ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় পেছাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় পেছাচ্ছে

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি পেছানো হতে পারে। ফল তৈরির কাজ এখনো শেষ করতে না পারায় এটি পেছানো হতে পারে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে নম্বর পাঠানোর কাজ শেষ হয়েছে। এখন কেন্দ্রীয়ভাবে সফটওয়্যারের মাধ্যমে সার্বিক ফল তৈরির কাজ চলছে। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ফল তৈরির কাজে কিছুটা ধীরগতি এসেছে। অর্ধেক জনবল নিয়ে এই কাজ করতে হচ্ছে। এজন্য নির্ধারিত সময়ে ফল তৈরির কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না।

সূত্র আরও জানায়, সামগ্রিক ফল তৈরির পর তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। এরপর মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি তারিখ নির্বাচন করে তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেবেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে। তবে এবার এই প্রক্রিয়া এখনো শুরুই হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা বোর্ডের এক কর্মকর্তা রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ চলছে। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হবে না। আমাদের অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এই কাজগুলো শেষ করতে কিছুটা সময় লাগবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার ফল এখনো প্রস্তুত হয়নি। কিছু কাজ বাকি আছে। সেগুলো দ্রুত শেষ করার জন্য বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত গত ২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী প্রায় ১৪ লাখ। গতবারের চেয়ে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৩৩ হাজার ৯০১ জন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঢাবির হলগুলোতে বেড়েছে সর্দি-কাশি ‘রুমমেটরা আতঙ্কিত হতে পারে, তাই অনেকে টেস্ট করাচ্ছে না’

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩০ জানুয়ারি, ২০২২ ৯:২২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ঢাবির হলগুলোতে বেড়েছে সর্দি-কাশি ‘রুমমেটরা আতঙ্কিত হতে পারে, তাই অনেকে টেস্ট করাচ্ছে না’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হলগুলোর অধিকাংশ শিক্ষার্থীই ‘সর্দি-কাশি’তে ভুগছেন। করোনার প্রাথমিক লক্ষণ হলেও শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই বিষয়টিকে দেখছেন সিজনাল ফ্লু হিসেবে। হল প্রশাসন বলছে করোনা টেস্ট করাচ্ছে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা হাতেগোনা।

    রবিবার (২৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি সর্দি-কাশির চিকিৎসা নিতেই আসছে অধিকাংশ শিক্ষার্থী।

    স্যার এ এফ রহমান হলের শিক্ষার্থী আবদুর রহিম বলেন, ‘কয়েকদিন হালকা সর্দি-কাশি। ডাক্তার দেখাইনি। প্যারাসিটামল খাচ্ছি। করোনা তো এখন সিজনাল ফ্লু হয়ে গেছে। তাই আর আতঙ্কে নেই। যতটুকু পারছি স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টা করছি।’

    আরেক শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘সর্দি-কাশি শীতকালে এমনিতে সবারই হয়। এ জন্য হলেই আছি। করোনা টেস্ট বাড়তি ঝামেলা মনে হচ্ছে।’

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শামসুন্নাহার হলের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বললেন, ‘হলে অনেকেরই সর্দি-কাশি রয়েছে। সবাই বিষয়টাকে স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছে। রুমমেটরা আতঙ্কিত হতে পারে, তাই অনেকে টেস্ট করাচ্ছে না। আবার, যার পজিটিভ আসবে, তাকে তো আইসোলেশনে থাকতে হবে।’

    হলের শিক্ষার্থীরা করোনা টেস্ট কেমন করাচ্ছে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও বিজয় একাত্তর হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুল বাছির বলেন, ‘করোনা টেস্ট করাচ্ছে খুবই কম। তবে এখন পর্যন্ত কোনও শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত হয়ে হলে অবস্থান করছে বলে আমাদের জানা নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাস্ক ব্যাবহার নিয়ে উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। সর্দি-কাশিকে তারা সিজনাল ফ্লু হিসেবেই দেখছে। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে তাদের আরও সচেতন হওয়া উচিত।’

    শামসুন্নাহার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক লাফিফা জামাল জানান, ‘হল প্রশাসনের কাছে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই। অনেকেরই জ্বর-সর্দি-কাশি আছে। কেউ কেউ টেস্ট করাচ্ছে। যাদের পজিটিভ আসছে তারা বাড়িতে চলে যাচ্ছে। পজিটিভ হওয়ার পর হলে আছে এমন শিক্ষার্থী নেই।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮টিতেই নেই ভিসি-ট্রেজারার

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩০ জানুয়ারি, ২০২২ ৯:১১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮টিতেই নেই ভিসি-ট্রেজারার

      ভিসি (ভাইস-চ্যান্সেলর), প্রো-ভিসি (ভাইস-চ্যান্সেলর) ও ট্রেজারার— যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম সঠিকভাবে চলতে এই তিনটি পদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, এ তিন পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর। ‍কিন্তু অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরের পর বছর কাউকে নিয়োগ না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চালাচ্ছেন মালিকরা।

      এদিকে, চ্যান্সেলর কর্তৃক এই তিন পদে নিয়োগ না দেওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে লাল তালিকাভুক্তি করার ঘোষণা দেওয়া হলেও তা বাস্তাবায়ন করেনি তদারক সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। গত সেপ্টেম্বর মাসে এ ঘোষণা দেওয়ার ৫ মাস পরও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

      বর্তমানে দেশে ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৪০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত ভিসি-ট্রেজারার দুটি পদই রয়েছে। আর বাকি ৬৮টিতে দুটি পদই শূন্য। অন্যদিকে, শুধু প্রো-ভিসি পদ শূন্য ৮২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

      জানতে চাইলে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, যেকোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত ভিসি-ট্রেজারার থাকা জরুরি। সেটা না থাকলে তো চ্যান্সেলরের প্রতিনিধি হিসেবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ আর থাকলো না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনেও সেটাই বলা আছে। তবে প্রো-ভিসি না থাকলে আমরা কিছু বলি না। অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রো-ভিসির পদ শূন্য আছে।

      বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, এ তিন পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় চ্যান্সেলর। তবে প্রাথমিক কাজটি করে থাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইউজিসির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে প্রস্তাব আসার (প্যানেল) পর তারাই সরকারের কাছে এসব পদে নিয়োগের জন্য প্রস্তাব পাঠায়। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যায়।

      আইন অনুযায়ী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এই তিন পদে নিয়োগ দিতে একেকটি পদের বিপরীতে তিনজন অধ্যাপকের নাম প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সেগুলোর ইউজিসির মাধ্যমে যাচাই করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতি একজনকে নিয়োগ দেন।

      তবে দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ম না মেনে নিজেরাই এসব পদ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বছরের পর বছর শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালায়। অভিযোগ রয়েছে, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের প্যানেল সরকারের কাছে না পাঠিয়ে নিজেদের মতো করে একটি প্যানেল পাঠায়। পরে সেটি আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরত আসে। এরপর থমকে যায় এই নিয়োগ প্রক্রিয়া। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড এবং মালিকরা তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব দিয়ে কাজ চালিয়ে নেয়।

      লাল তালিকায় ভিসি-ট্রেজারারবিহীন বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে কিনা, জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, এসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সময় দেওয়া হয়েছিল। এরমধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি-ট্রেজারারের তালিকা পাঠিয়েছে, আবার অনেক পাঠায়নি। আগামীতে বসে আমরা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।

      ভিসি-ট্রেজারার আছে যে ৪০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি, লিবারেল আর্টস বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি, জেড এইচ সিকদার বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ফেনী ইউনিভার্সিটি, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি, শেখ ফজিলাতুন্নোছা মুজিব ইউনিভার্সিটি, রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সৈয়দপুর, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কুমিল্লা, ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চট্টগ্রাম, বান্দরবান ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব বি. বাড়িয়া, ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচম্যান্ট এন্ড টেকনোলজি এবং আরটিএম আল-কবির টেকনিক্যাল ইউনির্ভাসিটি।

      প্রো-ভিসি আছে মাত্র ২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রো-ভিসি আছে- নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, স্টেট ইউনির্ভাসিটি, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, গ্রীন ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, লিবারেল আর্টস বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, হামদর্দ ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, চট্টগ্রাম।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রথম ধাপে একাদশে ভর্তির সুযোগ পায়নি ১২ হাজার জিপিএ-৫ ধারী

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৯ জানুয়ারি, ২০২২ ২২:১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        প্রথম ধাপে একাদশে ভর্তির সুযোগ পায়নি ১২ হাজার জিপিএ-৫ ধারী

        এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রকাশিত প্রথম ধাপের ফলে নাম আসেনি ১২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর। একই সঙ্গে এক লাখ ১৯ হাজার আবেদনকারী প্রথম ধাপে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আসন সীমিত থাকায় ও ভালো মানের কলেজগুলোতে বেশি আবেদন হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

        শনিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় একাদশ শ্রেণির ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

        বিষয়টি নিশ্চিত করে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সারাদেশে ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৩ জন আবেদন করে। সেখান থেকে প্রথম ধাপে ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ২২৬ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে। আবেদনের মধ্যে শিক্ষার্থীরা যেসব কলেজ নির্বাচন করেছে, তার মধ্য থেকেই ফলাফলের ভিত্তিতে তারা ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

        তিনি বলেন, আসন সীমিত থাকায় ও ভালো মানের কলেজগুলোতে বেশি আবেদন হওয়ায় এক লাখ ১৯ হাজার আবেদনকারী প্রথম ধাপে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তার মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী ১২ হাজার ১৬০ জন ভর্তির সুযোগ পায়নি।

        মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ঢাকা মহানগরের মধ্যে মিশনারি কলেজে পাঁচ হাজারের মতো আসন রয়েছে। সেখানে অনেক জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে। যারা প্রথম ধাপে কলেজ পায়নি তারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আবেদন করবে। প্রথম ধাপের মতো বাকি দুই ধাপে ভর্তির জন্য নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

        গত ৮ জানুয়ারি উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের অনলাইন ভর্তির আবেদন শুরু হয়। আবেদন শেষ হয় ২৩ জানুয়ারি রাত ১২টায়।

        আগে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদনের সুযোগ থাকলেও এবার শুধু অনলাইনেই আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়। ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ২ মার্চ থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা।

        ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে যারা এসএসসি পাস করেছে তারা আবেদন করতে পেরেছে। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা ২২ বছর বয়সেও আবেদন করতে পেরেছে।

        যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি ও দাখিলের ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছে তারা ১৫ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করলেও ফল পরিবর্তনকারীরা ২২ ও ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পায়। ২৪ জানুয়ারি ছিল পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৯ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:৫৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ

          শনিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ৮টায় অনলাইনে একাদশে ভর্তির ওয়েবসাইট (xiclassadmission.gov.bd)- ফল প্রকাশ করা হয়।

          ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ২২৬ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। মোবাইলে এসএমএস এবং ভর্তির ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে।

          ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৪১ জন একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল।

          নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ বাদে রেজিস্ট্রেশন ফি ২২৮ টাকা (ওয়েবসাইটে উল্লেখিত অপারেটরের মাধ্যমে) জমা দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করতে হবে। তবে পরবর্তীতে মাইগ্রেশন হলে শিক্ষার্থীকে নতুন করে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে না অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে না।

          শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির তারিখ ১৯ থেকে ফেব্রুয়ারি ২৪ পর্যন্ত। ক্লাস শুরুর তারিখ ২ মার্চ।

          উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য গত ৮ জানুয়ারি অনলাইনে এবং এসএমএসে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে ২৩ জানুয়ারি শেষ হয়।

          আগামী ২ মার্চ থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

          ভর্তির যাবতীয় তথ্য ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত