবিক দায়িত্ব পালনের জন্য ইউজিসির এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ওই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে ইউজিসি সদস্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন ইউজিসির আরেক সদস্য প্রফেসর ড. আবু তাহের। আর সাচিবিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজেমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমানকে।
এই কমিটির বিষয়ে জানিয়ে ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে। ইউজিসি’র পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউজিসি ও গুচ্ছের মধ্যে সমন্বয় করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যাবতীয় বিষয় দেখভাল করবেন।
প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল ইউজিসির কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ওই সভায় ইউজিসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম সভাপতিত্ব করেন। সভায় কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের, কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামান, জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমানসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ৩৬ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপাচার্যগণের মনোনীত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রী উপস্থিতি বেড়েছে
করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উভয় পর্যায়ে ক্লাসে ফেরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রী উপস্থিতি বেড়েছে। ‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ ক্যাম্পেইনের একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার একটি হোটেলে গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
ক্যাম্পেইন পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো দেশের ৭টি বিভাগের ১৭টি জেলার ৩২৮টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে প্রায় ৩ সপ্তাহব্যাপী সমীক্ষা চালিয়েছে। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমীক্ষা চলাকালীন তিন সপ্তাহে স্কুলগুলোতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৬-৩৭ শতাংশ ছেলে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল এবং মেয়ে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল ১৪-৩৫ শতাংশ। একইসঙ্গে মাধ্যমিক স্তরে অনুপস্থিত ছিল ৩৪-৪৫ শতাংশ ছেলে শিক্ষার্থী এবং ২৮-৪১ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী।
দীর্ঘ বিরতির পর স্কুলে শিশুদের উপস্থিতি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণ এবং মানসিক সুস্থতা পর্যবেক্ষণ করতে এই গবেষণা পরিচালনা করা হয়। উল্লিখিত ৩২৮টি স্কুল থেকে ১৬০৬ জন শিশুর সঙ্গে ফোকাস গ্রুপ আলোচনা করে এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারধর্মী আলোচনার মাধ্যমে গুণগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গুণগত গবেষণা থেকে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিত থাকার প্রাথমিক কারণগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
এর কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া, বাল্যবিয়ে, পরিবারের অন্য এলাকায় স্থানান্তর, অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলে যাওয়া ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণে অনাগ্রহ ইত্যাদি। গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে স্কুলে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ও। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ শিক্ষার্থী স্কুলে মাস্ক পরে এবং সামগ্রিকভাবে ৭২ শতাংশ শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে।
ক্যাম্পেইনটি পরিচালনাকারী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলো হলো– ব্র্যাক, ব্রিটিশ কাউন্সিল, গণসাক্ষরতা অভিযান, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, এডুকো বাংলাদেশ, এফআইভিডিবি, ফ্রেন্ডশিপ, হ্যাবিট্যাট ফর হিউম্যানিটি বাংলাদেশ, হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনাল- হিউম্যানিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন, জাগরনী চক্র ফাউন্ডেশন, লিওনার্ড চ্যাশায়ার, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, রুম টু রিড বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ, সাইটসেভারস, সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ, স্ট্রমী ফাউন্ডেশন, টিচ ফর বাংলাদেশ, ভিএসও, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং ইপসা।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হবে। সরকারের অনেক গবেষণা ফলাফলের সঙ্গেই এই গবেষণা মিলে গেছে। যারা বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে তাদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনতে একদম তৃণমূলে গিয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে কাজ করবো বলে ২ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু করেছি। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্তত দুজন কাউন্সিলিংয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক থাকবেন। আর প্রতিটি জেলায় একজন করে পেশাদার কাউন্সিলর থাকবে। সবাই মিলে কাজ করলে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা অবশ্যই পূরণ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র রোববার থেকে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সারা দেশে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তিন ধাপে নেওয়া হবে। প্রথম ধাপের পরীক্ষার্থীরা আগামী রোববার থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। আবেদনকারী প্রার্থীরা নিজের জেলায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
প্রথম ধাপের পরীক্ষা ২২ এপ্রিল ২২টি জেলায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে এবং তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ৩ জুন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর নিজ নিজ জেলায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কোন তারিখে কোন জেলা ও উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
যেভাবে প্রবেশপত্র ডাউনলোড বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীদের আবেদনে উল্লিখিত মুঠোফোন নম্বরে যথাসময়ে ০১৫৫২১৪৬০৫৬ নম্বর থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের খুদে বার্তা পাঠানো হবে। প্রথম ধাপের প্রার্থীরা আগামী রোববার (১৭ এপ্রিল) থেকে এই ওয়েবসাইটে ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে অথবা এসএসসির রোল, বোর্ড ও পাসের সন দিয়ে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ও প্রবেশপত্রে পাওয়া যাবে।
২২ এপ্রিল প্রথম ধাপে যেসব জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো—ঢাকা, গাজীপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট।
আর যেসব জেলার কিছু উপজেলায় পরীক্ষা নেওয়া হবে সেগুলো হলো—যশোর (ঝিকরগাছা, কেশবপুর, মনিরামপুর, শার্শা), সিরাজগঞ্জ (উল্লাপাড়া, বেলকুচি, চৌহালী, কামারখন্দ, কাজীপুর), ময়মনসিংহ (ভালুকা, ধোবাউড়া, ফুলবাড়িয়া, গফরগাঁও, গৌরীপুর, হালুয়াঘাট, ঈশ্বরগঞ্জ), নেত্রকোনা (আটপাড়া, বারহাট্টা, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া), কিশোরগঞ্জ (অষ্টগ্রাম, বাজিতপুর, ভৈরব, হোসেনপুর, ইটনা, করিমগঞ্জ, কটিয়াদী), টাঙ্গাইল (সদর, ভুয়াপুর, দেলদুয়ার, ধনবাড়ী, ঘাটাইল, গোপালপুর), কুমিল্লা (বরুড়া, ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, সদর, মেঘনা, দাউদকান্দি) ও নোয়াখালী (কবিরহাট, সদর, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী, সুবর্ণচর)।
গত ১০ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এপ্রিলের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা নেওয়া শেষে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের আগামী জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হবে।
প্রাথমিকের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী। সে হিসাবে ১টি পদের জন্য প্রতিযোগিতা হবে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে।
শিক্ষামন্ত্রীর সাথে এনটিআরসিএ’র সভা রোববার!
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠক করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আগামী রোববার (১৭ এপ্রিল) এই সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, এনটিআরসিএ’র বিদ্যমান বেশ কয়েকটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এই সভা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ, চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম শুরু করা এবং ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজন অন্যতম। এছাড়া এনটিআরসিএ’র অবকাঠামোগত কিছু বিষয় নিয়েও ওই সভায় আলোচনা করা হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনটিআরসিএ সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। তিনি জানান, আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের সাথে একটি সভা হবে। সেই সভায় চলমান কয়েকটি ইস্যু আমরা শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করবো।
এদিকে আগামী জুন মাসে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজনের কথা থাকলেও সেটি হচ্ছে না। আনুষাঙ্গিক কাজের জন্য রুম ভাড়া নিতে না পারায় প্রিলি পরীক্ষা আয়োজন করতে পারছে না এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত একটি কার্যালয়ে এনটিআরসিএ’র জন্য বরাদ্দকৃত দুটি রুম ছিল। ওই রুম দুটি ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডকে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন করে রুম খোঁজার কাজ করছে এনটিআরসিএ। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়িও দেখা হয়েছে। তবে এখনো রুম ভাড়া নেয়নি এনটিআরসিএ।
ওই সূত্র আরও জানায়, পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির কারণে চলতি মাসে রুম ভাড়া নেওয়া সম্ভব হবে না। মে মাসে রুম পেলেও সেখানে কাজ শুরু করতে জুন মাস লেগে যাবে। এই অবস্থায় চলতি অর্থ বছরের মধ্যে প্রিলি পরীক্ষা আয়োজনের কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হবে না।
এ প্রসঙ্গে এনটিআরসিএ সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, জুন মাসে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি আয়োজনের পরিকল্পনা করা হলেও অনেকগুলো কারণে সেটি সম্ভব হবে না। জুনে না নিতে পারলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন প্রিলি পরীক্ষা আয়োজন করা যায় সেটি চেষ্টা করা হচ্ছে।
মেডিকেলের ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছেন ৮৩১ জন
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছেন ৮৩১ জন। গত মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) পুনর্নিরীক্ষার আবেদন শেষ হয়েছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা প্রত্যাশিত ফলাফল পাননি, তাদের ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। টেলিটক সিমের মাধ্যমে ১ হাজার টাকা ফি দিয়ে পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। গত ৭ এপ্রিল থেকে ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন শুরু হয়। ৮৩১ জন ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব। তিনি জানান, শনিবার রাত পর্যন্ত ৮৩১ জন শিক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছেন।
তথ্যমতে, গত ১ এপ্রিল সারাদেশের ১৯টি ভেন্যুর ৫৭টি কেন্দ্রে একযোগে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছিলেন এক লাখ ৪৩ হাজার ৯১৫ জন।
পরীক্ষার তিনদিন পর গত ৫ এপ্রিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এই ফল ঘোষণা করেন। এবার ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ কিংবা তার চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৩৯ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ১৩ শতাংশ।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য