শিরোনাম
বাংলাদেশে ফেরত আসা শিক্ষার্থীরা চীনের শ্রেণিকক্ষে ফিরতে চান
সশরীর শ্রেণিকক্ষে ফেরাতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন চীনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বলছেন, তাঁরা করোনার দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন। তাঁদের চীনে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সরকার এখনো নীরব। শ্রেণিকক্ষে না ফেরায় তাঁদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ছুটি দিয়ে তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চীনে ফেরত নেওয়া হয়নি। এতে তাঁদের একাডেমিক কার্যক্রম ক্ষতির মুখে পড়ছে।
চীনের হুনান প্রদেশের চাংসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ছেন মুরাদ হাসান। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ুয়া এই শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, চীনে অধ্যয়নরত অধিকাংশ শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেলের শিক্ষার্থী। তাঁরা শ্রেণিকক্ষে ফিরতে না পেরে ব্যবহারিক ক্লাস ও ল্যাব করতে পারছেন না। চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করতে পারছেন না। অনলাইনে ক্লাস করতে হচ্ছে নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ স্বাভাবিক হওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারলেও প্রায় দুই বছর ধরে চীনে যেতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা চীনে ফিরে যাওয়ার জন্য নোটিশ পেয়েছেন। কিন্তু, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে চীন সরকারের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এমনকি বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।
চীনের জিজিয়ান প্রদেশের মিম্মো ইউনিভার্সিটির এমবিবিএস কোর্সে পড়ছেন আল হাসিবুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমার এমবিবিএস কোর্স শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় ছুটিতে দেশে আসি। এরপর করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে চীনে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। এখন দুই বছর ধরে আমি বসে আছি। ইন্টার্নশিপ করতে পারছি না। আমাদের দাবি, দ্রুত শ্রেণিকক্ষে পাঠানোর ব্যবস্থা যেন সরকার নেয়।’
মানববন্ধনে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পাঁচজনের একটি দল তাঁদের দাবিগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত স্মারকলিপি আকারে জমা দেয়।
সুপারিশকৃত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির উদ্যোগ নিল মাদ্রাসা অধিদপ্তর
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশকৃত শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য প্রার্থীদের নির্ধারিত ছকে তথ্য পূরণ করে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়ালি স্ট্যাম্পসহ পাঠাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এনটিআরসিএর তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষকদের এমপিওভুক্তকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সফটওয়্যারে আবেদন দাখিল করা হচ্ছে৷ অধিকাংশ মাদ্রাসার এমপিও শীটে শিক্ষকদের এমপিওভুক্তকরণে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। এমপিওশীটে সকল শিক্ষক-কর্মচারীর পদ এবং বিষয় মুদ্রিত না থাকায় জনবল কাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্যতা আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভবপর হয় না। ভুল/অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে এমপিওভুক্তির ফলে সরকারি অর্থের অপব্যবহার হলে ভবিষ্যতে জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে।

উল্লিখিত সমস্যা সমাধানে নতুন শিক্ষকদের এমপিওভুক্তকরণের জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা, বিদ্যমান এমপিও শীট, বেতন বিল, শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা এবং শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে পদবী ও বিষয় নির্ধারণ পূর্বক মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-কর্মচারীর স্বাক্ষরযুক্ত সর্বশেষ এমপিওশীটের অনুরুপ কপি প্রয়োজন।
এমনঅবস্থায় এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশকৃত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তকরণের লক্ষ্যে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এর পরিশিষ্ট ‘‘ঙ’’-তে নতুন এমপিও এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা, বিদ্যমান এমপিও শীট, বেতন বিল, শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকা এবং শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে পদবী ও বিষয় নির্ধারণপূর্বক মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-কর্মচারীর স্বাক্ষরযুক্ত সর্বশেষ এমপিওশীটের অনুরুপ কপি কপি অনলাইন এমপিও আবেদনের অগ্রায়ণপত্রের সাথে সংযুক্ত করে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
সাত কলেজে কোনো আসন ফাঁকা নেই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। কলেজগুলোর সর্বমোট ২৩ হাজার ২৬২ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। চূড়ান্ত মনোনয়নের পরেও অপেক্ষমাণ রয়েছেন ভর্তিচ্ছুদের বড় একটি অংশ। তারা আসন খালি সাপেক্ষে তাদের ভর্তির সুযোগের দাবি জানিয়েছেন।
তবে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রকাশের পর এই মুহূর্তে সরকারি সাত কলেজে কোন আসন ফাঁকা নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বুধবার রাতে বলেন, ঢাবির পক্ষ থেকে সাত কলেজের এ বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রায় শেষ।
তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সবকটি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়নের পর যদি কোনো আসন ফাঁকা হয়ে যায় সেক্ষেত্রে ওই আসনগুলোতে অপেক্ষমাণ ভর্তিচ্ছুরা সুযোগ পেতে পারেন। আগামী ৫ মার্চের মধ্যে কলেজগুলো আসনের বিষয়টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানাবে। এরপর নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
চূড়ান্ত মনোনয়নের পর অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের একাংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ভর্তির সুযোগের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলে গেছে। এর ফলে সাত কলেজের অনেক আসন ফাঁকা থাকবে। এই অবস্থায় ফাঁকা আসনগুলোতে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দিতে হবে।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এরজন্য ভর্তিচ্ছুদের অপেক্ষা করতে হবে।
এর আগে, গত সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এরপর চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ভর্তিচ্ছুরা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধের মাধ্যমে চান্স পাওয়া কলেজগুলোতে গিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, আজ বুধবার থেকে সাতটি কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে। এদিন সকাল থেকে নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে কলেজগুলো তাদের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে। এতে শিক্ষকদের সঙ্গে ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতারাও অংশ নিয়েছেন।
গঠিত হলো দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন কমিটি ।
বিনা নোটিশে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুতির ঘটনার রেশ ধরে গঠিত হলো দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। কমিশনে কর্মরত ১৩১ জন কর্মকর্তা নিয়ে সমিতিটি গঠিত হয়। এর সভাপতি হয়েছেন দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমান। সাধারণ সম্পাদক উপপরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
উপপরিচালক মশিউর রহমান দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গঠনের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়েছে। এর লক্ষ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের কল্যাণ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
অ্যাসোসিয়েশনের ১৯ সদস্যের উপদেষ্টামণ্ডলীতে দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেনকে প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে। অন্যরা হলেন পরিচালক সফিকুর রহমান ভূঁইয়া, আবদুল গাফফার, আক্তার হোসেন, মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী, বেনজীর আহম্মদ, এস এম মফিদুল ইসলাম, সৈয়দ ইকবাল হোসেন, মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, মাহমুদ হাসান, গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী, মঞ্জুর মোর্শেদ, রাজিব হাসান ও সিস্টেম এনালিস্ট রাজিব হাসান, উপপরিচালক মলয় কুমার সাহা, মির্জা জাহিদুল আলম, লুৎফর রহমান, সেলিনা আখতার, ঋত্বিক সাহা ও উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম।
অ্যাসোসিয়েশনের ১২টি শ্রেণিতে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুদকের চাকরিবিধির ৫৪(২) ধারার ক্ষমতাবলে ১৬ ফেব্রুয়ারি উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে বিনা নোটিশে অপসারণ করার প্রেক্ষাপটে দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়েছে। শরীফকে চাকরিচ্যুত করার প্রতিবাদে কমিশনের কর্মকর্তারা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছিলেন। তাঁরা চাকরিবিধির ৫৪(২) ধারা বাতিলের দাবি করছেন।
মাভাবিপ্রবিতে ৪০ শতাংশ আসন খালি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে পঞ্চম ধাপে ভর্তির কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এই ধাপে ৩৭ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি অনুষদে ১৬ বিভাগের ৮১০ আসনের বিপরীতে মোট ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮১ জনে। অর্থাৎ এখনও ৩২৯ টি আসন খালি রয়েছে। শতাংশের হিসাবে সেটি ৪০ শতাংশ।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া তথ্যের বাইরে আসন শূণ্য রয়েছে। কারণ ভর্তি বাতিল এর সংখ্যা এই হিসেবে আনা হয়নি। মাভাবিপ্রবিতে ভর্তি কার্যক্রম দেরিতে শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। ভর্তি অনিশ্চয়তা থেকে অনেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে গেছেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বাতিল করে প্রয়াজনীয় কাগজ জমা দিতে সময় লাগছে তাদের। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজ জমা না দিলে ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে। ভর্তি বাতিল হলে আসন সংখ্যা আরো ফাঁকা হবে। ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে চললেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সশরীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। শীঘ্রই কাগজপত্র জমা দেয়ার জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।
পূর্বঘোষিত ভর্তি নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ মেধাতালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে এবং ষষ্ঠ মেধাতালিকায় আগামী রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যথারীতি অনলাইনে ভর্তি নেয়া হবে। ভর্তি সংক্রান্ত সকল নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে।
এদিকে ভর্তি কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় কবে থেকে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে সেবিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সূত্র বলছে, আগামী মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে ক্লাস শুরু হতে পারে। কিন্তু বেশ কিছু বিভাগে এখনও ৮০ ভাগের বেশি আসন খালি থাকায় নবীনদের ক্লাস শুরুর নির্দিষ্ট করে কোনো তারিখ দিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য