ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

পরীক্ষার ফলে অনিয়ম করায় ঢাবির দুই শিক্ষককে অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১৭:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
পরীক্ষার ফলে অনিয়ম করায় ঢাবির দুই শিক্ষককে অব্যাহতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে পরীক্ষার ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই শিক্ষককে তিন বছরের জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহালুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্যটি জানানো হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষকরা হচ্ছেন- অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সবুর খান ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৭ সালের ৩য় বর্ষ ৬ষ্ঠ সেমিস্টার বি.এ সম্মান পরীক্ষায় ফলাফলে ব্যাপকভাবে ব্যবধান রেখে চূড়ান্ত করার আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শৃঙ্খলা পরিষদের (২৯ জানুয়ারি,২০১৯) সুপারিশ ও সিন্ডিকেটের (৩০ জানুয়ারি,২০২২) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিন বছরের জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হলো। উক্ত পরীক্ষার ১ম ও ২য় বার টেবুলেশন সংক্রান্ত সকল বিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে ফেরত দিতে বলা হয়।

উল্লেখ্য, উপস্থিতি, মিডটার্ম এবং কোর্স ফাইনাল এ তিন ধরণের নম্বরের ক্ষেত্রে অসঙ্গতি পাওয়া যায় বিভাগের পরীক্ষার ফলাফলে। কোথাও আবার মূল নম্বরের থেকেও বেশি দেখানো হয়েছিল। ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কোনো কোর্সে সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ৫০ নম্বর পর্যন্ত গরমিল হয়েছে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর বেলায় প্রকৃত নম্বর থেকে প্রদর্শিত নম্বর কম দেখানো হয়েছিল। তবে কয়েক স্থানে প্রকৃত নম্বর থেকে প্রদর্শিত নম্বর বেশি দেয়া হয়েছিল। এক ছাত্রীর ফলাফলে সবচেয়ে বড় অসঙ্গতি দেখা গিয়েছিল। চার কোর্সে তাকে মোট ২৮ দশমিক ৫০ নম্বর কম দেয়া হয়েছিল। ৩০৫ নম্বর কোর্সে তার প্রদর্শিত কোর্স ফাইনাল নম্বর ২৮, পরবর্তীতে তিনি সে কোর্সে ৪১ দশমিক ৫০ নম্বর পান। এখানে তাকে ১৩ দশমিক ৫০ নম্বর কম দেয়া হয়েছিল। এছাড়া ৩০৬, ৩০৭ এবং ৩০৮ নম্বর কোর্সে যথাক্রমে ৩, ৩ দশমিক ৫০ এবং ৮ দশমিক ৫০ নম্বর কম দেয়া হয়। ৩০৮ নাম্বার কোর্সে এক ছাত্র ৪৪ দশমিক ৫০ পান। পরে তার ফলাফল বেড়ে হয় ৪৭ দশমিক ৫০। ৩০৭ নাম্বার কোর্সে ফাইনাল পরীক্ষায় সূর্যসেন হলের শাহিন আলম নামের এক ছাত্র ২৩ পেলেও পুনঃপরীক্ষায় তিনি পান ২৯। ৩০৫ নাম্বার কোর্সে যে শিক্ষার্থী ৪০ দশমিক ৫০ পান তিনি পুনঃপরীক্ষণে পান ৪২ নাম্বার। তবে প্রদর্শিত নাম্বার ছাড়াও পুনঃপরীক্ষণের ফলে অনেকেই বিভিন্ন কোর্সে কম নম্বরও পেয়েছিলেন। এর মধ্যে এক শিক্ষার্থীর ৩০৭ নম্বর কোর্সে প্রদর্শিত নম্বর ৪২ কিন্তু তার প্রকৃত নম্বর ৩১ দশমিক ৫০। এখানে ১০ দশমিক ৫০ নম্বর বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এবারের ফলে ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কঠিন হবে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১২:৫৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    এবারের ফলে ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কঠিন হবে

    ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রেকর্ড পাশের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ায় আনন্দ-উল্লাসে ভাসছেন শিক্ষার্থীরা। প্রকাশিত ফল নিয়ে রবিবার গণমাধ্যমে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাজধানীর সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, এবারে পাস করা শিক্ষার্থীদের ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া অনেক চ্যালেঞ্জের হবে।

    অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পুনর্বিন্যস্ত সিলেবাসে স্বল্প পরিসরে নেওয়া হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। মাত্র তিনটি বিষয়ের ছয়টি পত্রে পড়াশোনা করেছে তারা। আর এসব বিষয়েও সিলেবাস ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত।

    ‘‘কিন্তু এইচএসসি পাস করার পর এই শিক্ষার্থীদের পুরো সিলেবাসের ভর্তি পরীক্ষায় বসতে হবে। তাই ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াই হবে তাদের জন্য চ্যালেঞ্জের। ভর্তির প্রস্তুতি নিতে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে ভর্তিচ্ছুদের।’’

    এদিকে এবারের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের ৩৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন রয়েছে ৩৯ হাজারের বেশি। আর এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার। ফলে জিপিএ-৫ পেয়েও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন না ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

    অন্যদিকে এবার পরীক্ষায় পাস করেছেন ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৬৮১ জন। আর পাবলিক-প্রাইভেট মিলিয়ে আসন রয়েছে ৪ লাখের বেশি। ফলে এক্ষেত্রেও বঞ্চিত হবেন শিক্ষার্থীরা।

    মাহবুবুর রহমান বলেন, ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বেশিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনের এই শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করাও চ্যালেঞ্জ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য। প্রতিকূল পরিবেশে তাদের পড়াশোনা করানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, এর আগে ২০২০ সালে পরীক্ষা না নিয়ে অটো প্রমোশন দেওয়ায় সারা দেশে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। এবার পরীক্ষা নেওয়ার কারণে সরকার সাধুবাদ পেতে পারে।

    চলতি বছরের পাবলিক পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে নেয়ার তাগিদ দিয়ে এ অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে নির্ধারিত পুনর্বিন্যস্ত সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদান শেষ করেই চলতি বছরের পাবলিক পরীক্ষাগুলো নিতে হবে। পরীক্ষার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের প্রস্তুত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। স্কুল-কলেজ খুলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান চালিয়ে নিতে হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৪৪তম বিসিএসে আবেদনের সময় বাড়ল, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাল পিএসসি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১২:৫০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৪৪তম বিসিএসে আবেদনের সময় বাড়ল, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাল পিএসসি

      ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার অনলাইন আবেদন আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। এ সময়ের মধ্যে কারও স্নাতক/ স্নাতকোত্তর পরীক্ষা শেষ হলে তিনিও আবেদনের সুযোগ পাবেন। রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নূর আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

      বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার অনলাইন আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ৩১ জানুয়ারির পরিবর্তে ২ মার্চ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এ বিসিএসে আবেদনকারী প্রার্থীর যোগ্যতায় সংশোধন করা হয়েছে।

      বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো প্রার্থী এমন কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে থাকেন যে পরীক্ষায় পাস করলে তিনি ৪৪তম বিসিএসে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করবেন, যদি তার ওই পরীক্ষার ফলাফল ৪৪তম বিসিএসের আবেদনপত্র জমাদানের শেষ দিন পর্যন্ত প্রকাশ না হয়- তাহলেও তিনি অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। তবে তা সাময়িকভাবে গ্রহণ করা হবে।

      ওই আবেদনকারীদের ৪৪তম বিসিএসের আবেদনপত্র গ্রহণের শেষ দিনের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ের সব লিখিত পরীক্ষা শেষ হতে হবে। অর্থাৎ আগামী ২ মার্চের মধ্যে যাদের স্নাতক পরীক্ষা শেষ হবে, তারা ৪৪তম বিসিএসে আবেদন করতে পারবেন।

      ৪৪তম বিসিএসে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এ ক্যাডারে ৭৭৬ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে।

      এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০, পুলিশে ৫০, পররাষ্ট্রে ১০, আনসারে ১৪, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) পদে ৩০, সহকারী কর কমিশনার পদে ১১, সহকারী নিবন্ধক (সমবায়) পদে ৮ ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট/ট্রাফিক (রেলওয়ে) নিবন্ধক পদে ৭ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালার রূপরেখা প্রণয়ন ইউজিসির

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৭:৪৪
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালার রূপরেখা প্রণয়ন ইউজিসির

        উচ্চশিক্ষায় ব্লেন্ডেড এডুকেশন (সমন্বিত শিক্ষা) নীতিমালা বাস্তবায়নে একটি খসড়া রূপরেখা তৈরি করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। আগামী বছর থেকে (২০২৩ সাল) দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই রূপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইউজিসি। এছাড়া, ২০৪১ সালের মধ্যে রূপরেখাটি শতভাগ বাস্তবায়নে জরুরি, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

        এর আগে অনলাইন ও অনসাইট এডুকেশন পদ্ধতিকে একত্রিত করে ইউজিসি ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালা তৈরি করে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০- এর সঙ্গে সমন্বয় করে ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালা তৈরি করা হয়।

        ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত ‘পলিসি অন ব্লেন্ডেড লার্নিং ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সমন্বয় সভায় রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) খসড়া রূপরেখাটি তুলে ধরা হয়।

        সভায় ব্লেন্ডেড এডুকেশনের খসড়া রূপরেখা কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে পাঠদানের বিকল্প নেই বলে মত দেন। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পাঠদান অনলাইনে সম্পন্ন করা যেতে পারে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। এক্ষেত্রে ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালা বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলকে শক্তিশালী করতে হবে বলে তারা জানান।

        অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেন পিছিয়ে না পড়ে সে লক্ষ্যে ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ যাতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করতে পারে সে লক্ষ্যে ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

        তিনি আরও বলেন, ব্লেন্ডেড এডুকেশন নীতিমালা বাস্তবায়ন সম্ভব হলে সমন্বিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে। নীতিমালায় স্নাতকদের নেতৃত্বের বিকাশ, উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা ও তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে নজর দেওয়া হবে।

        সভায় কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির প্রফেসর ড. কাজী মোহাইমিন আস-সাকিব, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্লেন্ডেড লার্নিং সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আকতারুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জিপিএ–৫ এবং পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৭:৩৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          জিপিএ–৫ এবং পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

          এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জিপিএ–৫ এবং পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা। ছেলেদের পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৪ শতাংশ, আর মেয়েদের ৯৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ ছাড়া মেয়েরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৪০৬ জন, অন্যদিকে ছেলেরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৬ হাজার ৭৬৩ জন।

          মেয়েদের ১৫.৬১ শতাংশ এবং ছেলেদের ১২.১৩ শতাংশ জিপিএ–৫ পেয়েছে।

          আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট থেকে এ ফল ঘোষণা করা হয়।

          এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৬৮১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ১৫ হাজার ৫১৬ ও ছাত্রী ৬ লাখ ৫৬ হাজার ১৬৫ জন। পাস করেছেন ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮০ জন ছাত্র ও ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৩৮ জন ছাত্রী।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত