শিরোনাম
ধর্ম শিক্ষক পদে গ্রেড জটিলতার বিষয়ে যা বলছে মাউশি
সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেয়েছেন ৩৬ হাজার শিক্ষক। গত ৩১ জানুয়ারি তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। তবে, এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে গ্রেড জটিলতা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, ২০১৯ সালের দ্বিতীয় গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যারা ইসলাম ধর্ম বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন, মাস্টার্স ডিগ্রি থাকলে তাদের সরাসরি দশম গ্রেড দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড) ডিগ্রির প্রয়োজন হয়নি। তবে, চলতি ২০২১ সালের এমপিও নীতিমালায় বলা হয়েছে, ফাজিল/সমমান ও বিএড ডিগ্রি থাকলে দশম গ্রেড পাবেন শিক্ষকরা। শুধু ফাজিল/সমমান ডিগ্রি থাকলে ১১তম গ্রেডে বেতন পাবেন। সুপারিশপত্রেও ২০২১ সালের নীতমালা অনুসরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে উল্লিখিত পদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা সংশয়ে পড়েছেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারাও নির্দিষ্ট গ্রেডের কথা বলতে পারছেন না।
এ বিষয়ে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন রাইজিংবিডির এই প্রতিবেদক।
মাউশির উপ-পরিচালক আজিজ উদ্দিন বলেছেন, ‘নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সে অনুযায়ী, বিএড ডিগ্রি থাকলে দশম গ্রেড। বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী এমপিও পাবে। নীতিমালার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’
মাউশির সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক) দুর্গা রানী সিকদার বলেছেন, ‘নীতিমালায় যদি ফাজিল ও সমমানের পাশাপাশি বিএড ডিগ্রির কথা উল্লেখ থাকে, তাহলে অবশ্যই দশম গ্রেডের জন্য বিএড করতে হবে।’
মাউশির পরিচালক (স্কুল) অধ্যাপক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন বলেন, ‘নীতিমালায় যেভাবে বলা আছে, সেটা মানার বিষয়ে সব উপজেলা শিক্ষা অফিসকে নির্দেশনা দেওয়া আছে। নীতিমালার বাইরে কেউ কোনো আবেদন সাবমিট করলে তা কার্যকর হবে না।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কেউ ১০ম আবার কেউ কেউ ১১তম গ্রেড বলছেন, এক্ষেত্রে কোনটি ধরা হবে? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেহেতু ফাজিল/সমমানের পাশাপাশি বিএড ডিগ্রির কথা উল্লেখ আছে, তাহলে অবশ্যই বিএড লাগবে। কেউ ভিন্ন ভিন্ন আবেদন পাঠালে অবশ্যই সেটি যাচাই করে নীতিমালা দেখে অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে, কোনো উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নীতিমালা না দেখে আবেদন সাবমিট করলেও সেটি সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে জেলা বা বিভাগীয় অফিস থেকে ফেরত যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে কিভাবে নিয়োগ হয়েছে, সেটা এখন বিবেচ্য নয়। এখন ২০২১ সালের নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। দশম গ্রেড পেতে হলে অবশ্যই ফাজিল/সমমান ডিগ্রির পাশাপাশি বিএড ডিগ্রি লাগবে। এটাই ফাইনাল। তবে, মাদ্রাসায় যদি একই পদে দশম গ্রেড দেওয়া হয়, তাহলে সেটিও আমরা বসে ঠিক করব। কারণ, একই পদে দুই জায়গায় দুই রকম গ্রেডের সুযোগ নেই।’
এনটিআরসিএর নিবন্ধনে পাস করা চাকরিপ্রত্যাশীরা বয়সে শিথিলতা চান
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু বয়স ৩৫ পেরিয়েছে, নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের শিথিলতা দাবি করেন এমন চাকরিপ্রার্থীরা।
আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি–প্রত্যাশী শিক্ষক নিবন্ধন ফোরামের’ ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সারা দেশের শতাধিক চাকরিপ্রার্থী। বয়স শিথিলসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অন্য দুটি দাবি হচ্ছে—১৬তম নিবন্ধনধারীদের আবেদনের সুযোগ দেওয়া এবং শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগ দিতে মুজিব বর্ষেই চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা।
অবস্থান কর্মসূচি পালনের সময় বক্তারা বলেন, চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে দেরি করায় ইতিমধ্যে অনেকের বয়স ৩৫ পেরিয়ে গেছে। চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিবন্ধিত প্রার্থীদের বয়সে শিথিলতা দিয়ে চাকরি নিশ্চিতের দাবি জানান তাঁরা।
ফোরামের অর্থ সম্পাদক মো. জাকিরুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির দাবিতে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানকে স্মারকলিপি দেন ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনকারীরা। এতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২ মে ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে গত বছরের ১৭ অক্টোবর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। করোনা মহামারির কারণে লিখিত ও মৌখিকের ফলাফল প্রকাশে অনেক দেরি হয়েছে। বর্তমানে অনেকের বয়স ৩৫ পার হয়েছে বা কাছাকাছি রয়েছে।
১৮ হাজার ৫০০ জন নিবন্ধনকারীর পরিবারের অসহায়ত্ব ও বয়সের কথা বিবেচনা করে বর্তমানে সারা দেশের শূন্য পদের তথ্য নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার আহ্বান জানান জাকিরুল ইসলাম।
টিকার সনদ নিয়ে ঢুকতে হবে বইমেলায়
বইমেলায় সবাইকে অবশ্যই করোনা টিকা নেয়ার সনদ সাথে নিয়ে ঢুকতে হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেশের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এমনটি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।
স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ গত কয়েকদিনে কিছুটা কমেছে। তবে সার্বিক সংক্রমণ পরিস্থিতিকে প্রকৃতপক্ষে নিম্নমুখী বলার সময় হয়নি। করোনায় ৫১ থেকে ৯০ এই বয়সসীমার মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।
তিনি আরও বলেন, যাদের বুস্টার ডোজের সময় হয়েছে এবং এসএমএস এসেছে তারা যেন দ্রুততম সময়ে টিকা নিয়ে নেয়। সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরিধানের আহ্বান জানান তিনি।
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এবারের বইমেলা শুরু হবে। বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান জানান, সরকার এ দিনটিতে বইমেলা শুরু করার জন্য সিদ্ধান্ত দিয়েছে। সেদিন বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলা উদ্বোধন করবেন। মেলায় স্টল বরাদ্দের তারিখ আগামী দু-একদিনের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে।
এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি বাংলা একাডেমির সচিব এএইচএম লোকমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে করোনা সংক্রমণ বিবেচনায় নিয়ে কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে ১৫-২৮ ফেব্রুয়ারি বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে জানানো হয়। এ জন্য বইমেলা সংশ্লিষ্টদের করোনার টিকা গ্রহণের অনুরোধ জানায় বাংলা একাডেমি।
বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু মঙ্গলবার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজারের অধিক পদে শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে নিয়োগের আবেদন শুরু হবে।
রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এনটিআরসিএ সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ১৫ হাজার ১৬৩টি শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৮০৭টি এমপিও পদ। আর নন এমপিও পদ ২ হাজার ৩৫৬টি। শূন্য পদের বিষয় ও পদ ভিত্তিক তালিকা আগামীকাল এনটিআরসিএ ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আর আবেদন ফি জমা দেয়া যাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।
এর আগে ৫৪ হাজার শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে আবেদন না করায় এবং যোগ্য প্রার্থী না থাকায় ৩৮ হাজার শিক্ষককে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশ করা হয়।
প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪ হাজারের অধিক প্রার্থী পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করে না পাঠানোয় ৩৪ হাজার ৭৩ জনকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয় এনটিআরসিএ।
শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এনটিআরসিএ সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আমরা কিছু পদ বাদ দিয়েছি। মোট ১৫ হাজার ১৬৩ পদে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার শূন্য পদের বিষয় ও পদ ভিত্তিক তালিকা কাল এনটিআরসিএ ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন আরও বলেন, ১৫ হাজার ১৬৩ পদের মধ্যে ১২ হাজার ৮০৭টি এমপিও পদ। আর ২ হাজার ৩৫৬টি নন এমপিও পদ।
এর আগে রবিবার দুপুরে এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন জানিয়েছিলেন আগামীকাল অথবা মঙ্গলবার বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কাল অথবা পরশুই প্রকাশ করা হত। তবে আমাদের সব কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় আজই এটি প্রকাশ করা হলো।
জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজারের বেশি শূন্য পদের বিপরীতে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে আবেদন না করায় এবং মহিলা কোটায় ৬ হাজার ৭৭৭টি পদ পূরণ না হওয়ায় ৩৮ হাজার শিক্ষককে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশ করা হয়।
প্রাথমিক সুপারিশ প্রাপ্তদের মধ্যে ৪ হাজার প্রার্থী পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করে না পাঠানোয় ৩৪ হাজার ৭৩ জনকে গত ২০ নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয়া হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য