শিরোনাম
অপরিবর্তিত থাকবে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে কোনো নির্দেশনা আসলে সেটি বিবেচনায় নেয়া হতে পারে।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল।
এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আয়োজন করা যায় কিনা তা পুনর্বিবেচনা করতে দুই/একদিনের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে খবর প্রচার করা হয়। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করতে কোনো সভা আয়োজন করা হচ্ছে না বলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির ও পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন।
তারা জানিয়েছেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাসের বিষয়টি মীমাংসিত। পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকেই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। এটিই বহাল থাকবে। শিগগিরই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলেও জানান এই দুই কর্মকর্তা।
তথ্যমতে, গত ১৭ জানুয়ারি ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তিতে কয়েকদফায় বৈঠক করে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, করোনা মহামারীর মধ্যে গত বছরের ২ এপ্রিল সারাদেশে একযোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেবার ৩৭টি সরকারি মেডিকেলে ৪ হাজার ৩৫০টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষার একদিন পর ৪ এপ্রিল ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাস করেন ৪৮ হাজার ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন।
১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে সার্চ কমিটি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতিকে সুপারিশ করতে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে সার্চ কমিটি। তবে তারা কারা, সেটি জানানো হয়নি।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে কমিটির বৈঠকে সার্চ কমিটি গঠনের ১৭ দিনের মাথায় এই নামগুলো চূড়ান্ত হয়।
এই ১০ জনের নাম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে সার্চ কমিটি। এরই মধ্যে নামের তালিকা সিলগালা করে পাঠানো হবে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে শেষ বৈঠকে বসে সার্চ কমিটি। সার্চ কমিটির প্রধান আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন।
গত রোববার সন্ধ্যায় ষষ্ঠ বৈঠক শেষে সার্চ কমিটির সভাপতি বিচারপতি ওবাদুল হাসান সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার বৈঠকে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করা হবে। তবে তাদের নাম প্রকাশ করা হবে না।
৮৮০৪ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় আট হাজার ৮০৪ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ব্যয় হবে আট হাজার ৫১৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, বৈদেশিক অর্থায়ন ১৬৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১২০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।
সভায় অনুমোদিত ১০ প্রকল্প হচ্ছে— ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ‘৫জির উপযোগীকরণে বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ প্রকল্প; সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প: জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা সড়ক (এন-৪) চার লেন মহাসড়কে উন্নতীকরণ (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্প এবং ‘ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর প্রকল্প: সাপোর্ট টু ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প; স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘১৫টি সরকারি হাসপাতালে হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্প এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘খুলনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার স্থাপন’ প্রকল্প।
এ ছাড়া মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘ইনটিগ্রেটেড কমিউনিটি বেইজড সেন্টার ফর চাইল্ড কেয়ার, প্রোটেকশন অ্যান্ড সুইম-সেফ ফ্যাসিলিটিস’ প্রকল্প; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বরগুনা জেলাধীন পোল্ডার ৪১/৬ এ, ৪১/৬ বি ও ৪১/৭ এ পুনর্বাসন এবং বেতাগী শহরসহ অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ অংশ বিষখালী ও পায়রা নদীর ভাঙন হতে প্রতিরক্ষা’ প্রকল্প ও ‘ভোলা জেলার মুজিবনগর ও মনপুরায় উপকূলীয় বাঁধ পুনর্বাসন, নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন ও তীর সংরক্ষণ (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর-এ দুটি মডার্ন ফায়ার স্টেশন স্থাপন’ প্রকল্প এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারিং প্রজেক্ট ইন ডিস্ট্রিবিউশন জোনস অব বিপিডিপি’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।
সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি; প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন; ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা অংশ নেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশীদ, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মোসাম্মৎ নাসিমা বেগমসহ পরিকল্পনা কমিশনের অন্য সদস্যরা।
দোকানের কর্মচারীরা টিকা না নিলে মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
দোকানের কর্মচারী টিকা না নিলে সংশ্লিষ্ট দোকান মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
মঙ্গলবার টিকা গ্রহণে জনসচেতনতা বাড়াতে ‘টিকা নিন, টিকা নিন’ গানের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, টিকা না নেওয়ার পরও যদি মালিক তাদের দোকানে রাখে, সে মালিকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিজ দায়িত্বে টিকা নিতে হবে। নিজে বাঁচতে হবে, অন্যকে বাঁচাতে হবে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও টাকা দিয়ে টিকা নিতে হচ্ছে। অনেক সম্পদশালী দেশেও টাকা দিয়ে টিকা নিতে হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ টাকা ছাড়াই সব মানুষকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আপনি সুরক্ষিত না হলে আপনার পরিবার ঝুঁকিতে পড়বে। এগুলো চিন্তা করেই টিকা নিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি আসতে পারেননি।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতা ও বিভিন্ন মার্কেটের দোকান মালিক-কর্মচারীরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন আর বন্ধ করতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেছেন, করোনার কারণে যেন আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে না হয়। সেজন্য অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী।
এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীরা নিজেরা করে করে শিখবে। যতটা সম্ভব ভালোভাবে তারা শিখবে। নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থী দক্ষ, যোগ্য হবে, মানবিক বোধ নিয়ে শিক্ষার্থীরা গড়ে উঠবে। আমাদের প্রচেষ্টা স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাবো।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য- যতগুলো জাতীয় লক্ষ্য আছে তা অর্জন করা, শান্তিপুর্ণ সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়া। শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সবার প্রতি আমার আহ্বান-পাইলটিং হচ্ছে কোথায় কোথায় সমস্যা আছে তা যেনও আমাদের জানানো হয়, আমরা যেন সঠিকভাবে প্রণয়ন করে সবচেয়ে ভালো কারিকুলাম প্রণয়ন করতে পারি। একবারেই যে পুরোপুরি লক্ষ্যে পৌছেঁ যাবো তা নয়। আমরা চেষ্টা করবো সবচেয়ে ভালো শিক্ষাক্রম যেন প্রণয়ন করতে পারি, শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে পারে এই কারিকুলামে।
করোনার কারণে এক মাস বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দিনই নতুন কারিকুলামের আওতায় ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন বইয়ে পাঠদানের পাইলটিং শুরু হলো। এর আওতায় দেশের ৬২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠদান শুরু হয়েছে।
করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চে সর্বপ্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছিলো। প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর গত ২০ জানুয়ারি পুনরায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছিলো।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য