শিরোনাম
প্রকৌশল গুচ্ছে চতুর্থ দফায় ভর্তি ১৬ ফেব্রুয়ারি
গুচ্ছ পদ্ধতির তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ দফায় ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘ক’ গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ৪৮০১-৫১০০ প্রার্থী, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য জেলার নৃ-গোষ্ঠী ২৩-২৬ মেধাতালিকার প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে।
ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) এক ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক ১ম বর্ষ/লেভেল-১ (শিক্ষাবর্ষ: ২০২০-২১) এ ভর্তির জন্য ১৩ নভেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের প্রকাশিত মেধা তালিকা হতে গত ১৯ জানুয়ারি তারিখ পর্যন্ত কয়েকটি পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে।
সর্বশেষ ভর্তির পর আসন খালি থাকায় এসব মেধাক্রমধারী শিক্ষার্থীদের আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে ভর্তির জন্য নিরীক্ষা কমিটির নিকট উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
প্রকৌশল গুচ্ছের এসব প্রতিষ্ঠান হলো- চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)।
করোনা মহামারীর কারণে গেল বছর চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েট তাদের স্নাতক ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করে। গত ১৩ নভেম্বর একযোগে স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘ক’ গ্রুপে মোট ২২ হাজার ৬১০ জন এবং ‘খ’ গ্রুপে মোট ৩ হাজার ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে গত ১৮ নভেম্বর এ পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে ‘ক’ গ্রুপে মোট ১৪ হাজার ৯৮৯ জনের এবং ‘খ’ গ্রুপে মোট ১ হাজার ৬৫৬ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এবার চুয়েটের ৯০১টি, কুয়েটের ১০৬৫টি এবং রুয়েটের ১২৩৫টি মিলিয়ে, মোট ৩২০১টি (স্থাপত্যসহ) আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা যেকোনো এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে, তাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয় গিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হচ্ছে। তবে ভর্তি হতে পারবে যেকোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ভর্তি পরীক্ষা ইস্যুতে ঢাবি ভিসিকে আইনি নোটিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তিতে নানান বৈষম্যের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), রেজিস্টার ও কলা অনুষদের ডিন বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ভর্তি হওয়া মোহাইমিনুল নামের ওই শিক্ষার্থীর পক্ষে মঙ্গলবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এম নোমান হোসাইন তালুকদার এ নোটিশ পাঠান।
আইনজীবী নোমান হোসাইন তালুকদার জানান, মোহাইমিনুল গত ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ সম্মান শ্রেণির ‘খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রম ৩৫৩৫তম হিসেবে উত্তীর্ণ হন এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের প্রকাশিত তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন।
‘‘কোটায় ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যে, বিষয় পছন্দক্রমের ফর্মে উল্লেখিত বিষয়গুলোর সর্বনিম্নটি হলেও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মনোনীতদের দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সাক্ষাৎকারের দিন দেখা যায় মোহাইমিনুলকে ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের জন্য মনোনীত করা হয়।’’
তিনি আরও বলেন, যদিও মোহাইমিনুল ওই বিষয়ে অধ্যয়নে আগ্রহী না থাকায় তার পছন্দক্রমে আদৌ বিষয়টি ছিল না। যা কোটা ভর্তি বিজ্ঞপ্তির সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে মোহাইমিনুল ওই বিষয়ে ভর্তি হতে বাধ্য হন।
তবে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণির ‘খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ১১৯টি আসন মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
কিন্তু বিভিন্ন কারণবশত মোহাইমিনুলের উপরের মেধাক্রমের কয়েকজন শিক্ষার্থী সাক্ষাৎকারে অংশ নেননি। যার প্রেক্ষিতে ফাঁকা আসনে মোহাইমিনুলের পছন্দক্রমের বিষয় অনুযায়ী তাকে ভর্তি অথবা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মনোনীতদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশনের সুযোগ দেওয়ার জন্য মৌখিক ও লিখিত অনুরোধ করেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা সরাসরি অগ্রাহ্য করে। যদিও সাধারণ কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা মাইগ্রেশনের সুযোগ পেয়ে থাকেন।
নোটিশে মোহাইমিনুলকে পছন্দক্রমের সর্বনিম্ন বিষয়ে ভর্তির সুযোগ প্রদান, মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য বরাদ্দকৃত ১১৯টি আসন পূর্ণ ও অভ্যন্তরীন মাইগ্রেশনের সুযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের তিন দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। অন্যথায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
২০২০ সালের অনার্স দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠেয় ২০২০ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ও তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংশোধিত সময়সূচিতে পরীক্ষা শুরুর সময় সকাল নয়টার পরিবর্তে বেলা একটায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের কিছু পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। অনার্স তৃতীয় বর্ষের সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৬ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে আগামী ৫ মার্চ থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। বিস্তারিত সংশোধিত সময়সূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাবে।
সর্বশেষ সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠানের যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আজ বিকেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স প্রথম পর্বে পাসের হার ৬৯.২৭%
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০১৮ সালের মাস্টার্স প্রথম পর্ব (পুরোনো সিলেবাস) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে পাস ৬৯ দশমিক ২৭ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এবার মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮ হাজার ৫৯০ জন।
গতকাল সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ পরীক্ষায় ২৭টি বিষয়ে ১২ হাজার ৪০০ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।
পরীক্ষার ফলাফল গতকাল রাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.ac.bd ও www.nubd.info থেকে পাওয়া যাচ্ছে।
বিদেশে চাকরিপ্রত্যাশীদের ঋণ দিতে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংককে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
বিদেশে চাকরিপ্রত্যাশীদের প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণসহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেন বিদেশে যাওয়ার জন্য তাঁদের জমি বিক্রি করতে বা প্রতারণার শিকার হতে না হয়।
প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী শ্রমিকদের প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছ করতে এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে এ-সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য সহজলভ্য করতে ব্যাপক প্রচার চালানোর জন্য প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।
গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় এ নির্দেশনা দেন। সংশ্লিষ্ট অন্যরা বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে সভায় যোগ দেন।
বৈঠকের পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বিদেশে যাঁরা যাবেন তাঁদের সব প্রক্রিয়া নির্ভুল ও স্বচ্ছ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এ ব্যাপারে গণমাধ্যম—টেলিভিশন, রেডিও এবং সংবাদপত্রে ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশনা দিয়েছেন; যাতে চাকরিপ্রত্যাশীরা সঠিক তথ্য পান এবং বিদেশে যাওয়ার প্রকৃত ব্যয় সম্পর্কে জানতে পারেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাকরিপ্রত্যাশীদেরও বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে বলেন। যেহেতু ব্যাংক সঠিক নিয়োগপত্র ছাড়া ঋণ দেয় না, তাই তাঁরা নিরাপদ থাকবেন, এতে প্রবাসীরা প্রতারিত হবেন না।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিদেশে চাকরির জন্য বাংলাদেশি শ্রমিকদের যেন অতিরিক্ত অর্থ দিতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি চাকরিপ্রত্যাশীদের মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে বিদেশ যেতে বলেন। কারণ, বাংলাদেশি অনেক শ্রমিক তাঁদের চাকরি সম্পর্কে কিছু না জেনেই দালালদের কথায় প্রভাবিত হয়ে তাঁদের খপ্পরে পড়ে সরাসরি অর্থ পরিশোধ করে বিদেশে যান। সভায় এ ধরনের কিছু ঘটনা সম্পর্কেও আলোচনা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যদি তাঁরা জমি বিক্রি না করে ব্যাংক থেকে ঋণ নেন, তবে তাঁদের নিয়োগ সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক অর্থ দেবে না। তাই তাঁরা নিরাপদ থাকবেন। সচিব বলেন, কিছু বাংলাদেশি ৩-৪ লাখ টাকা ব্যয় করে মালয়েশিয়া যান, কিন্তু দুই বছরেও তাঁরা সেই টাকা উপার্জন করতে পারেন না এবং খালি হাতে দেশে ফিরে আসেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ১০০টি শিল্প অঞ্চলে কয়েক লাখ শ্রমিক প্রয়োজন হবে উল্লেখ করে চাকরিপ্রত্যাশীদের এ বিষয়েও অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন। এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো নির্মিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাকরিপ্রত্যাশীরা শিল্প অঞ্চলগুলোয় কী ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে, তা জেনে যথাযথ প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে দেশেই ভালো উপার্জন করতে পারবেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য