শিরোনাম
এইচএসসির ফলে অসঙ্গতি নির্ধারিত ২০০ নম্বরের চেয়ে বেশি পেয়েছেন অনেকে, তদন্ত কমিটি
চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। একটি বিষয়ে নির্ধারিত ২০০ নম্বরের চেয়ে বেশি পেয়েছেন অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া ফলাফল ঘোষণার পরপর ওয়েবসাইটে পাওয়া নম্বর ফর্দে প্রাপ্ত নম্বর সন্ধ্যা গড়াতেই পাল্টে গিয়ে আরও কম/বেশি হয়ে যায়। অন্যদিকে কোনো কোনো নম্বর ফর্দে আবার প্রাপ্ত নম্বর ‘এ’ প্লাসের হলেও গ্রেড উল্লেখ করা হয়েছে ‘এ’ মাইনাস। এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে এমন অবস্থায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড। কমিটির সদস্যরা হলেন- পটিয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ এইচ এম সাজেদুল হক ও চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সহকারী সচিব সম্পাতা তালুকদার। সেই সঙ্গে বোর্ডের পক্ষ থেকে থানায় দায়ের করা হয়েছে সাধারণ ডায়েরী। তিন সদস্যের কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার (২০২১ সালে) পরীক্ষায় গ্রুপভিত্তিক যে তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে, এর প্রতিটিতে দুটি করে পত্র রয়েছে। প্রতি পত্রে ১০০ করে দুটি পত্র মিলে একটি বিষয়ে মোট নম্বর (মার্কস) ২০০। অর্থাৎ একটি বিষয়ে ২০০ নম্বরের মধ্য থেকেই শিক্ষার্থীদের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু মোট নম্বর ২০০ হলেও দুই পত্র মিলে একটি বিষয়ে ২০০-এর বেশি নম্বরও পেয়েছে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে দীর্ঘদিন ধরেই চেয়ারম্যান নেই। ভারপ্রাপ্ত দিয়েই চলছে। এছাড়া বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে একাধিক গ্রুপ-উপগ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে। দায়িত্বশীলদের প্রশ্নবিদ্ধ এবং বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে বোর্ডেরই একটি চক্র এসব ঘটনা ঘটাতে পারে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল আলীম বলেন, দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি কঠোর নজরদারির মধ্যে রেখেছেন। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে এলে এবং বোর্ডের কেউ জড়িত থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমআইএসটি দিয়ে শুরু হচ্ছে উচ্চশিক্ষার ভর্তিযুদ্ধ
চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছে ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। উচ্চমাধ্যমিকের এই ফল বের হতে না হতেই শুরু হয়েছে উচ্চশিক্ষার ভর্তি যুদ্ধ। ফল ঘোষণার দু’দিন পর বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসের (বিইউপি) অধিভুক্ত মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৮ মার্চ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এবার এইএসসিতে ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পেয়েছেন রেকর্ড ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন। অন্যদিকে, এবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল-ডেন্টাল কলেজগুলোতে আসন রয়েছে ৫৫ হাজারের মতো। ফলে উত্তীর্ণ হওয়া উচ্চমাধ্যমিকের এসব শিক্ষার্থী তো দূরের কথা ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক পেয়েও অনেকেই ভর্তি হতে পারবেন না পছন্দের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। তবে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে পড়তে না পারলেও এবার উচ্চশিক্ষায় কোন আসন সংকট হবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এদিকে, আগামী ১ এপ্রিল দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২২ এপ্রিল ডেন্টাল কলেজের বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতমাসের শেষের দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মেডিকেল-ডেন্টালে ভর্তির নীতিমালা শিগগির প্রকাশ হবে। সেখানে চূড়ান্ত তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন বলেন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ হলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
তথ্য মতে, দেশের ৩৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি) সরাসরি শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে। এসব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও রয়েছে একাধিক সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ। এসব ঘিরেই মূলত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের আগ্রহ। এসব প্রতিষ্ঠানে ৫৫ হাজারের বেশি আসন রয়েছে বলে জানা গেছে।
এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা আলাদাভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেবে।
অন্যদিকে, ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৩টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা আলাদাভাবে গতবারের ন্যায় গুচ্ছভিত্তিক পরীক্ষা নিতে পারে।
তাছাড়া পলিটেকনিক থেকে পাস করা ডিপ্লোমাধারী ছাত্র-ছাত্রীরা শুধুমাত্র ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলাদাভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে থাকে।
বাকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুলনা শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও কিশোরগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। আর চারটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহী) স্নাতকোত্তর সমমানের শিক্ষা দেওয়া হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আজ মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিশেষ সভা ডাকা হয়েছে। জানা গেছে, পরীক্ষার সিলেবাস, ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের দিনক্ষণ, দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার ইস্যুসহ ২০২১-২২ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। এছাড়া ‘ঘ’ ইউনিটের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। বৈঠকে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভাপতিত্ব করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।
এদিকে, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও নীতিনির্ধারকরা তাদের স্ব স্ব ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে শিগগির একাডেমিক/ভর্তি কমিটির বৈঠকে বসবেন। এতে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ নির্ধারণে আলোচনা করে পরবর্তীতে তা জানিয়ে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এবার রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পাস করলেও উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে আসন সংকট হবে না মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, এখান থেকে কেউ উচ্চশিক্ষায় যাবেন, অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন, কেউ এখনই কাজে চলে যাবেন। কেউ কারিগরি শিক্ষায় যাবেন। আমাদের একেবারেই মনে হয় না, আসন সংকট হবে।
“আমাদের যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আছে, সেখানে এবং যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে এবং অন্যান্য যে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, সেগুলোতে… সব মিলিয়ে কিন্তু আমাদের অনেক কলেজ আছে দেশে।”
প্রায় আড়াই হাজার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি দেওয়ার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “কোথাও কোথাও অনার্স-মাস্টার্সও হয়। সেখানে তাদের ভর্তি করা যাবে। আমরা প্রতিবছরই দেখি, অনেক সিট আসলে খালি থেকে যায়। কাজেই কোনো আসন সংখ্যার সমস্যা হবে না।”
এমআইএসটি’র ভর্তি পরীক্ষা ১৮ মার্চ
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)। আগামী ১৮ মার্চ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়ে চলবে ৫ মার্চ পর্যন্ত। আবেদিন ফি ‘এ’ ইউনিট ৮০০ টাকা এবং ‘বি’ ইউনিট ১ হাজার টাকা। আগামী ১৫ মার্চ ঢাকায় ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ১৪ মার্চ প্রকাশ করা হবে।
আবেদন যোগ্যতা
২০১৮ ও ২০১৯ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় ছাড়া জিপিএ-৪ পেতে হবে। আর ২০২০ ও ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজিতে ১৭ পয়েন্ট থাকতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষার নম্বর বন্টন
এ ইউনিটে গণিত ৪০, পদার্থ ৩০, রসায়ন ২০ এবং ইংরেজি ১০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। আর বি ইউনিটে অংকন এবং আর্কিটেকচার রিলেটেড বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বইমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার বিকেলে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২২’–এর উদ্বোধন করেছেন। বইমেলা বাঙালির প্রাণের মেলা, সবার মিলন মেলা বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। সারা দেশে সংস্কৃতি চর্চা আরও বাড়ানোর পাশাপাশি সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রাজধানীর বাংলা একাডেমির মেলা প্রাঙ্গণে সংযুক্ত হয়ে ভার্চ্যুয়ালি মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
মেলা উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ প্রদান করেন। ১৫ জন বিশিষ্ট লেখক-কবি-সাহিত্যিক এবার বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
এবারের অমর একুশে বইমেলা ২০২২–এর মূল প্রতিপাদ্য ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’।
বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতা দেন সংস্কৃতি সচিব মো. আবুল মনসুর। আরও বক্তৃতা দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটন।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজয়ীদের হাতে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার -২০২১’ তুলে দেন।
ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে বইমেলা শুরু হওয়ার রীতি থাকলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবার কাঙ্ক্ষিত অমর একুশে বইমেলা শুরু হচ্ছে মাসের মাঝামাঝি সময়ে।
গতকাল সোমবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বইমেলা উপলক্ষে বাংলা একাডেমি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে, ৩৮তম এই বইমেলা ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে মেলার মেয়াদ বাড়ানোর আভাস দিয়েছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
সেখানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মেলা উদ্বোধনকালের ভাষণে সবার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে একে জাতির জনকের জন্মদিন আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত চলার ইঙ্গিত দেন।
ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই বইমেলা খোলা থাকবে।
রাত ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি মেলা সকাল ৮টা থেকে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ বর্গফুট জায়গায় বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলায় মোট ৩৫টি প্যাভিলিয়নসহ একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৪২টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৩৪টি ইউনিটসহ মোট ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ঢাবির বিশেষ সভা কাল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আগামীকাল বিশেষ সভা ডাকা হয়েছে। বিকাল ৩টায় এই বৈঠক শুরু হবে।
জানা গেছে, পরীক্ষার সিলেবাস, ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের দিনক্ষণ, দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার ইস্যুসহ ২০২১-২২ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। এছাড়া ‘ঘ’ ইউনিটের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। বৈঠকে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভাপতিত্ব করবেন।
বৈঠকের বিষয়টি মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিশ্চিত করেছেন ঢাবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।
তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আগামীকাল একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় উপাচার্য মহোদয় ছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে দুইবার বৈঠক ডাকায় কালকের বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ। যদিও বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে কিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক আব্দুস ছামাদ জানান, কাল ৩টা থেকে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সভা হবে এটুকু জানানো হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে আলোচনা হবে কিনা সে বিষয়ে বলা হয়নি।
প্রসঙ্গত, গত ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে আলাদা ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য